আপনি কি আমাদের ‘সুপারম্যান’ হবেন?

Send
সাইফুল হাসান
প্রকাশিত : ১৮:৫২, অক্টোবর ০৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৯, অক্টোবর ০৬, ২০১৯

সাইফুল হাসান‘বাঘে ধরলে ছাড়ে কিন্তু শেখ হাসিনা ধরলে ছাড়ে না।’—সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এই উক্তিটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে অমর হয়ে আছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুরাগী দলীয় নেতা-কর্মীদের অনেকেই ইদানীং উক্তিটি ব্যবহার করছেন। শেখ হাসিনা কোনও বিষয়ে কঠোর হলে তার পরিণতি কী, সে সম্পর্কে পরিষ্কার বার্তা দেয় উক্তিটি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সময়ের তুলনায় অগ্রগামী। সাহসী, কুশলী, স্মার্ট। সিদ্ধান্ত নিতে পারঙ্গম। যা তার ঘোরবিরোধীরাও স্বীকার করেন। রাজনীতিতে, নিজেকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। রাজনীতি-অর্থনীতিতে এমন অনেক দুঃসাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ও নিচ্ছেন, যা তার সমসাময়িক রাজনীতিবিদরা সম্ভবত কল্পনাও করেন না। যার সব হয়তো তর্কাতীত নয়। কিন্তু নিজে ভালো মনে করলে, সিদ্ধান্ত নিতে-দিতে দ্বিধা করেন না বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা। 
যেমন, ক্যাসিনো বন্ধে চলমান অভিযানের সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব সহজ ছিল না। কেননা,  এটা জানাই ছিল—অভিযানে তারই দলের নেতাকর্মীরেই ধরা খাবেন। দলের বদনাম হবে। রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের অভিযোগ কিছুটা হলেও প্রতিষ্ঠা পাবে। এরপরও ঝুঁকিটা নিয়েছেন বা নিতে পেরেছেন। কারণ তিনি শেখ হাসিনা। পেছনের কারণ যাই হোক, দেরিতে হলেও এমন সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।  সবারই উচিত তাকে ধন্যবাদ জানানো এবং অভিযান চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেওয়া। পাশাপাশি, এই অভিযান যেন ক্যাসিনো আর ক্লাবে আটকে না থাকে, সেই দাবি জানানো উচিত।

এই দেশে নিজ উদ্যোগে কেউ কোনও কাজ করতে চায় না। সবাই প্রধানমন্ত্রীর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন। তিনি নির্দেশ দিলেই কেবল কাজ হয়। নইলে সবাই গৎবাঁধা কাজ করে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, সরকার নামক ব্যবস্থাটাই প্রায় অকেজো। যদিও, সরকারি কাঠামোয় প্রত্যেকের বিধিবদ্ধ দায়দায়িত্ব আছে। ক্লাবগুলোয় জুয়ার প্রচলন কয়েক দশকের। ক্যাসিনোর সংযোজনও প্রায় এক দশকের। এই শহরে ক্যাসিনো চালানোর জন্য বিদেশ থেকে সরঞ্জাম আমদানি হয়েছে। বিদেশ থেকে ডিলার এসেছে। বছরের পর বছর রুলেট ঘুরেছে। সম্রাট-শামীম-খালেদ-এনামুল-সাঈদরা শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। সামনে-পেছনে গানম্যান নিয়ে ঘুরেছেন। এসব তথ্য সরকার বা প্রশাসনের কেউ  জানে না—একথা কেউ বিশ্বাস করবে না। এটা হতে পারে না। 

অর্থাৎ, এসব প্রশাসনের গোচরেই সব হয়েছে। রাজনৈতিক নেতা আর প্রশাসনের ‘বন্ধুত্ব’ই এগুলোকে নির্বিঘ্নে চলতে সাহায্য করেছে। ক্যাসিনোর আয়ের ভাগ পেয়েছে সাংবাদিক, পুলিশ, স্থানীয় নেতা, রাজনৈতিক গডফাদার সবাই। যে কারণে সবাই চুপ ছিলেন। দীর্ঘসময় ক্ষমতায় থাকার কারণে পুরো দেশ, আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে। ফলে, সমাজ বা আইনবিরোধী কাজের সঙ্গে দলের কেউ কেউ জড়িত—এমন তথ্য প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিষদের অজানা থাকার কথা নয়। আর তা বুঝেই যেই কঠোর অবস্থানে গেলেন, অমনি সবাই এমন ভাব করছেন, যেন জীবনে তারা ‘ক্যাসিনো’ শব্দটি প্রথমবার শুনছেন। 

এই অভিযানে এখন পর্যন্ত যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তাতে সাধারণ মানুষ তো বটেই আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী পর্যন্ত বিস্মিত। বিক্ষুব্ধ। ব্যথিত। অনিয়ম ও দুর্বৃত্তায়নবিরোধী অভিযানে সাধারণ মানুষ খুশি। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। তবে, চলমান অভিযানকে মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতিসহ সব ধরনের অপারধের বিরুদ্ধে করা গেলে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা আরও বাড়বে।

