X
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

তানজানিয়ার নতুন প্রেসিডেন্টকে কেন ‘মা সামিয়া’ বলা হচ্ছে?

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২১, ১১:৩৭
image

২০১৫ সালে  ‘চামা চা মাপিনডুজি’ (সিসিএম) দলের অনেক শীর্ষ নেতাকে পেছনে ফেলে তানজানিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট পদের জন্যে মনোনীত হন সামিয়া সুলুহু হাসান। এতে অবাক হয়েছিলেন অনেকেই। সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তাকেই ঘোষণা করতে হয়েছে প্রেসিডেন্ট জন মাগুফুলির মৃত্যু সংবাদ। সংবিধান অনুসারে তার কাঁধেই বর্তেছে সরকারের চলতি মেয়াদের বাকি সময়ের দায়িত্ব। গতবছর দ্বিতীয়বারের মত নির্বাচিত হওয়া প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসান এই মুহূর্তে কেবল তানজানিয়ারই নন, বরং আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র নারী রাষ্ট্রপ্রধান। ভালোবেসে দেশবাসী তাকে নাম দিয়েছে ‘মা সামিয়া’।

উল্লেখ্য, আফ্রিকায় আরেকজন নারী প্রেসিডেন্ট আছেন বটে। তিনি ইথিওপিয়ার প্রেসিডেন্ট সাহলে-ওয়ার্ক জাউদি। তবে তার পদ অলঙ্কারিক। সরকারি কাঠামোতে বা দেশের নীতি নির্ধারণে তার বিশেষ কোনও ভূমিকা নেই। তবে সামিয়াকে শীর্ষ অবস্থানে থেকে পালন করতে হবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব। বিবিসি এক প্রতিবেদনে লিখেছে, নারী হয়ে দায়িত্বভার  নেওয়ার জন্যে নয়, বরং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বশীল আচরণের কারণেই 'মা সামিয়া' সম্বোধনের সম্মান মিলেছে তার।

মাগুফুলির সহযোগী (রানিংমেট) হিসেবে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে তানজানিয়ার ভাইস-প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পান সামিয়া। গত বছর এক  ‘বিতর্কিত’ নির্বাচনের মাধ্যমে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য ক্ষমতায় আসে মাগুফুলি-সামিয়া জুটি। ৬১ বছর বয়সীকে সামিয়াকে দক্ষ-নেতৃত্বগুণসম্পন্ন মানুষ মনে করেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের সাবেক সহকর্মী ও সাংসদ জানুয়ারি মাকাম্বা। তিনি বলেন, ‘আমি খুব কাছে থেকে তার নৈতিকতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও স্থিরতা দেখেছি। তিনি একজন দক্ষ নেতা।’

মাকাম্বা অবশ্য মনে করেন, রাজনৈতিক দক্ষতার মাপকাঠিতে তানজানিয়াতে এখনও তার যথার্থ মূল্যায়ন হয়নি। বিবিসি বলছে, সামিয়া প্রেসিডেন্ট পদের ভার নেওয়ার পর সরকারের নীতি কেমন হবে তা এখনও অনেকের কাছে অস্পষ্ট। করোনাভাইরাস মহামারী নিয়ন্ত্রণে মাগুফুলির ভূমিকায় অনেকেই হতাশ ছিলেন। এখন সামিয়া  আগের নেতৃত্বের পদাঙ্ক  অনুসরণ করবেন নাকি নতুন নীতি গ্রহণ করবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।  

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমনিতে সদ্য প্রয়াত মাগুফুলির প্রতি আনুগত্য থাকলেও নিজের মত প্রকাশে কখনই পিছপা হননি সামিয়া। ২০০৫ সালে জানজিবারের মন্ত্রিসভায় থাকাকালে তরুণ মায়েদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফেরত আসার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিলেন তিনি। তবে রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় মাগুফুলি একই ধরনে নিষেধাজ্ঞা  জারি করতে চাইলে সামিয়া এর বিরোধিতা করেছিলেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।

