X
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১১ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

লকডাউনের সুবিধা ‘হাতছাড়া’ হয়েছে বাংলাদেশের!

আপডেট : ০২ জুন ২০২০, ০৯:৫৪

লকডাউন ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ ৪০ জন মানুষের মৃত্যুর সংবাদ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। রোগী শনাক্তের ১৩তম সপ্তাহে এসে করোনায় সর্বোচ্চ ৪০ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এটিই এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। সঠিকভাবে লকডাউন ঘোষণা না করে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা, পরে লকডাউন বলা হলেও তা নিরবচ্ছিন্ন না থাকা এবং ঠিকমতো বাস্তবায়ন না করার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এবং সামনে আরও কঠিন সময় আসছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সবদিক থেকেই ঊর্ধ্বমুখী। নমুনা পরীক্ষা যেমন বাড়ছে, শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। কার্যত সাধারণ ছুটি কার্যকর না হওয়ার কারণে এটা হচ্ছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের ঢাকায় আনা, ঢাকা থেকে ফেরত যাওয়া, ঈদ উপলক্ষে শপিং মল সীমিত হলেও খুলে দেওয়ার ফলাফল এখন পাওয়া যাচ্ছে। এদিকে এখন যে সাধারণ ছুটি তুলে দেওয়া হলো, এর ফলাফল পাওয়া যাবে ১৪ থেকে ২১ দিন পর।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্ত হয় এবং প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। এরপর ২৬ মার্চ থেকে শুরু হয় সাধারণ ছুটি। কিন্তু তার ঠিক এক মাস পর ২৬ এপ্রিল পোশাক কারখানা খুলে দেওয়া হয়। এর ঠিক দুই সপ্তাহ পর থেকে সংক্রমণের দশম সপ্তাহ (১০ থেকে ১৬ মে) দেশে করোনা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি শুরু হয়। এরপর থেকে গত তিন সপ্তাহ ধরেই শনাক্ত এবং মৃত্যুর হার বাড়ছে।
ঢাকা ফেরতরা ঢাকায় আসার পর অনেক মানুষ একসঙ্গে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে মন্তব্য করে জনস্বাস্থ্যবিদ ও রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'মতিঝিলের মতো ডাউন টাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস খুলে দিলেও রাস্তায় মানুষের জট হবে, যা সংক্রমণ ছড়াবে। চূড়া থেকে নামার দুই সপ্তাহ পরে বোঝা যাবে চূড়া থেকে নেমেছি। আমরা রোগ সংক্রমণ কমানোর পদক্ষেপ না নিয়ে শুধু বাড়ানোর কাজই করে যাচ্ছি।'
তিনি আরও বলেন, 'সংক্রমণ কমানোর পদক্ষেপ নিলে তার ফলাফল পাওয়া যাবে চার সপ্তাহ থেকে ছয় সপ্তাহ পর। কিন্তু সেটা আমরা করছি না, সংক্রমণ বাড়াবার কাজটাই করছি আমরা।'
'হোম কোয়ারেন্টিন কেউ মানেনি, সাধারণ ছুটির ভেতরে কতকিছু হলো, তাহলে লকডাউন কার্যকর হলো কেমন করে'- প্রশ্ন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'সাধারণ ছুটি তুলে দেওয়ার ফল হবে ভয়াবহ। ঈদের ছুটির সময়ে যেভাবে মানুষ ঢাকা ছেড়েছে, ফিরে এসেছে, তাতে ১৪ দিনের ইনকিউবেশন পিরিয়ড পার হলে রোগী সংখ্যা লাফ দেবে।' তিনি আরও বলেন, 'সীমিত’ আকারে ঈদ শপিংয়ের ফলাফল পাওয়া শুরু হয়েছে, ছুটি তুলে দেওয়ার ফলাফল পেতে আরও সময় বাকি আছে।'
জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বিশেষজ্ঞ এবং পাবলিক হেলথ, বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক তৌফিক জোয়ার্দার বলেন, 'লকডাউন যদি একটা সময় পর্যন্ত কঠিন করে রাখা যেত, তাহলে যে বেনিফিট পাওয়া যেত, সেই বেনিফিটটা আমরা মিস করে ফেলেছি। শুরুতে বাংলাদেশ ভালো অবস্থাতে ছিল। এতদিন ঢাকাসহ এর আশপাশের জেলাগুলোতে ৮৫ শতাংশের মতো রোগী ছিল, এটা রিলেটিভলি ভালো, কিন্তু ছড়িয়ে গেলে সামাল দেওয়া কঠিন। এখন সে সম্ভাবনা তৈরি হয়ে গেলো।'
তিনি আরও বলেন, 'প্রাথমিকভাবে কড়াকড়ি করলে সুবিধা বেশি পাওয়া যায়, কিন্তু পরবর্তীতে যখন রোগী বাড়তে থাকে তখন লকডাউন করলেও ইফেক্টিভনেস কমে যায়। তবে লকডাউনের কিছুটা হলেও সুফল রয়েছে, নয়তো রোগী আরও বেশি হতো।'
ঢাকা এপি সেন্টার হওয়াকে একদিক থেকে ভালো ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এতে করে ঢাকাকে খুব ভালোভাবে কন্ট্রোল করা যেত, ঘেরাও করার মতো একটা ব্যবস্থা করা যেত। তাহলে প্রত্যন্ত অঞ্চলকে দুই থেকে তিন সপ্তাহের কৌশলে ভাগ করে ব্যবসা-বাণিজ্য খুলে দেওয়া যেত।'
লকডাউনের ‍সুবিধা বাংলাদেশে হাতছাড়া হয়ে গেছে মন্তব্য করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমান বলেন, 'লকডাউনের ‍সুবিধা বাংলাদেশের হাতছাড়া হয়ে গেছে। তারপরও পালন করা হচ্ছিলো বলেই কিছুটা এই অবস্থায় ছিল, এখন আউটবার্স্ট হবে।'
তিনি আরও বলেন, 'প্রথম থেকে সাধারণ ছুটির কথা বলা হলেও আমরা লকডাউন হিসেবেই চেষ্টা করেছি, কেউ যেমন মানেনি তেমনি অধিকাংশই মেনেছে। অনেক দেশের তুলনায় মৃত্যু সংখ্যা কম ছিল এবং শনাক্তের সংখ্যাও কম ছিল। কিন্তু ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ এবং গাজীপুর এই তিন জেলাকে কঠোরভাবে লকডাউন করা হলে ৮০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করা যেত। কারণ, এসব এলাকায় শুরু থেকে রোগী সংখ্যা বেশি শনাক্ত হচ্ছিলো, কিন্তু সেটা করা যায়নি। তারই ফলাফল এখন রোগী শনাক্তের হার।'
একটানা যদি কঠোরভাবে ৪০ দিন লকডাউন থাকতো তাহলে আমাদের ‘সিচুয়েশন’ অনেক ‘ফেভার’-এ থাকতো বলে জানান চিকিৎসা নৃবিজ্ঞানী আতিক আহসান। তিনি মনে করেন, সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর দফায় দফায় মানুষ বাইরে গেছে, পোশাক শ্রমিকরা ঢাকায় এসেছে, ফিরেছে। আর এখন যেটা পরিস্থিতি, সেটা ঈদের ছুটির ‘ইফেক্ট’ না, তার আগের ইফেক্ট। আর আজ যে ছুটি তুলে দেওয়া হলো, তার ইফেক্ট দেখা যাবে ১৮ জুনের দিকে, আবার ঈদের ছুটির ফলাফল দেখা যাবে ১০ জুনের দিকে। আর তখন যেটা দেখা যাবে, সেটা হবে বর্তমান রোগী শনাক্ত এবং মৃত্যুর চেয়ে অনেক বেশি। আমরা যে স্টেজ পার করলাম, যে ‘অপরচুনিটি’ হাতছাড়া হয়ে গেল, তাকে ফেরত পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই বলেও জানান আতিক আহসান।

