X
সোমবার, ০২ আগস্ট ২০২১, ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

আপডেট : ১৭ মে ২০২১, ১৭:৪৩

নেদারল্যান্ডসের ডেল্টা প্ল্যানের আদলে গ্রহণ করা শতবর্ষী ডেল্টা প্ল্যান তথা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’কে দেখা হচ্ছে দেশের উন্নয়নের ‘চাবিকাঠি’ হিসেবে। তথাপি পরিকল্পনায় চিহ্নিত ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের হটস্পটে রয়েছে নানান সমস্যা। এগুলো দূর করার কৌশল নেওয়া হয়েছে এ মহাপরিকল্পনায়।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেলো, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা সারাদেশের ভূখণ্ডকে চিহ্নিত করা হয়েছে ছয়টি হটস্পটে। এগুলোর সাধারণ সমস্যা মূলত পানি ও জলবায়ুকে ঘিরেই। প্রতিটি জেলাই কোনও না কোনও হটস্পটে রয়েছে। কোনও কোনও জেলা আবার একাধিক হটস্পটে রয়েছে।

কোন জেলা কোন হটস্পটে?

উপকূলীয় অঞ্চলের আয়তন ২৭ হাজার ৭৩৮ বর্গ কিলোমিটার। এ অঞ্চলের আওতাভুক্ত জেলা ১৯টি-বাগেরহাট, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, গোপালগঞ্জ, যশোর, ঝালকাঠি, খুলনা, লক্ষীপুর, নড়াইল, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা ও শরীয়তপুর।

বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ এলাকার আয়তন ২২ হাজার ৮৪৮ বর্গ কিলোমিটার। এর আওতায় ১৮টি জেলা-বগুড়া, চুয়াডাঙ্গা, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, নওগাঁ নাটোর, চাপাইনবাবগঞ্জ, নীলফামারী, পাবনা, পঞ্চগড়, রাজশাহী, রংপুর, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ ও ঠাকুরগাঁও।

হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের আয়তন ১৬ হাজার ৫৭৪ বর্গ কিলোমিটার। আওতাভুক্ত জেলা ৭টি- ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ ও সিলেট।

পার্বত্য চট্টগ্রামের আয়তন ১৩ হাজার ২৯৫ বর্গ কিলোমিটার। আওতাভুক্ত জেলা ৩টি-বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি।

নদী অঞ্চল এবং মোহনার আয়তন ৩৫ হাজার ২০৪ বর্গ কিলোমিটার। আওতাভুক্ত জেলা ২৯টি। এগুলো হচ্ছে- বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, বগুড়া, চাঁদপুর, কুমিল্লা, ফরিদপুর, ফেনী, গাইবান্ধা, গোপালগঞ্জ, জামালপুর, কুড়িগ্রাম, লক্ষীপুর, লালমনিরহাট, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নাটোর, চাপাইনবাবগঞ্জ, নোয়াখালী, পাবনা, পটুয়াখালী, রাজশাহী, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও খুলনা।

নগরাঞ্চলের আয়তন ১৯ হাজার ৮২৩ বর্গ কিলোমিটারসহ মোট এক লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার। নগরের জেলা ৭টি-বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট।

অপেক্ষাকৃত দুর্যোগমুক্ত জেলা

৬টি জেলাকে মোটামুটিভাবে দুর্যোগমুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ডেল্টা প্ল্যানে। এগুলো হচ্ছে- গাজীপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, ময়মনসিংহ, নীলফামারী ও শেরপুর।

হটস্পটের চ্যালেঞ্জ

হটস্পট ভিত্তিক চ্যালেঞ্জগুলো হচ্ছে-

উপকূলীয় অঞ্চল : ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, নদী ও উপকূলী এলাকায় ভাঙন, ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া।

বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ এলাকা : স্বাদু পানির প্রাপ্যতা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া, অপর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পরিবেশের অবনমন।

হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: স্বাদু পানির প্রাপ্যতা, আকস্মিক বা মৌসুমী বন্যা, জলাবদ্ধতা ও অপর্যাপ্ত নিষ্কাশন, অপর্যাপ্ত পানি ও পয়ঃনিষ্কান।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল : স্বাদু পানির স্বল্পতা, অপর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ও ক্রমহ্রাসমান জীববৈচিত্র্য।

নদী অঞ্চল ও মোহনা : বন্যা, পরিবেশের অবনমন, পানি দূষণ, পলিব্যবস্থাপনা ও নৌ-পরিবহন, নদীগর্ভের পরিবর্তন, ভাঙন ও নতুন চর। এর মধ্যে যমুনায় ভাঙন ১৭৭০ হেক্টর, পদ্মায় ভাঙন ১২৯৮ হেক্টর, মেঘনার অববাহিকায় ভাঙন ২৯০০ হেক্টর।

