বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) জাতীয় দলের ম্যানেজার পরিবর্তন করা হয়েছে হঠাৎ। আমের খানকে সরিয়ে নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিরুল ইসলাম বাবুকে জাতীয় দলের ম্যানেজার করা হয়েছে। আমের খানকে দেওয়া হয়েছে কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব। আরেক নির্বাহী সদস্য ইকবাল হোসেনকে করা হয়েছে টিম লিডার।
নতুন দায়িত্বে কার কী কাজ থাকবে, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই কৌতূহল রয়েছে। ম্যানেজার ও কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্বের বিষয়ে বাংলা ট্রিবিউনকে বিস্তারিত জানিয়েছেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
ম্যানেজারের দায়িত্ব
জাতীয় দলের ম্যানেজারের প্রধান দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে দলের সব সভায় উপস্থিত থাকা এবং টুর্নামেন্টের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করা।
এছাড়া দলের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, বিশেষ করে জার্সি ও অন্যান্য সামগ্রী যথাসময়ে প্রস্তুত রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে ম্যানেজারকে।
দলের সব খেলোয়াড়ের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং কেউ ইনজুরি বা আঘাতপ্রাপ্ত হলে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়াও ম্যানেজারের দায়িত্বের মধ্যে পড়বে।
এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের নিজ নিজ ক্লাবের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে।
টুর্নামেন্ট শেষে জাতীয় দল ম্যানেজমেন্ট কমিটির কাছে ম্যানেজারের প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোর কাছে ফিজিওর প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে ম্যানেজারকে।
গণমাধ্যম নীতিও পরিচালনা করবেন ম্যানেজার। এ ক্ষেত্রে কেবল প্রধান কোচ ও ম্যানেজার গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন। দলের অন্য সদস্যরা শুধু প্রধান কোচের অনুমতি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন।
কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব
জাতীয় দল, বাফুফে ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রে এনটিএমসিকে সহযোগিতা করবেন কো-অর্ডিনেটর।
প্রবাসী ও বিদেশি খেলোয়াড়দের যাতায়াত বা ভ্রমণসংক্রান্ত ব্যবস্থা করা এবং ভিসা নিয়ে কোনো সমস্যা হলে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়াও তার দায়িত্বের মধ্যে থাকবে।
ভবিষ্যতে জাতীয় ক্যাম্পে অতিরিক্ত কোনো খেলোয়াড়ের প্রয়োজন হলে কিংবা নতুন কাউকে দলে ডাকা হলে তাদের স্কাউটিং করা এবং সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় রাখবেন কো-অর্ডিনেটর।
ঢাকায় স্থানীয় কিংবা বিদেশি দলের বিপক্ষে জাতীয় দলের অনুশীলন বা প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগও থাকবে তার দায়িত্বে, যদি তা সম্ভব হয়।
বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ায় জাতীয় দলের পুরো স্কোয়াডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করাও কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব।
এছাড়া বাফুফে সভাপতির পক্ষে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন চ্যানেলের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় রাখবেন কো-অর্ডিনেটর।








