X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

সব্যসাচী হাজরা মানেই বই আর প্রচ্ছদ!

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৩:২৮

Hajra একটি বইয়ের প্রচ্ছদ হলো পুরো বইয়ের সারমর্ম। এ ক্ষেত্রে এককভাবে যেকোনও বইয়ের প্রচ্ছদের শক্তি হচ্ছে এক পৃষ্ঠায় পুরো বইয়ের প্রকাশ। এই সময়ে প্রচ্ছদশিল্পীদের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়দের একজন প্রচ্ছদ শিল্পী সব্যসাচী হাজরা। বাংলা ট্রিবিউনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তুলে ধেরেছেন তার কর্মজীবন থেকে ভাবধারার আদ্যোপান্তো।

প্রচ্ছদ অলংকরন নয়বই পড়াটাই পেশা...

পড়তে ভালোবাসি সব সময়। সেই চিন্তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে পেইন্টিং এ মার্স্টার্স করার পর তথাকথিত পেশাগত জীবন থেকে সরিয়ে রেখেছে অনেকটা। দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ি পেশা জীবন বেছে নেওয়ার বিষয়ে।
এ ক্ষেত্রে যোগ করব নিজের ভাললাগার ছবি বিক্রি করাটা আমার কাছে পছন্দ হতো না। আর্টওয়ার্ক বিক্রি করা উচিৎ না। এর পাশাপাশি একটি পেশা খুঁজছিলাম যেটা আমার জন্য উর্পাজনের মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমার ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলি। আমার ব্যক্তি জীবনে অনুসরণীয় হিসেবে, চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদীন ও কামরুল হাসান বিশেষ গুরুত্ববহন করেন।

রাজনীতিতে না থেকেও রাজনীতিক...

কিছু চিত্রশিল্পী আছেন যাদের মধ্যে কখনও রাজনৈতিক কোনও কার্যক্রমের অস্তিত্ব খুঁজে পাবেন না। তবে দেখবেন তাদের কাজের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে সমাজের হালচাল। যেমন জয়নুল আবেদীন ও কামরুল হাসান রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত না থেকেও, যথেষ্ট সচেতন ব্যক্তিত্বের মানুষ ছিলেন।
এরা প্রতিটি মুহূর্তে যে কাজটি করেছেন সেটি হচ্ছে রাজনীতির ইস্যুগুলোকে কাজের মধ্য দিয়ে তুলে ধরা। যেমন ধরুন, দুর্ভিক্ষের সময় নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু, দুর্ভিক্ষ বোঝাতে এখনও জয়নুল আবেদীনের ছবির বিকল্প নেই।

মূলত এই বিষয়গুলো আমাকে আমার পেশাজীবন নির্ধারণে সহায়তা করেছে। যে কারণে আমার চিত্রশিল্পকে আমি আমার শখের স্থানেই রেখেছি। কিন্তু, পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি চিত্রশিল্পকে গ্রাফিকাল আর্টস ওয়ার্ক। তারেই একটি মাধ্যম বইয়ের প্রচ্ছদ করা।

পাণ্ডুলিপি ছাড়া প্রচ্ছদ অসম্ভব...

পাণ্ডুলিপি পড়া ছাড়া আমি কখনও বুক কাভার ডিজাইন করি না। এবং সেখানে আমার পছন্দ-অপছন্দকে আমি সবসময়ই গুরুত্ব দেই। এ ক্ষেত্রে কার লেখা পাণ্ডুলিপি বা ভাল-মন্দের বিচারের চেয়ে আমি গুরুত্ব দেই আমি বইটিকে ঘিরে আমার কাজটিকে কতটা বাস্তবসম্মত করে করতে পারব।

কাজ নির্ধারণে শুধুই পড়া...

পাণ্ডুলিপি পড়ার পর আমি মূলত নির্ধারণ করি কাজের ধরন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় একটি কবিতার বই পড়ার পর ঠিক করি বইটির প্রচ্ছদ কি ওয়াটার কালারে হবে, নাকি টাইপোগ্রাফিতে করব। অথবা কোন ফটোগ্রাফি ব্যবহার করে সেটার ওপর আলাদাভাবে কাজ করব। এভাবে প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক কাজের মাধ্যম নির্বাচনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তবে, একই বিষয়ে ভিন্ন প্রচ্ছদ তৈরি কিছুটা কঠিন হয়ে উঠতে পারে বিভিন্ন সময়। একই ধরনের প্রেমের কবিতা লেখক বিশেষে ভিন্ন ভিন্ন আবেহ তৈরি করে। সে ক্ষেত্রে প্রচ্ছদ তৈরির সময় বিষয়গুলো মাথায় রাখা অনেকটা চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

ছিন্ন হয়ে যাচ্ছেন সৃজনশীলরা...

ধরুন কোনও লেখক তার সামনের চলমান কোনও ঘটনা তার লেখার মধ্য দিয়ে তুলে আনলেন, কিন্তু এখন আর্টিস্টের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মাধ্যম নির্বাচন। সম্ভব হলে প্রচ্ছদশিল্পীর উচিৎ লেখকের সঙ্গে বসে কথা বলে লেখকের চিন্তার গভীরতা বোঝা। একট সময় ছিল যখন লেখক, কবি, সাহিত্যিক, ফটোগ্রাফারেরা মিলে আড্ডা দিতেন। সময়ের ধারাবাহিকতায় সেই অভ্যাসগুলো পরিবর্তন হয়ে গেছে। মানুষ এখন অনেক ছিন্ন হয়ে গেছে একে অপরের থেকে। 

বইয়ের ক্ষেত্রে দুই চ্যালেঞ্জ...

বইয়ের ক্ষেত্রে সব সময় দুটি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। যার একটি হচ্ছে টাইপোগ্রাফী বা অক্ষরবিন্যাস। লক্ষ্য করলে দেখবেন ইউরোপসহ অন্যান্য দেশগুলোর বইগুলোর প্রচ্ছদ হয় মূলত ফটোগ্রাফি কেন্দ্রিক। আমাদের এই সাব-কন্টিনেন্টে হাতে এঁকে করা কাভার এ প্রবণতা চোখে পড়বার মতো। উদাহরণ হিসেবে বলি জাহানার ইমামের লিখা ‘একাত্তরের দিনগুলি’ বইয়ের প্রচ্ছদ কাইয়ুম চৌধুরী যেভাবে হাতে এঁকে করেছেন, এটি কোনওভাবেই ফটোগ্রাফি দিয়ে সম্ভব হতো না। এছাড়া হাতে তৈরি কোনও শিল্পের প্রতি মায়া তুলনামূলক একটু বেশি থাকে।

আমি বইয়ের কাভারের ক্ষেত্রে হাতের কাজের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল। এর বাইরে কম্পিউটার একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ।  সবার কাজ আলাদা। তবে প্রত্যেকের কাজের মধ্যে লক্ষ্য করলে তাদের সিগনেচার বোঝা যায়।

সব কাজ সবার জন্য না...

যে শিল্পী পোস্টার থেকে শুরু করে কর্পোরেট লোগো তৈরির জন্য বিখ্যাত, সেই যে বইয়ের প্রচ্ছদ ভালো করবেন সে ধরনের আশা করা অনুচিত। কারণ ব্যক্তি বিশেষ তার কাজের আগ্রহের সঙ্গে সঙ্গতি মিলিয়ে কাজ করবেন সেটাই স্বাভাবিক। উদাহরণ হিসেবে বলি,চির তরুণ আফজাল হোসেনের কথা। আফজাল হোসেন জনপ্রিয় অভিনেতা কিংবা উপস্থাপক হিসেবেই পরিচিত সবার কাছে। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন তার করা পোস্টার করার কথা। একটা সময় ছিল যখন থিয়েটারের পোস্টার আফজাল হোসেন ছাড়া সম্ভব ছিল না। তিনি এটা নিজের ভালবাসার জায়গা থেকে ধরে রেখেছেন।

চিত্রলিপি এর গল্প...

সহজে কী করে জগতের সঙ্গে পরিচয় করে নিতে পারবে শিশুরা? সে ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হতে পারে ছবি। ছবি দিয়ে শিশুদের অক্ষর চেনানোর লক্ষ্যে আমার সৃষ্টি ‘চিত্রলিপি’। যেখানে শিশুরা বাংলা বর্ণমালার সঙ্গে মিলিয়ে আঁকা ছবি গুলো দেখে শিখবে মাতৃভাষা।

আমি চেষ্টা করেছি ভালবাসার কাজ আর পেশাগত কাজকে ভিন্ন রেখে কাজ করতে। এভাবেই শিল্পীর শিল্পমান আর শিল্পের প্রতি ভালবাসা টিকে থাকে বলে আমার বিশ্বাস।

/এফএএন/

সম্পর্কিত

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

বর্ষসেরা নারী শিক্ষার্থী প্রকৌশলী পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের সাদিয়া

বর্ষসেরা নারী শিক্ষার্থী প্রকৌশলী পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের সাদিয়া

আজমের গল্পটা যেন ছবির মতো

আজমের গল্পটা যেন ছবির মতো

অক্সিজেন লাগবে, অক্সিজেন?

অক্সিজেন লাগবে, অক্সিজেন?

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২১, ২০:৫৬

ঈদের সারা দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাংস সংগ্রহ করেছেন সাঈদ রিমন। পেশায় নিজে একজন বস্ত্র প্রকৌশলী। কিন্তু তিনি কেন এভাবে মাংস সংগ্রহ করেছেন? জবাবে রিমন জানালেন, এই মাংস রান্না করে তিনি করবেন মেহমানদারি। তার মেহমানের তালিকায় আছে ছিন্নমূল, দরিদ্র ও অসহায় মানুষগুলো। গতবছরও একইভাবে মাংস সংগ্রহ করে তা  রান্না করে খাইয়েছিলেন প্রায় হাজারখানেক অসহায় মানুষকে।

ঈদের কয়েক দিন আগে থেকেই নিজের উদ্যোগ ‘গোশত টোকাই’-এর পক্ষ থেকে ফেসবুকে পোস্ট করে জানালেন তিনি মাংস সংগ্রহ করবেন। কেউ যদি দিতে চায় তবে ছুটে যাবেন তার কাছে। এজন্য একটি সিএনজিকে ভ্রাম্যমাণ বুথ হিসেবে তৈরিও রেখেছিলেন। দিনভর ঘুরে সংগ্রহ করেছেন ৭০ কেজি মাংস।

হাস্যোজ্জ্বল এ তরুণ বরাবরই নিজেকে ব্যস্ত রাখেন সামাজিক কাজে। জনসচেতনতা লক্ষ্যে গত পাঁচ বছর ধরে নানা ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

ওদের খাওয়ার মাঝেই শান্তি খুঁজে পান রিমন

সাঈদ রিমন বলেন, মাংস টোকাই'র এবারের যাত্রাটা একটু কঠিনই ছিল। কোরবানির গোশত নেওয়ার পর তা সংরক্ষণ করে রান্না করাটা বেশ ঝামেলার। প্রায় ছয় শ’ জনের রান্নাবান্নার কাজ করেছি আমরা মাত্র দুজন- আমি ও বাবুর্চি সজীব ভাই। যারা মাংস দান করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

রিমনের এ উদ্যোগের নাম গোশত টোকাই

শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয় রান্না। গরুর মাংস আর পোলাও রান্না শেষে করা হলো প্যাকেট। এরপর টংগী জংশন, এয়ারপোর্ট রেলওয়ে স্টেশন থেকে বিশ্বরোড পর্যন্ত ঘুরে ঘুরে অসহায়দের মাঝে করা হয় বিতরণ।

 

/সিএ/এফএ/

সম্পর্কিত

বর্ষসেরা নারী শিক্ষার্থী প্রকৌশলী পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের সাদিয়া

বর্ষসেরা নারী শিক্ষার্থী প্রকৌশলী পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের সাদিয়া

আজমের গল্পটা যেন ছবির মতো

আজমের গল্পটা যেন ছবির মতো

অক্সিজেন লাগবে, অক্সিজেন?

অক্সিজেন লাগবে, অক্সিজেন?

পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ, বিপাকে গাড়িচালক-হেলপাররা

পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ, বিপাকে গাড়িচালক-হেলপাররা

বর্ষসেরা নারী শিক্ষার্থী প্রকৌশলী পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের সাদিয়া

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২১, ১৫:১১

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠন ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস  ইঞ্জিনিয়ার্স (আই ই ই ই)। প্রকৌশলী ক্ষেত্রের সবচেয়ে বড় সংগঠন এটি। মূলত গবেষণা, নেটওয়ার্কিং ও প্রোগ্রামিং নিয়ে কাজ করে বিশ্বব্যাপী। বিশ্বের ১৬০টি দেশের প্রায় ৪ লাখ সদস্য রয়েছে আইআইআইই'র। আর এমন বড় সংগঠন থেকে এবার ‘উইমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং (ডাব্লিউআইই)’-এ বর্ষসেরা শিক্ষার্থী হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের সৈয়দা সাদিয়া হোসেইন। প্রকৌশল পেশায় লিঙ্গসমতা আনায় ‘উইমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর পথচলা শুরু। এ বিভাগে আলাদা করে প্রায় বিশ হাজার সদস্য রয়েছেন।

নিজেদের কাজ ও প্রতিভার মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে যারা অংশ নেন তারাই মূলত এ পুরস্কার পান। বাংলাদেশে উইমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ২০টি শাখা রয়েছে। সৈয়দ সাদিয়া বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস শাখার চেয়ারপারসন হিসেবে কাজ করেছেন।

আই ই ই ই বিউপি শাখার চেয়ারপারসন থাকাকালীন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মোট ১৬টি প্রতিযোগিতা ও কর্মশালার আয়োজন করেছেন সাদিয়া। শিক্ষার্থীদের প্রকৌশলী হতে অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনাও করেছেন। করোনা আক্রান্ত ও ভুক্তভোগীদের জন্য তহবিল যোগাড় করার মতো সামাজিক কাজেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

বিউপি থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন সাদিয়া। কাজ করছেন একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানে।

/এফএএন/এফএ/

সম্পর্কিত

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

আজমের গল্পটা যেন ছবির মতো

আজমের গল্পটা যেন ছবির মতো

অক্সিজেন লাগবে, অক্সিজেন?

অক্সিজেন লাগবে, অক্সিজেন?

পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ, বিপাকে গাড়িচালক-হেলপাররা

পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ, বিপাকে গাড়িচালক-হেলপাররা

যুক্তরাষ্ট্রে শতভাগ স্কলারশিপে পিএইচডির সুযোগ

আজমের গল্পটা যেন ছবির মতো

আপডেট : ২৪ জুন ২০২১, ২০:২২

অদম্য ইচ্ছাশক্তির সঙ্গে পরিশ্রম আর একমুঠো একাগ্রতা; স্বপ্নজয়ের ফর্মুলা এটাই। আর এর সুবাদেই প্রশংসায় ভাসছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ১৪তম ব্যাচের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থী মো. গোলাম আজম।

দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ থানার রণগাঁও ইউনিয়নের পুরাতন পাড়া গ্রামের কৃষক পরিবারে জন্ম নেওয়া এই শিক্ষার্থী মাস্টার্স শেষ না করতেই যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পূর্ণ স্কলারশিপে পেয়েছেন পিএইচডি করার অফার। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- লুইসিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ওকলাহোমা ও টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটি।

তিনটি থেকে আজম বেছে নিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অব ওকলাহোমা। চলতি বছরের আগস্টেই পাড়ি জমাবেন পিএইচডি করতে। গবেষণার বিষয় ডেভেলপমেন্ট জিনেটিক্স। আজমের মুখেই শোনা যাক সফলতার বৃত্তান্ত-

যখন আমার জন্ম তখন গ্রামের অর্ধেকেরও বেশি পরিবার ছিল দিনমজুর। তিনবেলা খেতে পারাই ছিল বিশাল ব্যাপার। বাবা কৃষক, মা ঘর সামলান। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে আমি তৃতীয়।

আমার পড়াশোনায় হাতেখড়ি রেজিস্টার্ড প্রাইমারি স্কুলে। স্কুল বলতে বড় হলঘরের মতো একটা রুম। কঞ্চির বেড়া দেওয়া সেই স্কুলের ছাদ টিনের। ঝড়ে প্রায়ই উড়ে যেত সেই চাল। স্যারদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমরাও সেগুলো মেরামত করতাম। একটি রুমেই প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস হতো। আমাদের বাড়িঘরও ছিল তেমন। ছিল না বিদ্যুৎ। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কুপি আর হারিকেন জ্বালিয়ে পড়েছি।

পরে ভর্তি হলাম গ্রামের অপর প্রান্তের মহেশপুর আদিবাসী উচ্চ বিদ্যালয়ে। এলাকায় আদিবাসীদের সংখ্যা বেশি বলেই এমন নাম। সাঁওতালরা ছিল বেশি। শিক্ষকদের অর্ধেকই ছিলেন আদিবাসী। তাদের কথা এখনও মনে পড়ে। স্কুলে যাওয়াটা ছিল মজার একটা কাজ। পরীক্ষায় ফার্স্ট হতাম বলে স্যারদের অন্যরকম অ্যাটেনশন পেতাম। কিন্তু বেশি মজা পেতাম সহপাঠীদের সঙ্গে ক্ষেতের আইল ধরে হেঁটে স্কুলে যেতে।

ইন্টারে ভর্তি হলাম উপজেলার সেতাবগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে। বুয়েট, কুয়েট বা চুয়েটে পড়বো এমন স্বপ্ন দেখব কী, ঠিকমতো নামই শুনিনি। খেয়াল ছিল মেডিক্যালের দিকে। দিনাজপুর শহরে গেলাম কোচিং করতে। কিন্তু চান্স পেলাম না।

এরপর সুযোগ পাই হাজী দানেশের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদে। তখনও বিদেশে উচ্চশিক্ষার বিস্তারিত জানতাম না। সেকেন্ড ইয়ারের দিকে এক সিনিয়রের কাছে ধারণা পেলাম। নিজেই তথ্য সংগ্রহ করলাম। আগ্রহ জন্মালো গবেষণায়। কারণ ছিল দুটি। ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ ছিল। আর বিজ্ঞানী ও গবেষক পরিচয়টাকে অন্যসব কিছুর চেয়ে বড় মনে হতো।

নিজ বিভাগের সামনে আজম

পথ দেখানোর কাজটি করলেন আমাদের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদেরই রাশিদুল ইসলাম স্যার। আগ্রহ দেখে স্যার আমাকে ল্যাবে কাজ করার সুযোগ দিলেন। স্যারের সঙ্গে কাজ করতে করতেই মনে হচ্ছিল জীবন মোড় নিচ্ছে নতুন দিকে।

এমনও হয়েছে টানা রাত ১২টা পর্যন্ত ল্যাবে কাজ করেছি। হলে গিয়ে ঘণ্টাখানেক পড়াশোনা করে তারপর ঘুম। পরদিন ভোর সাতটায় আবার কাজ। রাশেদ স্যারের তখন তিন থেকে চারজন মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিল। যেচে তাদের কাজগুলোও নিজের ঘাড়ে নিতাম। পরদিন সকালে হয়তো ক্লাস টেস্ট, সবাই পড়তে ব্যস্ত, আর আমি মাছের স্যাম্পল কালেকশন করতে গিয়েছি ৩০-৪০ কিলোমিটার দূরের বাজারে। যদিও ওই সেমিস্টারে সিজিপিএ-৪ পেয়েছিলাম।