২০১৭ সালে ঘাতকের আক্রমণের শিকার হন তানজানিয়ার সেই সময়ের বিরোধী দলীয় নেতা টুনডু লিসু। পুরো দেশ তখন সরকারি দলের দিকেই আঙ্গুল তুলেছিল। ওই সময় কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির এক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া টুনডু লিসুকে দেখতে গিয়ে পুরো দেশে আলোচনার ঝড় তুলেছিলেন সামিয়া। 

মন্ত্রী ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট পদে অনেকদিন ধরে থাকার পরও সামিয়ার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি কিছু জানা যায় না। ১৯৬০ সালে জানজিবারে জন্ম হয় এই নারী নেতার। মুজাম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন জনপ্রশাসন নিয়ে। পরে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। সামিয়ার স্বামী হাফিদ আমির একজন কৃষি বিশেষজ্ঞ। তাদের বিয়ে হয় ১৯৭৮ সালে। তবে সামিয়া ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে এই দুজনকে কখনোই একসঙ্গে ক্যামেরার ফ্রেমে পাওয়া যায়নি। তাদের চার সন্তানের মধ্যে মানু হাফিদ আমির মায়ের পদচিহ্ন অনুসরণ করে এখন জানজিবার হাউজের সদস্য।

/বিএ/

সম্পর্কিত

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট

তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট

ঈদের নামাজ চলাকালীন মালির প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টা

ঈদের নামাজ চলাকালীন মালির প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টা

কাতারে খেজুর উৎসবের পর্দা নামছে আজ

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০৭:৩৫

কাতারে পক্ষকালব্যাপী খেজুর উৎসবের পর্দা নামছে। গত ১৫ জুলাই শুরু হওয়া এই উৎসবের শেষ দিন আজ ৩০ জুলাই শুক্রবার। কাতারের পৌর ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় এবং শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী সুক ওয়াকিফ বাজার কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এর আয়োজন করেছে।

এ নিয়ে ষষ্ঠ বারের মতো এই খেজুর উৎসব পালিত হচ্ছে। এবারের আয়োজনের শেষ দিন শুক্রবার উৎসব চলবে বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার পৌর ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবারের আয়োজনে বুধবার পর্যন্ত ১১৪ টন খেজুর বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ করে খালাস, শিশি, খেনিজি, বারহি প্রভৃতি জাতের খেজুর উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিক্রি হয়েছে।

খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের লক্ষ্যে খেজুর উৎপাদনসহ দেশের কৃষি খাতের উৎকর্ষ সাধনে কাতার সরকারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়ে থাকে। সূত্র: গালফ টাইমস।

/এমপি/

সম্পর্কিত

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

ফিলিস্তিনি শিশুর জানাজায় টিয়ার গ্যাস ছুঁড়েছে ইসরায়েল

ফিলিস্তিনি শিশুর জানাজায় টিয়ার গ্যাস ছুঁড়েছে ইসরায়েল

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০৫:১০

দুনিয়াজুড়ে করোনাভাইরাস শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোরে আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারস এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারিতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ২১৯টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৭৭ হাজার ১১৫। এর মধ্যে ৪২ লাখ ১২ হাজার ৪০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে ১৭ কোটি ৮৪ লাখ ৭০ হাজার ৩৪৪ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। এক পর্যায়ে উৎপত্তিস্থল চীনে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব কমলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশে এর প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। চীনের বাইরে করোনাভাইরাসের প্রকোপ ১৩ গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ১১ মার্চ দুনিয়াজুড়ে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। তবে আশার কথা হচ্ছে, এখন আক্রান্তের পর সুস্থ হওয়ার হার দ্রুত বাড়ছে। এরইমধ্যে করোনার একাধিক টিকাও আবিষ্কৃত হয়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারস-এর তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মোট শনাক্তের সংখ্যা তিন কোটি ৫৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৬৫। মৃত্যু হয়েছে ছয় লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জনের।