অনুমোদনহীন ক্যাসিনো চলার ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতাই ফুটে উঠেছে। ব্যর্থ যুবলীগ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বেরও কম নয়। কম্পিউটার অপারেটর কীভাবে যুবলীগের দফতর সম্পাদক হন, বহিরাগতরা কী করে দলের পদপদবি পান, তার উত্তর দেওয়ার দায় যুবলীগ কেন্দ্রীয় নেতাদেরই। পাশাপাশি, ক্যাসিনো বাণিজ্যের সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তারাও খালেদ-শামীম-সাঈদ-লোকমানদের মতো সমান অপরাধী। এমন ব্যর্থতায় কোনও অজুহাত চলে না। সময় এসেছে প্রশাসনেও শুদ্ধি অভিযান চালানোর।  

এই অভিযানে এখনও পর্যন্ত ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের মাত্র কয়েকজন নেতার নাম এসেছে এবং আটক হয়েছেন। তাদের কাছ থেকে যে পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে, তা অবিশ্বাস্য, অকল্পনীয়। এই শ্রেণির কাছে এত নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার আছে, তা সম্ভবত কারও ধারণায়ও ছিল না। উদ্ধার করা টাকার পরিমাণ শুনে আওয়ামী লীগের কয়েকজন সিনিয়র নেতাকেও বিস্মিত হতে দেখেছি। ছোট একটি এলাকার পাতি নেতা শত শত কোটি টাকার মালিক হলে তাদের গডফাদারেরা কত টাকার মালিক? সারাদেশে হাজার হাজার শামীম-খালেদ-সম্রাটদের অবস্থা সহজেই অনুমেয়।

দুঃখজনক হলেও সত্য, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বড় একটা অংশ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িত। যাদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকও দলের মধ্যেই আছে। পত্রপত্রিকা বা টেলিভিশনে এসব নিয়ে নিয়মিত খবর প্রকাশ করছে। কিন্তু কারও বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনও ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। অভ্যন্তরীণ কোন্দল, ব্যক্তি ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ, ক্ষমতা, নানা হিসাব-নিকাশে অনেক সময় দলগতভাবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় না। অবশ্য সরকারের সেই অসুবিধা নেই। অন্যদিকে এটাও সত্য যে, সরকারের ভেতরের একটি অংশও চরম আপসকামী ও দুর্নীতিবাজ। এ কারণেই রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে না সরকার।

দীর্ঘসময় ক্ষমতায় থাকার কারণে ক্ষমতাসীন দলের অনেকেই দেশটাকে নিজেদের তালুক মনে করেন। তারা এক-একটা এলাকায় নিজেদের রাজত্ব কায়েম করেছেন। মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, অস্ত্রবাজি, দরপত্র নিয়ন্ত্রণ, দখল, দূষণসহ অসংখ্য অভিযোগে অভিযুক্ত ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা। ক্ষমতা ও অর্থকে তারা সবকিছুর নিয়ামক ভাবেন। অথচ এ কথা নিশ্চয়তা দিয়ে বলা যায়, দল ক্ষমতায় না থাকলে তাদের ৯৯ ভাগকেই  খুঁজে পাওয়া যাবে না। অন্যদিকে, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জনগণের সেবক হলেও বাস্তবে তাদের মনোভাব প্রভূত্বমূলক। ফলে রাষ্ট্রের ওপর জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না।  বরং নানাক্ষেত্রে রাজনৈতিক কর্মী ও প্রশাসনিক নিপীড়নের শিকার সাধারণ মানুষ।  

মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনি অঙ্গীকার। কিন্তু দুর্নীতির শেকড় যে সমাজের অনেক গহীনে তা ইতোমধ্যেই স্পষ্ট।

দলীয় পদপদবির জোরে যে যেভাবে পারছে লুটপাট করছে। সম্পদ আর টাকার পাহাড় গড়ছে। অবৈধপথে উপার্জিত টাকা আবার অবৈধপথে বিদেশে চলে যাচ্ছে। ব্যাংকে তারল্য সংকট আর পাতি নেতাদের বাড়িতে মিলছে কোটি কোটি টাকার হদিস। এই চিত্র জনগণের জন্য হতাশার। আক্ষেপের। 

দেশে এর আগেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহু অভিযান পরিচালিত হয়েছে। যার বেশিরভাগই শেষ পর্যন্ত আইওয়াশ বলে প্রতিয়মান হয়েছে। ওইসব অভিযানে কিছু চুনোপুটি আটক বা ক্রসফায়ারে জীবন হারালেও, রুই কাতলাদের টিকিটিও ছোঁয়া যায়নি। ফলে, চলমান অভিযানও নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই অভিযান কতদিন চলবে? ব্যপ্তি কতটা? ক্যাসিনোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে কিনা ইত্যাদি।