দুই সম্বল
২০১৮ সালের জুনে গ্রাজুয়েশন শেষ করি। হাতে দুটো সম্বল- সিজিপিএ ৩ দশমিক ৯১ ও চারটি পাবলিকেশনস। ওই বছরের জুলাই থেকে পরের বছরের জানুয়ারি জিআরই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিই ঢাকায় এসে। পেলাম ২৯৯। হতাশ হলাম খানিকটা।

পরের বছর জানুয়ারিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএস ইন ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স প্রোগ্রামে ভর্তি হই। প্রথম সেমিস্টার শেষ হলো জুনে। জুলাই মাস ফ্রি ছিলাম। ভাবলাম বসে না থেকে আইইএলটিএস করি। একমাসের প্রস্তুতিতে ৭ দশমিক ০ পেলাম। দ্বিতীয় সেমিস্টারের ক্লাস শুরু হলো। সিজিপিএ পেলাম ৪। ওই সময় বাকৃবিতে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার ছিল। এমএস-এর থিসিসের কাজটা প্রেজেন্ট করার জন্য ওরাল প্রেজেন্টেশনের রেজিস্ট্রেশন করে রেখেছিলাম। ফাইনাল শেষে সবাই যখন ছুটি কাটাচ্ছে, তখন রাত জেগে প্রেজেন্টেশনের স্লাইড বানাচ্ছিলাম। জীবনের প্রথম সেমিনারে দ্বিতীয় সেরা ওরাল প্রেজেন্টেশন পুরস্কার পেয়েছিলাম।

ইচ্ছা ছিল ২০২০ সালের জুনে ডিফেন্স দিয়ে ইউএএ তে পিএইচডির আবেদনের প্রক্রিয়াটা শুরু করার। কিন্তু করোনা সেই প্ল্যান ভেস্তে দিল। ঘরবন্দি সময়টায় একমাস শুয়ে বসেই গেল।

পরের দুই মাস আবার জিআরই পড়া শুরু করলাম। এর মধ্যে শুনলাম মহামারির কারণে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় জিআরই স্কোরের চাহিদা তুলে দিচ্ছে। ২০২০-এর জুলাই থেকে প্রফেসরদের ইমেইল করা শুরু করলাম। রিপ্লাইও পেতে থাকলাম।

দুই মাসে ৮৫০ ইমেইল
জুলাই-আগস্ট দুই মাসে প্রায় ৮৫০ জন প্রফেসরকে ই-মেইল করেছি। গ্রামে নেটওয়ার্ক বেশ দুর্বল। কোনও প্রফেসর ভিডিও কলে কথা বলতে চাইলে এক কিলোমিটার দূরে অন্য কারও বাড়িতে যেতে হতো ওয়াইফাই কানেকশন পেতে। এমনকি বিদ্যুৎ না থাকায় একদিন লুইসিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির এক প্রফেসরের সঙ্গে ১০ কিলোমিটার দূরের শহরে গিয়ে কথা বলে আসতে হয়েছে।

চলতি বছর ফেব্রুয়ারির ২৪ তারিখে প্রথমেই ওই ইউনিভার্সিটি থেকে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ-এর অফার পাই। এরপর অফার আসে ইউনিভার্সিটি অফ ওকলাহোমা ও টেক্সাস টেক থেকে। তিনটিতেই শতভাগ স্কলারশিপে পিএইচডি প্রোগ্রামের অফার। এখন গবেষণা করে দেশের জন্য কী করতে পারি, সেটার জন্যই মুখিয়ে আছি।’

/এফএ/

অক্সিজেন লাগবে, অক্সিজেন?

