৭ রানে ২ উইকেট হারানোর পর তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৫৫ বলে ৬৯ রানের জুটি গড়তে অবদান রাখেন লিটন দাস। দ্রুত এরপর ২ উইকেট হারালে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটে শামীম হোসেন-লিটনের জুটিটা হয় ৩৯ বলে ৭৭ রানের। যেখানে শামীমের অবদান ক্যামিও একটি ইনিংস। তবু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি জয়ে লিটনকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন শামীম।
১৩ ইনিংস পর হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন লিটন। ওয়ানডের বাজে পারফরম্যান্স বহন করছিলেন টি-টোয়েন্টিতেও। প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার পর তাকে ঘিরে তীব্র সমালোচনাও হচ্ছিল। এমন সমালোচনা এবং চাপ নিয়েই রবিবার মাঠে নামেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন। তবে চাপকে সামলে অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেন তিনি। বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ বলে ১ চার ও ৫ ছক্কায় ৭৬ রানের ইনিংস খেলে দলের স্কোরকে ১৭৭ রানে নিয়ে যেতে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
শামীমের কাছে তাই লিটনের এই ইনিংসের গুরুত্ব অনেক। ম্যাচ শেষ সংবাদ সম্মেলনে এসে শামীম ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব দিলেন লিটনকেই, ‘তা তো অবশ্যই। অনেক ভালো ব্যাটিং করেছে লিটনদা। অনেক টার্নিং একটা পয়েন্ট। ভালো শুরু করতে পেরেছি বলেই ভালো ফিনিশিং আমরা দিতে পেরেছি। দলের জন্য এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।’
শামীম আরও বলেছেন, ‘আসলে তখন মাঝেমধ্যে গেম একটু স্লো করতে হয়। তাই একটা ভালো পার্টনারশিপ দরকার ছিল। যেহেতু শেষের দিকে আমাদের ভালো ব্যাটসম্যান আছে, তাই সেটা আমরা কভার করতে পারতাম সহজে। ফলে হৃদয় আর লিটন দাসের ইনিংসটা খুবই দরকার ছিল।’
আগের ম্যাচে ৫ বল খেলে ১৪ রান করে আফসোস বাড়িয়েছিলেন শামীম। গতরাতে খেলেছেন ২৭ বলে ৪৮ রানের ইনিংস। এই ইনিংস খেলার পর লঙ্কান ইনিংসের শুরুতে ডিরেক্ট থ্রোতে কুশল পেরেরাকে রান আউট করে স্বাগতিকদের শুরুর ধাক্কা দিয়েছিলেন। নিজের ব্যাটিং নিয়ে শামীম বলেছেন, ‘এবিডির (ডি ভিলিয়ার্স) ব্যাটিং পছন্দ করি আমি। সবসময়ই পজিটিভ থাকার ট্রাই করি। আর টি-টোয়েন্টি খেলাটাই হলো পজিটিভনেসের। যত (পজিটিভ) থাকবো, আমি মনে করি তত ভালো।’
আগামী বুধবার কলম্বোয় সিরিজের শেষ ম্যাচ। ম্যাচটি জিততে পারলে আগের দুই ফরম্যাটে সিরিজ হারের ক্ষত কিছুটা হলেও প্রশমিত করতে পারবে বাংলাদেশ। ১-১ সমতায় ফেরার পর শামীম সিরিজ জয়ের সুযোগ দেখছেন, ‘এখন আমরা সমতায় আছি। সিরিজটা জেতার সুযোগ আছে। আশা করি, ভালো করতে পারলে সিরিজ জিততে পারবো ইনশাল্লাহ।’








