স্পেশাল অলিম্পিক ইউনিফায়েড কাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে উঠলেও খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। জার্সি বিভ্রাটের কারণে ম্যাচের ঠিক আগে বাংলাদেশ দলকে ‘ডিসকোয়ালিফাইড’ ঘোষণা করেছে আয়োজক কমিটি। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে এমন কেলেঙ্কারিতে স্পেশাল অলিম্পিক কমিটির কর্মকর্তারা বিব্রত। এই ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা।
ইউনিফায়েড কাপে গ্রুপের তিন ম্যাচের দুটিতে জিতে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ চারের লড়াইয়ের ঠিক আগে বাধে বিপত্তি। বাংলাদেশের ‘১২’ নম্বর জার্সিতে ছিল সমস্যা। ‘১২’ সংখ্যাটি জার্সির পেছনে হাতে লিখে গ্রুপের তিনটি ম্যাচ খেলেছিল লাল-সবুজ দল। গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স এ নিয়ে অভিযোগ জানায় আয়োজক কমিটির কাছে। আর কমিটি সেমিফাইনালের ঠিক আগে ‘ডিসকোয়ালিফাইড’ ঘোষণা করে বাংলাদেশকে।
বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ায় ভীষণ ক্ষুব্ধ স্পেশাল অলিম্পিক কমিটির ন্যাশনাল ডিরেক্টর ফারুকুল ইসলাম। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘কেন বাংলাদেশের সব পয়েন্ট কেটে নেওয়া হলো? কেন দলকে ডিসকোয়ালিফাইড ঘোষণা করা হলো? খেলোয়াড়রা তো এত কিছু বোঝে না। দলের সঙ্গে কোচ-কর্মকর্তারা ছিলেন। তারা কী করেছেন?’
ফারুকুল ইসলাম জানিয়েছেন, দল ঢাকায় ফিরলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, ‘দলের কর্মকর্তাদের কাছে এ বিষয়ে রিপোর্ট চাওয়া হবে। তারপরই তদন্তের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। স্পেশাল অলিম্পিকের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের অবস্থান ভালো। কিন্তু জার্সি কাণ্ডে আমাদের দীর্ঘ দিনের সুনাম ধূলিসাৎ হয়েছে। মাত্র একটা জার্সির জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের সম্মান নষ্ট হয়েছে। আমি মনে করি, দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শাস্তি তাদের পেতেই হবে।’
আরও পড়ুন:
জার্সি বিভ্রাটে বাংলাদেশ ‘ডিসকোয়ালিফাইড’