আপডেট : ১৫ মে ২০২১, ০২:০৮

করোনা পরিস্থিতিতে যখন কোনও নিয়ম না মেনে মানুষ ছুটছে বাড়ির দিকে, তখন একটি ঘোষণা ঘুড়ে বেড়াচ্ছে ফেসবুকে- ‘বিনামূল্যে জয় বাংলা অক্সিজেন সেবা বন্ধ থাকবে না। যেহেতু অসুস্থতার কোনও দিন নেই, তাই আগের মতো সারাদেশেই নিরবচ্ছিন্ন সেবা অব্যাহত থাকবে ইন শা আল্লাহ! যে যেখানে থাকুন সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন। অন্ধকার কেটে যাক সে প্রত্যাশায়।’ ঘোষণাটি বিনামূল্যে জয় বাংলা অক্সিজেন সেবা দিচ্ছেন যারা তাদের।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী গতবছর থেকে বিনামূল্যে অক্সিজেন সরবরাহের কাজ করে আসছেন সারাদেশে। এখন পর্যন্ত সাত হাজারের বেশি মানুষকে অক্সিজেন সেবা দিয়েছেন। ১১৪ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে এ কাজ এখনও ঠিকঠাক চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

ঈদের সময়ও জরুরি এই সেবা চালু থাকবে বলে জানান সাদ। কীভাবে কাজটি চালানো হয় জানতে চাইলে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কোভিড পরিস্থিতি শুরুর পরে আমরা জানতে পারি, এই রোগে সবাইকে হাসপাতালে নিতে হবে এমন নয়। অক্সিজেনের সাপোর্ট বাসায় দেওয়া গেলে রোগীর জন্য ভালো। একদিকে বাসায় থাকতে পারবে, আরেকদিকে হাসপাতালে গিয়ে আরও সংক্রমণের শঙ্কাও থাকছে না। ফলে কারও অক্সিজেন লাগলে তাকে ১৪ দিনের জন্য একটা সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করে দিতে পারি কিনা, সেই আগ্রহ থেকেই এ কাজ শুরু করি।

এখন আর ১৪ দিনের জন্য একজনকে সিলিন্ডার দিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না উল্লেখ করে সাদ বলেন, গত এপ্রিলে আমাদের সবচেয়ে ব্যস্ত সময় কেটেছে। তখন আমরা প্রয়োজনের দিক বিবেচনা করে সাতদিনের জন্য অক্সিজেনের ব্যবস্থা করার চিন্তা করি। শুধু সিলিন্ডার নয়, সঙ্গে আনুষাঙ্গিক যা লাগে সেসবও দেওয়া হয় বিনামূল্যে।

এতো বড় কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করতে যে অর্থ দরকার সেটার যোগান আসছে কোথা থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শুরু করেছিলাম নিজেদের ও পরিবারের সহযোগিতা নিয়ে। পরে যখন দেখলাম সংক্রমণের সময় দীর্ঘ হচ্ছে, তখন অনেকের সহযোগিতা নিয়েছি। কিন্তু সরাসরি টাকা লেনদেনের সুযোগ নেই। কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে তাকে সিলিন্ডার দিতে হবে বা সিলিন্ডার রিফিল করে দিতে হবে। কিংবা ন্যাজাল ক্যানুলা, অক্সিজেন মাস্ক বা এমনি মাস্ক কিনে আমাদের সহযোগিতা করতে পারেন। শুরুতে বলেছিলাম যতোদিন সংক্রমণ থাকবে সহযোগিতা চালিয়ে যাবো। ফলে এই ঈদের সময়ও যখন সব বন্ধ থাকে তখনও যেন কেউ অক্সিজেনের অভাব বোধ না করেন তাই আমাদের জয় বাংলা অক্সিজেন কার্যক্রম অব্যাহত থাকছে।’

এই উদ্যোগে যারা আছেন তারা মূলত ছাত্রলীগের রাজনীতি করেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীরাও এগিয়ে এসেছেন উদ্যোগটি সফল করে তুলেতে।

সাদ বলেন, ‘আমাদের সীমিত সামর্থে যতোটুকু কুলোয় করছি। আপনারা যারা অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত পণ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে চান তারা বললেই আমাদের প্রতিনিধিরা গিয়ে সেগুলো সংগহ করে নেবে।’

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

বর্ষসেরা নারী শিক্ষার্থী প্রকৌশলী পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের সাদিয়া

বর্ষসেরা নারী শিক্ষার্থী প্রকৌশলী পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের সাদিয়া

