লিভারপুল ছাড়তে চান লুইস দিয়াজ। ২০২৭ সাল পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ থাকলেও গত বছরের গ্রীষ্মেই এই ইচ্ছার কথা জানান তিনি। কিন্তু স্কোয়াড ও দলবদলের বাজারের কথা চিন্তা করে তাকে রেখে দেয় ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ক্লাব। প্রস্তাব ও চাহিদার মধ্যে তফাৎ থাকায় চুক্তি বাড়ানোর ব্যাপারে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছিল। বার্সেলোনা ও বায়ার্ন মিউনিখের তীব্র আগ্রহ থাকলেও তাদেরকে ফিরিয়ে দেয় লিভারপুল। শেষ পর্যন্ত দিয়াজ চলেই গেলেন।
দলবদলের গুঞ্জনের কারণে গত শনিবার এসি মিলানের বিপক্ষে লিভারপুলের প্রীতি ম্যাচে দিয়াজকে রাখেননি আর্নে স্লট। রবিবার প্রাক মৌসুমের এশিয়া সফর থেকেও তাকে ছুটির অনুমতি দেওয়া হয়। বুধবার বায়ার্ন নিশ্চিত করলো, দিয়াজের সঙ্গে তারা চুক্তি সেরে ফেলেছে।
বিভিন্ন সূত্রে ইএসপিএন বলছে, চুক্তির মূল্য ৭ কোটি ৫০ লাখ ইউরো। এর মধ্যেই আছে অ্যাড-অনস। বায়ার লেভারকুসেনের জোনাথান তাহ ও হফেনহেইম মিডফিল্ডার টম বিশোফের পর এটি বায়ার্নের চলতি মৌসুমের তৃতীয় চুক্তি।
দিয়াজ খুশিতে আত্মহারা, ‘আমি খুব খুশি। বায়ার্ন মিউনিখের অংশ হতে পারা আমার জন্য অনেক কিছু। তারা বিশ্বের অন্যতম বড় ক্লাব। আমার ফুটবল খেলার ধরন দিয়ে নতুন দলকে সহায়তা করতে চাই। আমার লক্ষ্য সম্ভাব্য সব শিরোপা জেতা এবং একটি দল হিসেবে আমরা সেটাই প্রতিদিন করবো।’
সূত্রগুলো বলছে, লিভারপুল বায়ার্নের ৬ কোটি ৭৫ লাখ ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিল। জার্মান চ্যাম্পিয়নরা পরে তা সাড়ে সাত কোটি করলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও রাজি হয়েছে।
গত মৌসুমে দিয়াজ তার লিভারপুল ক্যারিয়ারের সেরা সময় কাটান। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৭ গোল করেন এবং লিভারপুলকে প্রিমিয়ার লিগ জেতাতে ভূমিকা রাখেন।
২০২২ সালে এফসি পোর্তো থেকে লিভারপুলে যোগ দেন কলম্বিয়ান তারকা। ১৪৮ ম্যাচে ক্লাবের হয়ে ৪১ গোল তার। দিয়াজকে বিক্রি করে ভালোই হলো লিভারপুলের। খেলোয়াড় কেনার খরচের সঙ্গে কিছুটা ভারসাম্য এসেছে। এই মৌসুমে তারা খেলোয়াড় কেনার পেছনে খরচ করেছে ২৯ কোটি পাউন্ড। আর ট্রান্সফারে তাদের রাজস্ব আয় ১৯ কোটি পাউন্ড!









