behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

তুনাবী, কিছু স্মৃতি মুছে ফেলব!

আহসান কবির১৬:২১, জানুয়ারি ০১, ২০১৬




আহসান কবিরবন্ধুকে বলি, উঁচু রাখো মাথা, হবে না আকাশ চুরি
বন্ধু দেখালো উদ্যত ফলা ক্ষমতা মাতাল ছুরি!
ক্ষমতা মাতাল মানুষগুলো চায় ক্ষমতা আরও
যেন চিরকাল মোহটুকু ছাড়া ক্ষমতা থাকে না কারও
তবু রাতের গেরিলা হয়ে খুঁজে ফিরি আলোর প্রতিদিন
সোনার হরিণ....

প্রিয় তুনাবী

আমি জানি, তুমি আর সোনার হরিণ সমার্থক। তবু জানতে চাই, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশে কেমন আছ তুমি? সন্ত্রাসী তালিকার ক’ নম্বরে উঠবে তোমার নাম? নাকি লক্ষ কোটি অভিবাসীর মতো তুমিও বলবে ডোনাল্ড ট্রাম্প যা বলেছেন (ট্রাম্প বলেছিলেন,  সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আর কোনও মুসলমানকে আমেরিকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না!... প্রয়োজনে মুসলমানদের তালিকা তৈরি করে  মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া হবে!) তা আমেরিকানদের মনের কথা নয়! আমেরিকার মূল্যবোধবিরোধী কথা বলে এই কমেডিয়ান আসলে সস্তা জনপ্রিয়তার ওপর ভর করে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে চান!

তুনাবী তোমার মনের কথা আসলে কোনটা, ঈশ্বরের মতো সেটা আজও বুঝতে পারিনি। আজ থেকে বহু বছর আগে আমাকে একলা রেখে ট্রাম্পের দেশে যেতে তুমি একটুও দ্বিধা করোনি! হয়তো তলাবিহীন ঝুড়ি এই মৃত্যু উপত্যকা নিয়ে তোমার দ্বিধা ছিল, এখনও আছে! তবে বাংলাদেশ এখন আর একেবারেই গরিবদের দেশ নয়, নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ! ক্রিকেটে সারাবিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেওয়া এক দেশের নাম এখন বাংলাদেশ। তুনাবী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একবার বলে দেখতে পারো, আমেরিকা বাংলাদেশের সঙ্গে কোনও ক্রিকেট ম্যাচ খেলবে কিনা! জিম্বাবুয়ে হোক আর নিউজিল্যান্ড হোক, ভারত হোক আর পাকিস্তান হোক, সব দেশ এখন বাংলাদেশের সাথে সিরিজ হারে!

জীবন আর ভালোবাসার সবগুলো খেলায় তোমার কাছে আমি বাধ্য হয়ে হেরেছি তুনাবী। কখনও জানতে চাইনি, তুমিও কি একটুও হারোনি? ২০১৫ সালটা শুরু হয়েছিল এই প্রশ্ন দিয়ে। সর্বজনগ্রাহ্য একটা নির্বাচন থেকে বহুদূরের যে রাজনীতি, সেই রাজনীতির খেলায় শেষমেষ কে জেতে, হাসিনা না খালেদা, সেটা দেখার জন্য এদেশবাসীর ছিল শঙ্কাময় এক অপেক্ষা! তুনাবী, তোমার আর আমার ভালোবাসার যোজন যোজন দূরত্বের মতো না হলেও হাসিনা-খালেদার ভালোবাসাবাসির ভেতর ছিল এক তালাচাবির ব্যবধান। খালেদা জিয়া তার গুলশান অফিসে একরকম বন্দিই ছিলেন।  সামনে ছিল পুলিশ আর র‌্যাবের পাহারা, ছিল সরকারের পক্ষ থেকে পথ ভুলিয়ে আনা (!) বালু আর ইট ভর্তি ট্রাক। দেশময় ছিল বাস, রিক্সা, ট্রাক, গাড়ি আর সিএনজিতে পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ হত্যার মহোৎসব! অগণিত মানুষের এই প্রাণহানির জন্য খালেদা দায়ী করেছেন হাসিনাকে আর হাসিনা দায়ী করেছেন খালেদাকে! তুনাবী ঠিক যেন তোমার আর আমার ভেতরের সেই ব্লেম গেমের ধারাবাহিকতা!

