X
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

বিজিএমইএ’র প্রথম নারী সভাপতি রুবানা হক

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০১৯, ১২:২৭

রুবানা হক

তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ’র প্রথম নারী সভাপতি হয়েছেন মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক। শনিবার (৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত বিজিএমইএ’র নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে রুবানা হকের নেতৃত্বে সম্মিলিত ফোরাম প্যানেল। সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের ২৬ প্রার্থীর মধ্যে ২৬ জনই বিজয়ী হয়েছেন।

এর আগে বিজিএমইএ’র নির্বাচন সামনে রেখে সম্মিলিত পরিষদ এবং ফোরাম সমঝোতার মাধ্যমে যে প্যানেল জমা দেয় তাতে দলনেতা করা হয় ঢাকা উত্তরের প্রয়াত মেয়র বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হককে। ফলে, বিজিএমইএ’তে আগামী দুই বছর নেতৃত্ব দেবেন রুবানা হক।

ফোরাম থেকে ১৯ এবং সম্মিলিত পরিষদ থেকে ১৬ জন দিয়ে সম্মিলিত পরিষদ-ফোরামের সমঝোতার প্যানেল করা হয়।

এদিকে বিজিএমইএ’র নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত বছরের জানুয়ারিতে স্বাধীনতা পরিষদ নামে একটি সংগঠন আত্মপ্রকাশ করে। জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে এই পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে হেরে যায়।

শনিবার সকাল ৮টায় ঢাকার কারওয়ানবাজারে বিজিএমইএ ভবনের নুরুল কাদের মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকাল ৪টা পর্যন্ত কোনওরকম বিরতি ছাড়াই ভোটগ্রহণ চলে। সংগঠনটির মোট ভোটার এক হাজার ৯৫৬ জন। এর মধ্যে ঢাকায় এক হাজার ৫৯৭ জন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, আজকের নির্বাচনে ঢাকায় ভোট দিয়েছেন এক হাজার ২০৪ জন এবং চট্টগ্রামে দিয়েছেন ২৮৮ জন।

নির্বাচনে সম্মিলিত ফোরাম ও স্বাধীনতা পরিষদ নামে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সংগঠনটিতে পরিচালকদের মোট পদ ৩৫টি। এর মধ্যে ঢাকায় ২৬টি ও ৯টি চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক নির্বাচনে ভোট হচ্ছে না। তারা সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকার ২৬ পরিচালক পদে দুই প্যানেলের ৪৪ প্রার্থী লড়ছেন। ২৬ পদে পূর্ণ প্যানেল দিয়েছে সম্মিলিত ফোরাম। এসব পদে স্বাধীনতা পরিষদের প্রার্থী ছিল ১৮ জন।

বিজিএমইএ নতুন কমিটির প্রধান হিসাবে রুবানা হক নতুন এ দায়িত্ব প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার চ্যালেঞ্জটা হবে, কী করে শ্রমিক ও মালিক একসঙ্গে কাজ করবো। অনাস্থার জায়গাগুলো আমরা দূর করবো।’

তিনি বলেন, ‘দেশের পোশাক খাত নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে যে ইমেজ সংকট রয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে হবে। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করবো সেটি কাটিয়ে উঠতে। অনেকেই মনে করে, আমরা সবচেয়ে সস্তা। এই সস্তা কোনওভাবেই ভালো না বলে আমি ও আমার পরিষদ মনে করে। আমরা বলতে চাই, প্রতিযোগিতা হলো সবচেয়ে ভালো। যদিও আমরা সম্মিলিতভাবে দরকষাকষির জায়গায় পৌঁছতে পারিনি। সবাই এ বিষয়ে একমত হতে পারিনি। এখনই সময় এসেছে বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে একটা উদ্যোগ নেওয়ার।’

তিনি তৈরি পোশাক খাতের নিরাপত্তা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ‘আপনারা জানেন শেয়ার বিল্ডিং মোটেও অ্যালাউড না। অথচ বহু চার লাইন, ছয় লাইন ফ্যাক্টরির শেয়ার বিল্ডিং রয়েছে। এখন আমাদের উচিত হবে, অন্তত এসব কারখানায় যেন ফায়ার ও ইলেক্ট্রিক সেফটিটা নিশ্চিত করা যায়। গার্মেন্ট সেক্টরে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে পারলে এবং গণমাধ্যম আমাদের সঙ্গে কাজ করলে এ খাতের হারানো ইমেজ অবশ্যই ফিরে আসবে ইনশাল্লাহ।’

