মেসি ও আলভারেজের গোলে ৩-০ গোলে সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে এগিয়ে আর্জেন্টিনা। আর্জেন্টিনার প্রথমার্ধের খেলা দেখে পুরান ঢাকার অলিগলিতে মেসি স্লোগানে মেতেছে তরুণরা।
রাজধানীর কবি নজরুল সরকারি কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী সরকারি কলেজ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, তিতুমীর কলেজ, ঢাকা কলেজে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি পুরান ঢাকার স্থানীয়রা আর্জেন্টিনার সেমিফাইনালে ম্যাচ উপভোগ করছেন।
সেমিফাইনালের আর্জেন্টিনার এই খেলা উপভোগ করতে পুরান ঢাকাজুড়ে অসংখ্য বড় পর্দা লাগানো হয়েছে। বাহাদুর শাহ পার্ক, কবি নজরুল কলেজ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ পুরান ঢাকার অলিগলিতে বড় পর্দায় হাজার হাজার দর্শকের সমাহার ঘটেছে। কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থী ও আর্জেন্টাইন সমর্থক শহিদুল বলেন, মেসির দুর্দান্ত গোলে আমরা প্রথম হাফে এগিয়ে যাই। এই ম্যাচে ডি-মারিয়া কে মিস করছি। তবে তার শূন্যতা বাকি সবাই পূরণ করিয়ে দিয়েছে। আলভারেজের তুলনা হয় না। তার তুলনায় সে নিজেই। আর্জেন্টিনার পরবর্তী ইয়ংস্টার।
আর্জেন্টিনার আরেক সমর্থক রাজন বলেন, মেসি ও আলভারেজের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। আর্জেন্টিনার উচিত হবে, এখন দুই স্তরের ডিফেন্স তৈরি করা। ক্রোয়েশিয়াকে কোনভাবেই আক্রমণাত্মক খেলতে না দেওয়া। ক্রোয়েশিয়া নিঃসন্দেহে ভালো দল। নয়তো তারা ব্রাজিলকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠতে পারতো না। আর্জেন্টিনার এখন সতর্ক হয়ে খেলা উচিত।
নোমান উদ্দিন নামের আরেক আর্জেন্টাইন সমর্থক বলেন, আর্জেন্টিনার খেলা সব সময় মনে আতংক সৃষ্টি করে। আর্জেন্টিনা হারলে সেদিন আর ঠিক মতো ঘুমাতে পারি না। আশা করি আজকে রাত জেগে খেলা দেখাটা সার্থক হবে।
আর্জেন্টিনার গোলে আনন্দ উল্লাসে মুখরিত পুরো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। আজকের এই ম্যাচ জিতলেই বহুল প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপ জয়ের কেবলমাত্র ফাইনাল ম্যাচ বাকি থাকবে।
তানজির আহমেদ নামের আর্জেন্টিনার আরেক সমর্থক বলেন, বিশ্বকাপের শুরুতেই আমি আমার বাসায় আর্জেন্টিনার পতাকা দিয়ে সাজিয়েছি। আর্জেন্টিনা দলের খেলা দেখা আমি কখনও মিস করিনি। আমি মেসির অনেক বড় ভক্ত। আজকেও মেসির পায়ের জাদু দেখলাম।








