বিশ্বকাপের নকআউট অভিযান শুরু করতে বুধবার রাত ১০টায় আটলান্টার স্টেডিয়ামে কঙ্গোর মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। ম্যাচটির জয়ী দল জায়গা করে নেবে শেষ ষোলোতে। যেখানে অপেক্ষায় রয়েছে মেক্সিকো।
থমাস টুখেলের দল গ্রুপ ‘এল’-এর শীর্ষে থেকে নকআউটে উঠেছে। যদিও পুরোপুরি মন ভরাতে পারেনি তারা। তাদের পারফরম্যান্সে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠেছে। প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারালেও পরের ম্যাচে ঘানার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে ইংল্যান্ড। এরপর পানামাকে ২-০ গোলে হারালেও পারফরম্যান্স খুব একটা স্বস্তিদায়ক ছিল না।
চলতি আসরে আফ্রিকার একটি দলের বিপক্ষে পয়েন্ট হারানোতে কঙ্গোকে মোটেও হালকাভাবে দেখছে না তারা। পর্তুগালের সঙ্গে ড্র, কলম্বিয়ার বিপক্ষে লড়াকু পারফরম্যান্স এবং উজবেকিস্তানের বিপক্ষে পিছিয়ে থেকেও ৩-১ গোলের জয়—এসবই কঙ্গোর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। দুই দেশের মধ্যে এটিই হবে প্রথম আন্তর্জাতিক লড়াই।
শক্তির বিচারে আটলান্টার ম্যাচে স্পষ্ট ফেবারিট ইংল্যান্ড। তবে শেষ ৩২-এ ইতোমধ্যেই একাধিক অঘটন ঘটেছে। জার্মানি হেরেছে প্যারাগুয়ের কাছে, আর নেদারল্যান্ডস বিদায় নিয়েছে মরক্কোর বিপক্ষে। এসব ফলাফল ইংলিশদের সতর্ক করে তুলেছে। ৫২ বছর পর ফেরা কঙ্গোও এর আগে কখনো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে খেলেনি।
মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে ইংল্যান্ড কোচ টুখেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, শেষ ৩২-এ বড় দলগুলোর বিদায় ইংল্যান্ডের জন্য সতর্কবার্তা কি না। জবাবে তিনি বলেছেন, ‘এটাই নকআউটের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। নেদারল্যান্ডস-মরক্কো ম্যাচটি শুনলে কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনালের ম্যাচ বলেই মনে হয়। আবার ব্রাজিল-জাপান ম্যাচও যে কোনো টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালের মানের হতে পারে।’
ফলে বাস্তবতার নিরিখেই সব কিছু দেখছেন টুখেল, ‘এই বিশ্বকাপে আমরা দেখেছি কানাডা যোগ করা সময়ে গোল করে জিতেছে, মরক্কোও যোগ করা সময়ে সমতা ফিরিয়ে এনে ম্যাচ টাইব্রেকারে নিয়ে গেছে। জার্মানিকেও টাইব্রেকার পর্যন্ত লড়তে হয়েছে। এসব বিষয় আমাদের শান্ত থাকতে সাহায্য করছে। নকআউট ম্যাচে ব্যবধান খুবই সামান্য থাকে। প্রতিটি ম্যাচই কঠিন। তাই অতিরিক্ত প্রত্যাশা না করে বাস্তবতা মাথায় রেখেই আমাদের খেলতে হবে।’









