প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ম্যাচ জেতা রিয়াল মাদ্রিদের অন্যতম ঐতিহ্য। এই মৌসুমেই তারা ১০বার পিছিয়ে পড়ে ম্যাচ জিতে মাঠ ছেড়েছে। সর্বশেষ লাস পালমাসের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ে ছিনিয়ে নিয়েছে ২-১ গোলের জয়। তাতে শীর্ষে ফিরেছে লা লিগার।
গ্রান কানারিয়া স্টেডিয়ামে তিনটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। স্বাগতিক লাস পালমাসকে এগিয়ে নিয়েছিলেন মুনোজ। তার পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও বদলি হয়ে নামা অরেলিয়েঁ চুয়ামেনির গোলে নিশ্চিত হয়েছে জয়। নিষেধাজ্ঞায় খেলতে পারেননি জুড বেলিংহ্যাম।
রিয়াল মাদ্রিদ টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচ জিতেছে। সর্বশেষ ম্যাচেও একই পরিস্থিতিতে পড়ে আলমেরিয়ার বিপক্ষে ৩-২ গোলে জিতেছে তারা। লা লিগায় চলমান মৌসুমে এভাবে তারা ম্যাচ জিতেছে ৬টির মতো। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নজির আছে তিনটি, আরেকটি স্প্যানিশ সুপার কাপে। বার বার ঘুড়ে দাঁড়ানোর এই নজিরে বেঞ্চের শক্তির প্রশংসা করেছেন মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তার মতে এই বেঞ্চের শক্তি আসলে রিয়ালের ঘুরে দাঁড়ানোর মূল রসদ, ‘এই রসদটা আমাদের আছে। বিশেষ করে বেঞ্চে বিকল্প থাকায় তারা উজ্জীবিত হয়ে দলে অবদান রাখতে পারছে।’
এই বেঞ্চের শক্তি গতিপ্রকৃতি পাল্টে দেয় ম্যাচের। সেখানে পর্যাপ্ত খেলোয়াড় থাকায় তৃপ্ত রিয়ালের এই কোচ, ‘সব সময় হয়তো পরিকল্পনা মতো সব কিছু হয় না। তখন আমি বেঞ্চের দিকে তাকাতে পারি। কারণ আমার এত বিকল্প যে তারা ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলে দিতে পারে। আর ছেলেরাও তার জন্য তৈরি থাকে।’
প্রথমার্ধটা ছিল নিষ্প্রভ। বিরতির পরই ম্যাচে প্রাণ ফেরায় লাস পালমাস। আনচেলত্তির মতে এই গোলটাই ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলে দিয়েছে, ‘প্রথমে গোল হজম করাতেই সব কিছু বদলে গেছে। প্রথমার্ধে আমরা আরও বড় পরিসরে যাওয়ার জন্য কৌশলগত পরিবর্তন এনেছিলেন। হয়তো সেটা দর্শনীয় ছিল না। কিন্তু পারফরম্যান্স খারাপও ছিল না।’









