পূর্ব আফ্রিকার ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র সেশেলস। শৌখিন ফুটবলাররাই তাদের মূল অস্ত্র। বাংলাদেশে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে এসে প্রথমটিতে হেরেছে তারা। হারলেও গোল শোধে যেভাবে সুযোগ তৈরি করেছিল, তা ছিল দেখার মতোই। প্রথম ম্যাচ হেরে এখন আহত বাঘের মতো গর্জন করার চেষ্টা তাদের। যেভাবেই হোক, কালকের ম্যাচ জিতে অন্তত ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার তীব্র ইচ্ছা। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে দলটির কোচ ভিভিয়ান বোথের অবয়বে জয়ের ক্ষুধার তেজ যেন ঠিকরে বেরিয়ে আসছিল।
সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাকক্ষে ৫৩ বছর বয়সী কোচ জয়ের বিষয়ে কোনও আপসের কথা বলেননি। সরাসরি বলেছেন, ‘আমাদেরকে কাল অবশ্যই জিততে হবে। গত ম্যাচে ১-০ গোলে হারের পর আমাদের এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই। আমরা এখনও জয়ের বিষয়ে আশাবাদী। টিম স্পিরিট ভালো। আমরা বিশ্বাস করি ভালো একটা ম্যাচ খেলতে পারবো। দলের লক্ষ্য পরিষ্কার- জয়।’
এই ম্যাচে একাদশে ৩-৪ জন খেলোয়াড়ের পরিবর্তন আসার ইঙ্গিত মিলেছে। কোচ যখন জয়ের তীব্র ইচ্ছা পোষণ করছিলেন ঠিক তখনই বাংলাদেশ প্রসঙ্গ নিয়ে প্রশ্ন ছুটে গেলো তার দিকে। নাইজেরিয়ান বংশোদ্ভুত এলিটা কিংসলে কেমন খেলেছেন, এনিয়েও প্রশ্নের উত্তর দিতে হলো তাকে, ‘বাংলাদেশের কিছু ভালো দিক আছে। আবার কিছু দুর্বলতাও আছে। আমরা সেগুলো নিয়ে ভেবেছি। ওদের দুই ডিফেন্ডার (তপু ও তারিক) ও মধ্যমাঠে জামাল ভূঁইয়ার খেলা চোখে পড়েছে। এছাড়া কিংসলেকে প্রথম একাদশে দেখতে পারলে ভালো লাগবে। তাকে একাদশে শুরু থেকে দেখতে চাই!’
নিজেদের দলের ওপর এতটুকু আত্মবিশ্বাস কমেনি বোথের। দলের ওপর আস্থা তার প্রবল, ‘আমি জানি আমার দল কীভাবে খেলে। আমি একটু মেশানোর চেষ্টা করবো। কিছু তরুণ খেলোয়াড়ের সঙ্গে কিছু অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে মেশাবো, যারা প্রথম একাদশে আগের ম্যাচে ছিল না তাদের কয়েকজন আসবে। আমার বিশ্বাস আমরা সফল হবো। বাংলাদেশ দল আমাদের টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ করেছে, আমরাও করেছি। আমরা যদি মাঝমাঠে আরেকটু আক্রমণাত্মক খেলি, তাহলে আমরা আরও ভালো করবো।’
কোচের মতো অধিনায়ক স্টেনিও ম্যানমারিও আত্মবিশ্বাসে ভরপুর। জেতার তীব্র ইচ্ছার কথা তার মুখেও শোনা গেল, ‘কালকের ম্যাচে আমাদের অবশ্যই জিততে হবে। আমাদের প্রথমে একটা গোল করতে হবে এবং এরপর দ্বিতীয় গোলের সন্ধান করতে হবে। আমাদের এখনও সুযোগ আছে। আগের ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে আমরা ভালো ইনটেনসিটি দেখিয়েছি। আমরা শক্তিশালীভাবে ম্যাচে ফিরেছি। আমরা কালকের ম্যাচে আরও ভালো করার আর জেতার চেষ্টা করবো।’









