জিম্বাবুয়েতে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে চার ম্যাচ খেলে চারটিতেই জিতেছে নিউজিল্যান্ড। বৃহস্পতিবার তারা জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে লিগ পর্ব শেষ করেছে। অপরাজিত থেকে ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে ব্ল্যাক ক্যাপরা।
টিম সেইফার্ট ও রাচিন রবীন্দ্রের একশ ছাড়ানো জুটিতে ৬ উইকেটে ১৯০ রান করে নিউজিল্যান্ড। তারপর ১৮.৫ ওভারে ১৩০ রানে তারা জিম্বাবুয়েকে অলআউট করে ৬০ রানে জিতেছে।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে তৃতীয় ওভারে টিম রবিনসনকে হারায় নিউজিল্যান্ড। ৯ রান করে রিচার্ড এনগারাভার শিকার হন তিনি। তারপর সেইফার্ট ও রাচিনের ৬৮ বলে ১০৮ রানের জুটিতে বড় স্কোরের ভিত গড়ে তারা।
৩২ বলে পাঁচ চার ও দুই ছয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেন রাচিন। দুজনের জুটি একশ ছাড়ায় ৬৩ বলে।
এনগারাভা রাচিনকে ফেরান। ১৪তম ওভারে তাকে ৭৫ রানে আউট করেন। ৪৫ বলে ৯ চার ও ১ ছয়ে সাজানো ছিল কিউই ব্যাটারের ইনিংস। একই ওভারে মার্ক চাপম্যান ডাক মারেন।
তিনোতেন্দা মাপোসার জোড়া আঘাতের পরও সেইফার্ট প্রতিরোধ গড়েন। ৩৩ বলে পঞ্চাশ করা এই ওপেনার থেমেছেন দেড়শ পার করে। ৩৯ বলে ৭ চার ও ২ ছয়ে ৬৩ রান করেন তিনি।
এনগারাভা ১৭তম ওভারে জোড়া আঘাত হানলেও শেষ দিকে মাইকেল ব্রেসওয়েলের ১৬ বলে ২৬ রানের ক্যামিও ইনিংসে প্রায় দুইশ রান করে নিউজিল্যান্ড।
এনগারাভা ৩৪ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের সেরা বোলার।
লক্ষ্যে নেমে ইশ সোধির স্পিনে দাঁড়াতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। নিজের প্রথম দুই ওভারে তিন উইকেট নেন কিউই স্পিনার। ২৮ রানে তিন উইকে হারায় স্বাগতিকরা। অষ্টম ওভারে ৪৪ রানে ৫ উইকেট নেই তাদের।
এরপর টনি মুনিওঙ্গা ও তাশিঙ্গা মুসেকিভার ৩৪ বলে ৫১ রানের জুটিতে জিম্বাবুয়ের প্রতিরোধ। ইনিংস সেরা ৪০ রান করে মুনিওঙ্গা আউট হলে এই জুটি ভাঙে।
তারপর জিম্বাবুয়েকে গুটিয়ে দিতে বেশি সময় নেয়নি নিউজিল্যান্ড। মুনিওঙ্গা ছাড়া ডিয়ন মায়ার্স (২২) ও মুসেকিভা (২১) দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন।
সোধি ৪ ওভারে ১২ রান দিয়ে চার উইকেট নেন। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। দুটি ম্যাট হেনরি।
আগামী শনিবার হারারেতেই হবে ফাইনাল ম্যাচ।








