দুই দিন আগে ব্রেন্টফোর্ডকে হারিয়ে নিউ ক্যাসেল ইউনাইটেডকে ছুঁয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। শনিবার এভারটনকে ২-০ গোলে হারিয়ে তাদের পেছনে ফেলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের তিন নম্বরে উঠলো এরিক টেন হ্যাগের শিষ্যরা।
স্কট ম্যাকটমিনে ও অ্যান্থনি মার্সিয়াল দুজনেই ক্লাবের জার্সিতে বছরের প্রথম প্রিমিয়ার লিগ গোল করেছেন। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে স্বাগতিকরা কয়েকটি সুযোগ নষ্টের পর ম্যাকটমিনে গোলমুখ খোলেন। মার্সিয়াল বেঞ্চ থেকে উঠে এসে গোলের দেখা পান। তাতে সেপ্টেম্বর থেকে ঘরের মাঠে অজেয় মর্যাদা ধরে রাখে ম্যানইউ।
বক্সের বাইরে থেকে ৫ মিনিটে ম্যাকটমিনের ডানপায়ের শট অনেক উঁচু দিয়ে চলে যায়। তিন মিনিট পর মার্কাস র্যাশফোর্ডের শট গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ডের বাধায় লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ইংলিশ ফরোয়ার্ডের শট এরপর গোলবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
২১ মিনিটে মার্সেল স্যাবিটাইজারের শট রুখে দেন এভারটন কিপার। পরের মিনিটে অ্যান্টনিকে রুখে দিয়ে ম্যানইউকে হতাশ করেন তিনি। অবশেষে ৩৬ মিনিটে গোলের দেখা পায় স্বাগতিকরা। জ্যাডন সানচোর থ্রু বলে ম্যাকটমিনে ডানপায়ের নিচু শটে ডানকোণা দিয়ে জাল কাঁপান। বিরতিতে যাওয়ার আগে অ্যারন ওয়ান-বিসাকার শট বক্সে ব্লক করে ব্যবধান বাড়তে দেয়নি এভারটন।
৭১ মিনিটে স্কোর ২-০ হয়। র্যাশফোর্ডের অ্যাসিস্টে অ্যান্থনি মার্সিয়াল ডান পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন। ৯ মিনিট পর বক্সের বাইরে থেকে সিমান কোলম্যানের শট রুখে দেন স্বাগতিক কিপার ডেভিড ডি গিয়া। তাতে দুই গোলের লিড ধরে রাখে ইউনাইটেড।
৭৯ মিনিটে কুঁচকির ইনজুরিতে পড়েন র্যাশফোর্ড। পূর্বসতর্কতা হিসেবে চার মিনিট পর চলতি লিগ আসরে ক্লাবের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে মাঠ থেকে উঠিয়ে নেন এরিক টেন হ্যাগ। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছেড়ে টানেলে ঢোকেন দলের তারকা ফরোয়ার্ড।
চলতি মাসে ছয়টি বড় ম্যাচের আগে র্যাশফোর্ডের চোট নিশ্চিতভাবে ম্যানইউর জন্য বড় ধাক্কা। ২৯ ম্যাচ শেষে ৫৬ পয়েন্ট ম্যানইউর। তাদের সঙ্গে ব্যবধান ঘুচাতে ব্রেন্টফোর্ডের মাঠে নামবে নিউ ক্যাসেল (৫৩)।
আগামী ১৩ এপ্রিল সেভিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ইউরোপা লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগ খেলবে ম্যানইউ।









