অবশেষে ফেরানো গেছে কুপার কনোলিকে। অভিষেক হওয়া আব্দুল গাফফারের দুই বলে ছক্কা ও চার মারার পর তৃতীয় বলে আউট হয়েছেন কনোলি। বাউন্ডারির কাছে তাঁর ক্যাচ নিয়েছেন শরীফুল। ২৭ বলে ৪৭ রান করে আউট হয়েছেন কনোলি। এর পরপরই আউট হন টিম ডেভিড। মেহেদি হাসানের বলে ১৬ বলে ২০ রান করে আউট হন তিনি।
১৩২ রানের লক্ষ্যে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। নতুন বলে আক্রমণে আসা শরীফুল ইসলাম প্রথম আঘাত হানেন— জস ইংলিসকে বোল্ড করে দেন তিনি। ১৩ রানেই প্রথম উইকেট হারায় সফরকারীরা।
এরপর আসে মোস্তাফিজের শিকার। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে আপার কাট খেলতে গিয়েছিলেন অধিনায়ক মিচেল মার্শ, কিন্তু টাইমিং ঠিক হয়নি। বল উঠে যায় শর্ট থার্ডে, যেখানে দুর্দান্ত রিফ্লেক্সে এক হাতে দারুণ এক ক্যাচ নেন শরীফুল ইসলাম নিজেই। ১৪ বলে ১৩ রান করে ফেরেন মার্শ। কনোলি করেন ২৭ বলে ৪৭ রান।
১২ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৯৪ রান, হারিয়েছে ৪ উইকেট।
এর আগে চট্টগ্রামের বীর শ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া বাংলাদেশ লড়াকু পুঁজি গড়লেও সহজ যাত্রা পায়নি। ইনিংসের শেষ ওভার বাকি থাকতেই গুটিয়ে যায় তারা ১৩১ রানে।
পাওয়ার প্লেতে ভালো শুরু করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে— একশো রান পার হওয়ার আগেই ফিরে যান আট ব্যাটসম্যান। শেষ দিকে লড়াইটা টিকিয়ে রাখেন মেহেদী হাসান— ২২ বলে অপরাজিত ২৯ রানের ইনিংসে শেষ জুটিতে যোগ করেন ১২ বলে ২৩ রান। তার এই ইনিংসই বাংলাদেশকে লড়াই করার মতো একটা সংগ্রহ এনে দেয়।