নবনির্বাচিত প্যানেলের সদস্যরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে বেশ ভালোমানের ফ্যাক্টরি রয়েছে। আমরা মনে করি, সেলফ মনিটরিংয়ের এখনই সময়। এটি দেশের সবচেয়ে বড় রফতানি খাত। দেশের সবচেয়ে বেশি মানুষ এ খাতের সঙ্গে জড়িত। আমরাই মূলত দেশের অর্থনীতির চালিকা হিসাবে কাজ করছি। সুতরাং আমাদের বেশ কিছু দায়িত্ব রয়েছে। আমার কাছে স্বচ্ছতাও থাকবে। প্রতিশ্রুতি দিতে চাই, আমাদের প্যানেলের কাজের প্রতি নিষ্ঠার একটুও অভাব থাকবে না।’

তিনি বলেন, ‘দায়বদ্ধতার কথা যদি বলেন, আমার পুরো পরিষদ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে। আমার প্রয়াত স্বামী আনিসুল হক দুই বছরে দেখিয়ে গেছেন সবাইকে, কীভাবে পরিবর্তন আনতে হয়। তার মানে বদলানো সম্ভব। আমরাও সেটা পারবো। এজন্য আমাদের দায়বদ্ধতার কোনও প্রকার দ্রুটি দেখবেন না। তারপরও কোনও ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে সেটা ধরিয়ে দেওয়ার আহ্বান থাকলো।’

অ্যাকর্ড অ্যালায়েন্স প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা অনেক করেছেন আমাদের জন্য। এজন্য আমরা খুবই কৃতজ্ঞ। কিন্তু এমন একটি সময়ে আমরা দাঁড়িয়েছি যেখানে সব গার্মেন্ট পুনঃসংস্কার হয়েছে। এখন এসব কারখানার সংস্কার কীভাবে টেকসই করা যায়, সেগুলো দেখতে হবে।

‘আমরা মোটামুটিভাবে দরকষাকষি করতে শিখেছি, একটা গৌরবের জায়গায় দাঁড়াতে শিখেছি। আমরা যদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকি, সবাই একসঙ্গে কাজ করি তাহলে ঘুরে দাঁড়াবেই এ শিল্প। যত চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন। কারণ চ্যালেঞ্জ যেমন আছে ঠিক একইভাবে সম্ভাবনাও আছে। সবাই যদি একসঙ্গে কাজ করি, দুই বছরে আমরা বহু কিছু পাল্টে দিতে পারবো।’

 

 

/জিএম/এমএএ/এমএমজে/

সম্পর্কিত

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০০

আইন অনুযায়ী বিইআরসি ছাড়া আর কারও এলপিজির মূল্য নির্ধারণের এখতিয়ার নেই। ফলে সরকারি এলপিজির দামা নির্ধারণের দায়িত্ব বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) দেওয়ার কোনও সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর চেয়ারম্যানের কাছে এই বিষয়ে একটি চিটি পাঠিয়েছে ক্যাব। ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভুইয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৭ সেপ্টেম্বর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে বিইআরসির সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এলপি গ্যাস লিমিটেডের  সরবরাহ করা এলপিজির দাম নির্ধারণের বিষয়টি বিইআরসির আওতাবহির্ভূত রাখার কথা বলা হয়েছে।

বিইআরসিকে দেওয়া ক্যাবের চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি এলপিজি কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেডের এলপিজির দাম নির্ধারণ করার দায়িত্ব বিপিসিকে দেওয়া এবং এই চিঠি দিয়ে বিইআরসির এখতিয়ার বহির্ভূত রাখতে বলায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বিইআরসি আইনের ২২(খ) উপধারা লঙ্ঘন করেছে। এই আইনের ৪২ ধারা মতে আইন লঙ্ঘনের দায়ে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে। অন্যদিকে তাতে উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করা হয়েছে। ফলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আদালত অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত।

চিঠিতে জ্বালানি বিভাগ চলতি মাসে ৭ সেপ্টেম্বর বিইআরসিকে দেওয়া চিঠি অনতিবিলম্বে বাতিল বা প্রত্যাহার করাসহ ৬টি সুপারিশ করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে বিইআরসির আইন সংশোধন করে এলপিজিসহ পেট্রোলিয়াম পণ্যসমূহের দাম নির্ধারণ বিইআরসির এখতিয়ার বহির্ভূত রাখার তৎপরতা বন্ধ করা এবং এই আইন সংশোধন না করা, বিইআরসি আইনের ২২(খ) উপধারা মতে গণশুনানির ভিত্তিতে পেট্রোলিয়াম পণ্যগুলোর দাম নির্ধারণ করার জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে বিইআরসিকে জানানো, জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংস্থাটির হিসাব নিকাশ কন্ট্রোলার অডিটর জেনারেলের মাধ্যমে অডিট করানো, এলপিজিসিএলের এলপিজির ডিস্ট্রিবিউটর ও রিটেইলার চার্জ গণশুনানির মাধ্যমে নির্ধারণ করা এবং সরকারি এলপিজি স্বল্প দামে বস্তিবাসী ও স্ট্রিট ফুড ভেন্ডরদের মধ্যে বিতরণ করা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, আইন অনুযায়ী বিইআরসি ছাড়া আর কারও পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্য যেমন, এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই। জ্বালানি বিভাগ থেকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তা আইন বহির্ভূত। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিলের আহ্বান জানান তিনি।

/এসএনএস/এমআর/

সম্পর্কিত

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি আইন বাতিলের দাবি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি আইন বাতিলের দাবি

‘বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে সহায়তা করবে সরকার’

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৫৬

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম বলেছেন, ভবনে জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য পাইলট প্রকল্প করার বিষয়টি খুব জরুরি। সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে পূর্ণ সহায়তা করবে। টাকা তেমন কোনও সমস্যা হবে না। সেইসঙ্গে বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে। তারাও যেন এমন ভবন তৈরিতে এগিয়ে আসে। সেখানেও সরকারি সবরকমের সহযোগিতা থাকবে।

আজ রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন আয়োজিত ‘এনার্জি এফিসিয়েন্সি ইন পাবলিক বিল্ডিংস’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জ্বালানি সাশ্রয় নিয়ে কারিগরি বিষয়ে সমাধান ধাপে ধাপে করতে হবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ব্যক্তিগত অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমেও ৫০ ভাগ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব। জ্বালানিসাশ্রয়ী ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে একটা পাইলট প্রজেক্ট করা যেতে পারে। সরকার এর ব্যয় পুরোটা বহন করবে। এ ছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সুইচ বন্ধ হয়ে যায় এমন প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়াতে হবে। এসির তাপমাত্রা যেন ২৮ ডিগ্রির কম না করা যায় এমন স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

মূল প্রবন্ধে ফারজানা মমতাজ বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ভবন নিয়ে স্রেডা একটা নিরীক্ষা কার্যক্রম শেষ করেছে। সরকার ২০২১ সালে ১৫ ভাগ আর ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ ভাগ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করেছে। শুধুমাত্র আবাসিক খাত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী করা গেলে প্রায় ২৯ ভাগ জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব।

প্রবন্ধে বলা হয়, গণপূর্ত, শিক্ষা বিভাগ ও স্বাস্থ্য বিভাগ মিলিয়ে দেশে প্রায় ৮৫ হাজার সরকারি ভবন আছে। এরমধ্যে গণপূর্তের ১৪ হাজার, যার ২৭৩টি ঢাকায়। ৮০ কোটি থেকে ১২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে এই ভবনগুলো থেকে প্রতিবছর ১১ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব। এতে বছরে ১১ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। নিয়ন্ত্রণ করা যাবে কার্বন দূষণ।

সভায় যেসব সুপারিশ উপস্থাপন করা হয় সেগুলো হলো, কম্পিউটার ব্যবহারে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মোড ব্যবহার করতে হবে। ফ্লুরোসেন্ট টিউব লাইটের বদলে এলইডি বাল্ব ব্যবহার করতে হবে। সনাতন পদ্ধতির সিলিং ফ্যান ব্যবহার না করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যান ব্যবহার করতে হবে, পুরোনো এসির বদলে ইনভার্টার প্রযুক্তিসহ এসি ব্যবহার করতে হবে। ভবনগুলোতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কাচ ব্যবহার করতে হবে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে গতানুগতিক অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়া একটা সমন্বিত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী গাইডলাইন তৈরি করতে হবে।

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, ভবনগুলোকে জ্বালানি দক্ষ করা একটি বড় কাজ। প্রাথমিক পর্যায়ে পাবলিক বিল্ডিংকে জ্বালানি দক্ষ করার উদ্যোগ হিসেবে ১২টি ভবনে সমীক্ষা করা হয়েছে। এর আলোকে কাজ চলছে, প্রয়োজনে সমীক্ষা আরও করা হবে।

টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) ও জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেড-এর সহায়তায় আলোচনায় মোল্লাহ আমজাদ হোসেন সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব এবং স্রেডা-র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল্লাহিল আজম। আলোচ্য বিষয়ের উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেড্রার সদস্য ফারজানা মমতাজ। প্যানেলিস্ট হিসেবে কথা বলেছেন, বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. জহরুল হক এবং গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল হক।

/এসএনএস/ইউএস/

সম্পর্কিত

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

টিসিবির পণ্য বিক্রির মেয়াদ বাড়লো  

টিসিবির পণ্য বিক্রির মেয়াদ বাড়লো  

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

টিসিবির পণ্য বিক্রির মেয়াদ বাড়লো  

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৩১

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের সময় বাড়িয়েছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পণ্য বিক্রি কার্যক্রম পরিচালনার মেয়াদ ছিল ২৮ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) পর্যন্ত।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির এ তথ্য জানিয়েছেন। 

তিনি জানান, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষে আবারও নতুন করে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

উল্লেখ্য, দেশজুড়ে টিসিবির ৪০০ ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৮০টি ও চট্টগ্রাম সিটিতে ২০টি ট্রাক রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি মহানগর ও জেলা শহরেও ট্রাকসেলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি চলছে।

 

/এসআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

‘বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে সহায়তা করবে সরকার’

‘বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে সহায়তা করবে সরকার’

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৪০

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমি‌য়ে‌ছে সরকার। সঞ্চয়পত্রে যাদের ১৫ লাখ টাকার ওপরে বিনিয়োগ আছে, তাদের মুনাফার হার দুই শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। পুনর্নির্ধারিত মুনাফার হার বাস্তবায়‌নে ব্যাংকগু‌লো‌কে নি‌র্দেশ দি‌য়ে‌ একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সার্কুলারটি সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়— যারা নতুন করে সঞ্চয়পত্র কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এ হার কার্যকর হবে। আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি পুনঃবিনিয়োগ করলে, তখন নতুন মুনাফার হার কার্যকর হবে। ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয়ের জন্য মুনাফার নতুন এই হার প্রযোজ্য হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। নতুন নির্দেশনায় যারা সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করবেন, তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ হারে। ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে মুনাফার হার হবে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ছিল এতদিন ১১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার কমিয়ে করা হয়েছে ১০ শতাংশ। সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ৩০ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ৯ শতাংশ হারে।

 

/জিএম/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমলো

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমলো

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ, খতিয়ে দেখবে এনবিআর

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ, খতিয়ে দেখবে এনবিআর

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৫২

ইভ্যালির প্রতারণা অনেক সময় বোঝাই যায়নি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ‘উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে পণ্য দেওয়ার অফার বাস্তবসম্মত নয়, এটি বুঝতে হবে। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের প্রলোভন থেকে সরে আসতে হবে।’

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘প্রতিযোগিতা আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টিতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

কমিশনের চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত কর্মশালায় ইআরএফ’র সদস্য দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৩০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ইআরএফ সভাপতি শারমিন রিনভী ও সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইভ্যালির সম্পদ বিক্রি করে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ করা যাচ্ছে না। যদি এ সুযোগটি পাওয়া যেত তাহলে হয়তো ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ গ্রাহকের পাওনা পরিশোধ করা সম্ভব হতো।’ বিষয়টি নিয়ে আইন মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যমান আইনের ৪২০ ধারায় (প্রতারণা) মামলা সহজেই জামিনযোগ্য বলে ই-কমার্সভিত্তিক আইনটি সংশোধনেরও দাবি উঠেছে। তবে সরকার ই-কমার্স বিষয়ে একটি নীতিমালা তৈরির কাজ করছে। আমরা ইভ্যালির বিষয়ের দায় এড়াচ্ছি না। আমরা এটিকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে চাই। আমরা ভাবছি কী করা যায়। কারণ, ই-কমার্স নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বহু মত রয়েছে।’

অনলাইনে কোরবানির গরু কিনতে গিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুই বছর আগে অনলাইনে কোরবানির গরু বেচাকেনার কার্যক্রম উদ্বোধন করতে গিয়ে আমি নিজেও প্রতারণার শিকার হয়েছিলাম। ই-কমার্স থেকে এক লাখ টাকার কোরবানির গরু কিনেছিলাম। টাকাও দিয়েছিলাম। কিন্তু ৫-৬ দিন পর জানানো হলো—আমাকে যে গরুটি দেখানো হয়েছিল, তা বিক্রি হয়ে গেছে। পরে আমাকে কম দামে অন্য একটি গরু দিয়েছিল এবং সঙ্গে একটি ছাগলও পেয়েছিলাম। গরু পাওয়ার আগে টাকা পরিশোধ করে আমি তাদের কাছে বন্দি হয়ে গিয়েছিলাম। তাই পরে ওরা যে গরু দিয়েছে, তা-ই নিয়েছি।’  

/এসআই/এপিএইচ/এমওএফ/   

সম্পর্কিত

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সম্পর্কিত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ খেলুক শামীম প্রত্যাশা চাঁদপুরবাসীর 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ খেলুক শামীম প্রত্যাশা চাঁদপুরবাসীর 

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা হবে দেড় ঘণ্টা

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা হবে দেড় ঘণ্টা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ-যুবদল কর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ-যুবদল কর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া  

১৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি বেরোবি কর্তৃপক্ষ

বিকৃত জাতীয় পতাকা প্রদর্শন১৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি বেরোবি কর্তৃপক্ষ

মোবাইলফোনে তালাক দিলেন স্বামী, শিশুপুত্রকে গলা কেটে হত্যা

মোবাইলফোনে তালাক দিলেন স্বামী, শিশুপুত্রকে গলা কেটে হত্যা

‘দায়িত্ব পালনে বাধ্য হয়েছি, বসের হুকুম তামিল করেছি’

শিল্পকলায় ‘অনিয়ম’‘দায়িত্ব পালনে বাধ্য হয়েছি, বসের হুকুম তামিল করেছি’

সচেতন সেবায় পর্যটনের ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার চেষ্টা 

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবসসচেতন সেবায় পর্যটনের ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার চেষ্টা 

ছোট-বড় মিলিয়ে একদিনে ছয় জনসভায় বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু

ছোট-বড় মিলিয়ে একদিনে ছয় জনসভায় বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু

সর্বশেষ

মাস্ক পরা নিয়ে ট্রলের শিকার সালমান

মাস্ক পরা নিয়ে ট্রলের শিকার সালমান

রুশ যুদ্ধবিমানের ধাওয়ায় পালালো মার্কিন বোমারু বিমান

রুশ যুদ্ধবিমানের ধাওয়ায় পালালো মার্কিন বোমারু বিমান

ফিফার ছাড়পত্র আসেনি কিংসলের, অপেক্ষায় বাফুফে 

ফিফার ছাড়পত্র আসেনি কিংসলের, অপেক্ষায় বাফুফে 

‘কক্সবাজার হবে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী’

‘কক্সবাজার হবে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী’

আন্দোলনে বিএনপির নেতা কে, জানতে চান ওবায়দুল কাদের

আন্দোলনে বিএনপির নেতা কে, জানতে চান ওবায়দুল কাদের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ খেলুক শামীম প্রত্যাশা চাঁদপুরবাসীর 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ খেলুক শামীম প্রত্যাশা চাঁদপুরবাসীর 

‘করোনাকালে তথ্য অধিকারের সংকোচন ঘটেছে’

‘করোনাকালে তথ্য অধিকারের সংকোচন ঘটেছে’

পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে চাকরি, নেবে ২৫ জন

পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে চাকরি, নেবে ২৫ জন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

© 2021 Bangla Tribune