অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলের চক্রান্ত চলছে: ১৪ দল

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৯ এপ্রিল ২০১৬, ১৬:১৫আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০১৬, ১৬:১৫

নাসিম অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলের চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট। তাদের দাবি, গুপ্তহত্যার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা চলছে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুক্রবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের মুখপাত্র, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ অভিযোগ করেন।
এদিন জোটের বৈঠকে রাজধানীর কলাবাগানে জোড়া হত্যার ঘটনায় আগামী ৮ মে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জনসভা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হত্যার ঘটনায় রাজশাহী মহানগরে ১৪ মে প্রতিবাদ সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ১৪ দলের দপ্তর বিষয়ক সমন্বয়ক মৃণাল কান্তি দাস।
তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করতে ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি-জামায়াত জোট। আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিলো। তখন ১৪ দল শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনায় সকল ষড়যন্ত্র মেকাবেলা করেছে।
নাসিম বলেন, দেশের পরিস্থিতি যখন স্থিতিশীল হচ্ছে। বাংলাদেশ যখন জাতীয়-আন্তর্জাতিকভাবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন একটি মহল চক্রান্ত শুরু করেছে। ধারাবাহিকভাবে একই ধরণের কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। যার উদ্দেশ্য একটাই, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারকে বিব্রত ও বিপর্যস্ত করা। এই সরকারকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে চাপে ফেলা।

আরও পড়ুন: ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে দেশকে বের করে এনেছে সরকার’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যারা নৈরাজ্য করতে ব্যর্থ হয়েছে, তারাই গুপ্ত হত্যার মাধ্যমে একাত্তরের ঘাতকদের বিচার বন্ধ করতে চায়। জাতীয়-আর্ন্তজাতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করেও এ বিচার বন্ধ করা যায়নি। এই বিচার হচ্ছে, হবে। অতীতে যেমন ১৪ দল সকল চক্রান্ত মোকাবেলা করেছে। আজকেও বিএনপি-জামায়াত জোটের যে কোনও চক্রান্ত জনগণকে সঙ্গে নিয়েই মোকাবেলা করবে।

হত্যাকাণ্ডের ১৪ দল উদ্বিগ্ন জানিয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হতে হবে। আমাদের নির্বাচিত সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই এ ধরণের ঘটনা মোকাবেলা করতে হবে।

পিএইচসি/এজে

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী