X
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচনের তাগিদ

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২০, ২৩:৪৫

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের নেপথ্যে ভূমিকা রাখা ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচনের তাগিদ দিয়েছেন এক আলোচনা সভায় যোগ দেওয়া বক্তারা। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় তারা এই তাগিদ দেন। শনিবার লন্ডন সময় দুপুর ১টায় এই আলোচনা সভা শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত কলামিস্ট ও সাংবাদিক আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধু আমাদের শুধু স্বাধীনতা এনেই দেননি, বাঙ্গালী হিসেবে বিশ্ব দরবারে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।

প্রধান বক্তার বক্তৃতায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের নেপথ্য নায়কদের মুখোশ উন্মোচন করা সবচেয়ে জরুরি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল কে? তিনি আর কেউ নন, জিয়াউর রহমান। সেই দিনের ষড়যন্ত্রের নেপথ্য নায়ক জিয়াউর রহমান। বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছিল সেই হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করালেও হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য নায়কদের বিচার করা হয়নি। এই ষড়যন্ত্রকারীদের নেপথ্য নায়কদের মুখোশ উন্মোচন করা সবচেয়ে জরুরি।’

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যায় সাজাপ্রাপ্ত নূর চৌধুরী কানাডায় কীভাবে আছেন তার কাগজপত্র বাংলাদেশকে দিতে সম্মতি দিয়েছে দেশটির আদালত। আর যুক্তরাষ্ট্রের থাকা খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনতে অগ্রগতির ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। বাকি তিন খুনি কর্নেল শরীফুল হক ডালিম, কর্নেল রশীদ এবং মোসলেউদ্দিন রিসালদারের অবস্থান না জানলেও সরকার অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও শিক্ষা মন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেন, ‘১৫ ই আগস্টের হত্যাকাণ্ড শুধুমাত্র একজন রাষ্ট্র প্রধানকে হত্যা বা কোনো রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ছিল না, এটা ছিল সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র। এটি ছিল বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রকে মুছে দিয়ে আবার পাকিস্তানের অংশ বানানোর ষড়যন্ত্র।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ। আর সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক।

/জেজে/

সম্পর্কিত

যুক্তরাজ্যে বিরল ‘ম্যাড কাউ’ রোগে গবাদি পশুর মৃত্যু

যুক্তরাজ্যে বিরল ‘ম্যাড কাউ’ রোগে গবাদি পশুর মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র মিথ্যাচার করেছে:  ফ্রান্স

অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র মিথ্যাচার করেছে:  ফ্রান্স

যুক্তরাজ্যে এক বাংলাদেশির ছুরিকাঘাতে আরেক বাংলাদেশি নিহত

যুক্তরাজ্যে এক বাংলাদেশির ছুরিকাঘাতে আরেক বাংলাদেশি নিহত

মানুষকে আতঙ্কে রাখতে চাই না: তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ প্রধান

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:১৫

তালেবান নেতা মৌলভী মোহাম্মদ শেবানি সরকারিভাবে কান্দাহারের নৈতিকতা পুলিশের দায়িত্বে রয়েছেন। এটিই তালেবানের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘাঁটি ও জন্মস্থান। তিনিই হলেন প্রদেশটির পুণ্যের প্রচার ও পাপ দমন কার্যালয়ের প্রধান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সংস্থার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন।

তালেবান নারীবিষয়ক মন্ত্রণালয় বিলুপ্ত করে এই পাপ-পুণ্য মন্ত্রণালয় গড়ে তুলেছে। এই মন্ত্রণালয় তাদের আগের শাসনামলে কঠোর ধর্মীয় বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল। ফলে অনেকেই তালেবানের সেই সময়কার শাসন ফিরে আসার আশঙ্কা করছেন।

শেবানি জানান, তালেবান পুলিশবাহিনী, মসজিদ ও মাদ্রাসার সঙ্গে তাদের নেটওয়ার্ক রয়েছে। এছাড়া তাদের অভিযান পরিচালনার নির্দিষ্ট বিধি আছে, যা ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগের সময়ের সঙ্গে এখনকার পার্থক্য হলো আগে আমাদের নীতিবিষয়ক কোনও নির্দিষ্ট বই ছিল না। তখন কোনও লিখিত নীতি ছাড়াই মুজাহিদিনরা কাজ করেছেন।

তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, তার বাহিনীর সদস্যরা আইন মানতে মানুষকে উৎসাহিত করবে, সহিংসতা নয়।

শেবানি বলেন, অনেকে মনে করে আমরা চরমপন্থী। কিন্তু আমরা তা নই। ইসলাম হলো আধুনিকতার ধর্ম, কিন্তু খুব বেশি বা কম না, সঠিকমাত্রায়। মিডিয়াগুলো আমাদের সম্পর্কে নেতিবাচক খবর প্রকাশ করছে। তাদেরকে সত্য জানতে দিন।

তার কথায়, শুরুতে আমরা নীতির বিষয়ে মানুষকে অবগত করতে চাই। অনেক ছোট বিষয় রয়েছে যেগুলো নিয়ে আমরা কিছু বলছি না। কারণ আমরা চাই না মানুষ আতঙ্কে থাকুক।

/এএ/

সম্পর্কিত

যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকতে গিয়ে চড়া মূল্য দিয়েছে পাকিস্তান: ইমরান খান

যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকতে গিয়ে চড়া মূল্য দিয়েছে পাকিস্তান: ইমরান খান

মেয়েদের স্কুলে যেতে না দেওয়ায় পাল্টা বার্তা দিলো শিশুরা

মেয়েদের স্কুলে যেতে না দেওয়ায় পাল্টা বার্তা দিলো শিশুরা

মেয়েদের সমর্থনে স্কুলে যাচ্ছে না অনেক আফগান ছেলে

মেয়েদের সমর্থনে স্কুলে যাচ্ছে না অনেক আফগান ছেলে

যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকতে গিয়ে চড়া মূল্য দিয়েছে পাকিস্তান: ইমরান খান

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:০২

আফগানিস্তান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকতে গিয়ে পাকিস্তানকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দেওয়া ছিল পাকিস্তানের জন্য একটি বড় ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত। এজন্য আমাদের চড়া মূল্য দিতে হয়েছে।‌‌’

২০২১ সালের ১৫ আগস্ট প্রায় বিনা বাধায় কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিমানভর্তি অর্থ নিয়ে দেশ ছেড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আশরাফ গণি। এর কিছু দিনের মাথায় দীর্ঘ ২০ বছর পর আফগানিস্তান থেকে নিজ দেশের সেনাদের ফিরিয়ে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।

অভিযোগ রয়েছে, তালেবানের এমন উত্থানে সহায়তা দিয়েছে পাকিস্তান। সম্প্রতি মার্কিন সিনেটেও দেশটির ব্যাপারে এমন অভিযোগ উঠে। এ প্রসঙ্গে ইমরান খান বলেন, ‘আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের দায় পাকিস্তানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটি অত্যন্তত পীড়াদায়ক। একজন পাকিস্তানি হিসেবে মার্কিন সিনেটরদের বক্তব্য আমার ভালো লাগেনি। আমি গভীরভাবে মর্মামত।’

ইমরান খান বলেন, আফগানিস্তান ইস্যুতে তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে দুই দফায় সহায়তা করেছে। প্রথমে আশির দশকে, যখন তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালিয়েছিল। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে সোভিয়েতবিরোধী লড়াইয়ের জন্য মুজাহিদিনদের প্রশিক্ষণ দেয় পাকিস্তান।

২০০১ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন অভিযানের সময় পাকিস্তানের ক্ষমতায় ছিলেন জেনারেল পারভেজ মোশাররফ। সদ্য ক্ষমতা দখল করা এই সেনাশাসকের জন্য মার্কিন সমর্থন অপরিহার্য ছিল। আফগানিস্তানে অভিযান সফল করতে যুক্তরাষ্ট্রেরও ইসলামাবাদকে প্রয়োজন ছিল।

ইমরান খান বলেন, ‘সবচেয়ে বড় মুশকিলটা বাধে এখানেই। যে মুজাহিদিনদের আইএসআই প্রশিক্ষণ দিয়েছিল, তাদেরকেই ফের একই আইএসআই-এর তরফ থেকে বলা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের মানে হচ্ছে সন্ত্রাসবাদ। মুজাহিদিনরা তখন ইসলামাবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। তারা পাকিস্তানকেও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করতে আরম্ভ করে। এখানে আমেরিকাকে সহায়তা করতে গিয়ে পাকিস্তান নিজে বিপদে পড়েছে। এর জন্য ইসলামাবাদকে এখনও ভুগতে হচ্ছে।‌‌’

/এমপি/

সম্পর্কিত

মানুষকে আতঙ্কে রাখতে চাই না: তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ প্রধান

মানুষকে আতঙ্কে রাখতে চাই না: তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ প্রধান

মেয়েদের স্কুলে যেতে না দেওয়ায় পাল্টা বার্তা দিলো শিশুরা

মেয়েদের স্কুলে যেতে না দেওয়ায় পাল্টা বার্তা দিলো শিশুরা

মেয়েদের সমর্থনে স্কুলে যাচ্ছে না অনেক আফগান ছেলে

মেয়েদের সমর্থনে স্কুলে যাচ্ছে না অনেক আফগান ছেলে

মেয়েদের স্কুলে যেতে না দেওয়ায় পাল্টা বার্তা দিলো শিশুরা

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:০২

আফগানিস্তানে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর)  শুধু ছেলে ও পুরুষদের শ্রেণিকক্ষে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর)  ছেলেরা স্কুলে গেলেও ছেলে- মেয়ে নির্বিশেষে প্রতিবাদ জানিয়েছে মেয়েদের স্কুলে যেতে অনুমতি না দেওয়ায়। কেউ কেউ নানা বার্তা লিখে টুইটারে পোস্ট করেছে। যদিও এক তালেবান মুখপাত্র বলেছেন, শিগগিরই মেয়েদের স্কুল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আফগানরা তালেবানের ১৯৯০ দশকের কঠোর শাসন ফিরে আসার আশঙ্কা করছেন। ওই সময় মেয়েদের স্কুলে পড়া নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

শনিবার আবারও অন্ধকার যুগের শুরু হলো আফগানিস্তানে। স্কুল খুললো বটে, কিন্তু তা কেবল ছেলেদের জন্য।

এবিপি নিউজের সাংবাদিক লিখেছেন, এটাই তালেবানদের আসল রূপ। শিক্ষামন্ত্রী স্কুল খুলে ছেলেদের আসার আহ্বান জানালেও তার ওই বার্তায় মেয়েশিশুরা কবে ক্লাসে ফিরতে পারবে, তার কোনও ইঙ্গিত ছিল না।

ডেইলি আউটলুক-আফগানিস্তানের প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ সাখি রেজায়ি টুইটারে লিখেছেন, ‘শিক্ষা মেয়েশিশুর মৌলিক মানবাধিকার। যদি নতুন তালেবান আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সনদ মানে, তাহলে তারা অবশ্যই মেয়েশিশুদের স্কুলে ফিরিয়ে আনবে।’

শনিবার স্কুলে যেতে না পারা মেয়েশিশু প্ল্যাকার্ড হাতে প্রশ্ন ছুড়ে দেয়— ঠিক কী কারণে আমি স্কুলে যেতে পারবো না। এক ভাই তার বোনের স্কুলে না যেতে পারার কারণে নিজে স্কুল না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি আপলোড করে সে জানিয়ে দেয়, আমার বোনের স্কুলে যাওয়ার অনুমতি না মিললে আমি স্কুলে যাবো না।

ইউনিসেফ প্রধান হেনরিয়েটা ফোর মনে করেন, মেয়েদের অবশ্যই বাদ দেওয়া উচিত না। কোনও বিলম্ব ছাড়া বয়স্কসহ সব মেয়ের শিক্ষাগ্রহণ পুনরায় শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য আফগানিস্তানে নারী শিক্ষকদের শিক্ষাদান আমাদের জারি রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে তালেবানকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর আফগানিস্তানের শিক্ষাক্ষেত্রে নারীরা অনেক এগিয়ে গিয়েছিল। তবে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের পর তালেবানরা বলেছিল যে, শরিয়া আইনের আওতায় নারীরা পড়াশোনা এবং কাজ করার অনুমতি পাবে। কিন্তু কর্মজীবী নারীদের নিরাপত্তার অবস্থার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ঘরে থাকতে বলা হয়। শনিবার স্কুলে যাওয়াও রোধ করা হলো।

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

মানুষকে আতঙ্কে রাখতে চাই না: তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ প্রধান

মানুষকে আতঙ্কে রাখতে চাই না: তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ প্রধান

যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকতে গিয়ে চড়া মূল্য দিয়েছে পাকিস্তান: ইমরান খান

যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকতে গিয়ে চড়া মূল্য দিয়েছে পাকিস্তান: ইমরান খান

মেয়েদের সমর্থনে স্কুলে যাচ্ছে না অনেক আফগান ছেলে

মেয়েদের সমর্থনে স্কুলে যাচ্ছে না অনেক আফগান ছেলে

‘কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্যালেসে বারাদারকে ঘুসি মেরেছিলেন হাক্কানি’

‘কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্যালেসে বারাদারকে ঘুসি মেরেছিলেন হাক্কানি’

মেয়েদের সমর্থনে স্কুলে যাচ্ছে না অনেক আফগান ছেলে

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৪৯

তালেবান আফগানিস্তানে শুধু ছেলে ও পুরুষদের স্কুলে ফিরতে বলেছে এবং মেয়েদের বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ও মেয়েদের স্কুলে ফেরার প্রতি সমর্থন জানিয়ে অনেক ছেলে স্কুলে ফিরছে না। রবিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

দশম শ্রেণির ১৮ বছর বয়সের রহুল্লাহ নামের এক ছাত্র বলে, নারীরা আমাদের সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠী। মেয়েদের জন্য স্কুল খুলে দেওয়ার আগ পর্যন্ত আমি ক্লাসে যাব না।

কাবুলের একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক নাজিফে জানান, পুনরায় স্কুল চালুর জন্য তারা কিছু পরিবর্তন এনেছেন। তিনি বলেন, মেয়েরা সকালে এবং ছেলে দুপুরে ক্লাস করবে। পুরুষ শিক্ষকরা ছেলেদের এবং মেয়েদের পড়াবেন নারী শিক্ষকরা।

শনিবার প্রাথমিক স্কুলের অনেক মেয়ে শিক্ষার্থী স্কুলে গেছে। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ে পড়ুয়া মেয়েরা এখনও জানে না তাদের জন্য স্কুল খোলা হবে কিনা।

মেয়েদের মাধ্যমিক পর্যায়ে পড়ানো শিক্ষক হাদিস রিজায়ি বলেন, মেয়েদের মন ভেঙে গেছে এবং পড়াশোনা পুনরায় শুরুর জন্য তারা সরকারের ঘোষণার অপেক্ষায় আছে।

একটি স্কুলের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রেজা বলেন, মেয়েদের শিক্ষা হলো একটি প্রজন্মকে সঠিক পথে নিয়ে আসা। ছেলেদের শিক্ষা হয়ত পরিবারকে সহযোগিতা করে। কিন্তু মেয়েদের শিক্ষা পুরো সমাজকে প্রভাবিত করে। আমরা বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি যাতে করে মেয়েরা স্কুলে ফিরতে এবং নিজেদের পড়াশোনা সম্পূর্ণ করতে পারে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, আফগানিস্তানে মেয়েদের শিক্ষা নিয়ে তারা গভীর উদ্বিগ্ন। জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ বলেছে, সব বয়সী মেয়েদের জন্য আর দেরি না করে পুনরায় শিক্ষা শুরু করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

/এএ/

সম্পর্কিত

যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকতে গিয়ে চড়া মূল্য দিয়েছে পাকিস্তান: ইমরান খান

যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকতে গিয়ে চড়া মূল্য দিয়েছে পাকিস্তান: ইমরান খান

মেয়েদের স্কুলে যেতে না দেওয়ায় পাল্টা বার্তা দিলো শিশুরা

মেয়েদের স্কুলে যেতে না দেওয়ায় পাল্টা বার্তা দিলো শিশুরা

‘কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্যালেসে বারাদারকে ঘুসি মেরেছিলেন হাক্কানি’

‘কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্যালেসে বারাদারকে ঘুসি মেরেছিলেন হাক্কানি’

এক রুপি বিক্রি হলো ১০ কোটিতে!