/জেএ/এএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২৩:২৪

করোনার টিকা দেওয়ার জন্য কারিগরি শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য চেয়েছে সরকার। সকল অধ্যক্ষকে আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরে নির্ধারিত ছকে তথ্য পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয় হয়েছে।

সোমবার (২৬ জুলাই) কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করে।

আদেশে বলা হয়, ‘কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রাজস্ব খাতভুক্ত সকল শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে নির্ধারিত ছকে তথ্য পাঠাতে হাবে, আগামী ২৯ জুলাই বিকাল ৫টার মধ্যে। নির্ধারিত ছকে শিক্ষক-কর্মচারীর নাম, পদবী, জন্ম তারিখ ও বয়স, কোভিড-১৯ টিকা সংক্রান্ত ও টিকা গ্রহণের তারিখ, অন্যান্য অসুস্থতা, অন্তঃসত্ত্বা, দুগ্ধপোষ্য শিশু ইত্যাদি তথ্য পাঠাতে বলা হয়।

 

/এসএমএ/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২২:৪৭

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি বিরূপ প্রভাব পড়বে উন্নয়নশীল দেশের ফুড সিস্টেমে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষি ও খাদ্য খাতে আরও বেশি বিনিয়োগ, গবেষণা ও উদ্ভাবন করতে হবে। তিনি বলেন, ‘সেজন্য আরও  শক্তিশালী ও জলবায়ু পরিবর্তনসহনশীল ফুড সিস্টেম গড়তে সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ ও অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।’

সোমবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় মন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি ইটালির রোমে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ‘জাতিসংঘের ফুড সিস্টেম প্রিসামিট’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব  কথা বলেন।

কৃষি ও ফুড সিস্টেম ট্রান্সফর্মেশনের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে বাংলাদেশ কীভাবে কাজ করছে এবং এক্ষেত্রে আরও কী কী প্রয়োজন হবে, এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী প্রিসামিটে বক্তৃতা প্রদান করেন। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তায় অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত ৫০ বছরে চালের উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা দুটোই চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ‘ক্ষুধামুক্ত’ বা ‘জিরো হাঙ্গার’ অর্জনে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তা সত্ত্বেও ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে জলবায়ু পরিবর্তন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষি জমি হ্রাস, শ্রমিক সংকট, খাদ্য নষ্ট ও অপচয়সহ অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, ইটালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মহাপরিচালক কিউ দোংয়ু, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামে, জাতিসংঘের ডেপুটি মহাসচিব আমিনা মোহাম্মদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ড. রাজ্জাক আরও বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ক্ষুধামুক্ত বা জিরো হাঙ্গার অর্জনে বাংলাদেশ কাজ করছে। একই সঙ্গে অপুষ্টি নিরসনেও কাজ করছে। যা সরাসরি কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতার সঙ্গে জড়িত। এ লক্ষ্য অর্জনে উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণ বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা প্রদান ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে খাদ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।’

উল্লেখ্য, আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের ‘ফুড সামিট ২০২১’ কে সামনে রেখে এই প্রাক-সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৪৫টির বেশি দেশ এতে অংশগ্রহণ করেছে। সম্মেলনটি শেষ হবে ২৮ জুলাই।

 

/এসএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

স্ত্রীর মামলায় এএসপি সাসপেন্ড

স্ত্রীর মামলায় এএসপি সাসপেন্ড

ফেসবুকে গুজবের শিকার ‘কুমিল্লা বিভাগ’

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০০:২১

দুপুর থেকেই ফেসবুকে দখল নেয় নতুন বিভাগ হিসেবে কুমিল্লার নাম ঘোষণার খবর। এক স্ট্যাটাস থেকে হাজার স্ট্যাটাসে ছড়িয়ে পড়ে। এতে একদল কুমিল্লাবাসীকে অভিনন্দন জানাতে থাকে আরেকদল নোয়াখালী না হয়ে কুমিল্লা কেন বিভাগ হলো সেই ট্রল করতে থাকে। এমনকি স্ট্যাটাসদাতারা খবরটাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে বিষয়টি যে মন্ত্রিসভায় সোমবার অনুমোদন পেয়েছে সেটি যুক্ত করে দেন স্ট্যাটাসে। যদিও বিষয়টির একেবারেই সত্যতা নেই বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

নানান ফেসবুক স্ট্যাটাসে দেখা যায়- বাংলাদেশের নবম বিভাগীয় শহর হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় কুমিল্লাবাসীকে অভিনন্দন। স্ট্যাটাসদাতাদের দাবি, কুমিল্লা (কুমিল্লা বিভাগ), চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, বি-বাড়িয়া জেলা মোট ৬টি জেলা নিয়ে তৈরি হলো এই নতুন বিভাগ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন,  এরকম কোনও বিষয় আজকের এজেন্ডাতেই ছিল না।

 

/ইউআই/এফএএন/

সম্পর্কিত

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারে আগুন

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারে আগুন

৪ কেজি স্বর্ণসহ সৌদি আরবফেরত যাত্রী আটক

৪ কেজি স্বর্ণসহ সৌদি আরবফেরত যাত্রী আটক

স্ত্রী-মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা: মোহন্দ্র চন্দ্রের স্বীকারোক্তি

স্ত্রী-মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা: মোহন্দ্র চন্দ্রের স্বীকারোক্তি

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২২:০৬

ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর এবং ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম স্থগিত করা হলেও ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৬ জুলাই)  রাতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। একইসঙ্গে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রমও ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা করা হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, ‘কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠানো ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচির আলোকে তৈরি করা অ্যসাইনমেন্ট প্রথম ধাপে দুই সপ্তাহের জন্য (প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহ) ২৩টি নৈর্বাচিক বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট পাঠানো হলো।’ 

বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে— পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, জীব বিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, পৌরনীতি ও সুশাসন, অর্থনীতি, যক্তিবিদ্যা, সমাজ বিজ্ঞান, সমাজকর্ম, ভূগোল, ব্যবসায়ে সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, হিসাব বিজ্ঞান, ফিন্যান্স, উৎপাদন ব্যবস্থা ও বিপণন, আরবি, ইসলামি শিক্ষা, শিশুর বিকাশ, খাদ্য ও পুষ্টি, গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন, লঘু সংগীত এবং উচ্চাঙ্গ সংগীত।

অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ সালের শিক্ষার্থীদের সরবরাহ ও তাদের কাছ থেকে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ জনিত সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ অনুসরণ করতে বলা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের আবশ্যিক বিষয় বাংলা, ইংরেজি ও আইসিটি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এছাড়া চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেওয়া হবে না। সাবজেক্ট ম্যাপিং করে আবশ্যিক ও চতুর্থ বিষয়ের নম্বর যোগ করা হবে নৈর্বাচনিক তিন বিষয়ের পরীক্ষা/মূল্যায়নের নম্বরের সঙ্গে।

 

/এসএমএ/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২১:১৩

‘বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স, ২০২১’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। অর্ডিনেন্সে যেকোনও মহামারি বা যেকোনও বিশেষ পরিস্থিতিতে ভোট না হলেও বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটি গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

সোমবার (২৬ জুলাই) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বেঠক শেষে ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘১৯৭২ সালের বার কাউন্সিল অধ্যাদেশে বলা আছে, বার কাউন্সিলে ৩১ মে’র মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। তিন বছরের জন্য কমিটি নির্বাচিত হবে। গত এক-দেড় বছরে যে প্যান্ডেমিক সিচুয়েশন, তাতে ইলেকশন করা সম্ভব হয়নি।’

‘মহামারি বা কোনও বিশেষ পরিস্থিতিতে ভোট না হলে বিকল্প কী হবে, সেটার কোনও ব্যাখ্যা অধ্যাদেশে ছিল না। সামহাউ ওই অধ্যাদেশের মধ্যে কোনও অল্টারনেটিভ ছিল না। যদি কোনও কারণে ইলেকশন না হয়, রাষ্ট্রীয় কারণে বা আইনশৃঙ্খলার কারণে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ— এসব ক্ষেত্রে কী করণীয় সেটা আগের আইনে ছিল না।’

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘বার কাউন্সিলের নির্বাচন ৩১ মে’র ডেট শেষ হয়ে গেছে। উনারা একটা প্রস্তাব নিয়ে আসছেন। সেটা হলো যে, এক বছরের অ্যাডহক কমিটি সরকার করে দিতে পারবে, এ রকম একটা বিধান তারা এনেছেন। কমিটি ১৫ সদস্যের হবে।’

/এসআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

স্ত্রীর মামলায় এএসপি সাসপেন্ড

স্ত্রীর মামলায় এএসপি সাসপেন্ড

সর্বশেষ

লকডাউনে কাদের মির্জার চা-চক্রের আয়োজন

লকডাউনে কাদের মির্জার চা-চক্রের আয়োজন

ভারত থেকে তিন মাসে ফিরলেন সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি

ভারত থেকে তিন মাসে ফিরলেন সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

আনজাম মাসুদের সঙ্গে এবার ১৪ জন কণ্ঠশিল্পী!

আনজাম মাসুদের সঙ্গে এবার ১৪ জন কণ্ঠশিল্পী!

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

রণক্ষেত্র আসাম-মিজোরাম, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের আহ্বান

রণক্ষেত্র আসাম-মিজোরাম, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের আহ্বান

টেকনাফের প্রধান সড়কে বন্যহাতি

টেকনাফের প্রধান সড়কে বন্যহাতি

আমেরিকায় যাওয়ার আগে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার’ ডাক কাদের মির্জার

আমেরিকায় যাওয়ার আগে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার’ ডাক কাদের মির্জার

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

৪৬ আফগান সেনাকে আশ্রয় দিলো পাকিস্তান

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে ৮ জনকে কুপিয়ে জখম

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে ৮ জনকে কুপিয়ে জখম

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

টিকা দিতে কারিগরি শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে সরকার

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

‘ফুড সিস্টেম’ শক্তিশালী করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

বার কাউন্সিল অর্ডিন্যান্সের খসড়া অনুমোদন

স্ত্রীর মামলায় এএসপি সাসপেন্ড

স্ত্রীর মামলায় এএসপি সাসপেন্ড

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারে আগুন

তোপখানা রোডে গফুর টাওয়ারে আগুন

সরকারি ৭ হাসপাতালে আইসিইউ ফাঁকা নেই

সরকারি ৭ হাসপাতালে আইসিইউ ফাঁকা নেই

উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনীর নজরদারি অব্যাহত

উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনীর নজরদারি অব্যাহত

© 2021 Bangla Tribune