বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ‘ফুটবল যুদ্ধে’ নামতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচটি ঘিরে দলটির খেলোয়াড়দের মধ্যে বাড়তি আবেগ কাজ করছে। আটলান্টায় শেষ অনুশীলনের আগে সবার কণ্ঠেই ছিল জয়ের প্রত্যয়।
ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে ম্যাচের আগে মিক্সড জোনে ইন্টার মিয়ামির মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পল বলেন, ‘সবাই জানে, এ ধরনের ম্যাচ আমি সবচেয়ে বেশি উপভোগ করি। এমন ম্যাচ আমাকে অনুপ্রাণিত করে, কারণ এর বিশেষত্ব আমার মধ্যে অনেক আবেগের জন্ম দেয়। আমি দারুণ আনন্দের সঙ্গে এটি উপভোগ করছি। ম্যাচটির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’
শেষ দুই ম্যাচে বদলি হিসেবে খেলায় ৩২ বছর বয়সী ডি পল একাদশে থাকবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে এ নিয়ে তিনি নির্ভার। জানালেন, বুধবার কোচের দল ঘোষণার অপেক্ষায় আছেন।
ফকল্যান্ড যুদ্ধ এবং ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে হারানোর ঐতিহাসিক স্মৃতির কারণে ম্যাচটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করলেও ডি পল বলেন, কোচ লিওনেল স্কালোনির বার্তা স্পষ্ট।
‘সুইজারল্যান্ড ম্যাচের পরও তিনি বলেছেন, এটি নিছক একটি ফুটবল ম্যাচ। আশা করি, মানুষ খেলাটি উপভোগ করতে আসবে এবং ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা আনন্দ নিয়ে বাড়ি ফিরবেন।’
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আর্জেন্টিনাকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ নিয়েও কথা বলেন ডি পল। রেসিং ক্লাবের একাডেমি থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডার জানান, সমর্থকদের পাঠানো বার্তায় তিনি ও তার সতীর্থরা অনুপ্রাণিত হন। তার ভাষায়, ‘এটি শক্তিশালী এক প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বিশেষ একটি ম্যাচ।’
ডি পলের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন রাইট-ব্যাক গঞ্জালো মন্তিয়েল, যিনি নাহুয়েল মোলিনার সঙ্গে একাদশে জায়গার লড়াইয়ে আছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা নিজেদের দিকেই মনোযোগ দিচ্ছি। সামনে একটি সেমিফাইনাল, আর আমরা এর জন্য প্রস্তুত।’
মন্তিয়েল আরও বলেন, ‘সব আর্জেন্টাইনের মতো আমাদেরও আশা আছে। আমরা সেমিফাইনালে, আর ফাইনাল থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে। সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি।’
নকআউট পর্বে আবারও সেমিফাইনাল খেলতে পারাকে ‘স্বপ্ন’ ও ‘বিশেষ সৌভাগ্য’ হিসেবে উল্লেখ করেন এই ডিফেন্ডার। প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের খেলা বিশ্লেষণ করছি। তারা কঠিন প্রতিপক্ষ এবং উইং দিয়ে অনেক আক্রমণ তৈরি করে। আমরা ভুলের মাত্রা কমানোর জন্য কাজ করছি।’