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:০৭

মুদ্রার এক পিঠে খোদায় করা ব্রিটেনের রানী ভিক্টোরিয়ার ছবি। অন্য পিঠে ইংরেজি অক্ষরে লেখা ‘ওয়ান রুপি ইন্ডিয়া ১৮৮৫’। ভারতের ১৩৬ বছর আগের এমনই এক রুপি বিক্রি হয়েছে ১০ কোটি রুপিতে।

ভারতের অন্যান্য কয়েনের চেয়ে এই এক রুপি আকৃতিতে কিছুটা বড়। মুদ্রাটির বিশেষত্ব হল, এর এক পিঠে খোদাই করা রয়েছে ইংল্যান্ডের রানি ভিক্টোরিয়ার ছবি।

পুরনো কয়েন, নোট বা বিদেশ মুদ্রা জমানোর শখ অনেকেরই। অনলাইনের বিভিন্ন সাইটে পুরনো মুদ্রা কেনা-বেচার সুযোগ থাকে। তেমনই এক ওয়েবসাইটে নিজের সংগ্রহ থেকে ওই কয়েনের ছবিটি পোস্ট করেন এক সংগ্রাহক। ভারতে ব্রিটিশ শাসনকাল ১৮৮৫ সালে মুম্বইয়ের কোনও মিন্টে কয়েনটি বানানো হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে, গত জুন মাসে ১৯৩৩ সালের যুক্তরাষ্ট্রের একটি কয়েন ১ কোটি ৮৯ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১৩৮ কোটির সমান।

সূত্র: আনন্দবাজার

/এলকে/

সম্পর্কিত

মন্ত্রিসভা নিয়ে পদত্যাগ করলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর

মন্ত্রিসভা নিয়ে পদত্যাগ করলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর

অবশেষে তৃণমূলে বিজেপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়

অবশেষে তৃণমূলে বিজেপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়

ফ্রান্সের ২৪টি পুরাতন বিমান কিনতে যাচ্ছে ভারত

ফ্রান্সের ২৪টি পুরাতন বিমান কিনতে যাচ্ছে ভারত

মোদির জন্মদিনে দুই কোটি টিকা প্রয়োগের রেকর্ড ভারতের

মোদির জন্মদিনে দুই কোটি টিকা প্রয়োগের রেকর্ড ভারতের

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

যুক্তরাজ্যে বিরল ‘ম্যাড কাউ’ রোগে গবাদি পশুর মৃত্যু

যুক্তরাজ্যে বিরল ‘ম্যাড কাউ’ রোগে গবাদি পশুর মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র মিথ্যাচার করেছে:  ফ্রান্স

অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র মিথ্যাচার করেছে:  ফ্রান্স

যুক্তরাজ্যে এক বাংলাদেশির ছুরিকাঘাতে আরেক বাংলাদেশি নিহত

যুক্তরাজ্যে এক বাংলাদেশির ছুরিকাঘাতে আরেক বাংলাদেশি নিহত

‘মধ্যযুগীয় বোরকা’ মন্তব্যে বিতর্কে ব্রিটিশ সংস্কৃতিমন্ত্রী

‘মধ্যযুগীয় বোরকা’ মন্তব্যে বিতর্কে ব্রিটিশ সংস্কৃতিমন্ত্রী

৯০ বছর গোপন থাকবে প্রিন্স ফিলিপের উইল

৯০ বছর গোপন থাকবে প্রিন্স ফিলিপের উইল

ব্রিটেনের রেড লিস্ট থেকে মুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

ব্রিটেনের রেড লিস্ট থেকে মুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

৩ দেশের চুক্তি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা: চীন

৩ দেশের চুক্তি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা: চীন

অস্ট্রেলিয়ার কাছে বড় অংকের ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে ফ্রান্স

অস্ট্রেলিয়ার কাছে বড় অংকের ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে ফ্রান্স

চীন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার চুক্তি স্বাক্ষর

চীন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার চুক্তি স্বাক্ষর

সর্বশেষ

মানুষকে আতঙ্কে রাখতে চাই না: তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ প্রধান

মানুষকে আতঙ্কে রাখতে চাই না: তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ প্রধান

রাজারবাগ দরবারের বিষয়ে দুদক, সিটিটিসি ও সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ

রাজারবাগ দরবারের বিষয়ে দুদক, সিটিটিসি ও সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ

হাজার কোটি টাকা ফেরত চান গ্রাহকরা

হাজার কোটি টাকা ফেরত চান গ্রাহকরা

ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের প্রতিবাদ রিজভীর

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের প্রতিবাদ রিজভীর

© 2021 Bangla Tribune