এই শঙ্কাময় কী যেন কী হয় পরিস্থিতির ভেতরই মারা গিয়েছিলেন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো। খবর শুনে খালেদা জিয়ার গুলশান অফিসে ছুটে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তুনাবী, আমি যেমন তোমার মনের ঘরে ঢুকতে পারিনি, ঠিক তেমনি শেখ হাসিনাকে অফিসের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি! তাকে জানানো হয় খালেদা জিয়াকে ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে! নাকি এই দুইজনের ভালোবাসা এখন তোমার আর আমার ভালোবাসাবাসির মতো যা কিনা ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখতে হয়!

তবে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা মাঝে মাঝে আমাদের ঘুম ভাঙিয়ে দেয়। তাদের কল্যাণে আমাদের একদা ঘুম ভেঙেছিল মাহমুদুর রহমান মান্নার ফোনালাপ শুনে। লাশ ফেলে দেশে অচলাবস্থা তৈরি করে সেনাবাহিনীর সহায়তায় তিনি নাকি ক্ষমতার বদল ঘটাতে চান! এক সময়কার স্বপ্নবাজ তরুণেরা মান্নার মতো নেতা হতে চাইতেন। সেই তিনি কিনা এমন করে ক্ষমতার পালা বদল ঘটাতে চান! মান্না সাহেবকে গ্রেফতার করে জেলে নেওয়া হয়েছিল ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, তিনি এখনও জেলেই আছেন!

তবে যাদের গ্রেফতার হয়ে জেল ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল সেই লেখক ও ব্লগার হত্যাকারীদের শনাক্ত করে তাদের বিচারের সম্মুখীন করার প্রক্রিয়া বছরজুড়ে চোখে পড়েনি! হুমায়ুন আজাদকে ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্মমভাবে কোপানোর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা সেদিন জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। রাস্তায় নেমে এসেছিলেন অনেকেই। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভিজিৎকে নির্মমভাবে কোপানোর পর তার রক্তাক্ত দেহ পড়ে ছিল রাস্তার ওপর। তুনাবী, অভিজিতের আহত, রক্তমাখা স্ত্রীর করুণ ফরিয়াদ সেদিন বাংলার বাতাসকে ভারী করে তুলেছিল! বিশ্বাসের ভাইরাস (অভিজিতের লেখা বইয়ের নাম) কী মহামারি হয়ে আমাদের ভেতর ছড়িয়ে পড়েছে? সে কারণে কি অভিজিতের লাশের পাশে খুব বেশি একটা মানুষকে দেখা যায়নি? কাজী নজরুল কি সে কারণেই জানতে চেয়েছিলেন,  হিন্দু না মুসলিম আজ জিজ্ঞাসে কোন জন?

অভিজিৎ নামের ছেলেটা দেশে ফিরেছিল সরল বিশ্বাসে। বইয়ের প্রতি ভালোবাসা তাকে টেনে নিয়ে গেল মৃত্যুর দিকে, প্রফেসর অজয় রায় পেলেন পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী কষ্ট। অভিজিতের মতো ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান বাবু আর নীলাদ্রি নিলয়কেও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তুনাবী জানি না, চাপাতির নিচে যারা অভিজিৎ, বাবু কিংবা নিলয়ের জীবনটা নিয়ে গিয়েছিল, তাদের জীবনগুলো নিয়ে যেত পারব কিনা ফাঁসির দড়ির নিচে!

তবে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কামারুজ্জামান, আলী আহসান মুহম্মদ মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে! তুনাবী এদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কারও কোনওদিন বিচার হবে, ফাঁসি হবে সেটা মানুষ ভাবতেই পারত না। চাইলে বাংলাদেশ কলঙ্কমুক্তও হতে পারে, শুধু তুমি কখনও ফিরে আসতে চাইলে না, পারলে না!

