সাতক্ষীরায় ৫ দিন ছুটি কাটিয়ে বুধবার থেকে ফের অনুশীলনে ফিরেছেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ। এদিন চার ওভার বোলিং করেছেন। একদিন পর পর অনুশীলন থাকায় বৃহস্পতিবার বিরতি দিয়ে শুক্রবার আবার বোলিং করবেন।
মূলত গত ১ নভেম্বর থেকে মুস্তাফিজ বল হাতে নেন। গত তিন সপ্তাহে এরপর থেকেই ধীরে ধীরে তার বোলিংয়ে উন্নতি ফুটে উঠতে থাকে। মুস্তাফিজ নিজেও বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছিলেন ধীরে ধীরে ছন্দ ফিরে পাচ্ছেন।
এতদিন ফিজিও বায়েজেদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে অনুশীলন করলেও এখন নতুন ফিজিও ডিন কনওয়ের তত্ত্বাবধানে বোলিং করছেন। আর প্রথম দিনেই প্রত্যাশার চেয়ে বেশি দেওয়ায় মুস্তাফিজের ওপর খুশি ছিলেন জাতীয় দলের নতুন এই ফিজিও। মুস্তাফিজ যেন ক্রিকেটের ৩ ফরম্যাটেই দীর্ঘমেয়াদে খেলতে পারে সে লক্ষ্যে তিনি কাজ করবেন বলেও সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন। যদিও তিনি বলেছেন মুস্তাফিজ ডিসেম্বরের আগে ফিট হতে পারবে না। ম্যাচ খেলার মতো ফিট হতে কমপক্ষে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লেগে যাবে।
এ প্রসঙ্গে ডিন কনওয়ে বলেছেন, ‘আমার মনে হয় অস্ট্রেলিয়া রওনা হওয়ার আগেও যদি সে পুরো শক্তিতে বোলিং করতে পারে, তার পরও ম্যাচ খেলার মতো ফিট হতে তার আরও তিন-চার সপ্তাহ লাগবে। যারা এখন বিপিএল খেলছে, তাদের বেলায়ও এটা প্রযোজ্য। কারণ সেখানে (নিউজিল্যান্ড) তাদের লম্বা স্পেলে বোলিং করতে হবে।’
ডিন কনওয়ের কথা অনুযায়ী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে মুস্তাফিজের খেলা এক প্রকার অনিশ্চিতই। কেননা বাংলাদেশ ২৬ ডিসেম্বের থেকে ৩১ ডিসেম্বর তিনটি ওয়ানডে খেলবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলে; ১২-১৬ এবং ২০-২৪ জানুয়ারি দুটি টেস্ট খেলবে।
ডিন কনওয়ের মতে, ‘জানুয়ারির শুরুতে তাকে পাওয়া যেতে পারে। তবে একটু সময় লাগলেও তিন ফরম্যাটে যেন খেলতে পারে, সেভাবে মুস্তাফিজকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।
ডিসেম্বরের মধ্যে মুস্তাফিজের অনিশ্চয়তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ডিন কনওয়ে, ‘বুধবার সে (মুস্তাফিজ) ২৪টি বল করেছে। আমার মনে হয় (আগেভাগে মাঠে নামলে) বোলিংয়ের চেয়েও ঝুঁকিটা বেশি ফিল্ডিংয়ের সময় ডাইভ দেওয়া বা অন্য কোনও কারণে পড়ে গেলে। ম্যাচ খেলার মতো পূর্ণাঙ্গ ফিটনেস না অর্জন করে মাঠে নামা উচিত হবে না।’
/আরআই/এফআইআর/








