কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কাজান অ্যারেনায় মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা। ১৩ মিনিটে আন্তোয়ান গ্রিয়েজমানের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে গেছে ফরাসিরা। রোহো আর্জেন্টিনার ডিবক্সে কিলিয়ান এমবাপেকে ফাউল করলে স্পট কিক পায় ফ্রান্স।
শুরু থেকে ফ্রান্স চেপে ধরেছে আর্জেন্টিনাকে। ৯ মিনিটে গ্রিয়েজমানের দুর্দান্ত ফ্রি কিক গোলবারে লেগে ফিরে আসে। তার ২ মিনিট পর এমবাপে বল নিয়ে বক্সে ঢুকলে রোহোর ধাক্কায় পড়ে যান পিএসজি তারকা। ১২ গজ দূর থেকে গোলপোস্টের মাঝখান দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন গ্রিয়েজমান। ১৯ মিনিটে আবারও বিপজ্জনক জায়গায় আর্জেন্টিনার ফাউলের শিকার হন এমবাপে। এবার একেবারে ডিবক্সের ঠিক বাইরে তাকে ফেলে দেন তাগলিয়াফিকো। পগবার ফ্রি কিক ক্রসবারের উপর দিয়ে চলে যায়।
২৮ মিনিটে পাভনের পাসে ডানপ্রান্তে বল পেলে ডিবক্সের মধ্যে থেকে বল গোলমুখের সমানে দেন মেরকাদো। বল উমতিতির হাতে লাগলে এই ফুলব্যাকের পেনাল্টির আবেদনে সাড়া দেননি রেফারি। শেষ ষোলোর প্রথম ম্যাচে লড়ছে দুই সাবেক চ্যাম্পিয়ন। গ্রিয়েজমান, এমবাপে ও পগবাকে রেখে তারকাসমৃদ্ধ একাদশ ঘোষণা করেছে ফ্রান্স। চেলসি তারকা অলিভার জিরুদ আছেন সবার সামনে। তার সঙ্গে ডান দিকে আছেন এমবাপে, বাঁয়ে ব্লেইস মাতুইদি ও মাঝে গ্রিয়েজমান।
‘সি’ গ্রুপে ডেনমার্কের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া খেলোয়াড়দের ফিরিয়েছেন ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম।
আর্জেন্টিনার আগের একাদশ অপরিবর্তিত রাখতে চেয়েছিলেন কোচ হোর্হে সাম্পাওলি। কিন্তু গনসালো হিগুয়েইনকে বাদ দিয়েছেন তিনি। তার বদলে একাদশে একটি পরিবর্তন এসেছে ক্রিস্তিয়ান পাভনকে রাখায়।
ফ্রান্স একাদশ: হুগো লরিস, পাভার্ড, ভারানে, উমতিতি, হার্নান্দেস, কাঁতে, পগবা, এমবাপে, গ্রিয়েজমান, মাতুইদি, জিরুদ।
আর্জেন্টিনা একাদশ: আরমানি, তাগলিয়াফিকো, রোহো, ওতামেন্দি, মেরকাদো, দি মারিয়া, বানেগা, মাসচেরানো, এনসো, পাভন, মেসি।