চাইলেই সবাই সব কিছু করতে পারে না। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিতে পরে এই কারণে বইমেলাতে রোদেলা প্রকাশনীর স্টল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, তাদের কোনও কথা শুনতে চায়নি সরকার। বন্ধ হয়নি নারীর প্রতি সহিংসতা! পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে নারীদের প্রতি যারা যৌন হয়রানি করেছিল তাদের গ্রেফতার করা হয়নি। এ সব হতাশার ভেতরও ছিল কিছু আশার আলো! স্বাধীনতার পর ২০১৫ সালে এসে বাংলাদেশ-ভারতের ভেতর এই প্রথম ছিটমহল বিনিময় হয়েছে সফলভাবে, নরেন্দ্র মোদি এসেছিলেন বাংলাদেশে। পাকিস্তান আর জিম্বাবুয়ের মতো ভারতের সঙ্গেও এ বছর একদিনের ক্রিকেটে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। তবে তুনাবী তুমি যদি জানতে চাও, কে জিতেছে শেষমেষ, হাসিনা না খালেদা, আমি না কি তুমি, এই প্রশ্নের উত্তর অমিমাংসিতই থেকে যাবে। কিছু কিছু প্রশ্ন সম্ভবত জিজ্ঞাসা করতে নেই!

তুনাবী তুমি না ফিরলেও বিএনপি নেতা সালাউদ্দীন সাহেবকে ঠিকই ফিরে পাওয়া গিয়েছিল। হয়তো তিনি ভালোই আছেন ভারতের শিলংয়ে! হয়তো তুনাবী তুমি ভালোই আছো আমেরিকায়। কারণ রাজনের মতো কোনও শিশুকে পিটিয়ে মারার ভিডিও তোমাকে দেখতে হয়নি! জানি না এই নির্মমতা দেখে তুমি কান্না সামলাতে পারতে কিনা। প্রবীরদার কথা তোমার মনে আছে তুনাবী? ১৯৭১ এ বাংলাদেশবিরোধী অবস্থান নেওয়া এবং পরবর্তী সময়ে কথিত ধনকুবের মুসা বিন শমসের ওরফে নুলা মুসাকে নিয়ে সত্য লেখার দায়ে প্রবীর দাকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছিল! প্রাণে বেঁচে গেলেও তার পা কেটে ফেলতে হয়েছিল। আমি একটা কান্নাকাতর লেখা লিখেছিলাম যার শিরোনাম ছিল, ‘প্রবীরদের পা কাটা গেলে মানুষেরা পরাজিত হয়’। যদিও পৃথিবী বিখ্যাত উপন্যাস ওল্ড ম্যান এন্ড দ্য সি’র মূল উপদেশ হচ্ছে—মানুষকে হয়তো সাময়িকভাবে ধ্বংস করা সম্ভব কিন্তু পরাজিত করা সম্ভব নয়! সেই প্রবীর দাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ! তুনাবী রাজনের মৃত্যুর মতো প্রবীর দার গ্রেফতারের ঘটনা আমাকে তুমুল নাড়া দিয়েছে। তোমার চলে যাবার মতো পুলিশ হেফাজত থেকে ক্র্যাচে ভর করে প্রবীর দার বেরিয়ে আসার দৃশ্য এখনও আমার চোখে লেগে আছে।

