গত ১০ মে দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া ফুটবল ফেডারেশন (সোয়াফ) নামে একটি নতুন সংস্থায় যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে এ নিয়ে দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি কিছুটা বিপাকে। এশীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এ বিষয়ে জানতে চেয়েছে বাফুফের কাছে। বাফুফে অবশ্য এরই মধ্যে এএফসিকে নিজেদের ব্যাখ্যা দিয়েছে।
আগামী ৩১ মে সোয়াফের সভায় যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে বাফুফে এ নিয়ে দ্বিধায়। বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, ‘আমরা সোয়াফের সভায় যাব কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদের সব দিক ঠিক রেখে ফুটবল চালাতে হয়। দেখা যাক কী হয়!’
সংগঠনের আর্টিকেল ১০ ও ক্লজ ১ (পি) অনুযায়ী, সোয়াফে যোগ দেওয়া সব দেশের কাছেই ব্যাখ্যা চেয়েছে এএফসি। বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আত্মপক্ষ সমর্থন করে বললেন, ‘আমরা জেদ্দার সভায় যোগ দিয়ে কোনও ভুল করিনি, শৃঙ্খলাও ভঙ্গ করিনি। ওখানে যা হয়েছে সেটা এএফসিকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। আর্টিকেল অনুযায়ী এএফসির এ বিষয়ে জানার অধিকার আছে। সব কিছু বোঝার জন্যই তারা আমাদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে।’
বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। তবে জানা গেছে, সোয়াফ চাইছে দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন সাফ তাদের সঙ্গে একীভূত হয়ে যাক। যদিও আপাতত সেই সম্ভাবনা কমই বলা যায়।
সম্প্রতি এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম দেখা করেছেন সোয়াফের সভাপতি আদেল বিন মোহাম্মদ এজ্জাতের সঙ্গে। সভা শেষে শেখ সালমান বলেছেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। এএফসির পাঁচটি অঞ্চল আছে। তাদের সঙ্গে নতুন সংগঠনটির কাজের দিক দিয়ে কোনও সমস্যা হবে না।’
সোয়াফের সদস্য হিসেবে বার্ষিক পাঁচ লাখ ডলার পাওয়ার কথা বাংলাদেশের। পাশাপাশি অন্য সুবিধা তো পাবেই।
আরও পড়ুন:








