ট্রান্সফ্যাটজনিত হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়েই চলেছে

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:২৬, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:২৬, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০

হৃদরোগকার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা হৃদরোগ পৃথিবীজুড়েই মৃত্যুর একক কারণ হিসাবে শীর্ষে। আর যেসব কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে ট্রান্সফ্যাট তারমধ্যে অন্যতম এবং আশঙ্কার কথা ট্রান্সফ্যাটজনিত হৃদরোগে মৃত্যুর সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১৫টি দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ বলে জানিয়েছে প্রগতির জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা)। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়ে প্রজ্ঞা বলেছে, ট্র্যান্সফ্যাট রোধ করতে কোনও নীতিমালা এখনও নাই। এই নীতিমালার অভাবেই মূলত ট্রান্সফ্যাটজনিত হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়েই চলেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞা জানায়, আগামীকাল মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবস। এবছরের প্রতিপাদ্য, ‘হৃদয় দিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধ’।
প্রজ্ঞা জানায়, বাংলাদেশে প্রতিবছর দুই লাখ ৭৭ হাজার মানুষ হৃদরোগে মারা যায়, যার মধ্যে চার দশমিক ৪১ শতাংশের জন্যই দায়ী ট্রান্সফ্যাট। আর বিশ্বে ট্রান্সফ্যাট এর কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় প্রায় দুই লাখ ৫০ হাজার মানুষ। ট্রান্সফ্যাটের প্রধান উৎস পারশিয়ালি হাইড্রোজেনেটেড অয়েল বা পিএইচও, যা বাংলাদেশে ডালডা বা বনস্পতি ঘি নামে পরিচিত।
সম্প্রতি ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট এর গবেষণায় ঢাকার পিএইচও নমুনার ৯২ শতাংশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশকৃত মাত্র দুই শতাংশের চেয়ে বেশি ট্রান্স ফ্যাট (ট্রান্স ফ্যাটি এসিড) পাওয়া গেছে।
প্রতি ১০০ গ্রাম পিএইচও নমুনায় সর্বোচ্চ ২০ দশমিক ৯ গ্রাম পর্যন্ত ট্রান্সফ্যাট এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, যা ডব্লিউএইচও’র সুপারিশকৃত মাত্রার তুলনায় ১০ গুণেরও বেশি।

প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণে সারাবিশ্ব একত্রিত হচ্ছে, তাই এক্ষেত্রে বিলম্ব করার কোনও সুযোগ বা অজুহাত থাকতে পারে না। খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ এমন এক সাশ্রয়ী পদক্ষেপ যা একইসঙ্গে হৃদরোগজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যুঝুঁকি হ্রাস এবং অসংক্রামক রোগ সংক্রান্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৩.৪ অর্জনে সহায়তা করবে।

/জেএ/এমআর/

লাইভ

টপ
X