behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

আসুন পুরুষ, ধর্ষণ করি!

চিররঞ্জন সরকার১২:০১, মার্চ ২৫, ২০১৬

চিররঞ্জন সরকারনা, তার সাজপোশাকে তথাকথিত উগ্রতা ছিল না। বড়লোকি দেমাগ দেখিয়ে কাউকে কখনও ‘উস্কানি’ও দেয়নি। পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বেধে দেওয়া ‘শান্ত-ভদ্র’ চলন ছিল তার। কিন্তু তাতে কী? তার সবেচেয় বড় ‘অপরাধ’, সে ছিল নারী। তাকে ‘ভোগ’ করা যায়, ধর্ষণ করা যায়। হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়া যায়। তার আরেকটি ‘অপরাধ’ সে ছিল গরিব। জীবনের প্রয়োজনে, বেঁচে থাকার তাগিদে তাকে সন্ধ্যার পরও বাইরে বেরুতে হতো। আর এটাই কাল হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের (সম্মান) ছাত্রী এবং একই কলেজের নাট্য সংগঠনের সদস্য সোহাগী জাহান তনুর। সেনানিবাসের ভেতরে কিছু কামার্ত পুরুষ তনুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। ময়নামতি সেনানিবাসের অলিপুর এলাকায় একটি কালভার্টের কাছ থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।
সেনানিবাসের মতো একটি সুরক্ষিত এলাকায় এত বড় একটা অপরাধ সংঘটিত করে অপরাধীরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে গেল, অথচ কেউ কিছু জানল না, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা কিছুই করতে পারলো না। ভবিষ্যতে পারবে-সেই আশাও ক্ষীণ! কারণ প্রতিদিনি, প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া অসংখ্য অপরাধমূলক ঘটনার কোনওটারই প্রতিকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা করতে পারেনি। এ জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হয় না, কারও চাকরিও যায় না! এদিকে ধর্ষণ, দলগত ধর্ষণ, নারী নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলে। পুরুষতান্ত্রিক এই ‘উৎসব’ চলতেই থাকে। ধর্ষণ, নারীর প্রতি সহিংসতা ও যৌন হয়রানি সারাদেশে, সবখানে হচ্ছে। সমতলে হচ্ছে, পাহাড়েও হচ্ছে। পাহাড়ে তো হচ্ছে আরও বেশি বল্গাহীনভাবে। ‘ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর নারীদের সামগ্রিক পরিস্থিতি ২০১৫’ বিষয়ক এক প্রতিবেদন মতে, আট বছরে (২০০৭-২০১৫) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৪৩৪ জন নারী ও মেয়েশিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। গত বছর ১৪টি ধর্ষণ, ১২টি গণধর্ষণ, ১৬টি ধর্ষণের চেষ্টাসহ ৬৯টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার একটিরও সুষ্ঠু বিচার হওয়ার নজির নেই।
আপাতচক্ষে ধর্ষণকে বিকৃতকামী মানসিকতা বলে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। এই বিকৃতকামুকতা সমাজের এক গভীর অসুখ। যখন একজন আদিবাসী বা সংখ্যালঘু নারীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে তা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সুপরিকল্পিত। কারণ ধর্ষণকারীরা জানে এ ক্ষেত্রে প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করবে। তেমন কোনও সামাজিক প্রতিবাদ হবে না। পুরুষতান্ত্রিক কামবোধের সঙ্গে ধর্মীয় বিভেদমূলক মানসিকতা মিলে চূড়ান্ত অরাজকতা! এই অরাজকতাই দিন দিন পোক্ত হচ্ছে। আর সরকার ‘মধ্য আয়ের দেশে’ পরিণত করার মুলা ঝুলিয়ে যাবতীয় অনাচারের ব্যাপারে চোখ বন্ধ রেখে দিব্যি সময় কাটিয়ে দিচ্ছে!
এর আগে খোদ ঢাকা শহরেই বাংলা-নববর্ষ উদযাপনকালে প্রকাশ্যে নারীদের ওপর যৌন হয়রানি ও নির্যাতন হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশ গত এক বছরেও কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নিতে পারেনি। দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি জোরদার হওয়াতে অপরাধীরা ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে। তারা যা খুশি তাই করছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা কিংবা সামাজিক প্রতিরোধ কোনওটাই জোরদার হচ্ছে না। ফলে দেশটা ক্রমেই অপরাধীরদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হচ্ছে। প্রশ্ন হলো, সাধারণ মানুষ যদি নিরাপদে থাকতে না-ই পারে তাহলে আমাদের এই পোশাকি গণতন্ত্র আর উন্নয়ন দিয়ে কী হবে? অন্ধকারকে প্রশ্রয় দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকাটা গর্হিত অপরাধ৷‌ তাতে সমাজটাই সমাজবিরোধীদের মুক্ত রাজ্য হয়ে ওঠে৷‌ এক সময় এমন হয়, শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বও তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না৷‌ আমাদের সমাজও যদি অপরাধীদের দখলে চলে যায়, মানুষ দাঁড়াবে কোথায়?
রাজতন্ত্রে মানুষ অসহায় ছিল, এই তথাকথিত গণতন্ত্রেও যদি তাই হয়, তাহলে তো সব শেষ! রাজতন্ত্রেও কিন্তু ধর্ষণ স্বীকৃতি পায়নি৷‌ ধর্ষণের জন্য সাম্রাজ্যের পতন ঘটার নজিরও আছে৷ ৫০৯ খ্রিস্টপূর্বে অত্যাচারী রোমান রাজা তারকুইনের পুত্র সেক্সটাস ধর্ষণ করে কোলাতিনুসের অপরূপা রমণী লুক্রেশিয়াকে৷‌ যার ডাক নাম লুক্রিশ৷‌ এই নারকীয় ঘটনাই বদলে দেয় ইতিহাস৷‌ অপমানে লুক্রিশ আত্মহত্যা করতেই প্রতিবাদে জ্বলে ওঠে সারা দেশ৷‌ রাজ সিংহাসন উল্টে যায়৷‌ রোমান সাম্রাজ্যের পতনে জন্ম নেয় রোমান প্রজাতন্ত্র৷‌ শিল্পীদের ছবিতে ফুটে ওঠে নারীর অসম্মানের চিহ্ন৷‌ জনরোষের আগুন৷‌ সেই ছবি আজও জ্বল জ্বল করছে রোমের মিউজিয়ামে৷‌ সাক্ষ্য দিচ্ছে অন্ধকার ইতিহাসের৷‌ অনেক পরে পৃথিবীতে এসেছেন শেক্সপিয়র৷‌ তাঁর মনে জেগে উঠেছে লুক্রিশের যন্ত্রণা৷‌ ১৫৯৪-তে লিখেছেন দীর্ঘ কবিতা ‘দ্য রেপ অব লুক্রিশ’৷‌
যৌন হয়রানি, ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলোকে উপেক্ষা করার কোনও সুযোগ নেই। ধর্ষণের ফলে শুধু একটি নারীই ধর্ষিত হয় না, ধর্ষিত হয় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমগ্র সমাজ। কারণ, নারীর অসম্মান, মানবতার অসম্মান, পুরো সভ্যতার জন্যই মানহানিকার। খুনের ক্ষমা আছে, ধর্ষণের নেই৷‌ অপরাধ স্বীকার করলে খুনিকে ক্ষমা করা যেতে পারে৷‌ তার সংশোধনের সুযোগও গ্রাহ্য৷‌ ধর্ষণকারীর বেলায় সেটা খাটে না৷‌ কঠোরতম শাস্তি তাকে পেতে হবে৷‌ দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন এ কথাই ঘোষণা করেছে৷‌
অথচ আমাদের দেশে এক দল মানুষ ধর্ষণ করছে, আরেক দল মানুষ চুপ থেকে ধর্ষণকারীদেরই সমর্থন যোগাচ্ছে। এর ফলে ধর্ষিত হচ্ছে আমাদের সামাজিক নীতিবোধ। ধর্ষণের ঘটনাগুলোতে যখন সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে ওঠে না, একজন ধর্ষণ করে আর অন্যরা যখন নীরব থাকে কিংবা ধর্ষকের পক্ষে যাবতীয় যুক্তি আর সমর্থন নিয়ে দাঁড়িয়ে যায়, তখন তাকে সামাজিক ধর্ষণ ছাড়া কী বলা যায়? এটাই এখন আমাদের দেশে বেশি বেশি ঘটছে!
সমীক্ষা বলছে, প্রতি চব্বিশ ঘন্টায় অন্তত নয়জন নারী ধর্ষিতা হচ্ছেন বাংলাদেশে। এর মধ্যে কয়টা কেস নথিভুক্ত হচ্ছে? ধর্ষণের অত্যাচার নীরবে সহ্য করাটাই এখন আমাদের সামাজিক রীতিতে পরিণত হয়েছে। এমনকি আমাদের দেশে সালিশি করে ধর্ষিতার সঙ্গে ধর্ষণকারীর বিয়ে দেওয়ার প্রথাও আছে৷‌ অত্যাচারী রাজা, জমিদাররা ধর্ষণ করত নিজেদের অধিকার বলে৷‌ ধর্ষিতা চুপ করে থাকত, নয়ত আত্মহত্যা করত৷‌ সেই ধারা থেকে আমরা এখনও মুক্ত হতে পারিনি!

নারী নির্যাতন ও যৌন হয়রানি বা ধর্ষণ বিষয়ে আমাদের পুরো সমাজের মূল্যবোধটাকেই বদলে দেওয়ার সময় অতিক্রান্ত হতে চলেছে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। আমাদের দেশের সিনেমা-নাটকে দেখানো হয়, প্রেমের ক্ষেত্রে ‘বিরক্ত করে যাও, এক সময় ঠিকই পাবে’! এটা দেখানো মানে একটি মানুষের মৌলিক অধিকারের কথা বিস্মৃত হয়ে, তার উপরে নিজ আকাঙ্ক্ষার ভার ও দায় চাপিয়ে দেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে নিজেকে অতিরিক্ত গুরুত্ব প্রদান করবার ও অন্যের ব্যক্তিত্বকে অবজ্ঞা করবার বার্তা। নারীকে দেখে পুরুষের ভালো লাগতেই পারে, এবং নারীটিকে না পেয়ে তার হৃদয়ে প্রবল বেদনা জন্মাতেই পারে, কিন্তু নারীটির তাকে না-ভালবাসবার অধিকারকে শ্রদ্ধা না করলে সেই প্রেম ও জুলুমের পার্থক্য থাকে না। ওই প্রেমকে মহিমান্বিত করবার অর্থ এক প্রকার পুং-গুণ্ডামিকে প্রশ্রয় ও প্রশংসায় রঞ্জিত করা। এমনকী, নারীকে নির্যাতন করার সাফাই রচনা। আমাদের দেশের সিনেমা-নাটকের ধর্মই হলো, উচিত-অনুচিতের পরোয়া না করে, পয়সার বেহায়া উপাসনা। সাধারণ মানুষ ইচ্ছাপূরণের গল্প দেখবার সময় সত্ত্ব-ণত্ব বিচার করেন না, আর তার বিচারের অভ্যাসটিকে প্রবল ভাবে নিরস্ত ও নিরুৎসাহিত করা ছবি-ব্যবসায়ের প্রধান লক্ষ্য, কারণ তা হলে ছবির কাটতির পথে বাধা থাকে না। এসবের বিরুদ্ধে এখনই সোচ্চার না হলে ঘরে ঘরে ধর্ষক উৎপাদিত হবে। তখন ‘লিঙ্গচ্ছেদের’ আইন চালু করলেও তেমন লাভ হবে না।  
পুরুষতান্ত্রিক বিধানে যৌনতার অনুষঙ্গকে বহন করে চলার আবহমানকালীন অভ্যাস মেয়েদের মেনে নিতে হয়েছে বলে নিজস্ব এক সন্ত্রাসের জগতে বাঁচাটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের অনিবার্য নিয়তি। সে জগতে অবিশ্বাস-ধস্ত নারী, পুরুষের প্রতিপক্ষে একা নারী। নারীর মন সেখানে অস্বীকৃত-উপেক্ষিত, কেবল আছে তার শরীরটুকু আর তাকে ঘিরে আদিমতার উল্লাস। ভোগের সেই উৎসবে শামিল শত-সহস্র-লক্ষ জন। নইলে ব্যক্তিগত শরীর-লালসা থেকে পারিবারিক বিবাদের আক্রোশ পর্যন্ত যে-কোনও কারণেরই সহজ শিকার নারী, প্রতিশোধস্পৃহার সহজ নিবৃত্তি যৌন নির্যাতন, ধর্ষণ হবে কেন! এই হিংস্রতার অনালোচিত বৃত্তে ধরা দিতে হয় কখনও উচ্চশিক্ষিত সপ্রতিভ নারীরকে, মানিকগঞ্জগামী লোকাল বাসের যাত্রী নিরীহ গৃহবধূকে, নারায়ণগঞ্জের হতদরিদ্র দর্জিবালিকাকে। আবার কখনও আট-নয় বছরের স্কুল ছাত্রীকে, মূক-বধির তরুণীকে, এমনকী দুই-তিন বছরের শিশুকন্যাকেও, কারও নিস্তার নেই।
শুরুর যেমন অন্য এক শুরু থাকে, সব শেষের থাকে অন্য কোনও শেষ। ধর্ষণের পরেও থাকে আর এক রকম ধর্ষণ। তাই পুরুষের সঙ্গে সমান আগ্রহে যে নারীরাও ধর্ষিতার পেশা, জীবনযাত্রা, বিবাহজনিত সুলুকসন্ধান করেন এবং শেষ পর্যন্ত নারীটিকে অভিযুক্ত সাব্যস্ত করে মহাস্বস্তির কাঙ্ক্ষিত শ্বাস ফেলেন! তাঁরা যে আসলে পুরুষতন্ত্রেরই মুখ, পিতৃশাসনেরই স্বর, এ কথা বুঝি নিজেরাও বোঝেন না। মনে পড়ে যায় ভারতীয় বাংলা সিনেমা ‘আদালত ও একটি মেয়ে’ অথবা ‘দহন’-এর যন্ত্রণাময় দৃশ্যগুলো। একবার ধর্ষণের পর প্রতিদিনের ধর্ষণ কী ভাবে মেয়েদের জীবন তছনছ করে দেয়, কত সহজে বেদনার দীর্ণতায় ভরে দিতে পারে মেয়েদের অস্তিত্বকে। চূড়ান্ত অবমাননা ও রুদ্ধশ্বাস ক্লেশ বিচিত্র কৌশলে যেখানে নারীকে সইতে বাধ্য করা হয়, সেখানে শোষণ আর যৌনতা মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। তাই গ্রামীণ মোড়লের নির্দেশে নারীকে বিবস্ত্র করে গ্রামে ঘোরানো যায়, ডাইনি সন্দেহে হত্যাও করা যায়। দিনের আলোয়ও যখন পুরুষ সহকর্মীর কামনার কাছে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া কোনও বিকল্প থাকে না, তখন দু’মুঠোয় শূন্যতাকেই কেবল আঁকড়ে ধরতে হয় নারীদের!
নারী নির্যাতন, যৌন হয়রানি, ধর্ষণ করে পুরুষরা। কাজেই এ ব্যাপারে সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে পুরুষদেরই।সংশোধিত হতে হবে আগে তাদেরকেই। মানুষ হতে হলে ‘মনুষ্যত্ব’কেই ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে হবে, লাম্পট্যকে নয়। এটা মানবতার দায়।
আমাদের দেশে প্রতিনিয়ত নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। আমরা নিজেরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এসব ঘটনা ঘটাচ্ছি। কিন্তু এর জন্য কখনও অনুশোচনা প্রকাশ করি না। আত্মজিজ্ঞাসাও আমাদের মনে জাগে না। অনেক সময়  কোনও নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে আমরা প্রতিবাদী হই; কিন্তু এই প্রতিবাদের মুহূর্তে নিজেদের দিকে তাকাতে ভুলে যাই। ভুলে যাই আমরা পুরুষ হিসেবে, অনেক সময়ই সচেতন বা অবচেতনে পুরুষতন্ত্রের অংশ হয়েছি। প্রত্যক্ষ নির্যাতনে শামিল না হলেও গোপন নির্যাতনে মদত দিয়েছি। এই মুহূর্তটি তাই নিজেদের সংশোধনের মুহূর্ত। তার চেষ্টা শুরু করার মুহূর্ত। কী ভাবে নিজেদের বদলাতে পারি আমরা, পুরুষেরা?
আর তা না হলে প্রকাশ্যেই ঘোষণা করি: আসুন পুরুষ, আমরা ধর্ষণ করি, ধর্ষক হিসেবে নিজেদের পরিচয় গড়ি!!
লেখক: কলামিস্ট

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune

কলামিস্ট

টপ