দুর্নীতি ও লুটপাট ওবায়দুল কাদেরের কাছে পূর্ণিমার আলো: রিজভী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:২৮, জুলাই ০৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:২৮, জুলাই ০৭, ২০২০

রুহুল কবির রিজভীদেশের সব খাতই ‘আকণ্ঠ দুর্নীতিতে’ নিমজ্জিত বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন সরকারের এসব দুর্নীতির খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। দুর্নীতি ও লুটপাটই হচ্ছে আওয়ামী লীগের ওবায়দুল কাদের কাছে পূর্ণিমার আলো। তাই তাদের ব্যর্থতার সমালোচনা শুনলেই সেটিকে তারা অন্ধকার বলে মনে করছে।’

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘করোনার সংকটেও আজগুবী তথ্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করছে বিএনপি। পূর্ণিমার রাতেও বিএনপি অমবস্যার অন্ধকার দেখতে পায়।’

এর জবাবে রিজভী বলেন, ‘বিএনপি জাতিকে বিভ্রান্ত করছে না বরং জাতির সামনে প্রতিনিয়ত সঠিক তথ্য তুলে ধরছে। নিষ্কর্মার ঢেঁকি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অযোগ্যতা ও তার আত্মীয়স্বজন এবং ক্ষমতাসীনদের সিন্ডিকেটের দুর্নীতির কারণে স্বাস্থ্যসেক্টর ভেঙে পড়েছে। করোনার টেস্ট না করিয়েই দেওয়া হচ্ছে করোনার রিপোর্ট। বিনা চিকিৎসায় পথে ঘাটে মারা যাচ্ছে মানুষ। কবরস্থানে লাশ দাফনের জায়গা নেই।’

সরকার করোনার নমুনা পরীক্ষাও নিয়ন্ত্রণ করছে দাবি করে রিজভী বলেন, ‘এই উচ্চ সংক্রমণের সময়ও কেন করোনা পরীক্ষা কমে গেল? তার কি কোনও উত্তর দিতে পারবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক? কয়েকদিন আগে ১৫-১৬ হাজার জনের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছিলো। এখন তা ১১-১২ হাজারে নেমে এসেছে।  এর অর্থ সরকার জবরদোস্তিমূলকভাবে করোনার সংক্রমণ কম এটি জনগণকে দেখানোর জন্য করোনার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করছে।’

এখন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসায় ১ শত টাকার মধ্যে ব্যক্তির পকেট থেকে ব্যায় হয় ৬৬ টাকা বলে মন্তব্য করেন রিজভী।

তিনি বলেন, ‘এবারের কাল্পনিক বাজেটেও সরকারের টার্গেট হচ্ছে ব্যাংক থেকে ব্যাপক পরিমাণে ঋণ নেওয়া। এই ঋণ জনকল্যাণের কাজে ব্যবহৃত হবে না, মেগা প্রজেক্টের নামে লুটপাটেই শেষ হয়ে যাবে।’

সরকারি দলের লোকদের দুর্নীতির কাহিনী শুনলে গা শিওরে ওঠে বলে দাবি করে রিজভী বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার রিজেন্ট হাসপাতালে করোনার সঠিক পরীক্ষা না করে হাজার হাজার মানুষদের দেওয়া হয়েছে করোনার পরীক্ষার ভুল রিপোর্ট। এইভাবে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে হাসপাতালটি।’

 

 

/এএইচআর/এফএস/

লাইভ

টপ