সরকার সবসময় দৃঢ়তার সঙ্গে দাবি করেছে, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী বা অপরাধী কেউ ছাড় পাবে না। রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধ বিবেচনা করা হবে। বাস্তবে ঘটেছে উল্টো। ইয়াবার গডফাদার হিসেবে সাবেক এমপি বদির নাম এসেছে বারবার। নারায়ণগঞ্জে ত্বকী হত্যা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধে ওসমান পরিবার সংবাদের শিরোনাম হয়েছে অসংখ্যবার। এমন আরও অনেক উদাহরণ আছে, যাদের কারও কিছু হয়নি। বরং, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের প্রশাসন দায়মুক্তির দৃষ্টিতে দেখেছে। যে কারণে তারা আরও বেপরোয়া হয়েছে। 

আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। তাদের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে। সেই দলের নেতাকর্মীরা নানারকম অপরাধের সঙ্গে জড়িত এটা কোনোভাবেই মানা যায় না। হেন কোনও অপকর্ম নেই, যার সঙ্গে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নাম উচ্চারিত হয় না। দেশের অপরাধ জগতের বড় অংশই পরিচালিত হয় এই দুই সংগঠনের নেতা-কর্মীদের হাতে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করা গেলে অপরাধ এমনিতেই কমে আসবে। পাশাপাশি, সর্বোচ্চ কোন বয়স পর্যন্ত যুবলীগ করা যাবে, তার একটা সীমারেখা টানার সময় এসেছে। আওয়ামী লীগ নেতারা এদিকটায় নজর দেবেন আশা করি।

পরিশেষে, সাধারণ মানুষ হিসেবে প্রার্থনা চলমান অভিযানের ব্যাপ্তি বাড়ুক। সবধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোক সরকার ও প্রশাসন। জানি কাজটা কঠিন, তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাইলে সম্ভব। দেশের সমৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন চাইলে হোয়াইট কালার ক্রিমিনাল, ব্যাংক ও শেয়ারবাজার লুটেরা, ঋণখেলাপি, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণকারী, টাকা পাচারকারীদের ধরতে হবে। পরিচয় প্রকাশ করতে হবে সেই সব সাংবাদিক, পুলিশ ও আমলার। যারা তথ্য গোপন করেছেন। দেশের স্বার্থ নিলামে তুলে নিজেরা সম্পদশালী হয়েছেন। গ্রেফতার করতে হবে সম্রাট-শামীমদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠাপোষকদের। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, প্রশাসনিক দুর্নীতি কমাতে আরও কঠোর হোন। সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনুন। সেই সব কর্মকর্তাদের ধরুন, যারা রাষ্ট্রকে এক টাকার জিনিস একশো টাকায় কিনতে বাধ্য করেছেন। ১০ কোটি টাকার সড়ক ৫০ কোটিতে করেছেন। যারা ৩৭ লাখ টাকায় একটি পর্দা কিনেছে, একটি বালিশ কিনেছে পাঁচ হাজার টাকায়, এক সেট টিন কিনেছে ১ লাখে, একটি বই কিনেছে ৮৫ হাজার টাকায়, ঢালাইয়ে রডের বদলে বাঁশ দিয়েছে, এগুলোকে ছিঁচকে চুরি বলে উড়িয়ে দিলে দুর্নীতিবাজরা উৎসাহিত হবে। 

সেই সব ভিসিকে ধরুন, যারা ব্যক্তিস্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ফতুর করেছেন। প্রতিনিয়ত দুর্নীতির যেসব খবর প্রকাশিত হচ্ছে, তাতে দেশটা মগের মুল্লুক কিনা, সেটি এক বিরাট প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্নীতিবাজদের ধরে সেই টাকা আদায় করুন। পাচারকারীদের গলায় গামছা দিয়ে টাকা দেশে ফিরিয়ে আনুন। এসব টাকায় দেশের উন্নয়নে ব্যয় করুন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশটা মরে যাচ্ছে, সুকুমারবৃত্তি মরে যাচ্ছে, নীতি-নৈতিকতা মরে যাচ্ছে, মানবিকতা হারিয়ে যাচ্ছে, শিক্ষালয়গুলো মরে যাচ্ছে, রাজনীতি মরে যাচ্ছে, সমাজ মরে যাচ্ছে, সাহস মরে যাচ্ছে। আমরা মরে যাচ্ছি। দেশটাকে বাঁচান, আমাদের বাঁচান। দুর্নীতির কারণে জনগণ শোষণ ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। দুর্নীতিবাজরা কোনোভাবেই যেন পার পেয়ে না যায়, সে নিশ্চয়তা দিন।

দেশটাকে মেরামত করতে হবে। লাইনে আনতে হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে এই দেশে সুপারম্যান/সুপারওম্যান লাগবে। যিনি দুর্নীতিবাজ-দুর্বৃত্তদের দৌড়ের ওপর রাখবেন। জনগণকে নির্ভয়ে কথা বলার, নিশ্চিন্তে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দেবেন। এর কম কিছু হলে চলবে না। 

আপনি কি হবেন, সেই সুপারম্যান?  

লেখক: সাংবাদিক

Saiful.hasan@gmail.com

 

/এমএনএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