১৯৭৩ থেকে ২০১৫ সাল নাগাদ নতুন চর জেগে উঠেছে মোট ৫২ হাজার ৩১৩ হেক্টর জমি।

নগরাঞ্চলের সমস্যা : অপর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, স্বাদু পানির পর্যাপ্ততা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।

মহাপরিকল্পনায় প্রত্যেকটি হটস্পটেই পরিবেশের অবনমনকে সাধারণ সমস্যা ধরা হয়েছে।

সমাধানের যতো কৌশল

কৌশল-১: বিদ্যমান বাঁধের (পোল্ডার) কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঝড়বৃষ্টি/জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ মোকাবিলায় আঞ্চলিক নদী এবং চ্যানেলগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে।

কৌশল-২: পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বন্যার ঝুঁকি হ্রাসে গ্রামীণ নদী ও খাল পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে উপকূলবর্তী জেলাগুলোর জনগণের জীবিকার উন্নয়ন করতে হবে। অভ্যন্তরীণ নদী ও খালগুলোর নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি করতে হবে। উপকূলের ৭টি বাঁধে জোয়ার-ভাটা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং উপযুক্ত সমীক্ষা করে প্রয়োজনে অন্যান্য বাঁধেও জোয়ার-ভাটা ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম নিতে হবে।

পদ্মা ও মেঘনা নদীর মাথাভাঙ্গা থেকে জলঙ্গী পর্যন্ত নদীর ডান তীরে বহুমাত্রিক বন্যা বাঁধ নির্মাণের সুযোগ রয়েছে। সমুদ্র থেকে জমি পুনরুদ্ধারের জন্য নোয়াখালীর উড়িরচরে ক্রস ডেম নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে। উপকূলীয় অঞ্চলের সমুদ্রবন্দর এবং অর্থনৈতিক এলাকাগুলোকে (এসইজেড) বন্যামুক্ত এবং ঘূর্ণিঝড়-সহিষ্ণু করে গড়ে তুলতে হবে।

কৌশল-৩ : টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য পানির যোগান এবং চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখতে জোয়ারভাটা আছে এমন আঞ্চলিক নদীগুলো কার্যকর রাখা এবং স্থানীয় পর্যায়ে লবণাক্ততা বিষয়ে পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

কৌশল-৪ : উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে ওঠা নতুন জমি উদ্ধার করতে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা নতুন জমির সমস্যা ও সম্ভাবনা নিরূপণের জন্য মেঘনার মোহনায় গবেষণা চালাতে হবে। মোহনায় জেগে ওঠা চরের জমি সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও জোনিং করতে হবে।

কৌশল-৫ : সুন্দরবন অঞ্চলে ঘসিয়াখালী চ্যানেলসহ অন্যান্য চ্যানেলে নিয়মিত ড্রেজিং করতে হবে। কৃত্রিম ম্যানগোভ সৃষ্টি, সবুজ বেষ্টনী করে দ্বীপগুলোর অবকাঠামোগত উন্নতি করতে হবে।

বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল

কৌশল-১ : টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য রক্ষা করতে পদ্মা ও আঞ্চলিক নদীগুলোর ভূ-পরিস্থ পানি ব্যবহার করে সেচ সম্প্রসারণ করতে হবে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর সরক্ষণে এর যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

বরেন্দ্র ও আত্রাই অববাহিকার জন্য বিস্তারিত বেসিন ম্যানজেমেন্ট প্ল্যান তৈরি করতে হবে। শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের জন্য প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম জলাধারে পানি সংরক্ষণ করতে হবে (রাবার ড্যাম, মজাপুকুর, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ইত্যাদি)।

চলনবিলে প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার এবং এর সংরক্ষণ (বড়াল নদী খনন) করতে হবে। নদীর তীর, খাসপুকুর এবং অন্যান্য জলাশয় দখলমুক্ত করা এবং পানীয়জল সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ জোরদার করার প্রকল্প নিতে হবে।

কৌশল-২ : বন্যা ও জলাবদ্ধতাজনিত ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করতে বন্যার জন্য সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে। বন্যা ও খরা ব্যবস্থা কেন্দ্র স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে। সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করে আঞ্চলিক নদী ও মজাখাল পুনঃখনন করতে হবে।

