নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ২০২৫ সালের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। হিসাব অনুযায়ী গত বছর তাদের আয়ের থেকে ২৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৯৫ টাকা বেশি ব্যয় হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে দলের আয়-ব্যয়ের এই হিসাব জমা দেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। সে হিসাব থেকেই এসব তথ্য জানা গেছে।
জামায়াতে ইসলামীর জমা দেওয়া হিসাবে দেখা যায়, ২০২৫ সালে দলটি আয় করেছে ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ২৪ হাজার ১৩৯ টাকা। আর সে বছর ব্যয় করেছে ২৩ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৩৪ টাকা।
আরও জানা গেছে, দলটির কাছে বর্তমানে আছে ১৫ কোটি ৪৯ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৮ টাকা। এর মধ্যে নগদ আছে ৭ কোটি ৫১ লাখ ১৩ হাজার ৬৫ টাকা এবং ব্যাংকে আছে ৭ কোটি ৯৮ লাখ ৩১ হাজার ৩৬৩ টাকা। এছাড়া ২০২৪ সালে আয়-ব্যয় শেষে দলটির কাছে ১৫ কোটি ৭৩ লাখ ৭ হাজার ২২৩ টাকা ছিল বলে উল্লেখ করা হয়।
দলের আয় থেকে ব্যয়ের পরিমাণ কেন বেশি তা জানিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, গত বছর আমরা বেশি কাজ করেছি, তাই ব্যয় বেশি হয়েছে।
দলের ব্যয়ের খাত প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমাদের অফিস ম্যানেজমেন্ট একটা বড় খরচ আছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের মিটিং, সমাবেশ, বৈঠক, নেতাদের সফর, নেতারা বিভিন্ন জায়গায় মিটিং, বড় আকারের জনসভা-এগুলোতে বড় আকারের খরচ হয়।
এ সময় দলের আয়ের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে জুবায়ের বলেন, আমাদের আয়ের উৎস হচ্ছে, নেতাকর্মীরা নিয়মিত দান-অনুদান, নিয়মিত চাঁদা দেন। দ্বিতীয় হচ্ছে, আমাদের দলের সুধী ও শুভাকাঙ্খীরা আছেন দান করেন। তৃতীয় হচ্ছে, আমাদের বিভিন্ন প্রকাশনা থেকে আয় হয়।

জামায়াত কি আসলেই শরিয়াভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে চায়?







