বিশ্বকাপের ফাইনালে দলকে না জেতাতে পারলেও বিশ্বের সেরা টুর্নামেন্টে পারফরম্যান্স দিয়ে আবারও সবার মন জয় করেছেন লিওনেল মেসি। তবে বিশ্বকাপ শেষে আবারও ঘুরেফিরে একই প্রশ্ন সামনে আসছে, আর্জেন্টাইন তারকা কি আগামী বিশ্বকাপ খেলবেন নাকি অবসরে যাচ্ছেন। তবে এই নিয়ে এখনও কিছু নিশ্চিত না করলেও ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন মেসি নিজেই।
বিশ্বকাপের আগে ও চলাকালে অধিনায়ক স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, ২০২৬ হবে তার বিশ্বকাপ গল্পের শেষ অধ্যায়। অর্থাৎ ৩৯ বছর বয়সে একজন সত্যিকারের কিংবদন্তি হিসেবেই মেসি বিদায় নিচ্ছেন। দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মুকুট না জিতলেও, ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে তার অবস্থানকে এই বিদায় যেন আরও মজবুত করলো।
যে বয়সে বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই অনেক আগেই অবসর নিয়ে নেন, সেই বয়সে মেসি এমন এক পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন যা বার্সেলোনায় তাকে বিশ্বসেরা তারকা বানিয়ে দেওয়া সেই দ্যুতিময় দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়।
ফুটবলে অনেকেই অবসর ঘোষণার পর আবার মাঠে ফিরেছেন, তবে মেসির ক্ষেত্রে তার পুনরাবৃত্তি ঘটার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ২০৩০ বিশ্বকাপ— যার অন্যতম একটি উদ্বোধনী ম্যাচ আর্জেন্টিনায় হবে— সেখানে তাকে আর দেখা যাবে কি না, ফাইনালের আগে এমন প্রশ্নের জবাবে আটবারের ব্যালন ডিঅর বিজয়ী মেসি বলেন, না, না, একদমই না।
নিউ ইয়র্কের উপকণ্ঠে ইস্ট রাদারফোর্ডে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর, মেসির বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের অধ্যায় এখানেই শেষ হতে চলেছে বলে মনে হচ্ছে।
তবে বিশ্বকাপকে বিদায় জানানোর অর্থ ২০০৫ সাল থেকে আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিত্ব করা আন্তর্জাতিক ফুটবলেই তার তাৎক্ষণিক ইতি কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ফাইনালের আগে ইনস্টাগ্রামে মেসি লিখেছিলেন, এতগুলোর বছরের সেরা প্রাপ্তি শুধু ট্রফিগুলোই ছিল না, বরং পুরো যাত্রাটাই ছিল আসল। এই দলের সঙ্গে প্রতিটি দিন ভাগ করে নেওয়া, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন সময়ে একে অপরকে টেনে তোলা এবং প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করাই ছিল মূল বিষয়।









