এই বছর মার্চে আফগানিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এশিয়ার দেশটিতে তালেবানের নারীদের ওপর কড়াকড়ির কারণে তা বাতিল হয়েছিল। সেই ম্যাচগুলো হলে মাঠেই আফগানিস্তান সম্পর্কে ভালো একটা ধারণা হতে পারতো অজিদের। বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও হয়ে যেতো। সম্ভবত ভুলই করেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। মঙ্গলবার তাদের কঠিন পরীক্ষাই দিতে হচ্ছে। কারণ আফগানিস্তান ব্যাট হাতে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলো তাদেরকে। টানা চতুর্থ জয়ের লক্ষ্যে ৫ উইকেটে ২৯১ রান করেছে আফগানরা। বিশ্বকাপে এটাই তাদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। মুম্বাইয়ে রান তাড়া করার রেকর্ড গড়তে হবে অজিদের।
৩৮ রানে উদ্বোধনী জুটির সঙ্গী রহমানউল্লাহ গুরবাজকে (২১) হারান ইব্রাহিম। অষ্টম ওভারে তার বিরুদ্ধে এলবিডব্লিউর রিভিউ নিয়ে ব্যর্থ হয় অস্ট্রেলিয়া। তারপর থেকে অজি বোলারদের শাসন করেছেন ইব্রাহিম। রহমত শাহকে (৩০) নিয়ে ৮৩ রানের জুটি গড়ে ওই ধাক্কা সামলে নেন তিনি। অধিনায়ক হাশমতউল্লাহর (২৬) সঙ্গে ৫২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন এই ওপেনার। উইকেট ধরে রেখে বড় পুঁজি সংগ্রহে অবদান রাখেন ইব্রাহিম।
৬২ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা ইব্রাহিম ক্যারিয়ারের পঞ্চম শতক হাঁকান ৪৪তম ওভারে, হয়ে যান দেশের ইতিহাসের অংশ। বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান তিনি।
শেষ দিকে ইব্রাহিমের সঙ্গে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও রশিদ খানের ক্যামিও ইনিংস দুর্দান্ত ভূমিকা রাখে। ১৮ বলে ২ চার ও ৩ ছয়ে ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন রশিদ। ইব্রাহিমের সঙ্গে ২৮ বলে ৫৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন তিনি। শেষ দুই ওভারে ৩০ রান তোলেন দুজন। ইব্রাহিম ১৪৩ বলে ৮ চার ও ৩ ছয়ে ১২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন জশ হ্যাজেলউড।
এখন দেখার অপেক্ষা অস্ট্রেলিয়া এই মাঠে রানা তাড়া করে জেতার রেকর্ড গড়ে নাকি আফগানিস্তান সেমিফাইনালের লড়াই আরও উন্মুক্ত করে দেয়।








