বক্সিং, জুডো, তায়কোয়ান্দো, শুটিং ও সাঁতার- এই পাঁচটি খেলায় অলিম্পিক গেমসে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করবেন ছয় অ্যাথলেট। পদক পাওয়ার আশা খুবই ক্ষীণ। তবে সাঁতারু ইয়াজান আল বাওয়াব সাফ সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘পদক আসুক বা না আসুক, আমরা এরই মধ্যে জিতে গেছি।’ গাজায় ইসরাইলি হত্যাযজ্ঞ চলছে, হাজার হাজার প্রাণহানি ঘটছে। এরই মধ্যে ইসরায়েল অলিম্পিক গেমসে অংশ নেওয়ার পর তোপের মুখে পড়েছে। ফিলিস্তিনপন্থিরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইসরায়েলবিরোধী ক্ষোভ উগরে দিতে প্রস্তুত। ফ্রান্সে পা রেখে দেশটির অলিম্পিক কমিটির প্রেসিডেন্ট জিব্রিল রাজোবও এ ব্যাপারে সোচ্চার কণ্ঠ প্রকাশ করেছেন।
রাজোব বলেছেন, 'ফিফা ও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সময় হয়েছে। এখনই সময় ফিলিস্তিনিদের ন্যায়বিচার পাওয়ার। সময় হয়েছে ফ্যাসিবাদী ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময়। আপনারা যদি সত্যিই আন্তর্জাতিক বৈধতা, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকারকে সম্মান করেন তাহলে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি জানানোর আহ্বান করছি।'
পদকের চেয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে ফিলিস্তিনের অ্যাথলেটরা। শান্তিপূর্ণ লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত তারা।
এ প্রসঙ্গে ফিলিস্তিনি সাঁতারু ভ্যালেরি তারাজি বলেন, ‘ফিলিস্তিনের পতাকা উঁচু করতে পারাই আমার জন্য অনেক সম্মানের। বহু আগে থেকে এটা আমার স্বপ্ন ছিল। এখানে আমরা দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে এসেছি। দেশের জন্য শান্তিপূর্ণভাবে লড়াই করার সেরা সুযোগ এটি।’
জানা গেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে ফিলিস্তিনের তিন শতাধিক অ্যাথলেট, রেফারি ও ক্রীড়া কর্মকর্তা প্রাণ হারিয়েছেন।