কৌশল-৩ : পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন। এই কৌশল বাস্তবায়নে প্রতিটি জেলাশহরে পয়ঃব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট স্থাপন এবং বাণিজ্যিক শিল্পবর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে হবে। স্থানীয়ভাবে পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করতে হবে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় যথেচ্ছভাবে পানি ওঠানো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল

কৌশল-১ : বন্যা থেকে কৃষি ও বিপন্ন জনগোষ্ঠীগুলোকে বাঁচাতে স্থানীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রবাহমান নদীগুলোর দুই তীরে বাঁধ সুদৃঢ় করতে হবে। সাবমারসিবল বাঁধ নির্মাণ ও সংরক্ষণ করতে হবে। নদীখননে প্রাপ্ত পলি ব্যবহার করে গ্রামাঞ্চলের ভিটা উঁচু করতে হবে। কৃষি ব্যবস্থা যান্ত্রীকীকরণে উৎসাহিত করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনঘাত সহিষ্ণু, কৃষি, বনায়ন, এবং টেকসই চাষাবাদ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করতে হবে।

 

কৌশল-২ : সুপেয় পানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং পানির দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মাটির ওপরের পানি ব্যবহার করে ক্ষুদ্র সেচ কার্যক্রম সম্প্রসারণে নজর দিতে হবে। বন্যা ব্যবস্থাপনা ও সেচ অবকাঠামোগুলোর নকশা করতে হবে। পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

 

কৌশল-৩ : পানিসম্পদ ও নদী ব্যবস্থাপনার আওতায় নদীর তীরগুলো দৃঢ় ও স্থিতিশীল করতে হবে। খরস্রোতা নদীগুলোকে নিয়মিত খনন করতে হবে। কার্যকর পলি ব্যবস্থাপনার জন্য গবেষণা জোরদার করতে হবে।

কৌশল-৪ : টেকসই হাওর প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য ব্যবস্থাপনার জন্য দেশের প্রাকৃতিক জলাভূমি সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালা বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ করতে হবে। বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতিগুলো সংরক্ষণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মৎস্যসম্পদ উন্নয়নের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কর্মকৌশল নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিটি শিল্পে ইটিপি এবং ডব্লিউটিপি স্থাপনে বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করতে হবে। বন্যা ব্যবস্থাপনা, নিষ্কাশন ও সেচ স্থাপনা এবং সেতু বা কালভার্টগুলোতে মাছের অবাধ চলাচল ও বর্ষায় নৌ-চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। ধানচাষ ছাড়াও মৎস্য চাষ বা উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে হবে।

কৌশল-৫ : সমন্বিত পানি এবং ভূমি সম্পদ ব্যবস্থাপনার কৌশল বাস্তবায়নে সঠিক পলি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নৌ-পরিবহন বজায় রাখতে হবে। হাওর এলাকায় নদীপ্রবাহ উন্নত করা, সড়ক ও রেলপথ যোগাযোগ ব্যবস্থা সৃষ্টিতে পার্শ্ববর্তী জলাধার এবং বন্যার পানি নিষ্কাশনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল

কৌশল-১ : বন্যা ও ঝড়বৃষ্টি থেকে অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শহর রক্ষায় বহুমুখী ডাইকি নির্মাণ। ধসপ্রবণ পাহাড়ি এলাকা ও প্লাবনভূমিতে গ্রোয়েন ডাইকি ব্যবহার করে ভূমিক্ষয় প্রতিরোধ করা। চেঙ্গী, কর্ণফুলী, সাঙ্গু, মাতামুহুরি, বাঁকখালী ইত্যাদি পাহাড়ি নদীতে বাঁধও বন্যা প্রতিরোধ স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে নিকটবর্তী প্লাবনভূমি ও শহর রক্ষা করা।

কৌশল-২ : পানি নিরাপত্তা এবং টেকসই পয়ঃনিষ্কাশন নিশ্চিত করা। এর জন্য জলাধার থেকে পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ, সুষ্ঠু পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পানি ব্যবস্থাপনার বিনিয়োগকৃত অর্থ উপকারভোগীদের কাছ থেকে আদায়ের উদ্যোগ নিতে হবে।

কৌশল-৩ : সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সমন্বিত জলাভূমির ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।

কৌশল- ৪ : পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে আদিবাসী কৃষি ব্যবস্থা টেকসই করা, স্থানীয় প্রজাতির মাধ্যমে বনায়ন, পাবর্ত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে সেচ সম্প্রসারণ এবং নতুন জলাধার নির্মাণ করতে হবে। পাহাড়ি ছড়াগুলোর প্রবহমানতা এবং প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যও সংরক্ষণ করতে হবে।

