জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। অন্তত আবুধাবির ব্যাটিং-সহায়ক উইকেটে ২৭০ রান জয়ের মতো সংগ্রহই ছিল- এমনটা মনে করেন তাসকিন আহমেদ। কিন্তু ব্যাটাররা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারেননি। ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের বড় হারের পর ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের এই পেসার।
শনিবার শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৩.৪ ওভারে মাত্র ১৭২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। অথচ বল হাতে ভালো শুরুর পর ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছিল তাদের সামনে। তাসকিন নিজে তিনটি উইকেটও নিয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাটিংয়ের বেহাল দশায় সেই লড়াই শেষ পর্যন্ত কাজে আসেনি।
লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ব্যর্থতাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে সর্বশেষ ১০ ইনিংসের আটটিতেই ২৪০ বা তার বেশি রান তাড়া করতে পারেনি দলটি। পূর্ণকালীন ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে তাওহীদ হৃদয়ের প্রথম ম্যাচেও সেই চিত্রের পরিবর্তন হয়নি। টুর্নামেন্ট থেকে চোটের কারণে ছিটকে গেছেন লিটন দাস। তবে অভিজ্ঞ এই ব্যাটারের অনুপস্থিতিকে হারের অজুহাত হিসেবে দেখাতে রাজি নন তাসকিন।
ম্যাচের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘২৭২ রান অবশ্যই তাড়া করা সম্ভব ছিল, অন্তত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।’
তাসকিনের মতে, একটি জুটি গড়তে পারলেই ম্যাচের চিত্র বদলে যেতে পারত। তিনি বলেন, ‘আমরা আসলে ভালো খেলিনি। এই রান তাড়া করা উচিত ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা একটিও জুটি গড়তে পারিনি। একটি জুটি হলে ম্যাচটা বের করে আনতে পারতাম। কিন্তু ব্যাটিংয়ে বারবার একই ধরনের ভুল হচ্ছে।’
বোলিংয়ে কিছুটা ধারাবাহিকতা ফিরলেও ব্যাটিংয়ে সেই উন্নতি দেখা যাচ্ছে না বলে মনে করেন তাসকিন। তার ভাষায়, ‘বোলিংয়ে অন্তত কিছুটা ধারাবাহিকতা এসেছে বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু আমার মনে হয়, এই ম্যাচটা আমাদের ব্যাটারদেরই জেতানো উচিত ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা পারেনি। তারপরও একটি ম্যাচ বাকি আছে। আশা করি, আমরা ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারব এবং ফাইনালে খেলতে পারব।’