জয়ের তাগিদ ছিল না, তাই ঝুঁকিও নেয়নি কেউ। গোলশূন্য এক নিষ্প্রাণ ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করেছে অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়ে। এই ড্রয়ে ডি গ্রুপ থেকে বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এ ওঠা নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। প্যারাগুয়ে অবশ্য নকআউটে জায়গা পাওয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে রানার্সআপ হিসেবে নকআউটে উঠতে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ছিল একটি ড্রয়ের। অন্যদিকে, গ্রুপ পর্বে চতুর্থ পয়েন্ট অর্জন করলে সেরা আট তৃতীয় হওয়া দলের একটি হিসেবে পরের রাউন্ডে ওঠার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত ছিল প্যারাগুয়ের।
ফলে ম্যাচজুড়েই দুই দলই ছিল সতর্ক। আক্রমণে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা ছিল খুবই কম। শেষ ৩২-এ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ হবে মিসর, ইরান ও বেলজিয়ামের গ্রুপের রানার্সআপ দল।
ম্যাচের শুরুটা ভালো করে অস্ট্রেলিয়া। প্রথমার্ধে তারাই ছিল আক্রমণাত্মক। বিপরীতে প্যারাগুয়ে তেমন কোনো হুমকি তৈরি করতে পারেনি। পুরো প্রথমার্ধে তাদের একমাত্র শটটিও ছিল লক্ষ্যের বাইরে।
বিরতির পর চার ডিফেন্ডারের ছকে ফিরে কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে প্যারাগুয়ে। বদলি হিসেবে নামার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই মৌরিসিওর শট ঠেকিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ। একই সময়ে হুলিও এনসিসোও আক্রমণে বেশ সক্রিয় ছিলেন।
ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন জর্ডান বস। দুর্ভাগ্য সফল হতে পারেননি। বিপরীতে যোগ করা সময়ে বক্সের বাইরে থেকে মৌরিসিওর নেওয়া নিচু শট সহজেই সামাল দেন প্যাট্রিক বিচ। ফলে গোলশূন্য ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।









