‘ফুটবলের জন্ম ইংল্যান্ডে’ দাবি করলেও বিশ্বকাপে তাদের সাফল্য বলতে একটি শিরোপা। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে জিওফ হার্স্টের বিতর্কিত গোলে শিরোপার মধুর স্বাদের পর কেটে গেছে ৫২ বছর। মাঝে শুধু ১৯৯০ সালের সেমিফাইনালই বিশ্বকাপে বলার মতো স্মৃতি। দীর্ঘ ২৮ বছর পর শেষ চারে ওঠা ইংল্যান্ডের সামনে কী অপেক্ষা করছে? বাংলাদেশ ফুটবল দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডে’র ধারণা, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে আজ টাইব্রেকারে যেতে পারলে ইংল্যান্ডই জিতবে।
টাইব্রেকার মানেই ১২০ মিনিট তীব্র লড়াইয়ের পর অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি হওয়া। বাংলাদেশের কোচও মনে করেন, ম্যাচটা সহজ হবে না ইংল্যান্ডের জন্য। দুই সপ্তাহের সফরে বাংলাদেশ দল এখন কাতারে। আগামী বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ থেকেই বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে ইংল্যান্ডের কঠিন ম্যাচ হবে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাচ্ছি। মনে হচ্ছে, ম্যাচটি টাইব্রেকারে যেতে পারে। আর টাইব্রেকারে গেলে ইংল্যান্ডই জিতবে। টাইব্রেকারে ইংল্যান্ডের সাফল্য নিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী।’
এবারের বিশ্বকাপে একটি ম্যাচেই পেনাল্টি শুট আউটের সামনে দাঁড়িয়েছে ইংল্যান্ড, শেষ ষোলোর লড়াইয়ে কলম্বিয়ার বিপক্ষে। অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়া আগের দুটি নক-আউট ম্যাচই জিতেছে টাইব্রেকারে, শেষ ষোলোতে ডেনমার্ক আর কোয়ার্টার ফাইনালে স্বাগতিক রাশিয়ার বিপক্ষে। তবু গোলপোস্ট থেকে ১২ গজের লড়াইয়ে বাংলাদেশ কোচের ফেভারিট ইংল্যান্ড।
রাশিয়ায় ইংল্যান্ডের সাফল্যের পেছনে কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের বিশাল অবদান। তার কোচিং তত্ত্ব অনুসরণ করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন কেইন-স্টার্লিংরা। ইংল্যান্ড কোচের প্রশংসা করে বাংলাদেশ কোচের মন্তব্য, ‘সাউথগেট ভালো করছেন, তরুণ খেলোয়াড়দের নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। ১৯৯০ সালে আমাদের দল সেমিফাইনালে হেরে গিয়েছিল। দেখা যাক এবার কী করে!’








