সোচিতে বিশ্বকাপের শেষ কোয়ার্টার ফাইনাল গড়াল অতিরিক্ত সময়ে। প্রথমে গোল করেও প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকে শেষ করতে পারেনি রাশিয়া। বিরতির আগেই সমতা ফেরায় ক্রোয়েশিয়া। বাকি ৪৫ মিনিট আর কেউ গোলের দেখা পায়নি। ১-১ গোলে নির্ধারিত সময় পার হওয়ায় ম্যাচের সময় বেড়ে দাঁড়াল আরও ৩০ মিনিট।
৬ মিনিটে আন্তে রেবিচের শট ইগোর আকিনফেভ ব্যর্থ করে দেন। কিছুক্ষণ পর মারিও মানজুকিচ ৮ গজ দূর থেকে শট নিলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
সোচির গ্যালারি উৎসবে মেতে ওঠে ম্যাচ ঘড়ির কাঁটা আধঘণ্টা পার হওয়ার পরই। গত দুই ম্যাচে মাত্র একটি করে শট নেওয়া রাশিয়াকে চমৎকার গোলে এগিয়ে দেন দেনিস চেরিশেভ।
৩১ মিনিটে জিউবার দারুণ অ্যাসিস্টে বল পায়ে নিয়ে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের শটে গোলপোস্টের বাঁ দিক দিয়ে জালে জড়ান ভিয়ারিয়াল স্ট্রাইকার। ডেনমার্কের বিপক্ষে শেষ ষোলোতে দারুণ সব সেভ করা সুবাসিচ বল ঠেকানোর কোনও সুযোগ তৈরি করতে পারেননি।
বেশিক্ষণ লিড ধরে রাখতে পারেনি রুশরা। ৩৯ মিনিটে মানজুকিচের কাট ব্যাক পাস থেকে ক্রামারিচের হেড জালে জড়ায়।
বিরতির পর রাশিয়ার দুটি সুযোগ নষ্ট হয় দুর্বল হেডে। ৬২ মিনিটে কর্নার থেকে আর্তেম জিউবার হেড সহজে ধরেন সুবাসিচ। ৭২ মিনিটে ফের্নান্দেসের ক্রস থেকে এরোখিনের হেড ক্রসবারের উপর দিয়ে চলে যায়।
তবে ক্রোয়েশিয়ার দুর্ভাগ্য যে ৫৯ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারেনি। ইভান পেরিসিচের ৮ গজ দূর থেকে নেওয়া শট বাঁ পোস্টে লেগে গোলমুখের ডান দিক দিয়ে চলে যায়।
চেরিশেভের বদলি নামা স্মোলোভ শেষ ইনজুরি সময়ের চতুর্থ মিনিটে বক্সের ডান দিক থেকে গোলমুখে আড়াআড়ি শট নেন। শক্তিশালী শটটি প্রতিহত করলেও ধরে রাখতে পারেননি সুবাসিচ। দেহান লভরেন বল বিপদমুক্ত করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে এই তিনটি সুযোগ নষ্ট হলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
এর আগে বিশ্বকাপে স্বাগতিকদের বিপক্ষে দুটি ম্যাচই খেলে হেরেছিল ক্রোয়েশিয়া। ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের কাছে সেমিফাইনালে ২-১ গোলের পর গত আসরে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের কাছে ৩-১ গোলে হারে তারা।








