অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতকে ৪৭.২ ওভারে ১৭৭ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। প্রথমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে আকবর আলীদের চাই ১৭৮ রান।
দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। সতর্ক শুরু করে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। সপ্তম ওভারে দিব্যাংশ সাক্সেনাকে (২) ফেরান অভিষেক দাস। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ভারতীয় ওপেনারের ক্যাচ নেন মাহমুদুল হাসান জয়।
এরপর যশস্বী জয়সাওয়াল ও তিলক ভার্মা ক্রিজ আঁকড়ে পড়ে ছিলেন। তাদের ৯৪ রানের শক্ত জুটি ভাঙেন তানজিম হাসান সাকিব। তার বলে ৩৮ রানে শরিফুল ইসলামের ক্যাচ হন তিলক। অধিনায়ক প্রিয়ম গর্গ বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। ৭ রানে তানজিদ হাসানের ক্যাচ হন, উইকেটটি নেন রাকিবুল হাসান।
ভারতকে অল্প রানে আটকে রাখতে বড় ভূমিকা শরিফুলের। ৪০তম ওভারের পঞ্চম বলে জয়সাওয়ালের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। ৮৯ বলে ফিফটি করা ওপেনার টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরির পথে ছিলেন। কিন্তু শরিফুলের স্লোয়ারে শর্ট মিডউইকেটে তানজিদের সহজ ক্যাচ হন। ১২১ বলে ৮ চার ও ১ ছয়ে ৮৮ রানে থামেন জয়সাওয়াল। পরের বলে সিদ্ধেশ বীরকেও এলবিডাব্লিউ করেন বাঁহাতি পেসার।
এই ধাক্কায় ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং অর্ডার। টানা দুই ওভারে দুটি রান আউট হয়। ৪৩তম ওভারে রাকিবুলকে পয়েন্টে মেরেছিলেন ধ্রুব জুরেল। রান নেওয়ার জন্য তিনি দৌড়ালেও নন স্ট্রাইকে থাকা অথর্ব আনকোলেকার দৌড়াননি। তাতে দুজনই একপ্রান্তে ছিলেন, আর স্ট্রাইকিং প্রান্তে শামীম হোসেনের থ্রোয়ে উইকেটকিপার আকবর স্টাম্প ভাঙেন। তাতে সেট ব্যাটসম্যান জুরেল ২২ রানে আউট হন। কে আউট হয়েছেন, সেটা জানতে থার্ড আম্পায়ারের বেশ সময় লাগে। পরের ওভারে রবি বিশনয়কে (২) রান আউট করেন শরিফুল।
অভিষেক পরের ওভারের প্রথম ও শেষ বলে দুটি উইকেট নেন। বোল্ড হন আনকোলেকার (৩)। কার্তিক ত্যাগী রানের খাতা না খুলে আকবরের গ্লাভসে ধরা পড়েন। উইকেট হারানোর মিছিল কিছুক্ষণের জন্য থেমেছিল আকাশ সিংয়ের সঙ্গে সুশান্ত মিশ্রের জুটিতে। অবশ্য ৫ রানের বেশি তারা যোগ করতে পারেননি। ৪৮তম ওভারে সাকিবের দ্বিতীয় বলে ডিপ থার্ড ম্যানে সুশান্তের (৩) দারুণ ক্যাচ ধরেন শরিফুল। তাতে ২০০ রানের অনেক আগেই গুটিয়ে যায় চারবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত।
বাংলাদেশের পক্ষে অভিষেক সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। দুটি করে পান সাকিব ও শরিফুল।








