দিন, তারিখ আগেই ঠিক ছিল। জাতীয় লিগের চতুর্থ রাউন্ড খেলেই লংগার ভার্সন ক্রিকেট থেকে বিদায় নেবেন ইমরুল কায়েস। সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন সকালে খুলনা বড় ব্যবধানে হেরে যায়। আর তাতেই শেষ হয়ে গেলো তার লংগার ভার্সন ক্রিকেটের অধ্যায়। ম্যাচের দ্বিতীয় দিনেই হার দেখছিল খুলনা। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ঢাকাকে মাত্র ১০৩ রানের লক্ষ্য দেয় খুলনা। সোমবার সকালে খেলতে নেমে ১ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৭.২ ওভারেই জিতে যায় ঢাকা।
বিদায়ী ম্যাচটিতে ইমরুল নিজেও ব্যক্তিগতভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। দুই ইনিংস মিলে করেছেন ১৭ রান। পারফরম্যান্স দিয়ে বিদায়টি স্মরণীয় না হলেও তাকে উপযুক্ত সম্মান দিতে ভোলেননি তার সতীর্থরা। তাকে কাঁধে চড়িয়ে মাঠ থেকে বাইরে নিয়ে আসেন তারা।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে রবিবার শেষ বিকালে অলআউট হয় খুলনা। প্রথম ইনিংসে ১২ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯১ রানে অলআউট হলে তাদের লিড টেনেটুনে একশ ছাড়ায়। জবাবে খেলতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় ঢাকা। জয়রাজ শেখ রানের খাতা না খুলেই আল আমিন হোসেনের কাছে এলবিডব্লিউ হন। এরপর আর ঢাকার কোনও উইকেট নিতে পারেননি খুলনার বোলাররা। দ্বিতীয় উইকেটে রনি তালুকদার ও আরিফুল ইসলামের অবিচ্ছিন্ন ১০৪ রানের জুটিতে ৯ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে ঢাকা। এই জয়ে ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার সাত নম্বরে অবস্থান করছে তারা। রনি ৬২ ও আরিফুল ৪২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
ম্যাচ শেষে সতীর্থদের কাঁধে চড়ে মাঠ ছাড়েন ইমরুল। দুই পাশে ছিলেন এনামুল হক বিজয় ও তরুণ প্রজন্মের ক্রিকেটার শেখ পারভেজ জীবন। দুইজনের কাঁধে ভর দিয়েই মাঠ ছাড়তে দেখা গেছে ইমরুলকে। বিদায়টা ভালো না হলেও সতীর্থরা তাকে রোমাঞ্চকর অনুভূতি দিয়েছেন। এরপর বিসিবি তার আগে বিদায়ী ক্রেস্ট তুলে দেন। এরপর সংবাদ সম্মেলনে এসে ইমরুল ক্যারিয়ার নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দেন।









