আগামী ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) নির্বাচন হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে কাউন্সিলর বা ভোটারও চূড়ান্ত হয়েছে। তবে ১৩৭ জন কাউন্সিলরের মধ্যে নাম নেই অন্যতম সভাপতি প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের। যদিও নির্বাচনে অংশ নিতে কাউন্সিলর হওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। তবে সরাসরি ভোট দেওয়ার বিষয় রয়েছে। কেন কাউন্সিলর না হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন, এ নিয়ে নানান ব্যাখ্যা দিয়েছেন দুইবারের সহসভাপতি।
শুরুতে তাবিথ কাউন্সিলর কেন হননি ব্যাখ্যায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, 'প্রথমত বাফুফের নির্বাচনে অংশ নিতে কাউন্সিলর হতে হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। কাউন্সিলর হওয়া ছাড়াই নির্বাচনে অংশ নেওয়া যায়। তাই কাউন্সিলর হইনি। সবাই জানে আমাদের পেশাদার লিগে একটি ক্লাব আছে। আমি চাই কাউন্সিলর না হয়েও নিরপেক্ষ থেকে সবকিছু করতে।'
এরপরই দ্বিতীয় কারণটি সামনে নিয়ে আসেন তাবিথ, 'দ্বিতীয়ত, আমি যেহেতু সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছি। তাই কোনও ক্লাব কিংবা জেলা অন্য কোনও সংস্থা থেকে কাউন্সিলর হলে তখন পরবর্তীতে এর প্রতি দুর্বলতা থাকলেও থাকতো। আমার কাছে মনে হয় সভাপতি পদটি সবার জন্য। খেলোয়াড়, কোচ, সংগঠক ও রেফারিসহ সংশ্লিষ্ট সবাই এর অংশীদার। কোনও এক জায়গায় না থেকে সবার প্রতিনিধি হয়ে সভাপতি পদে নির্বাচন করতে চাই। পরবর্তীতে নির্বাচিত হতেও চাই। যাতে করে নির্বাচিত হলে সবার জন্য আমি সমানভাবে কাজ করতে পারি।'
ফুটবলে কিংবা বাফুফে তে সবার প্রতিনিধি হয়ে থাকার ইচ্ছা সাবেক এই ফুটবলারের, ‘কেউ যেন বলতে না পারে আমি কোনও ক্লাবের প্রতিনিধি হয়ে সরাসরি এখানে এসেছি। আমি আসলে সবার প্রার্থী হয়েই নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। ফুটবল উন্নয়নই আমার মূল উদ্দেশ্য। আমি চাইবো আমার মতো যারা প্রকৃত ফুটবলকে ভালোবাসেন, তারা অবশ্যই নির্বাচনে আসবেন। সত্যি বলতে এখান থেকে আসলে আমার নেওয়ার কিছু নেই। বরং ফুটবলে দেওয়ার জন্যই আমি নির্বাচনে আসতে যাচ্ছি।'
সবাইকে নিয়ে কাজ করার বিষয়টি আবারও তুলে ধরেছেন তিনি, ‘আমাদের দেশে ফুটবল অনেক জনপ্রিয় খেলা। আমরা চাইবো সবাই মিলে ধীরে ধীরে খেলাটার জৌলুস আগের মতো ফিরিয়ে আনতে। আমার মনে হয় সবাই মিলে কাজ করতে পারলে ফুটবল তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে।'
এদিকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাফুফের সভায় নির্বাচন কমিশন গঠন হওয়ার কথা রয়েছে। শোনা যাচ্ছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে নতুন কেউ আসতে পারেন।









