‘যুদ্ধ’ চালিয়ে যাবেন সালাউদ্দিন

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:০৮, অক্টোবর ২৩, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:১৯, অক্টোবর ২৩, ২০২০

 একাডেমি নিয়ে কথা বললেন কাজী সালাউদ্দিন               -বাফুফেকরোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে এখন পর্যন্ত কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেশে আয়োজিত হতে পারেনি। তবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) আগামী ১৩ ও ১৭ নভেম্বর দুটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করতে যাচ্ছে। সেই দুই ম্যাচে নেপালের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ দল। বর্তমান অবস্থায় মাঠে ফুটবল ফেরানোই বড় চ্যালেঞ্জ মানছে সদ্য নির্বাচিত বাফুফের নির্বাহী কমিটি। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন আজ (শুক্রবার) বেরাইদের ফর্টিজ গ্রাউন্ড পরিদর্শন করে এসে আসন্ন নেপাল ম্যাচসহ একাডেমির কার্যক্রম নিয়ে নানান পরিকল্পনার কথা শুনিয়েছেন।

নেপালের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ নিয়ে সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে দুরকম কথা আছে। একটা হচ্ছে খেলোয়াড়েরা খেলার মধ্যে নেই, আমরা হারতে পারি। খুবই যৌক্তিক কথা। ছয় মাস ধরে খেলোয়াড়েরা খেলে না। একেকজন আমার মতো ‘মোটা’ হয়ে গেছে, ফিটনেস নাই। হারার একটা ভয় আছে। হারলে পাবলিক কী বলবে..কিন্তু আমার ভাবনা ভিন্ন।’

এরপর যোগ করেন, ‘খেললে হার-জিত থাকবে। হারার ভয়ে শুরু না করলে ফুটবল শুরু হবে না। আমরা করোনাভাইরাসের মধ্য দিয়ে ফুটবল শুরু করবো। হার-জিত তো পরের কথা।’ এ জন্য নিজে ‘যুদ্ধ’ চালিয়ে যাবেন বলে জানালেন সালাউদ্দিন, ‘হারার ভয়ে ফুটবল না খেললে বছরের বছর তো পার করা যাবে না। আমাকে “যুদ্ধ” করতে হবে। আমাকে চেষ্টা করে যেতেই হবে। আপনারা ভালো খারাপ যাই বলেন না কেন। ফুটবল একটা জায়গায় এসেছে। ভারত ও কাতার ম্যাচে ভালো করেছে দল। ফুটবলকে মাঠে ফেরাতে হবে। খেলোয়াড়দের সাহস দেওয়া যে তোমাদের পেশাক মাঠে আনছি। হয়তো ভালো ও খারাপ সমালোচনা হবে। আমি নিতে রাজি আছি। হারার ভয়ে যদি ফুটবল না খেলি, তাহলে এভাবে বছরের পর বছর পার করে দিতে পারবো। ওটা তো লুকিয়ে থাকা।’

 ফর্টিজের সঙ্গে সামনে দীর্ঘমেয়াদে চুক্তি করতে যাচ্ছে বাফুফে। সভাপতি তেমনটিই বলেছেন,  ‘ফর্টিজের সঙ্গে গত বছর আমরা যখন চুক্তি করেছিলাম তখন তাদের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল যে তারা মাঠ ও থাকার জায়গা দেবে কিন্তু আমরা কোনও ভাড়া দেবো না। একাডেমিটা চালু করতে আমাদের চারজন বিদেশি ও দু’জন দেশি কোচ লেগেছে। প্রতিদিনের খাবার দিয়েছি। এগুলো আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিয়ে বাফুফে পূরণ করেছে। এই ৫-৬ কোটি টাকা বাফুফে যদি দিতে পারে, তাহলে তাদের সঙ্গে একধরনের চুক্তি হবে। আমি তো চাই ৮ থেকে ১০ বছরের চুক্তি করার জন্য। তবে অর্থ না দিতে পারলে অন্যরকম চুক্তি হবে।’ এরপরই তিনি বলেছেন আশার কথা,‘ কিন্তু আমরা চেষ্টা করছি টাকাটা জোগাড় করতে। আমাকে আপনারা আরও ৩০ দিন সময় দেন। আমরা পরিকল্পনা শুরু করেছি। যেটা আমার নির্বচনী ইশতেহারে আছে, সেটার সঙ্গে যায় এমন কিছুই করবো।’

ফর্টিজ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাত হোসেনও চাইছেন দ্রুত একাডেমি চালু হোক, ‘এ বছর নির্বাচনের আগে সালাউদ্দিন ভাই বলছিলেন একাডেমি চলতে হবে। এবারও তিনি চাইছেন যেন তা চলে। উনি চাইছেন দ্রুত যেন শুরু করতে পারি। আমিও তাই মনে করি।’ বাফুফের সহ-সভাপতি ও ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক একাডেমির কাজকে চ্যালেঞ্জিং মনে করছেন, ‘প্ল্যানিং করতেছি লং টার্ম করতে হলে কী করতে হবে। অনেকগুলো বিষয় আছে তা করতে হলে। অল্প সময়ের মধ্যে প্ল্যানিং দিতে পারবো। এটা চ্যালেঞ্জিং জায়গা। আমাদের কমিটি কাজ করছে। সারা বাংলাদেশে ফুটবলপ্রেমী আছে। যারা মাল্টি বিলিওনিয়ার তারা আমাদের পাশে আছেন। কাজটা শুরু করি শিগগিরই দেখতে পাবেন।’

 

/টিএ/পিকে/

লাইভ

টপ