তুনাবী এখনও চোখে লেগে আছে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের ভ্যাটবিরোধী আন্দোলন। তারা কোনওদিন রাস্তায় নামতে পারে এমন ভাবনাও অনেকের ছিল না। পরে সরকার তাদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়। আবার কিছু ঘটনা থাকে যা কিনা মেনে নিতে না চাইলেও মেনে নিতে হয়। সরকার ফেসবুক বন্ধ করে দিয়েছিল। ভিন্ন উপায়ে তবু মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করেছে, ডিজিটাল সরকারের এই অ্যানালগ সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা হয়েছে প্রচুর। সময়টা খানিক উত্তাল ছিল তখন। সাকা আর মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকরের সময় যত ঘনিয়ে আসছিল, তত বেশি ভিন্ন রকম ঘটনা ঘটছিল এদেশে। বিদেশি নাগরিক আর ব্লগারদের খুন করে ফেলা হচ্ছিল। প্রচার করা হচ্ছিল বাংলাদেশে এখন আর কোনও বিদেশি নাগরিক নিরাপদ নয়। তুনাবী তুমি এখনও আমার আছ কি নেই এই প্রশ্নের মতো এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে আরেকটা প্রশ্ন। বাংলাদেশে কি আইএস আছে নাকি নেই?

আরেকজন মানুষ চিরতরে হারিয়ে গেছে তুনাবী আমাদের জীবন থেকে। মনে আছে তোমার দীপনের কথা? মনে আছে আজিজ মার্কেটে দীপনকে নিয়ে আমাকে খুঁজে ফেরার কথা? মনে আছে আজিজ মার্কেটে ফয়সাল আরেফিন দীপনের জাগৃতি প্রকাশনী খোলার কথা? মনে আছে আমাকে না পেলে ওর অফিসে তোমার নিরাপদ আশ্রয়ের কথা? তুমি দূরে চলে গেলেও বেঁচে আছ তুনাবী। দীপনকে ওর অফিসেই কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। পুলিশ ভ্যানে যখন ওর মৃতদেহ ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়া হয়, ভুল বুঝে আমি ওকে স্পর্শ করেছিলাম। বলেছিলাম চোখ খোল দীপন। কর্তব্যরত ডাক্তার আমার মতো অনেক সাংবাদিককে জানিয়ে দিয়েছিল দীপন আর পৃথিবীতে নেই! না ফেরার দেশ থেকে দীপন কি আমাদের দেখতে পায়? ওখানে ও কি কোনও প্রকাশনী খুলেছে? দীপন কি ওখানে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল কিংবা হুমায়ুন আহমেদ কে নিয়ে খুব ভালো আছে? আমি কি আমার আত্মার সঙ্গে নতুন কোনও বই নিয়ে দীপনের ওখানে চলে যাব?

তুনাবী দীপনকে যে আততায়ীরা খুন করেছিল হয়তো তাদের মতো কেউ এখন খুঁজে ফিরছে আমাকে। শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর আহমেদুর রশীদ টুটুল আহত হওয়ার পরও বেঁচে গেছে, প্রাণটাকে সম্বল করে সে চলে গেছে আলাদা কোনও মানচিত্রে। টুটুল আর এই মৃত্যু উপত্যকায় নেই!

তুনাবী ফিরে আসো কিংবা নাই আসো, এই মৃত্যু উপত্যকা ছেড়ে আমি কখনও যাব না। এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ! যদি পারো, কোনও এক শীতের সকালে সরিষা খেতের পাশের কোনও খেজুর গাছের নিচে আমাকে খুঁজতে এসো। দীপন আমাকে নিয়ে হুটহাট এসব জায়গায় চলে যেত! অথবা চলে এসো কোনও এক রাতে মাওয়া ঘাটের কাছে, যেখানে আমি আর দীপন জ্যান্ত ইলিশ মাছ ধরা দেখতাম। তারপর কোনও একটা কিনে ফ্রাই করে খেতাম।

অথবা তুনাবী খুব ভালো হয় আমিরিকার তৈরি একটা দামি ডাস্টার যদি আমাকে উপহার হিসেবে পাঠাও! জীবনের ব্ল্যাকবোর্ড থেকে আমি দীপনের রক্তমাখা মুখটার স্মৃতি মুছে ফেলতে চাই!

তুনাবী আমার এই একটা কথা রাখবে?

 

ইতি

তোমারই চালচুলোহীন

মুনাদ

 

লেখক: রম্য লেখক

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune

কলামিস্ট

টপ