বাইরে কনকনে ঠাণ্ডা, সেদিকে কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। বুয়েন্স আয়ার্সের রাস্তায় রাস্তায় নেমে পড়েছে হাজারো মানুষ। তাদের ফুটবল দল যে আরেকটি সাফল্য এনে দিয়েছে, সেটাই উদযাপন করতে সকাল সকাল বাসা থেকে বেরিয়ে পড়েছে।
পুরো ৯০ মিনিটের খেলায় কলম্বিয়া কিংবা আর্জেন্টিনা কোনও গোল পায়নি। অতিরিক্ত সময়ে বদলি নামা লাউতারো মার্টিনেজ ১১২তম মিনিটে গোল করে গড়ে দিলেন পার্থক্য। স্পেনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় ও প্রথম দক্ষিণ আমেরিকান দল হিসেবে টানা তিনটি মেজর ট্রফি জিতলো আলবিসেলেস্তেরা।
অর্থনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যে দেশবাসীকে আনন্দের উপলক্ষ এনে দিয়েছেন মেসিরা। ২৬ বছর বয়সী পাবলো রুজ বলেছেন, ‘আমরা তাদের কাছ থেকে আর বেশি কিছু চাই না। তারা অবিরাম আমাদের আনন্দ দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি নিত্যদিনের অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে।’
প্রথমার্ধে গোড়ালির চোট পেলেও মেসি খেলে গেছেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আরেকবার চোট পেয়ে ৬৬ মিনিটে মাঠ ছাড়েন তিনি। কাঁদতে কাঁদতে ডাগআউটে যান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তার কান্না আলোড়ন তুলেছে ভক্ত-সমর্থকদের মনে। ১৭ বছর বয়সী দামিয়ান বলেছেন, ‘যখন মেসি কাঁদলো, আমিও কেঁদেছিলাম, কিন্তু এখন আমি খুশি।’
দামিয়ানের মতো সবাই এখন খুশির জোয়ারে মেতেছেন।









