বঙ্গবন্ধুকে হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে না নামা লজ্জার: দুদক চেয়ারম্যান

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:১৪, আগস্ট ১৫, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:১৫, আগস্ট ১৫, ২০২০

দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদদুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, জাতির পিতার খুনিরা ১৫ আগস্ট জাতির ললাটে কলঙ্কের তিলক এঁকে দিয়েছিল। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে এ কলঙ্কের তিলক বয়ে বেড়াতে হবে। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করে আমি বা আমরা রাজপথে নেমে আসি নাই- এটাই আমাদের লজ্জা। খুনিদের বিচার করে লজ্জার আংশিক মোচন হতে পারে, কিন্তু পরিপূর্ণ মোচন কখনই হতে পারে না।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল এসব কথা বলেন। এর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ইকবাল মাহমুদ বলেন, আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ২য় বর্ষের ছাত্র। ১৪ আগস্ট আরামবাগের এক আত্মীয়র বাসায় ছিলাম। পরদিন নতুন জামা পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবো। শতাব্দীর মহানায়ক জাতির পিতাকে ২য় বারের মতো দেখতে। হৃদয়ের গভীর ছিল এক চরম উত্তেজনা । কিন্তু ঘাতকদের নিষ্ঠুরতায় জাতির পিতাকে দ্বিতীয়বার দেখার সৌভাগ্য আর আমার জীবনে ঘটেনি। তাই আমি বলবো, কেউ স্বীকার করুক বা না করুক জাতির পিতাকে রক্ষা করতে না পারা এবং হত্যার পরে প্রতিবাদে রাজপথে নেমে না আসতে পারার লজ্জা আমাদের চিরদিন বহন করতে হবে।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দেশের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই জাতির পিতা দেশের উন্নয়নের ভিত্তি রচনা করে গেছেন। দেশকে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব আমাদের সকলের।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বার বার দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীপ্ত উচ্চারণ করেছেন। তার বক্তৃতায় বার বার উঠে এসেছে ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীপ্ত শপথ। তাই আসুন, আমরা দৃঢ়ভাবে শপথ নিই, আমরা নিজেরা দুর্নীতিমুক্ত থেকে দুর্নীতি দমনে আমাদের আইনি দায়িত্ব নির্মোহভাবে পালন করবো।
দুদকের প্রশাসন অণুবিভাগের মহাপরিচালক জহির রায়হানের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান, এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখ্‌ত, দুদকের মহাপরিচালক আবদুন নূর মুহম্মদ আল ফিরোজ, রেজানুর রহমান, পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

/আরজে/এমআর/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