সেমিফাইনালের মতো মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি। বৃহস্পতিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ফিরে যান বাংলাদেশের দুই ওপেনার।
অথচ এই দুই ওপেনার টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন। তাই সেমিফাইনালে কোচ ও অধিনায়ক এই দুই ওপেনারকে নিয়ে স্বপ্নের জাল বুনেছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার নিজের ভুলেই আত্মাহুতি দিলেন দুই ওপেনার। পিনাক ঘোষ (০) হোল্ডারের বলে সাজঘরের পথ ধরেন। অন্য দিকে সাইফ হাসানও ফিরে যান ১০ রানে।
আগের ম্যাচগুলোতেও এই ধারা অব্যাহত ছিল সাইফ-পিনাকের। মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানরা নিয়মিত হাল না ধরলে ভুগতে হতো বাংলাদেশকে!
গ্রুপ পর্বের ৩টি ম্যাচের পাশাপাশি একটি কোয়ার্টার ফাইনাল ও একটি সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি প্রতিপক্ষ বোলারদের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। বিশেষ করে যাকে নিয়ে প্রত্যাশার মাত্রা বেশি ছিল সেই সাইফ হাসান এক কথায় ছিলেন ব্যর্থ! এই টুর্নামেন্টের ৫টি ম্যাচ খেলা সাইফ হাসান মোট সংগ্রহ করেছেন ৭৮ রান।
অন্যদিকে তার সঙ্গে নামা পিনাক ঘোষও নিজের কারিশমা দেখাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। ৫ ম্যাচে ৩ বারই রানের খাতা না খুলে আউট হয়েছেন এই ওপেনার। তার মোট সংগ্রহ ৭৫ রান।
গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচের মধ্যে ওপেনিং জুটিতে সর্বোচ্চ রান এসেছে ৩০। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে সাইফ-পিনাক মিলে ৫৭ বলে করেছেন ৩০ রান। পরের দুই ম্যাচে ছিল আরও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। পিনাক রানের খাতা না খুলেই আউট হয়েছেন। অন্যদিকে নামিবিয়ার বিপক্ষে স্কোরবোর্ডে এক রান তুলেই জুটি ভাঙে জুনিয়র টাইগারদের।
এরপর নেপালের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ১৭ রান তুলতেই পিনাক-সাইফের জুটি ভাঙে। এছাড়া বৃহস্পতিবারও মিরপুরের দর্শকরা ব্যর্থ ওপেনিং জুটিকেই পরখ করলো। পিনাক রানের খাতা না খুলে আউট হলেও সাইফ করেছেন ১০ রান।
৩ ম্যাচে সাইফ হাসানের সর্বোচ্চ রান স্কটিশদের বিপক্ষে করা ৪৯। অন্যদিকে পিনাক ঘোষের দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে করা ৪৩ রান। ওই ম্যাচগুলোতে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানরা দায়িত্ব না নিলে হয়তো চরম মূল্য দিতে হতো মিজানুর রহমান বাবুলের শিষ্যদের!
/আরআই/ এফআইআর/