আজমের গল্পটা যেন ছবির মতো

আজমের গল্পটা যেন ছবির মতো

পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ, বিপাকে গাড়িচালক-হেলপাররা

পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ, বিপাকে গাড়িচালক-হেলপাররা

পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ, বিপাকে গাড়িচালক-হেলপাররা

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০২১, ১৩:৪৪

লকডাউনের কারণে পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে চাঁদের গাড়িচালক ও হেলপাররা। বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা না থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মেলেনি কোনও ধরনের সাহায্য।

জেলা পরিবহন মালিক সমিতি সূত্রে জানা যায়,  পুরো জেলায় চাঁদের গাড়ি ও পিকআপ রয়েছে প্রায় সাড়ে ৪০০। আর চালক ও হেলপার সব মিলে জড়িত আছে প্রায় হাজার খানেক পরিবার। 

চাঁদের গাড়ি

চাঁদের গাড়ি চালক হানিফ, খোরশেদ আলম, রিমন ত্রিপুরা, সুমন চাকমা ও মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল দেবনাথ জবলেন, লকডাউনের কারণে পর্যটক না আসায় তাদের আয় বন্ধ হয়ে গেছে।  পর্যটন খোলা না হলে এবং লকডাউন চলমান  থাকলে তাদের না খেয়ে মরতে হবে।

গতবছর  পর্যটন বন্ধ হওয়ার পর সরকারিভাবে প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের কাছ থেকে ত্রাণ সামগ্রী পেলেও এবছর কোনও সাহায্য  এখনও পাইনি। পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান এসব গাড়ির মালিক,  চালক ও হেলপাররা।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। 

 

 

/এসটি/

সম্পর্কিত

নারী নির্যাতন ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কাজ করতে আগ্রহী রিমু

নারী নির্যাতন ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কাজ করতে আগ্রহী রিমু

সর্বশেষ

কৃষকের ঘর থেকে জাতীয় দল, কেমন চলছে শরিফুলের দিনকাল

কৃষকের ঘর থেকে জাতীয় দল, কেমন চলছে শরিফুলের দিনকাল

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের, খেলতে না চাওয়ায় শাস্তি

প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের, খেলতে না চাওয়ায় শাস্তি

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

নিখোঁজের দুই দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

৫ দিনে করোনায় ১ হাজার মানুষের মৃত্যু

৫ দিনে করোনায় ১ হাজার মানুষের মৃত্যু

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

কোরবানির মাংস সংগ্রহ করেন প্রকৌশলী রিমন, কিন্তু কেন?

বর্ষসেরা নারী শিক্ষার্থী প্রকৌশলী পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের সাদিয়া

বর্ষসেরা নারী শিক্ষার্থী প্রকৌশলী পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের সাদিয়া

আজমের গল্পটা যেন ছবির মতো

যুক্তরাষ্ট্রে শতভাগ স্কলারশিপে পিএইচডির সুযোগআজমের গল্পটা যেন ছবির মতো

অক্সিজেন লাগবে, অক্সিজেন?

অক্সিজেন লাগবে, অক্সিজেন?

পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ, বিপাকে গাড়িচালক-হেলপাররা

পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ, বিপাকে গাড়িচালক-হেলপাররা

একবছরে করোনায় মৃত্যু ১২১, একমাসে ৩৩

একবছরে করোনায় মৃত্যু ১২১, একমাসে ৩৩

বর্জ্য থেকে তেল-গ্যাস, সঙ্গে জৈবসারও

বর্জ্য থেকে তেল-গ্যাস, সঙ্গে জৈবসারও

তথ্যচিত্র নির্মাণ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি তরুণী

তথ্যচিত্র নির্মাণ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি তরুণী

একজন তরুণ অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র নির্মাতার গল্প

একজন তরুণ অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র নির্মাতার গল্প

হাতে তৈরি চকলেট ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে ‘জয়ী’

হাতে তৈরি চকলেট ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে ‘জয়ী’

© 2021 Bangla Tribune