ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অপরাজিত যাত্রা ধরে রেখেছে চেলসি। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ফুলহামকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা। অবশ্য জয় ছাপিয়ে আলোচনায় ছিল রেফারিং।
বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন রবার্ট জোন্স। ফুলহাম মিডফিল্ডার জশ কিং ২১ মিনিটে গোলের দেখা পেয়েছিলেন। কিন্তু বিল্ডআপে ফাউলের ঘটনা হয়েছে বলে ভার রিভিউতে বাতিল হয় সেই গোল। শুরুর সেই ধাক্কার পর চেলসিকে ৪৫+৯ মিনিটে এগিয়ে দেন জোয়াও পেদ্রো। ফের্নান্দেসের কর্নার থেকে হেড করেছিলেন তিনি। তার পর ৫৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান ফের্নান্দেস। পেনাল্টি এরিয়ায় হ্যান্ডবল করেছিলেন রায়ান সেসেগনন। রেফারিদের জন্য সিদ্ধান্ত যদিও কঠিন ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা চেলসির পক্ষেই গেছে। তবে ফুলহাম কোচ মার্কো সিলভা রেফারি জোন্সের সিদ্ধান্তগুলোতে ক্ষোভ গোপন করেননি। ৩ ম্যাচে দুই জয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে চেলসি অবস্থান করছে শীর্ষে।
টটেনহাম টানা দুই ম্যাচ জিতে মৌসুমের দারুণ সূচনা করলেও তৃতীয় ম্যাচে তাদের ১-০ গোলে হার উপহার দিয়েছে বোর্নমাউথ। পঞ্চম মিনিটে ইভানিলসনের একমাত্র গোলটি হয়ে থাকে জয় নির্ধারক।
এদিকে, শেষ দিকে ব্রুনো ফার্নান্দেসের পেনাল্টিতে নাটকীয় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। বার্নলিকে তারা হারিয়েছে ৩-২ গোলে। এটি ছিল তাদের মৌসুমের প্রথম জয়।
ম্যাচের গতিপ্রকৃতিতে মনে হচ্ছিল ম্যাচ বুঝি ২-২ সমতায় শেষ হবে। ২৭ মিনিটে জশ কুলেনের আত্মঘাতী গোলে লিড নেয় ম্যানইউ। ৫৫ মিনিটে লিল ফস্টার বার্নলিকে সমতায় ফিরিয়েছিলেন। কিন্তু দুই মিনিট বাদে ৫৭ মিনিটে ম্যানইউকে আবার এগিয়ে দেন ব্রায়ান এমবেউমো। তাতেও অবশ্য লাভ হয়নি। ৬৬ মিনিটে গোলমুখে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে স্কোর ২-২ করে ছাড়েন বার্নলির জেইডন অ্যান্থনি। ম্যাচটা ৯০ মিনিটের পর ইনজুরি সময়ে গড়ালে তখনও বোঝা যায়নি নাটকীয়ভাবে শেষ হতে যাচ্ছে ম্যাচ। ৯৭ মিনিটে ম্যানইউ অধিনায়ক ফার্নান্দেস স্পট কিক থেকে কোনও ভুল করেননি।









