আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি তাদের গঠনতন্ত্রের সাত ধারা বাদ দিয়ে দুর্নীতিবাজদের সুখবর দিয়েছে। দুর্নীতির দায়ে যারা অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত তারা সবাই বিএনপির নেতা হতে পারবেন।’ বুধবার (২৮ মার্চ) দুপুরে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এসব কথা বলেন তিনি। সেখানে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে মানববন্ধন হচ্ছিল।
হাছান মাহমুদের অভিযোগ, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নশীল দেশের পথে এগিয়ে যাওয়ার সময় বিশ্বজুড়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে বিএনপি। তার কথায়, “বিএনপির একমাত্র উদ্দেশ্য এখন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে রক্ষা করা। তারা দুজনই দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত। মা পাঁচ বছর ও পুত্র ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত।’
জার্মান গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘বেরটেলসম্যান স্টিফটুং’-এর এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এখন স্বৈরশাসনের অধীনে। এ প্রসঙ্গে জার্মান প্রতিষ্ঠানটির সমালোচনা করেন হাছান মাহমুদ। তার ভাষ্য, ‘বাংলাদেশকে স্বৈরাচারী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা জার্মান গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির কোনও অস্তিত্ব নেই। এটা একটি নামসর্বস্ব, প্যাডসর্বস্ব ভুয়া প্রতিষ্ঠান। তাদের কোনও অফিস নেই, চেয়ার-টেবিল নেই। শুধু ওয়েবসাইটেই সীমাবদ্ধ তারা। আমাদের দেশেও এমন কিছু প্রতিষ্ঠান আছে, যাদের কোনও অস্তিত্ব নেই, টাকার বিনিময়ে তারা কাজ করে থাকে।’
ক্ষমতাসীন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকের মন্তব্য—‘জার্মান প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও ইসরায়েলের মতো দেশের নাম নেই। মিয়ানমারে গণহত্যা হয়, সেখানে সাংবাদিকরা ঠিকমতো লিখতেও পারে না। অথচ তাদের নজরে এসব দেশ নেই। খবরটি শুধু বিবিসির অনলাইন মাধ্যমে ছাপা হয়েছে। এটা দেখেই বিএনপির নেতাকর্মীরা লাফালাফি শুরু করেছেন।’
বিএনপিতে কোনও স্থায়ী সদস্য নেই দাবি করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘বিএনপির স্থায়ী সদস্য শুধু খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান। বাকিরা সবাই অস্থায়ী। কারণ, বিএনপি হঠাৎ হয়ে গেছে। ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট গ্রহণকারীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল এটি। একসময়ের বামপন্থী ফখরুল (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) নিজের আদর্শ বিকিয়ে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট গ্রহণ করেছেন। বহু ঘাটে পানি খাওয়া মওদুদ আহমদও ক্ষমতার উচ্ছিষ্টের জন্য বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন।’








