বর্তমানে দেশে গণমাধ্যমের মুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, “গণমাধ্যম সঠিকভাবে সংবাদ পরিবেশন করলে সমাজে সন্ত্রাস থাকবে না। ঘুষ কমে যাবে। আমরা মনে করি সমাজ পরিচ্ছন্নভাবে পরিচালিত হওয়ার একমাত্র ভিত্তি গণমাধ্যম। তাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কোনও বিকল্প নেই। সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করলে দেশের গণমাধ্যম এগিয়ে যাবে।”
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাঁগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
রিজভী বলেন, “বর্তমান পরিসর এবং পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আজকে একটি মুক্ত পরিবেশ আমরা পাচ্ছি। এখানে সব থাকবে। বিরোধী দল মুক্তকণ্ঠে সরকারের সমালোচনা করবেন। একটি গণতান্ত্রিক সমাজ এবং রাষ্ট্র গড়ে ওঠার প্রত্যয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভই হচ্ছে এই গণমাধ্যম।”
তিনি আরও বলেন, “একটা সময় ছিলো যখন মত প্রকাশের স্বাধীনতা বা মানুষের কথা বলা ছিল গুরুতর অন্যায়। সেই মুহূর্তেও গণমাধ্যমকর্মীরা যতটুকু স্পেস পেয়েছে, সেটুকু তারা প্রচার করতে প্রকাশ করতে কখনও দ্বিধা করেনি।”
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে গণমাধ্যম কর্মীদের ওপর বিভিন্ন নিপীড়নের কথা তুলে ধরে বলেন, “তখন গণতান্ত্রিক দলগুলোর আশ্রয়স্থল ছিল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি। তবে জাতীয় প্রেসক্লাবের কতিপয় সাংবাদিক নেতা সরকারের তৎকালীন সরকারের পদলেহন করেছেন।” তিনি অভিযোগ করেন, কেউ কেউ জানিয়েছেন জুলাই আন্দোলনে প্রেসক্লাব থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে সময়ের প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায়। এ সময় তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন শাসনামলে সাংবাদিকদের ওপর অন্যায় হস্তক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন।








