ক্ষতচিহ্ন নিয়েই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে নেপাল

Send
আমিনুল ইসলাম সুজন
প্রকাশিত : ১৩:২৯, এপ্রিল ২৫, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৩:৩৭, এপ্রিল ২৫, ২০১৬

আমিনুল ইসলাম সুজন২৫ এপ্রিল ২০১৫, শনিবার, সময় আনুমানিক ১২ টা বেজে ৪৫ মিনিট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের পঞ্চম তলায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একটি কক্ষ। বিভাগের গভর্নেন্স স্টাডিজ কোর্সের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ফ্যাবরিজিও গিলার্ডি ও ক্লডিও এম. রাডায়েলি লিখিত ‘গভর্নেন্স ও লার্নিং’ নিবন্ধের ওপর মাল্টিমিডিয়া প্রবন্ধ উপস্থাপন করছিলাম। হঠাৎ করেই ভবনটি ব্যাপক আকারে নড়ে ওঠায় প্রায় সবাই খুব দ্রুত বেরিয়ে যায়। যদিও কিছুসময় পর আবার অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।
পরে জানলাম, ৭.৮ রিখটার স্কেলের এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নেপালের গোরখা জেলার বরপাক এলাকা। ফলে বহু মাইল দূরের বাংলাদেশ বিপদ থেকে রক্ষা পায়। কিন্তু ছোট্ট নেপাল দেশটিতে স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্প মুহূর্তের মধ্যেই প্রাণচঞ্চল জনজীবন বিপর্যস্ত করে তোলে। জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে সব বাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার কাজে লাগায় এবং ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার ও পুনর্বাসনে বিশ্ববাসীর কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানায় নেপাল সরকার। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর শতাধিক দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠন সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়। খুব উন্নত দেশ না হলেও নেপালের ভূমিকম্পে যথাসাধ্য সহায়তা করায় নেপালে বাংলাদেশের একটা ইতিবাচক ইমেজ তৈরি হয়েছে। গত ৮ মাসের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, নেপালের জনগণ বাংলাদেশিদের আন্তরিকভাবে গ্রহণ করে।
গতবছরের ২৫ এপ্রিল ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত নেপালবাসী যখন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল, ঝুঁকিমুক্ত মনে করে অনেকে উন্মুক্ত প্রাঙ্গন থেকে ক্ষতিগ্রস্ত বাসায় ফিরে এসেছিল। দু’সপ্তাহ পর ১২ মে আরেক ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই দুই ভূমিকম্পে রাজধানী কাঠমান্ডুসহ পাহাড়-পর্বতবেষ্টিত দেশটির ৭৫টি জেলার মধ্যে ৩৯টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে জনসংখ্যা অধ্যুষিত ১৪টি জেলা মারাত্মকভাবে বিধ্বস্ত হয়, এসব জেলায় দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ বসবাস করে।
ক্ষয়ক্ষতি কেমন হয়েছে, এর সঠিক পরিস্থিতি বাংলাদেশ থেকে অনুধাবন করা মুশকিল। কারণ, কতজন মারা গেছে ও গুরুত্বপূর্ণ কী কী ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে- গণমাধ্যমের বরাতে মূলত এসব তথ্য সহজে জানা যায়। ভূমিকম্পের পরপর বাংলাদেশের যেসব গণমাধ্যমকর্মী এসেছেন- তাদের প্রায় প্রত্যেকেই কাঠমান্ডু ভ্যালির তিনটি জেলাকে তুলে ধরেছেন। এ জেলাগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সামগ্রিক বিচারে ক্ষয়ক্ষতির হার কম ছিল। যে কারণে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা আবশ্যক বলে মনে করছি।

আরও পড়তে পারেন: ভূমিকম্পের প্রথম বর্ষপূর্তি: নিহতদের স্মরণ করছে নেপাল

২৫ এপ্রিল ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল গোরখা ও পাশ্ববর্তী নওয়াকোট জেলার ৮৮% ঘরবাড়ি ও প্রায় পাঁচশত সরকারি স্কুল ধ্বংস হয়। রাসোয়া জেলায় ৯৬% ঘরবাড়ি ও সবগুলো সরকারি স্কুল (৯৬টি) ধ্বংস হয়। ধাদিং জেলায় ৮৫% ঘর ধ্বংস ও প্রায় ছয়শত স্কুল, কাবরি জেলায় ৯১% ঘরবাড়ি ও প্রায় ছয়শ স্কুল ধ্বংস হয। মাকওয়ানপুর জেলায় ৩৭% ঘরবাড়ি ও ৫৩৩টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সলোখুম্বু জেলায় ৪৬% ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়। ওখালডুঙ্গা জেলায় ৪১% ঘরবাড়ি ও তিন শতাধিক স্কুল ধ্বংস হয়।

কাঠমান্ডু ভ্যালি তিনটি জেলায় বিভক্ত, কাঠমান্ডু, ললিতপুর ও ভক্তপুর এবং এ তিনটি জেলা রাজধানীর অংশ। কাঠমান্ডুতে রাজবাড়ি (বিশ্ব ঐতিহ্য বসন্তপুর দরবার স্কয়ার, প্রাচীন বৌদ্ধ স্টুপা, সয়াম্ভুনাথ ও হোয়াইট গুম্বা), ধারাহারা টাওয়ার, নেওয়ারি কমিউনিটির পুরাতন শহর সংখু সম্পূর্ণ ধ্বংসসহ ২০% আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন ও প্রায় তিনশত স্কুল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ললিতপুরের রাজবাড়ি (বিশ্ব ঐতিহ্য মঙ্গলবাজার পাটান দরবার স্কয়ার)সহ ২৪% ভবন ও প্রায় দুইশত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভক্তপুরের রাজবাড়ি (বিশ্ব ঐতিহ্য ভক্তপুর দরবার স্কয়ার), মাটির প্রায় সব ঘর, পুরোনো দিনের স্থাপনাসহ ৪১% ভবন ও ঘরবাড়ি এবং ১৩৭টি স্কুল ধ্বংস হয়।

সিন্দুপলচোক জেলায় সবচাইতে বেশি ক্ষতি হয়, প্রায় শতভাগ ঘরবাড়ি ও সবগুলো স্কুল (৫৫৭টি) ধ্বংস হয়। মোট মৃত্যুর প্রায় ৪০ভাগ (৩৫০০ জন) এ জেলায় মারা যায়। ভূমিকম্পের পর ব্যাপক ভূমিধসও দেখা দেয়। তাই উদ্ধার কাজও সঠিকভাবে করা যায়নি। 

দোলাখা জেলায় প্রথম ভূমিকম্পে (২৫ এপ্রিল) ক্ষয়ক্ষতি ছিল খুব সামান্য। কিন্তু দ্বিতীয় ভূমিকম্পের (১২ মে) কেন্দ্রস্থল ছিল এ জেলা। ফলে প্রায় চারশত স্কুলসহ সব ঘরবাড়ি ধসে পড়ে। রামেছাপ ও সিন্ধুলি জেলায়ও দ্বিতীয় ভূমিকম্পে ক্ষতি হয় বেশি, যথাক্রমে ৯১% ঘরবাড়ি ও প্রায় ৫০০ স্কুল এবং ৫০% ঘরবাড়ি ও পাঁচ শতাধিক স্কুল আংশিক থেকে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আরও পড়তে পারেন: জ্বালানি তেলের দাম কমলো, গণপরিবহনের ভাড়া কমবে তো?

সর্বমোট ৮০ লক্ষাধিক মানুষ আক্রান্ত হয়, এরমধ্যে সর্বস্ব হারিয়ে ত্রানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে ২৮ লাখ মানুষ। ৯০০০ এর বেশি মানুষ মারা যায়। কয়েক লক্ষ মানুষ মারাত্মক আহত হয়। এর মধ্যে ২০ হাজারের বেশি মানুষ স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্বের শিকার হন। দিনটি ছিল শনিবার, সাপ্তাহিক বন্ধের দিন। যে কারণে ৩৮ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধসে পড়লেও সেখানে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। নইলে মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা থেকেই যেত।  

এছাড়া অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, যেসব জেলায় ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে বেশি, সেসব জেলায় দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের যৌন পেশায় ধাবিত হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভূমিকম্পের পর প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক দি গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ভারতে পাচার হওয়ার ক্ষেত্রেও এসব জেলার মেয়ের সংখ্যা বেশি। বৃদ্ধি পেয়েছে শিশুশ্রম। অতি দরিদ্রসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

নেপালীদের মনোজগতেও বিরূপ প্রভাব ফেলেছে ভূমিকম্প। গত এক বছরে সহস্রাধিক ছোটছোট ভূমিকম্প (আফটার শক) হয়েছে। এসব সামান্য ঝাঁকুনিতেও অনেকে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে আহত হয়েছেন। অনেক ভবন মালিক ভবন ধ্বসে দরিদ্র হয়েছেন- তারাও মানিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছেন।

যে ৫ লাখ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, তার অনেকগুলোর নির্মাণ চলমান থাকা অবস্থায় ভারতের সাড়ে পাঁচ মাসের অলিখিত অবরোধে হাজার হাজার ভবন আবারও নির্মাণ ও মেরামত সম্পূর্ণ বন্ধ ও পর্যটক কমে যায়। যা ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত দেশটির ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়াকে স্থবির করে দেয়, ক্ষতিগ্রস্ত করে অর্থনীতি।

প্রসঙ্গত, প্রায় ৭০ বছরের আন্দোলনের অবসান ঘটিয়ে গতবছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ৯০ভাগ জনপ্রতিনিধির সম্মতিতে প্রথম গণতান্ত্রিক সংবিধান পাস করে নেপাল। সংবিধানের কয়েকটি ধারায় ভারতের প্রস্তাব ও আপত্তি উপেক্ষিত হওয়ায় ৮টি আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন ক্ষুব্ধ নরেন্দ্র মোদি সরকার অলিখিত অবরোধ আরোপ করে। পাশাপাশি নেপালের অভ্যন্তরে ভারত সীমান্তবর্তী মধেসিদের আন্দোলনে সর্বাত্মক সহায়তা করে। 

মারাত্মক সংকটে সব নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্যের দাম বাড়ে। জ্বালানি তেল সংকটে ৫০ ভাগের বেশি যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাতায়াত দুর্ভোগ বৃদ্ধি পায় এবং সরকারি ও বেসরকারি অফিস সময় কমাতে হয়েছিল। সিলিন্ডার গ্যাসের অভাবে কয়েক হাজার রেস্টুরেন্ট, ছোট ও মাঝারি তিন হাজারের বেশি বিভিন্নরকম শিল্পকারখানা বন্ধ হয়েছিল। এতে তিন লক্ষাধিক মানুষ বেকার ও ৩০ লক্ষ মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। অসহনীয় সঙ্কটের এ সময়কালে নেপালে অবস্থানকালে দেখেছি, কিভাবে ১ ডিগ্রি তাপমাত্রায়, প্রচণ্ড শীতের মধ্যে স্কুলের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে চাকরিজীবী বাসের ছাদে ও পেছনে ঝুলে চলাচল করেছেন। সেই দুর্ভোগেও নেপালীদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটেনি। এতে নেপালীদের মধ্যে ভারতবিরোধীতা তুঙ্গে ওঠে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির ভারত সফরের প্রাক্কালে ১৩৫ দিন পর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অলিখিত অবরোধ অলিখিতভাবেই তুলে নেয় ভারত।

আরও পড়তে পারেন: বিমানে কানহাইয়ার গলা চেপে ধরলেন ‘মোদির সমর্থক’

চীনের সঙ্গে যে স্থল বন্দর ও সড়ক যোগাযোগ ছিল, পাহাড় ধসে সেই সড়কও বিধ্বস্ত হয়। ফলে চীন হয়ে পণ্য আমদানি ও রফতানি বন্ধ হয়ে যায়। তবে ভারতের অবরোধের সময় চীন সহায়তায় এগিয়ে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে সড়ক মেরামত করে বিনামূল্যে জ্বালানি উপহার দেয়। এতে চীনের প্রতি নেপালীদের সহানুভূতি তৈরি হয়। এ সহানুভূতির ব্যবহার করতে মরিয়া চীন, অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত ইমেজ ফিরে পেতে ব্যস্ত ভারত। দু’প্রবল প্রতিদ্বন্দী রাষ্ট্রের প্রতিযোগিতায় সৃষ্ট সুযোগ নেপালের জন্য কতটুকু লাভজনক হয়- তা বুঝতে আরও সময় লাগবে।

আয়তনে বাংলাদেশের চাইতে সামান্য বড় হলেও নেপালের জনসংখ্যা ৩ কোটিরও কম। ২০১৪ সালে গড় আয় মাত্র ৭৩০ ডলার (ওই সময়ে বাংলাদেশের গড় আয় ছিল ১০৮০ ডলার)। পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হিমালয়ের মূল অংশের (এভারেস্ট) অবস্থানই শুধু নয়, উঁচু ১০টি পর্বতের মধ্যে ৮টির অবস্থানই নেপাল-এ। হাইকিং, ট্র্যাকিং-এর বাইরেও প্যারাগলাইডিং, র‌্যাফটিং ইত্যাদি নানা অ্যাডভেঞ্চারের পাশাপাশি সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কারণে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় দেশ নেপাল। দেশটির ১০ভাগের বেশি আয় পর্যটনখাত থেকেই আসে না, লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানও এ খাত সৃষ্টি করেছে। সমুদ্রব্যতিত পর্যটনের প্রায় সব আকর্ষণই রয়েছে নেপালে।

পর্যটননির্ভর দেশটির পুরাকীর্তি, ঐতিহাসিক স্থাপনা, ইউনেস্কো কর্তৃক ঘোষিত বৈশ্বিক ঐতিহ্যসমূহ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন পাঁচ লাখ ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাজধানী কাঠমান্ডুর প্রধান আকর্ষণসমূহ ভেঙে পড়ে। তবু নেপালবাসী থেমে নাই। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বিপুল পরিমাণ ধ্বংসের ক্ষতচিহ্ন নিয়ে ধীরে ধীরে এগুচ্ছে নেপাল।

নেপালের মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে সংগ্রামী ও পরিশ্রমী। বিপর্যয়ে ভেঙে না পড়ে হাসিমুখে মানিয়ে নেওয়া ও উৎরে যাওয়ার ক্ষেত্রে পৃথিবীর জন্য উদাহরণ নেপাল। মূলত নেপালের ভূমিকম্প দরিদ্র দেশগুলোতে ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধার ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার জন্য শিক্ষণীয় হিসেবে কাজ করছে। এখান থেকে ভূমিকম্প ঝুঁকির মুখে থাকা বাংলাদেশেরও শেখার অনেক কিছুই রয়েছে।

লেখক: সাংবাদিক ও সদস্য, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