কৌশল-৫ : কাপ্তাই লেকের পলি অপসারণ এবং মৎস্য সম্পদের জরিপ, প্রাকৃতিক বনভূমি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা, পাহাড়ের প্রতিবেশ সংরক্ষণ এবং ব্যক্তিখাতে ইকোট্যুরিজম প্রতিষ্ঠায় প্রণোদনা প্রদান করতে হবে।

নদী অঞ্চল এবং মোহনা অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল

কৌশল-১ : নদীর ভাঙাগড়া এবং সময়ের আবর্তনে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের বিষয়টি আমলে নিয়ে নদী ও বন্যা ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম গ্রহণ করতে বন্যাপ্রবণ এলাকার স্থাপনা ও সম্পদ বন্যা প্রতিরোধী করতে হবে। প্লাবনভূমি এবং নিচু এলাকার পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা, জেগে ওঠা নতুন চরগুলোকে নিয়ন্ত্রিতভাবে উন্নয়ন এবং বনায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। উজানের নদী এবং প্লাবনভূমিতে পানি সংরক্ষণের জন্য আন্তঃদেশীয় উদ্যোগ নিতে হবে। কৌশলগত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী, উপনদী, ও শাখানদীর ডিসচার্জ এবং প্রবহমানতা বজায় রাখা, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের জন্য স্থান সংকুলান রেখে ডিসচার্জ এবং পানি সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।

কৌশল-২ : পানি প্রবাহের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নদীগুলোকে স্থিতিশীল রাখতে নদীপ্রবাহ সুসংহত করার জন্য একইসঙ্গে নদীশাসন ও নদীর তীর সুরক্ষায় কাজ করা, দ্রুত জেগে ওঠা চর স্থিতিশীলকরণ এবং সমুদ্র থেকে জমি উদ্ধার, ভূমিদখল প্রতিরোধের মাধ্যমে নদীর ডিসচার্জ এবং সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়ানো, কার্যকর পলি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নদী এবং মোহনার প্রবহমানতা রক্ষা, বাঁধ সুরক্ষায় নদীখনন অন্তর্ভুক্ত রেখে কৌশলে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী-উপনদী শাখানদীর ডিসচার্জ এবং নিষ্কাশন ক্ষমতা বজায় রাখতে হবে।

কৌশল-৩ : পর্যাপ্ত পরিমাণে স্বাদু পানির সরবরাহ করতে প্রধান নদী থেকে শাখা নদী ও প্লাবনভূমিতে পানির প্রবাহ বজায় রাখার কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। সংরক্ষণ এবং প্রবাহের দিক পরিবর্তনের মাধ্যমে স্বাদু পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে।

কৌশল-৪ : নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহারসহ বাস্তুতন্ত্রের পুনরুজ্জীবন, প্রাকৃতিক জলাভূমি ও জলাধার সংরক্ষণের মাধ্যমে বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং দূষণ না ঘটিয়ে টেকসই ইকোট্যুরিজম গড়ে তুলতে হবে।

কৌশল-৫ : নদীগুলোতে নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য নৌ-পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য নিরবচ্ছিন্ন ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর নাব্যতা বজায় রাখা, নদী শাসন, ড্রেজিং এবং পলি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নাব্যতা বাড়ানো, পণ্য ওঠানামার সুবিধা বাড়ানো এবং নৌপথে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রদান এবং প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

কৌশল-৬ : যথাযথ পলি ব্যবস্থাপনার জন্য অববাহিকাভিত্তিক পলি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা নীতি এবং ড্রেজিং কার্যক্রম গ্রহণ করে নদীর তীর এবং উপকূলীয় জমিকে নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। বিস্তারিত মরফোলজিক্যাল এবং সেডিমেন্টোলজিক্যাল সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করে ড্রেজিং করে পলি অপসারণ করতে হবে।

কৌশল-৭ : জেগে ওঠা চর এলাকায় নদী ও মোহনা ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে মেঘনাসহ অন্য সব নদী এবং উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে জেগে ওঠা নতুন চর উন্নয়ন এবং ভূমি উদ্ধারের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ছাড়াও পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, আড়িয়াল খা, কুশিয়ারা, গড়াই, মনুনদীসহ দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ নদীতে ক্যাপিটাল ও ড্রেজিংয়ের কার্যক্রম গ্রহণ. দক্ষিণাঞ্চলের নদনদীগুলোয় শুষ্ক মৌসুমে লবণাক্ততার আধিক্য ব্যবস্থাপনার জন্য ফলপ্রসূ কৌশল নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

নগরাঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল

কৌশল-১ : পানি নিষ্কাশন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নগর এলাকার জলাবদ্ধতার ঝুঁকি হ্রাসে জলাবদ্ধতা দুরীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা, বিদ্যমান পয়ঃনিষ্কাশন কাঠামোর উন্নয়ন রক্ষণাবেক্ষণ এবং সর্বোচ্চ ব্যবহার, প্রাকৃতিক জলাধারকে সম্পৃক্ত করে পানি নিষ্কাশন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নদীগুলোকে পয়ো এবং অন্য বর্জে্যর হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। প্রাকৃতিক খাল ও জলাধারগুলো পুনরুদ্ধার এবং সংরক্ষণ, পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণের জন্য বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে ভূগর্ভস্থ জলাশয়ে সংরক্ষণ এবং বিশুদ্ধকরণের মাধ্যমে ধোয়ামোছার কাজে ব্যবহার এবং পানির গুণগতমান নিশ্চিতকরণ করতে হবে।

কৌশল-২ : নগরাঞ্চলে পানি নিরাপত্তা এবং পানি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি বাড়াতে স্থানীয় ভূগর্ভস্থ পানির মান ও পরিমাণ নিশ্চিত হতে গবেষণা জোরদার করতে হবে। প্রাকৃতিক জলাশয়গুলো সংরক্ষণ এবং অবৈধ দখলের হাত থেকে রক্ষা করা এবং নগরে কৌশলগতভাবে বনায়ন ও জলাধারা তৈরি করতে হবে।

কৌশল-৩ : নগরে কার্যকর প্রতিষ্ঠান এবং সুশাসন গড়ে তোলার জন্য সমন্বিত নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি নগরভিত্তিক রাজস্ব আয় বাড়াতেও উদ্যোগ নিতে হবে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২ আগস্টের ঘটনা।)

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেলগ্রেড থেকে অটোয়ায় যাওয়ার সময় লণ্ডনে কিছু সময় অবস্থান করেন। সেখানে তিনি বিবিসি টেলিভিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দেন। অটোয়ার বিখ্যাত পত্রিকা গ্লোবের সঙ্গেও তিনি আরেক সাক্ষাৎকার দেন এবং এই দুই সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ, যুদ্ধাপারাধের বিচার, উপমহাদেশের শান্তি ও ভারতের সঙ্গে যুক্ত ঘোষণার নানা বিষয়ে নিজের ও দেশের অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন যুদ্ধাপরাধের বিচারের ব্যাপারে বাংলাদেশের নীতির প্রশ্নে কোনও আপস হতে পারে না। তিনি বলেন যুদ্ধাপরাধের বিচারের অর্থ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ গ্রহণ নয়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নয় বরং কীভাবে তারা পরিকল্পিত উপায়ে লাখ লাখ বাঙালিকে নির্বিচারে হত্যা করেছে বিশ্বের চোখে তা তুলে ধরার জন্যই যুদ্ধাপরাধের বিচার করা হবে। বিবিসি টেলিভিশন এর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ কথা বলেন। এক প্রশ্নের উত্তরে বঙ্গবন্ধু বলেন বাংলাদেশকে তার ৩০ লাখ মানুষকে হারাতে হয়েছে এবং এখন পাকিস্তানের উচিত বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া। টেলিভিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বঙ্গবন্ধু বলেন পাকিস্তান প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে চলেছে এবং সাড়ে সাত কোটি মানুষের একটি সার্বভৌম জাতিকে অবজ্ঞা করে চলেছে। স্বীকৃতির প্রশ্নে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পার্লামেন্টের ইত্যাদির ব্যাপারে মন্তব্য করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেন কোনও একটি দেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য কাউকে দেশের পার্লামেন্টের অনুমোদন নিতে বলাটা অত্যন্ত তামাশার। তিনি প্রশ্ন করেন কোন দেশ স্বীকৃতি দানের জন্য আপনাদের প্রধানমন্ত্রী কি পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রার্থনা করেন?

