X
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ৯ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

আপডেট : ১৭ মে ২০২১, ১৭:৪৩

নেদারল্যান্ডসের ডেল্টা প্ল্যানের আদলে গ্রহণ করা শতবর্ষী ডেল্টা প্ল্যান তথা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’কে দেখা হচ্ছে দেশের উন্নয়নের ‘চাবিকাঠি’ হিসেবে। তথাপি পরিকল্পনায় চিহ্নিত ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের হটস্পটে রয়েছে নানান সমস্যা। এগুলো দূর করার কৌশল নেওয়া হয়েছে এ মহাপরিকল্পনায়।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেলো, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা সারাদেশের ভূখণ্ডকে চিহ্নিত করা হয়েছে ছয়টি হটস্পটে। এগুলোর সাধারণ সমস্যা মূলত পানি ও জলবায়ুকে ঘিরেই। প্রতিটি জেলাই কোনও না কোনও হটস্পটে রয়েছে। কোনও কোনও জেলা আবার একাধিক হটস্পটে রয়েছে।

কোন জেলা কোন হটস্পটে?

উপকূলীয় অঞ্চলের আয়তন ২৭ হাজার ৭৩৮ বর্গ কিলোমিটার। এ অঞ্চলের আওতাভুক্ত জেলা ১৯টি-বাগেরহাট, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, গোপালগঞ্জ, যশোর, ঝালকাঠি, খুলনা, লক্ষীপুর, নড়াইল, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা ও শরীয়তপুর।

বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ এলাকার আয়তন ২২ হাজার ৮৪৮ বর্গ কিলোমিটার। এর আওতায় ১৮টি জেলা-বগুড়া, চুয়াডাঙ্গা, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, নওগাঁ নাটোর, চাপাইনবাবগঞ্জ, নীলফামারী, পাবনা, পঞ্চগড়, রাজশাহী, রংপুর, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ ও ঠাকুরগাঁও।

হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের আয়তন ১৬ হাজার ৫৭৪ বর্গ কিলোমিটার। আওতাভুক্ত জেলা ৭টি- ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ ও সিলেট।

পার্বত্য চট্টগ্রামের আয়তন ১৩ হাজার ২৯৫ বর্গ কিলোমিটার। আওতাভুক্ত জেলা ৩টি-বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি।

নদী অঞ্চল এবং মোহনার আয়তন ৩৫ হাজার ২০৪ বর্গ কিলোমিটার। আওতাভুক্ত জেলা ২৯টি। এগুলো হচ্ছে- বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, বগুড়া, চাঁদপুর, কুমিল্লা, ফরিদপুর, ফেনী, গাইবান্ধা, গোপালগঞ্জ, জামালপুর, কুড়িগ্রাম, লক্ষীপুর, লালমনিরহাট, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নাটোর, চাপাইনবাবগঞ্জ, নোয়াখালী, পাবনা, পটুয়াখালী, রাজশাহী, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও খুলনা।

নগরাঞ্চলের আয়তন ১৯ হাজার ৮২৩ বর্গ কিলোমিটারসহ মোট এক লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার। নগরের জেলা ৭টি-বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট।

অপেক্ষাকৃত দুর্যোগমুক্ত জেলা

৬টি জেলাকে মোটামুটিভাবে দুর্যোগমুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ডেল্টা প্ল্যানে। এগুলো হচ্ছে- গাজীপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, ময়মনসিংহ, নীলফামারী ও শেরপুর।

হটস্পটের চ্যালেঞ্জ

হটস্পট ভিত্তিক চ্যালেঞ্জগুলো হচ্ছে-

উপকূলীয় অঞ্চল : ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, নদী ও উপকূলী এলাকায় ভাঙন, ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া।

বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ এলাকা : স্বাদু পানির প্রাপ্যতা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া, অপর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পরিবেশের অবনমন।

হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: স্বাদু পানির প্রাপ্যতা, আকস্মিক বা মৌসুমী বন্যা, জলাবদ্ধতা ও অপর্যাপ্ত নিষ্কাশন, অপর্যাপ্ত পানি ও পয়ঃনিষ্কান।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল : স্বাদু পানির স্বল্পতা, অপর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ও ক্রমহ্রাসমান জীববৈচিত্র্য।

নদী অঞ্চল ও মোহনা : বন্যা, পরিবেশের অবনমন, পানি দূষণ, পলিব্যবস্থাপনা ও নৌ-পরিবহন, নদীগর্ভের পরিবর্তন, ভাঙন ও নতুন চর। এর মধ্যে যমুনায় ভাঙন ১৭৭০ হেক্টর, পদ্মায় ভাঙন ১২৯৮ হেক্টর, মেঘনার অববাহিকায় ভাঙন ২৯০০ হেক্টর।

১৯৭৩ থেকে ২০১৫ সাল নাগাদ নতুন চর জেগে উঠেছে মোট ৫২ হাজার ৩১৩ হেক্টর জমি।

নগরাঞ্চলের সমস্যা : অপর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, স্বাদু পানির পর্যাপ্ততা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।

মহাপরিকল্পনায় প্রত্যেকটি হটস্পটেই পরিবেশের অবনমনকে সাধারণ সমস্যা ধরা হয়েছে।

সমাধানের যতো কৌশল

কৌশল-১: বিদ্যমান বাঁধের (পোল্ডার) কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঝড়বৃষ্টি/জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ মোকাবিলায় আঞ্চলিক নদী এবং চ্যানেলগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে।

কৌশল-২: পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বন্যার ঝুঁকি হ্রাসে গ্রামীণ নদী ও খাল পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে উপকূলবর্তী জেলাগুলোর জনগণের জীবিকার উন্নয়ন করতে হবে। অভ্যন্তরীণ নদী ও খালগুলোর নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি করতে হবে। উপকূলের ৭টি বাঁধে জোয়ার-ভাটা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং উপযুক্ত সমীক্ষা করে প্রয়োজনে অন্যান্য বাঁধেও জোয়ার-ভাটা ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম নিতে হবে।

পদ্মা ও মেঘনা নদীর মাথাভাঙ্গা থেকে জলঙ্গী পর্যন্ত নদীর ডান তীরে বহুমাত্রিক বন্যা বাঁধ নির্মাণের সুযোগ রয়েছে। সমুদ্র থেকে জমি পুনরুদ্ধারের জন্য নোয়াখালীর উড়িরচরে ক্রস ডেম নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে। উপকূলীয় অঞ্চলের সমুদ্রবন্দর এবং অর্থনৈতিক এলাকাগুলোকে (এসইজেড) বন্যামুক্ত এবং ঘূর্ণিঝড়-সহিষ্ণু করে গড়ে তুলতে হবে।

কৌশল-৩ : টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য পানির যোগান এবং চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখতে জোয়ারভাটা আছে এমন আঞ্চলিক নদীগুলো কার্যকর রাখা এবং স্থানীয় পর্যায়ে লবণাক্ততা বিষয়ে পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

কৌশল-৪ : উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে ওঠা নতুন জমি উদ্ধার করতে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা নতুন জমির সমস্যা ও সম্ভাবনা নিরূপণের জন্য মেঘনার মোহনায় গবেষণা চালাতে হবে। মোহনায় জেগে ওঠা চরের জমি সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও জোনিং করতে হবে।

কৌশল-৫ : সুন্দরবন অঞ্চলে ঘসিয়াখালী চ্যানেলসহ অন্যান্য চ্যানেলে নিয়মিত ড্রেজিং করতে হবে। কৃত্রিম ম্যানগোভ সৃষ্টি, সবুজ বেষ্টনী করে দ্বীপগুলোর অবকাঠামোগত উন্নতি করতে হবে।

বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল

কৌশল-১ : টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য রক্ষা করতে পদ্মা ও আঞ্চলিক নদীগুলোর ভূ-পরিস্থ পানি ব্যবহার করে সেচ সম্প্রসারণ করতে হবে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর সরক্ষণে এর যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

বরেন্দ্র ও আত্রাই অববাহিকার জন্য বিস্তারিত বেসিন ম্যানজেমেন্ট প্ল্যান তৈরি করতে হবে। শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের জন্য প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম জলাধারে পানি সংরক্ষণ করতে হবে (রাবার ড্যাম, মজাপুকুর, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ইত্যাদি)।

চলনবিলে প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার এবং এর সংরক্ষণ (বড়াল নদী খনন) করতে হবে। নদীর তীর, খাসপুকুর এবং অন্যান্য জলাশয় দখলমুক্ত করা এবং পানীয়জল সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ জোরদার করার প্রকল্প নিতে হবে।

কৌশল-২ : বন্যা ও জলাবদ্ধতাজনিত ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করতে বন্যার জন্য সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে। বন্যা ও খরা ব্যবস্থা কেন্দ্র স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে। সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করে আঞ্চলিক নদী ও মজাখাল পুনঃখনন করতে হবে।

কৌশল-৩ : পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন। এই কৌশল বাস্তবায়নে প্রতিটি জেলাশহরে পয়ঃব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট স্থাপন এবং বাণিজ্যিক শিল্পবর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে হবে। স্থানীয়ভাবে পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করতে হবে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় যথেচ্ছভাবে পানি ওঠানো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল

কৌশল-১ : বন্যা থেকে কৃষি ও বিপন্ন জনগোষ্ঠীগুলোকে বাঁচাতে স্থানীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রবাহমান নদীগুলোর দুই তীরে বাঁধ সুদৃঢ় করতে হবে। সাবমারসিবল বাঁধ নির্মাণ ও সংরক্ষণ করতে হবে। নদীখননে প্রাপ্ত পলি ব্যবহার করে গ্রামাঞ্চলের ভিটা উঁচু করতে হবে। কৃষি ব্যবস্থা যান্ত্রীকীকরণে উৎসাহিত করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনঘাত সহিষ্ণু, কৃষি, বনায়ন, এবং টেকসই চাষাবাদ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করতে হবে।

 

কৌশল-২ : সুপেয় পানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং পানির দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মাটির ওপরের পানি ব্যবহার করে ক্ষুদ্র সেচ কার্যক্রম সম্প্রসারণে নজর দিতে হবে। বন্যা ব্যবস্থাপনা ও সেচ অবকাঠামোগুলোর নকশা করতে হবে। পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

 

কৌশল-৩ : পানিসম্পদ ও নদী ব্যবস্থাপনার আওতায় নদীর তীরগুলো দৃঢ় ও স্থিতিশীল করতে হবে। খরস্রোতা নদীগুলোকে নিয়মিত খনন করতে হবে। কার্যকর পলি ব্যবস্থাপনার জন্য গবেষণা জোরদার করতে হবে।

কৌশল-৪ : টেকসই হাওর প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য ব্যবস্থাপনার জন্য দেশের প্রাকৃতিক জলাভূমি সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালা বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ করতে হবে। বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতিগুলো সংরক্ষণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মৎস্যসম্পদ উন্নয়নের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কর্মকৌশল নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিটি শিল্পে ইটিপি এবং ডব্লিউটিপি স্থাপনে বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করতে হবে। বন্যা ব্যবস্থাপনা, নিষ্কাশন ও সেচ স্থাপনা এবং সেতু বা কালভার্টগুলোতে মাছের অবাধ চলাচল ও বর্ষায় নৌ-চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। ধানচাষ ছাড়াও মৎস্য চাষ বা উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে হবে।

কৌশল-৫ : সমন্বিত পানি এবং ভূমি সম্পদ ব্যবস্থাপনার কৌশল বাস্তবায়নে সঠিক পলি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নৌ-পরিবহন বজায় রাখতে হবে। হাওর এলাকায় নদীপ্রবাহ উন্নত করা, সড়ক ও রেলপথ যোগাযোগ ব্যবস্থা সৃষ্টিতে পার্শ্ববর্তী জলাধার এবং বন্যার পানি নিষ্কাশনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল

কৌশল-১ : বন্যা ও ঝড়বৃষ্টি থেকে অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শহর রক্ষায় বহুমুখী ডাইকি নির্মাণ। ধসপ্রবণ পাহাড়ি এলাকা ও প্লাবনভূমিতে গ্রোয়েন ডাইকি ব্যবহার করে ভূমিক্ষয় প্রতিরোধ করা। চেঙ্গী, কর্ণফুলী, সাঙ্গু, মাতামুহুরি, বাঁকখালী ইত্যাদি পাহাড়ি নদীতে বাঁধও বন্যা প্রতিরোধ স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে নিকটবর্তী প্লাবনভূমি ও শহর রক্ষা করা।

কৌশল-২ : পানি নিরাপত্তা এবং টেকসই পয়ঃনিষ্কাশন নিশ্চিত করা। এর জন্য জলাধার থেকে পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ, সুষ্ঠু পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পানি ব্যবস্থাপনার বিনিয়োগকৃত অর্থ উপকারভোগীদের কাছ থেকে আদায়ের উদ্যোগ নিতে হবে।

কৌশল-৩ : সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সমন্বিত জলাভূমির ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।

কৌশল- ৪ : পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে আদিবাসী কৃষি ব্যবস্থা টেকসই করা, স্থানীয় প্রজাতির মাধ্যমে বনায়ন, পাবর্ত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে সেচ সম্প্রসারণ এবং নতুন জলাধার নির্মাণ করতে হবে। পাহাড়ি ছড়াগুলোর প্রবহমানতা এবং প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যও সংরক্ষণ করতে হবে।

কৌশল-৫ : কাপ্তাই লেকের পলি অপসারণ এবং মৎস্য সম্পদের জরিপ, প্রাকৃতিক বনভূমি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা, পাহাড়ের প্রতিবেশ সংরক্ষণ এবং ব্যক্তিখাতে ইকোট্যুরিজম প্রতিষ্ঠায় প্রণোদনা প্রদান করতে হবে।

নদী অঞ্চল এবং মোহনা অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল

কৌশল-১ : নদীর ভাঙাগড়া এবং সময়ের আবর্তনে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের বিষয়টি আমলে নিয়ে নদী ও বন্যা ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম গ্রহণ করতে বন্যাপ্রবণ এলাকার স্থাপনা ও সম্পদ বন্যা প্রতিরোধী করতে হবে। প্লাবনভূমি এবং নিচু এলাকার পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা, জেগে ওঠা নতুন চরগুলোকে নিয়ন্ত্রিতভাবে উন্নয়ন এবং বনায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। উজানের নদী এবং প্লাবনভূমিতে পানি সংরক্ষণের জন্য আন্তঃদেশীয় উদ্যোগ নিতে হবে। কৌশলগত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী, উপনদী, ও শাখানদীর ডিসচার্জ এবং প্রবহমানতা বজায় রাখা, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের জন্য স্থান সংকুলান রেখে ডিসচার্জ এবং পানি সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।

কৌশল-২ : পানি প্রবাহের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নদীগুলোকে স্থিতিশীল রাখতে নদীপ্রবাহ সুসংহত করার জন্য একইসঙ্গে নদীশাসন ও নদীর তীর সুরক্ষায় কাজ করা, দ্রুত জেগে ওঠা চর স্থিতিশীলকরণ এবং সমুদ্র থেকে জমি উদ্ধার, ভূমিদখল প্রতিরোধের মাধ্যমে নদীর ডিসচার্জ এবং সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়ানো, কার্যকর পলি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নদী এবং মোহনার প্রবহমানতা রক্ষা, বাঁধ সুরক্ষায় নদীখনন অন্তর্ভুক্ত রেখে কৌশলে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী-উপনদী শাখানদীর ডিসচার্জ এবং নিষ্কাশন ক্ষমতা বজায় রাখতে হবে।

কৌশল-৩ : পর্যাপ্ত পরিমাণে স্বাদু পানির সরবরাহ করতে প্রধান নদী থেকে শাখা নদী ও প্লাবনভূমিতে পানির প্রবাহ বজায় রাখার কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। সংরক্ষণ এবং প্রবাহের দিক পরিবর্তনের মাধ্যমে স্বাদু পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে।

কৌশল-৪ : নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহারসহ বাস্তুতন্ত্রের পুনরুজ্জীবন, প্রাকৃতিক জলাভূমি ও জলাধার সংরক্ষণের মাধ্যমে বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং দূষণ না ঘটিয়ে টেকসই ইকোট্যুরিজম গড়ে তুলতে হবে।

কৌশল-৫ : নদীগুলোতে নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য নৌ-পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য নিরবচ্ছিন্ন ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর নাব্যতা বজায় রাখা, নদী শাসন, ড্রেজিং এবং পলি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নাব্যতা বাড়ানো, পণ্য ওঠানামার সুবিধা বাড়ানো এবং নৌপথে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রদান এবং প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

কৌশল-৬ : যথাযথ পলি ব্যবস্থাপনার জন্য অববাহিকাভিত্তিক পলি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা নীতি এবং ড্রেজিং কার্যক্রম গ্রহণ করে নদীর তীর এবং উপকূলীয় জমিকে নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। বিস্তারিত মরফোলজিক্যাল এবং সেডিমেন্টোলজিক্যাল সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করে ড্রেজিং করে পলি অপসারণ করতে হবে।

কৌশল-৭ : জেগে ওঠা চর এলাকায় নদী ও মোহনা ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে মেঘনাসহ অন্য সব নদী এবং উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে জেগে ওঠা নতুন চর উন্নয়ন এবং ভূমি উদ্ধারের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ছাড়াও পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, আড়িয়াল খা, কুশিয়ারা, গড়াই, মনুনদীসহ দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ নদীতে ক্যাপিটাল ও ড্রেজিংয়ের কার্যক্রম গ্রহণ. দক্ষিণাঞ্চলের নদনদীগুলোয় শুষ্ক মৌসুমে লবণাক্ততার আধিক্য ব্যবস্থাপনার জন্য ফলপ্রসূ কৌশল নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

নগরাঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল

কৌশল-১ : পানি নিষ্কাশন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নগর এলাকার জলাবদ্ধতার ঝুঁকি হ্রাসে জলাবদ্ধতা দুরীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা, বিদ্যমান পয়ঃনিষ্কাশন কাঠামোর উন্নয়ন রক্ষণাবেক্ষণ এবং সর্বোচ্চ ব্যবহার, প্রাকৃতিক জলাধারকে সম্পৃক্ত করে পানি নিষ্কাশন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নদীগুলোকে পয়ো এবং অন্য বর্জে্যর হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। প্রাকৃতিক খাল ও জলাধারগুলো পুনরুদ্ধার এবং সংরক্ষণ, পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণের জন্য বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে ভূগর্ভস্থ জলাশয়ে সংরক্ষণ এবং বিশুদ্ধকরণের মাধ্যমে ধোয়ামোছার কাজে ব্যবহার এবং পানির গুণগতমান নিশ্চিতকরণ করতে হবে।

কৌশল-২ : নগরাঞ্চলে পানি নিরাপত্তা এবং পানি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি বাড়াতে স্থানীয় ভূগর্ভস্থ পানির মান ও পরিমাণ নিশ্চিত হতে গবেষণা জোরদার করতে হবে। প্রাকৃতিক জলাশয়গুলো সংরক্ষণ এবং অবৈধ দখলের হাত থেকে রক্ষা করা এবং নগরে কৌশলগতভাবে বনায়ন ও জলাধারা তৈরি করতে হবে।

কৌশল-৩ : নগরে কার্যকর প্রতিষ্ঠান এবং সুশাসন গড়ে তোলার জন্য সমন্বিত নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি নগরভিত্তিক রাজস্ব আয় বাড়াতেও উদ্যোগ নিতে হবে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

প্যারিস, হেগে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৯:০৫

সম্প্রতি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলার ঘটনায় দেশের পাশাপাশি বিদেশের মাটিতেও প্রতিবাদ হচ্ছে। ইতোমধ্যে নেদারল্যান্ডস ও ফ্রান্সের বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে প্রতিবাদ হয়েছে এবং ব্রাসেলসে আগামী সপ্তাহে প্রতিবাদের কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা খবর পেয়েছি, প্যারিস দূতাবাসে প্রতিবাদকারীরা স্মারকলিপি দিয়েছে। হেগে আমাদের দূতাবাসের সামনেও প্রতিবাদ হয়েছে। এ ছাড়া ব্রাসেলসেও আগামী রবিবার প্রতিবাদ হবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, গত শুক্রবার ৩০-৩৫ জন দূতাবাসের বাইরে জড়ো হয়েছিল। পরে একটি লিফলেট দিয়ে তারা চলে যায়।

/এসএসজেড/এফএ/

সম্পর্কিত

দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

আইডি নম্বর পাচ্ছে সব সিটি ও পৌর সড়ক

আইডি নম্বর পাচ্ছে সব সিটি ও পৌর সড়ক

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

শিশুশ্রম নিরসনে ১১২ এনজিও’র সঙ্গে চুক্তি কাল

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৫০

ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সম্মেলন কক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনের জন্য নির্বাচিত ১১২টি এনজিও’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (২৫ অক্টোবর) মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান  চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ২৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম নিরসন প্রকল্পের শুরু হতে যাওয়া চতুর্থ পর্যায়ে এক লাখ শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে সরিয়ে আনা হবে। এক বছর মেয়াদী প্রকল্পে শিশুশ্রমে নিয়োজিত এক লাখ শিশুকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত এসকল শিশুর বাবা-মাকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে এবং প্রশিক্ষণ শেষে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

/এসআই/এমআর/

সম্পর্কিত

প্যারিস, হেগে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ

প্যারিস, হেগে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ

দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

আইডি নম্বর পাচ্ছে সব সিটি ও পৌর সড়ক

আইডি নম্বর পাচ্ছে সব সিটি ও পৌর সড়ক

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৭:০৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে ক্ষুধা ও নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে এবং এ অঞ্চলের জনগণের কল্যাণে কাজ করা উচিত।

বাংলাদেশে পাকিস্তানের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী সোমবার (২৫ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। 

ইহসানুল করিম জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রণীত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হলো ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’।

বৈঠকে হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, ‘পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী।’

হাইকমিশনার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বার্তার একটি মূল কপি শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করেন।

তিনি একটি ফটো অ্যালবাম, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭৪ সালে ওআইসি (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন) শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাকিস্তান সফরের ছবির পেইন্টিং এবং ভিডিও ফুটেজও উপহার দেন।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্মৃতি স্মারক হস্তান্তর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে পাকিস্তান বাংলা ভাষায় একটি ক্যালিগ্রাফি বই প্রকাশের জন্য প্রশংসা করেন।

অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এ সময় উপস্থিত ছিলেন। খবর: বাসস

 

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

প্যারিস, হেগে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ

প্যারিস, হেগে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ

আইডি নম্বর পাচ্ছে সব সিটি ও পৌর সড়ক

আইডি নম্বর পাচ্ছে সব সিটি ও পৌর সড়ক

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

আইডি নম্বর পাচ্ছে সব সিটি ও পৌর সড়ক

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৫:১১

দেশের গ্রামীণ সড়কগুলোর জন্য আলাদা আইডি নম্বর থাকলেও সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোতে তা নেই। এ জন্য সড়কের উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় নানা জটিলতায় পড়তে হয় সংশ্লিষ্টদের। অনেক সময় একই রাস্তা ভিন্ন ভিন্ন নামে টেন্ডার করে বিল উঠিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। আবার একই রাস্তা ভিন্ন ভিন্ন সংস্থাও দাবি করে। বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে দুই সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্টদের। এ জন্য সড়কগুলোর আইডি নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বলছে, পর্যায়ক্রমে সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার প্রত্যেকটি রাস্তার কোড নম্বর দেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর সূত্র জানায়, ১৯৯০ সালের প্রথম দিকে গ্রামীণ রাস্তাগুলোর নামকরণের জন্য দুই ধরনের ডাটাবেজ করা হয়। আর তা হচ্ছে—রোড স্ট্রাকচার ও ব্রিজ এবং জিআইএস ডাটাবেজ। এই গ্রামীণ রাস্তাগুলোকে উপজেলা রোড, ইউনিয়ন রোড, ভিলেজ টাইপ ‘এ’ ও ভিলেজ টাইপ ‘বি’ ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয়। বর্তমানে ডাটাবেজে রাস্তার সব তথ্য রয়েছে। ডাটাবেজের কোনও রাস্তা পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনে যুক্ত হলে ডাটাবেজ থেকে তা বাদ দেওয়া হয়।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের সব পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের রাস্তাগুলোর কোনও আইডি নম্বর নেই। রাস্তাগুলো স্থানীয় এলাকা বা ব্যক্তির নামে রয়েছে। অনেক রাস্তার কোনও নামও নেই। এ অবস্থায় অনেক সময় রাস্তাগুলো ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পৌরসভায় প্রবেশ করলেও এলজিইডি তাদের বলে দাবি করে। আবার অনেক ক্ষেত্রে একই রাস্তার ভিন্ন ভিন্ন নাম উল্লেখ করে কয়েকবার টেন্ডার করে অর্থ তুলে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে থাকে।

এ অবস্থায় বিষয়টি নিয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে বিভাগের সম্মেলন কক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও সিলেট সিটি করপোরেশনে চলমান আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের আওতায় সড়কের আইডি নম্বর প্রদানের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

অবশিষ্ট ৯টি সিটি করপোরেশনের আওতাধীন সড়কগুলোর আইডি নম্বর প্রদানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী ও নগর পরিকল্পনাবিদদের নিয়ে সভার আয়োজন করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এছাড়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর ৮টি বিভাগের ৮টি পৌরসভার সড়ক আইডি নম্বর প্রদানের বিষয়ে পরীক্ষামূলক প্রকল্প গ্রহণ করবে। উক্ত প্রকল্পের ফলাফলের ভিত্তিতে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ ক্যাটাগরির পৌরসভার সড়কগুলোর পর্যায়ক্রমে আইডি নম্বর দেওয়া হবে।

আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক আবুল কাশেম জানান,  প্রকল্পটির দুটি কম্পোনেন্ট রয়েছে। একটি কম্পোনেন্টে দুর্যোগ নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে। আরেকটি কম্পোনেন্ট জিআইএস নির্ভর জরুরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে কাজ করার জন্য একজন পরামর্শক নিয়োগ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ এবং সিলেট সিটি করপোরেশনে কাজ করা হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘এলজিইডি কর্তৃক সব গ্রামীণ সড়কের আইডি নম্বর দেওয়া হয়েছে। ওই আইডির মাধ্যমে তারা সড়কগুলোর উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশনের রাস্তাগুলো বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও এলাকার নামে পরিচিত। এলজিইডির মতো পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের আওতাধীন রাস্তাগুলোর আইডি নম্বর দেওয়ার বিষয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ বলেন, ‘সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং এলজিইডি’র আওতাধীন রাস্তাগুলোর আইডি নম্বর থাকলেও আমাদের সিটি করপোরেশনের রাস্তার আইডি নম্বর নেই। সিটি করপোরেশন এলাকার রাস্তাগুলোর আইডি নম্বর দেওয়া দরকার। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের একটি কম্পোনেন্টের মাধ্যমে সিটি করপোরেশনের রাস্তার আইডি নম্বর প্রদানের বিষয়ে একটি প্রাথমিক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।’

স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন-২ শাখার যুগ্ম-সচিব শায়লা ফারজানা বলেন, ‘পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের আওতাধীন রাস্তাগুলোর আইডি নম্বর দিতে এই মুহূর্তে পর্যাপ্ত সাপোর্ট নেই।’ কাজটি এলজিইডির মাধ্যমে করার জন্য তিনি অনুরোধ করেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। আমরা প্রতিটি সড়কের জন্য আলাদা কোড নম্বর চালুর কাজ করছি। এ জন্য কয়েকটি সভাও করা হয়েছে। সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

 

/এমআর/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

প্যারিস, হেগে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ

প্যারিস, হেগে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ

দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

অর্থের চেয়ে প্রীতি-সদিচ্ছার গুরুত্ব বেশি: বঙ্গবন্ধু

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২৫ অক্টোবরের ঘটনা।)