আক্রান্তের হিসাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে মোট শনাক্তের সংখ্যা তিন কোটি ১৫ লাখ ৭১ হাজার ২৯৫। এর মধ্যে চার লাখ ২৩ হাজার ২৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ব্রাজিলে শনাক্তের সংখ্যা এক কোটি ৯৮ লাখ ৩৯ হাজার ৩৬৯। এর মধ্যে পাঁচ লাখ ৫৪ হাজার ৪৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বাংলাদেশে শনাক্তের সংখ্যা ১২ লাখ ২৬ হাজার ২৫৩। এর মধ্যে ২০ হাজার ২৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ হাজার ৮১১। এর মধ্যে চার হাজার ৬৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও দেশটির বিরুদ্ধে প্রকৃত পরিস্থিতি গোপন করার অভিযোগ রয়েছে। উহানের একজন স্বেচ্ছাসেবী বলেন, ‘বুদ্ধি-বিবেচনাসম্পন্ন যেকোনও মানুষ এই সংখ্যা (সরকারি পরিসংখ্যান) নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করবেন।’

মহামারির শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে আসছিল, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পেছনে চীনের ভূমিকা রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সেই দাবিকে আরও জোরালো করে চীনের উহানের ল্যাবের এক ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ানের বক্তব্য। লি মেং ইয়ান বলেন, চীনের ল্যাবেই তৈরি করা হয়েছে করোনাভাইরাস। এটি মানুষের তৈরি বলে তার কাছে শতভাগ প্রমাণ রয়েছে।

হংকংয়ে জন্ম নেওয়া ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। তার দাবি, চীন হত্যা করতে চেয়েছিল বলে ভয়ে মার্কিন মুলুকে পালিয়ে যান তিনি।

/এমপি/

সম্পর্কিত

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

বিমানবন্দরেই করোনার বিশাল হাসপাতাল

বিমানবন্দরেই করোনার বিশাল হাসপাতাল

করোনার আঁতুড়ঘর চীনেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপ

করোনার আঁতুড়ঘর চীনেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপ

করোনায় মৃতের সংখ্যা ৪২ লাখ ছাড়িয়েছে

করোনায় মৃতের সংখ্যা ৪২ লাখ ছাড়িয়েছে

কিউবায় আটক বিক্ষোভকারীদের মুক্তি দাবি ইউরোপীয় ইউনিয়নের

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০৩:০৪

কিউবায় সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী আন্দোলনে নির্বিচারে আটক বিক্ষোভকারীদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বন্দিদের ওপর কর্তৃপক্ষের দমনপীড়ন নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলোর এই জোট। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে নিজেদের এমন দাবি ও উদ্বেগ তুলে ধরেছে ইইউ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

ইইউ-এর শীর্ষ কূটনীতিক জোসেফ বোরেল বলেন, ‘কিউবা সরকারকে আমরা সার্বজনীন মানবাধিকার কনভেনশনে অন্তর্ভুক্ত মানবাধিকার ও স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানাই।’

করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থতা এবং অর্থনৈতিক সংকট বেড়ে যাওয়ায় সরকারের প্রতি কিউবার জনগণের ক্ষোভ বাড়ছিল। এক পর্যায়ে জুলাইয়ের গোড়ার দিকে রাস্তায় নেমে আসে তারা। ১৯৯৪ সালের পর এবারই সবচেয়ে বড় ধরনের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মুখে পড়েছে কিউবা। শুধু রাজধানী হাভানা নয়, পুরো দেশজুড়ে রাজপথে নামে হাজার হাজার মানুষ। এসব বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ধরপাকড় চালায় সরকারি বাহিনী।

বৃহস্পতিবার নির্বিচারে এই ধরপাকড়ের শিকার লোকজনের মুক্তি দাবি করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। যদিও এরইমধ্যে অনেকের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে প্রায় ৭০০ মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে কম বয়সীরাও রয়েছে। সরকারিভাবে আটক বা গ্রেফতারকৃতদের সুনির্দিষ্ট কোনও সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। তবে শুধু বিক্ষোভের কারণে কাউকে গ্রেফতারের কথা অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। সরকারের দাবি, বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরের মতো অপরাধের সঙ্গে যুক্তদেরই কেবল আটক করা হয়েছে।

/এমপি/

সম্পর্কিত

মাল্টার সাংবাদিক হত্যায় রাষ্ট্রই দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন

মাল্টার সাংবাদিক হত্যায় রাষ্ট্রই দায়ী: তদন্ত প্রতিবেদন

অ্যাসাঞ্জের নাগরিকত্ব বাতিল করলো ইকুয়েডর

অ্যাসাঞ্জের নাগরিকত্ব বাতিল করলো ইকুয়েডর

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

ক্যাপিটলে হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ৪ পুলিশ সদস্য

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

টিকা নিলেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা, মাস্ক পরার পরামর্শ সিডিসি’র

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০২:১৪

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এই আহ্বান জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

২০২১ সালের ২৫ জুলাই সেনা সমর্থন নিয়ে তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসাচ মেচিচকে বরখাস্ত করেন প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ। এক মাসের জন্য পার্লামেন্টও স্থগিতের ঘোষণা দেন তিনি। তার এমন পদক্ষেপকে বিরোধীরা ‘অভ্যুত্থান’ হিসেবে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেউ বিক্ষোভ বা সহিংসতার কথা চিন্তা করলে সশস্ত্র বাহিনী বুলেট দিয়ে তার জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন কায়েস সাঈদ। একইসঙ্গে এক মাসের জন্য কারফিউ ঘোষণা করেছেন তিনি।

এমন পরিস্থিতিতেই বৃহস্পতিবার দেশটিকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রশাসনিক ক্ষমতা দখলের পর তিনি তাকে দেশটিকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার আল জাজিরা টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিউনিসিয়ায় সম্প্রতি দেশটির সংবিধান পরিপন্থী যেসব ঘটনা ঘটেছে সে ব্যাপারে তিনি উদ্বিগ্ন।

/এমপি/

সম্পর্কিত

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভূমিকম্পের পর আলাস্কা-হাওয়াইতে সুনামির সতর্কতা

ভূমিকম্পের পর আলাস্কা-হাওয়াইতে সুনামির সতর্কতা

আফগানিস্তান নিয়ে চীনের আগ্রহ ইতিবাচক: যুক্তরাষ্ট্র

আফগানিস্তান নিয়ে চীনের আগ্রহ ইতিবাচক: যুক্তরাষ্ট্র

বলপূর্বক কাবুল দখল করলে তালেবান স্বীকৃতি পাবে না: যুক্তরাষ্ট্র

বলপূর্বক কাবুল দখল করলে তালেবান স্বীকৃতি পাবে না: যুক্তরাষ্ট্র

সংঘর্ষে নিহত নন, তালেবানের হাতে ‘খুন’ হয়েছেন দানিশ সিদ্দিকি

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২১, ০০:৪৭

পুলিৎজার পুরস্কার-বিজয়ী চিত্রসাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের ভারতে চিফ ফটোগ্রাফার দানিশ সিদ্দিকি আফগানিস্তানে নিহত হন গত ১৬ জুলাই। দেশি-বিদেশি সব সংবাদমাধ্যমেই তখন রিপোর্ট করা হয়েছিল, আফগান সেনাবাহিনী ও তালেবানের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে গিয়েই দানিশ প্রাণ হারান।

কিন্তু এখন মার্কিন থিঙ্কট্যাঙ্ক আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো, প্রাবন্ধিক ও নামী নিরাপত্তা গবেষক মাইকেল রুবিন জানাচ্ছেন, দানিশ সিদ্দিকি মোটেও সংঘর্ষের মাঝে পড়ে নিহত হননি – বরং তালেবান যোদ্ধারা তাকে একটি মসজিদ থেকে টেনে বের করে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করেছে।

বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মাইকেল রুবিন এই উপসংহারে পৌঁছেছেন। ২৯ জুলাই তিনি ওয়াশিংটন এক্সামিনার সাময়িকীতে এই বক্তব্যের স্বপক্ষে একটি প্রতিবেদনও লিখেছেন। সেখানে তিনি পরিষ্কার লিখেছেন, ‘দানিশ সিদ্দিকি ক্রসফায়ারের মাঝে পড়ে মারা যাননি, তাকে কিছুতেই যুদ্ধের ‘কোল্যাটারাল ড্যামেজ’ও বলা যাবে না। বরং সত্যিটা হলো, তালেবান তাকে নৃশংসভাবে হত্য করেছে।’

এই নিবন্ধের জন্য মাইকেল রুবিন কাবুলে, আফগানিস্তানের প্রাদেশিক সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবং দিল্লিতে দানিশ সিদ্দিকির কর্মস্থলে অনেকের সঙ্গে কথা বলেছেন। দানিশ যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন, দিল্লির সেই জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ক্যাম্পাসেই তাকে দাফন করার আগে যারা তার মরদেহ খুব কাছ থেকে দেখেছেন – তাদের কাছ থেকেও তথ্য নিয়েছেন।

দানিশ সিদ্দিকির মৃত্যুর যে ঘটনাক্রম তার গবেষণা থেকে উঠে এসেছে তা এমন:

১৬ জুলাই আফগান সেনার ‘সঙ্গী’ হয়ে দানিশ যাচ্ছিলেন স্পিন বোলডাক অঞ্চলের দিকে, যেখানে পাকিস্তান-আফগানিস্তান বর্ডারের একটি সীমান্ত পোস্ট দখলের জন্য তালেবানের সঙ্গে সেনার যুদ্ধ চলছিল। সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলে এভাবে যে সাংবাদিকরা যান তাদের বলে ‘এমবেডেড’ জার্নালিস্ট, আর এই অভিযানে আফগান সেনা দানিশকে সঙ্গে নিয়েছিল কারণ তারা নিজেদের বিজয় নিয়ে নিশ্চিত ছিল। তারা ভেবেছিল, রয়টার্সে এই যুদ্ধজয়ের ছবি বিশ্বজুড়ে তাদের দারুণ বিজ্ঞাপন হবে।

স্পিন বোল্ডাকের কাস্টমস চৌকি থেকে দলটি যখন মাত্র কয়েকশো মিটার দূরে, তখন তালেবানের অতর্কিত হামলায় দলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। দলটির কমান্ডার কয়েকজন সেনাকে নিয়ে একদিকে ছিটকে যান, আর দানিশ ও তিনজন আফগান সেনা ছিটকে যান সম্পূর্ণ অন্যদিকে। দানিশের শরীরে একটি বোমার ‘শার্পনেল’ বিঁধেছিল – তাই তারা গিয়ে আশ্রয় নেন কাছের একটি মসজিদে, সেখানে তাকে ফার্স্ট এইড বা প্রাথমিক শুশ্রূষাও দেওয়া হয়।

ততক্ষণে আশেপাশে খবর রটে গেছে, মসজিদে একজন পশ্চিমী বার্তা সংস্থার সাংবাদিক লুকিয়ে আছেন। তালেবান সে খবর পেয়েই সেখানে হামলা চালায় এবং টেনে-হিঁচড়ে দানিশ ও তার সঙ্গীদের বের করে আনে। মাইকেল রুবিন নিশ্চিত, দানিশ সিদ্দিকি যখন তালেবানের হাতে ধরা পড়েন তখন তিনি জীবিত ছিলেন। এরপর তারা দানিশের পরিচয় নিশ্চিত করে এবং তাকে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়। দেহটিও ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় বুলেটে।

সেনাদলটির কমান্ডারও ততক্ষণে সদলবলে মসজিদের কাছে ফিরে এসে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন – কিন্তু তালেবানের হাতে তারাও নিহত হন। পরে যে ভারতীয় কর্মকর্তারা কাবুলে দানিশের দেহ গ্রহণ করেন, মাইকেল রুবিন তাদের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়েছেন, আগে দানিশের মাথায় ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে মেরে তালেবান তাকে হত্যা করে – তারপর তার শরীরে বুলেটবৃষ্টি চালানো হয়।

মাইকেল রুবিনের ভাষায়, ‘তালেবানের নৃশংসতা সুবিদিত। কিন্তু সেই নৃশংসতাকেও যে দানিশের বেলায় তারা অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল তার একমাত্র কারণ সে ছিল ভারতীয়।’ এমনকি ব্যক্তিগত ধর্মবিশ্বাসে দানিশ যে মুসলিম ছিলেন, তার জন্যও তাকে কোনও রেহাই দেয়নি ইসলামের ধ্বজাধারী বলে নিজেদের দাবি করা তালেবান যোদ্ধারা।

আফগানিস্তানে দীর্ঘদিন ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন বাঙালি কূটনীতিবিদ গৌতম মুখোপাধ্যায়। তিনি এদিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলছিলেন, ‘সত্যি বলতে কী আমি এই খবরে বিন্দুমাত্র আশ্চর্য নই। তালেবানের ভারত-বিরোধিতা এতোটাই চরমে যে, তারা ভারতীয় মুসলিমদেরও ইসলামের সত্যিকারের প্রতিনিধি বলে মনে করে না। দানিশ সিদ্দিকির মতো একজন প্রতিভাবান আলোকচিত্রী তাদের সেই ভারত-বিদ্বেষের বলি হলেন এটাই চরম দুর্ভাগ্যের।’

/এমপি/

সম্পর্কিত

কাতারে খেজুর উৎসবের পর্দা নামছে আজ

কাতারে খেজুর উৎসবের পর্দা নামছে আজ

গাড়ি চাপায় বিচারক হত্যায় ভারতে তোলপাড়!

গাড়ি চাপায় বিচারক হত্যায় ভারতে তোলপাড়!

তালেবান নিয়ন্ত্রিত প্রদেশে প্রবল বন্যায় ১৫০ জনের মৃত্যু

তালেবান নিয়ন্ত্রিত প্রদেশে প্রবল বন্যায় ১৫০ জনের মৃত্যু

'ইতিহাসের চরম বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হোক': অস্ট্রেলিয়া

'ইতিহাসের চরম বিতর্কিত অধ্যায় শেষ হোক': অস্ট্রেলিয়া

সর্বশেষ

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢিলেঢালা চেকপোস্ট

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতি, বাঁধ ভাঙার শঙ্কা

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষতি, বাঁধ ভাঙার শঙ্কা

দেশে পৌঁছেছে সিনোফার্মের ৩০ লাখ ডোজ টিকা

দেশে পৌঁছেছে সিনোফার্মের ৩০ লাখ ডোজ টিকা

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৪ সেপ্টেম্বর

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৪ সেপ্টেম্বর

লকডাউনে বন্ধ মার্কেট ও দোকানে চলছে ‘বিকল্প’ লেনদেন

লকডাউনে বন্ধ মার্কেট ও দোকানে চলছে ‘বিকল্প’ লেনদেন

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

গৃহবধূর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাড়ি ঘেরাও 

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম সোনা

টোকিও অলিম্পিকসাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম সোনা

ইয়াবাসহ গ্রেফতার পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

ইয়াবাসহ গ্রেফতার পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

করোনায় অসহায় মানুষের পাশে মৌসুমী ও সুমি  (ভিডিও)

করোনায় অসহায় মানুষের পাশে মৌসুমী ও সুমি  (ভিডিও)

খুলনার হাসপাতালে মৃত্যু কমেছে

খুলনার হাসপাতালে মৃত্যু কমেছে

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

তিউনিসিয়াকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট

তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট

ঈদের নামাজ চলাকালীন মালির প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টা

ঈদের নামাজ চলাকালীন মালির প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টা

যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করলো নাইজেরীয় দস্যুরা

যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করলো নাইজেরীয় দস্যুরা

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাট, ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন করছে সরকার

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাট, ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন করছে সরকার

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাটে অংশ নিচ্ছে পুলিশ সদস্যরাও

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাটে অংশ নিচ্ছে পুলিশ সদস্যরাও

দক্ষিণ আফ্রিকার সহিংসতায় বাড়ছে নিহতের সংখ্যা

দক্ষিণ আফ্রিকার সহিংসতায় বাড়ছে নিহতের সংখ্যা

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাটের পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুও

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাটের পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুও

বিক্ষোভ মোকাবিলায় দ. আফ্রিকায় সেনা মোতায়েন

বিক্ষোভ মোকাবিলায় দ. আফ্রিকায় সেনা মোতায়েন

© 2021 Bangla Tribune