বঙ্গবন্ধু বলেন বিশ্বের একশ তিনটি দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং এখন প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে স্বীকার করে কিনা। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ভারত যুক্ত ঘোষণায় বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে বলা হয়নি। আমরা চেয়েছি উপমহাদেশের নিরঙ্কুশ শান্তি। তিনি বলেন পাকিস্তানকে তার মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে। উপ-মহাদেশের অমীমাংসিত সমস্যাবলীর সমাধান এর অগ্রগতি হয়নি তার জন্য পাকিস্তানই দায়ী।



বিচারের প্রশ্নে আপস নয়

ভয়াবহ অতীতকে ভুলে যেতে পারেন কিনা এবং তিনি কী ভয়াবহ অতীতকে ভুলে গিয়ে পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি দিতে পারেন কিনা এরূপ এক প্রশ্নের উত্তরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন আমরা অনেক উদার। আমরা অনেক উদারতা দেখিয়েছি। তা না হলে বাংলাদেশ থেকে ৯৩ হাজার পাকিস্তানের যুদ্ধবন্দির একজন ভারতে যেতে পারত না। বঙ্গবন্ধু প্রশ্ন করেন কিন্তু আপনারা কি জানেন বাংলাদেশ কি ঘটেছে এবং কিভাবে পরিকল্পিত উপায়ে বাংলাদেশের যুদ্ধবন্দিদের নিধন করা হয়েছে? আমার জনগণের কাছে আমি কি জবাব দিব? বঙ্গবন্ধু বলেন ১৯৫ পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দিতে রাজি আছি কিন্তু তারা কেন তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিচ্ছে না? এই প্রশ্নে কোন আপস করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন কখনও নীতির প্রশ্নে আপস করেননি। বঙ্গবন্ধু বলেন যুক্ত ঘোষণার পরেও পাকিস্তান আবার আমাদের লোকজনকে গ্রেফতার করেছে আটক করেছে।


গ্লোবের সঙ্গে সাক্ষাৎকার

বুধবার অটোয়ায় কানাডার একটি প্রভাবশালী দৈনিক পত্রিকার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর উদ্ভূত মানবিক সমস্যাবলীর সমাধান এবং নির্দিষ্ট অভিযোগে অভিযুক্ত ১৯৫ পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী ছাড়া সকল পাকিস্তানের যুদ্ধ বন্দি মুক্তির প্রশ্ন করেন। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্নে আবার ঘোষণা করেন যে ন্যায়বিচারের স্বার্থে পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হবে।বঙ্গবন্ধু বলেন প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য নয় বাঙালিদের ওপর চরম বর্বরতা করা হয়েছে এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার জন্য যুদ্ধাপরাধের অভিযুক্ত পাকিস্তানি যুদ্ধ অপরাধ বিচার হওয়া প্রয়োজন।

আরেক প্রশ্নের উত্তরে বঙ্গবন্ধু বলেন আমরা বিশ্বশান্তির প্রতি বিশ্বাসী এবং আমরা অস্ত্র প্রতিযোগিতায় বিরোধী। তিনি বলেন বৃহৎ শক্তিবর্গের উচিত প্রতিযোগিতা বন্ধ করা এবং তাদের সম্পর্কে উন্নয়নশীল দেশগুলির লক্ষ লক্ষ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা। সম্মেলন সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বঙ্গবন্ধু বলেন কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রসমূহ একটি সংযুক্ত প্রচেষ্টা বাঙালিদের দুর্গতির অবসান ঘটাবে। তিনি বলেন পাকিস্তানের শাসকদের হাতে আমরা বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়েছি এবং আমাদের দেশ দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সর্বক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা লাভে আমরা অধিকারী। বাংলাদেশকে খাদ্যসাহায্য কারিগরি ও অর্থনৈতিক সমর্থন দিতে কমনওয়েলথ এ ব্যাপারে এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে। বঙ্গবন্ধু আশা প্রকাশ করেন যে কমনওয়েলথ এর মত একটি আন্তর্জাতিক ফোরামে বিশ্ব পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বিষয় এবং কামনায় দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি সহযোগিতাসহ দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা হবে।

 

 

/এফএএন/

সম্পর্কিত

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

শোকাবহ আগস্ট

শোকাবহ আগস্ট

বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ২১:১২

দেশে এখনও করোনার ঊর্ধ্বমুখী অবস্থা চলছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমরা তো এখনও করোনা ফ্রি হইনি। বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকতে হবে। বিধিনিষেধের মধ্যেই তা মেনে কাজ করতে হবে।

রবিবার (১ আগস্ট) মহাখালীর বিসিপিএস মিলনায়তনে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ক্লাস উদ্বোধন করে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা কর্মসূচি শুরু করেছি আমরা, এটাও একটা বড় হাতিয়ার করোনার বিরুদ্ধে। টিকা আমরা আগে সেভাবে পাইনি, যার ফলে দিতে পারিনি। এখন প্রত্যেক সপ্তাহে টিকা আসছে। আমরা টিকা দেওয়ার একটা বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।