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে তার দেশের অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং এজন্য চুক্তির প্রয়োজন হয় না। বঙ্গবন্ধু বলেন, এখানে আসতে পেরে তিনি খুব খুশি। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে আলোচনা করেও তিনি খুশি। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব আমাদের আন্তরিক ভালোবাসা থেকে উৎসারিত। যার জন্য চুক্তির প্রয়োজন হয় না।

জাপান সফর ও অধিকতর জাপানের সাহায্যের সম্ভাবনা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু বলেন, অর্থই সব নয়। এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ভালোবাসা, প্রীতি ও আন্তরিক শুভেচ্ছা। জাপানি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার আলোচনা পারস্পরিক সমঝোতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু বলেন, তার জাপান সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ। জাপানের জনসাধারণ তার প্রতি যে ভালোবাসা ও অকৃত্রিম স্নেহ প্রদর্শন করেছে, তাতে তিনি অভিভূত হয়েছেন। তিনি বলেন, এই ভালোবাসা তার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষকে জানানো হয়েছে।

অপর এক প্রশ্নকারীকে বঙ্গবন্ধু বলেন, বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের নীতি অনুসরণ করতে চায়। বাংলাদেশের ব্যাপারে চীনের মনোভাব ও জাতিসংঘভুক্তির প্রশ্নে চীনের নীতি সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু বলেন, তিনি স্বীকৃতি ভিক্ষা চান না। এরমধ্যে শতাধিক দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বিশ্ব সংস্থায় বাংলাদেশের আসন নিশ্চিত করার দায়িত্ব এখন জাতিসংঘের।

কুয়ালালামপুরে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় অবস্থানকালে বঙ্গবন্ধু মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সহ বহু বিষয়ে কথা বলেন। একজন মুখপাত্র বলেন, উভয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। উভয় দেশের বন্ধুত্ব আরও জোরদার হবে বলে মুখপাত্র আশা করেন।

বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানান এবং বঙ্গবন্ধুর সম্মানে ইফতারের আয়োজন করেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন, পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব তোফায়েল আহমেদ ও পররাষ্ট্র সচিব এনায়েত করিম।

সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানানোর প্রস্তাব গ্রহণকারীর মধ্যে মালয়েশিয়া অন্যতম ও প্রথম উদ্যোগী দেশ।

দৈনিক ইত্তেফাক, ২৬ অক্টোবর ১৯৭৩

মার্কোস-বঙ্গবন্ধু বৈঠক

জাপানে ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফেরার পথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ম্যানিলা বিমানবন্দরে স্বল্পকাল অবস্থান করেন। এ সময় তিনি ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনা করেন। বাংলাদেশ তাদের কাছে কৃষি উন্নয়নে সহযোগিতা চেয়েছে। তারা দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এরমধ্যে ফিলিপাইন ১২ হাজার টন ধানের বীজ দিয়েছে বাংলাদেশকে।

ম্যানিলা বিমানবন্দরে বঙ্গবন্ধুকে ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাগত জানান। সেখান থেকে বঙ্গবন্ধুকে হেলিকপ্টারে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে নিয়ে যাওয়া হয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিরাট ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নেতা বলে অভিহিত করেন। মার্কোস বলেন, বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন একটি নতুন জাতির মুক্তিদাতা। প্রেসিডেন্ট বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য তার বিরাট শ্রদ্ধা রয়েছে এবং তার সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুকে তিনি অভিনন্দন জানান।

 

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

প্যারিস, হেগে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ

প্যারিস, হেগে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ

দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

আইডি নম্বর পাচ্ছে সব সিটি ও পৌর সড়ক

আইডি নম্বর পাচ্ছে সব সিটি ও পৌর সড়ক

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

সর্বশেষ

বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিয়ে রোমাঞ্চিত পর্তুগিজ কোচ

বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিয়ে রোমাঞ্চিত পর্তুগিজ কোচ

‘জনপ্রতিনিধিদের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া উচিত’

‘জনপ্রতিনিধিদের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া উচিত’

নারী পুরুষ মৃত্যুর হার সমান

নারী পুরুষ মৃত্যুর হার সমান

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও ১৯০

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও ১৯০

প্যারিস, হেগে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ

প্যারিস, হেগে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ

© 2021 Bangla Tribune