এ ছাড়া পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ায় সংক্রমণ বাড়বে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, পোশাক শ্রমিকরা গাদাগাদি করে এসেছে। তিল ধারণের জায়গা ছিল না। এর মাধ্যমে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাবে।

তিনি বলেন, আমরা সেটা স্বীকার করি আর না করি, স্বাস্থ্যবিধি ওখানে কোথাও মানা হয়নি। আমরা আশা করবো এ ধরনের অবস্থা ভবিষ্যতে যেন না হয়।

জীবন-জীবিকা অবশ্যই করতে হবে- মন্তব্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জীবনের জন্য জীবিকা দরকার, আবার জীবিকার জন্য জীবনও তো থাকতে হবে। এই দুইটা ব্যালেন্স আমাদের করতে হয়। সরকারের সবদিকেই সে ব্যালেন্স করে চলতে হয়। কিন্তু ব্যালেন্স সব সময় রাখা যায় না। সবকিছু ভেবেই এগুতে হবে যাতে সংক্রমণ বৃদ্ধি না পায়। কারণ, সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে মৃত্যুর হার বাড়বে।

 

/জেএ/এনএইচ/

সম্পর্কিত

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

হাসপাতালের জন্য ভবন খুঁজছি, পাওয়া যাচ্ছে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হাসপাতালের জন্য ভবন খুঁজছি, পাওয়া যাচ্ছে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মুমূর্ষু মানুষকে রক্তদান একটি মানবিকতা: শিল্পমন্ত্রী

মুমূর্ষু মানুষকে রক্তদান একটি মানবিকতা: শিল্পমন্ত্রী

হাসপাতাল থেকে টিকাকেন্দ্র সরানো হবে: স্বাস্থ্যের ডিজি

হাসপাতাল থেকে টিকাকেন্দ্র সরানো হবে: স্বাস্থ্যের ডিজি

হাসপাতালের জন্য ভবন খুঁজছি, পাওয়া যাচ্ছে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ২০:৩২

পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ায় সংক্রমণ বাড়বে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। রবিবার (১ আগস্ট) মহাখালীর বিসিপিএস মিলনায়তনে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ক্লাস উদ্বোধন করে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জাহিদ মালেক বলেন, তারা গাদাগাদি করে এসেছে। তিল ধারণের জায়গা ছিল না। এর মাধ্যমে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাবে।

‘আমরা সেটা স্বীকার করি আর না করি, স্বাস্থ্যবিধি ওখানে কোথাও মানা হয়নি। আমরা আশা করবো এ ধরনের অবস্থা ভবিষ্যতে যেন না হয়’।

সংক্রমণের হার বাড়ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরবঙ্গে কিছুটা হার কমেছে, আর মধ্যাঞ্চলে এখনও স্থিতিশীল অবস্থা রয়েছে, অর্থাৎ হার কমেনি। আর দক্ষিণাঞ্চলে বাড়ছে। যেমন কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, সিলেটে বাড়ছে। সেখানে এখনও বাড়ছে।

শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরার সুযোগ দিতে সীমিত সময়ের জন্য লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। রোববার সকালে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ছিল ঢাকামুখী যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড়।

আমরা সেবা দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যতটুকু বেড বাড়ানো সম্ভব, আমরা বাড়িয়েছি। হাসপাতালের ভেতরে আর একটা বেড ঢোকানোর জায়গা নেই। সে কারণে আমরা নতুন ভবনও খুঁজছি, তবে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া ভবন পাওয়া গেলেই হবে না, ডাক্তার, নার্স, যন্ত্রপাতিও থাকতে হবে।

আমরা সেটারও চেষ্টা করছি। প্রতিদিন দুইশ’র মতো মানুষ মৃত্যুবরণ করে। প্রায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। করোনায় দৈনিক শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা মৃত্যু-শনাক্ত কমিয়ে আনতে চাই। কিন্তু যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানা হয় তাহলে এটা কমবে না।

তবে একইসঙ্গে আমাদের জীবন-জীবিকা অবশ্যই করতে হবে, মন্তব্য করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, জীবনের জন্য জীবিকা দরকার, আবার জীবিকার জন্য জীবনও তো থাকতে হবে। এই দুইটা ব্যালেন্স আমাদের করতে হয়। সরকারের সবদিকেই সে ব্যালেন্স করে চলতে হয়। কিন্তু ব্যালেন্স সব সময় রাখা যায় না।

জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ খুলে দিয়েছিল আবার বন্ধ করে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় কারফিউ দিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছিল কিন্তু আবার পরতে বলেছে। অনেক জায়গায় রেস্টুরেন্ট খুলে দিয়েছিল, আবার বন্ধ করে দিয়েছে। সব জায়গায় একই অবস্থা। সেজন্য আমাদেরও সাবধানে এগুতে হবে। সবকিছু ভেবেই এগুতে হবে যাতে সংক্রমণ বৃদ্ধি না পায়। কারণ, সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে মৃত্যুর হার বাড়বে।

শিল্পকারখানা খোলায় শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে কর্মস্থলে ফেরা দক্ষিণবঙ্গের শ্রমজীবীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।

বিধিনিষেধ থাকবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিধিনিষেধ থাকতে হবে। আমরা তো এখনও করোনা ফ্রি হইনি। আমাদের দেশে এখনও করোনা ঊর্ধ্বমুখী। বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকতে হবে। বিধিনিষেধের মধ্যেই তা মেনে কাজ করতে হবে। টিকা কর্মসূচি শুরু করেছি আমরা, এটাও একটা বড় হাতিয়ার করোনার বিরুদ্ধে। টিকা আমরা আগে সেভাবে পাইনি, যার ফলে দিতে পারিনি। এখন প্রত্যেক সপ্তাহে টিকা আসছে। আমরা টিকা দেওয়ার একটা বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।

 

 

/জেএ/এনএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মুমূর্ষু মানুষকে রক্তদান একটি মানবিকতা: শিল্পমন্ত্রী

মুমূর্ষু মানুষকে রক্তদান একটি মানবিকতা: শিল্পমন্ত্রী

হাসপাতাল থেকে টিকাকেন্দ্র সরানো হবে: স্বাস্থ্যের ডিজি

হাসপাতাল থেকে টিকাকেন্দ্র সরানো হবে: স্বাস্থ্যের ডিজি

মুমূর্ষু মানুষকে রক্তদান একটি মানবিকতা: শিল্পমন্ত্রী

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ১৯:৩২

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেন, বঙ্গবন্ধুর সারাজীবনের আত্মত্যাগ তখনই সার্থক হবে, যখন আমরা অসহায় মানুষের জন্য কোনও কাজ করতে পারবো। অসহায় ও মুমূর্ষু মানুষের জন্য রক্তদান আমাদের জন্য একটা বড় সুযোগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে। অসহায় ও মুমূর্ষু  মানুষকে রক্তদান একটি মানবিকতা। 

রবিবার (১ আগস্ট) একটি বেসরকারি টেলিভিশন কার্যালয়ে আয়োজিত শোকাবহ আগস্ট ২০২১ উপলক্ষে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মত্যাগের স্মরণে স্বেচ্ছা রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়েছে। 

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, আগস্ট বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য একটি শোকাবহ মাস। আমি বিশ্বাস করি, শিল্প মন্ত্রণালয়সহ প্রতিটি মন্ত্রণালয় এবং যে সকল প্রচার সংস্থাসমূহ আছেন তারা যদি এ মহৎ উদ্যোগগুলিকে সারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে নিয়ে যান, তাতে বঙ্গবন্ধু রক্তের ঋণ কখনও তো শোধ করা যাবে না। তবে মানবতার সেবায় এ রক্তদান কর্মসূচি বিশাল ভূমিকা রাখবে।

 

/এসআই/এনএইচ/

সম্পর্কিত

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হাসপাতালের জন্য ভবন খুঁজছি, পাওয়া যাচ্ছে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হাসপাতালের জন্য ভবন খুঁজছি, পাওয়া যাচ্ছে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হাসপাতাল থেকে টিকাকেন্দ্র সরানো হবে: স্বাস্থ্যের ডিজি

হাসপাতাল থেকে টিকাকেন্দ্র সরানো হবে: স্বাস্থ্যের ডিজি

হাসপাতাল থেকে টিকাকেন্দ্র সরানো হবে: স্বাস্থ্যের ডিজি

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ২০:১৩

দেশে করোনার টিকাদান কেন্দ্র অচিরেই আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম। তিনি বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি হাসপাতাল থেকে টিকাকেন্দ্র বের করে নিয়ে আসতে।’

রবিবার (১ আগস্ট) তিনি  এসব কথা জানান।

প্রসঙ্গত, আগামী ৭ আগস্ট থেকে সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে ডিজি বলেন, ‘টিকাদান কেন্দ্র বাড়বে। সিটি করপোরেশন এবং গ্রামের ওয়ার্ড পর্যায়ে যখন টিকা দেওয়া শুরু হবে, তখন টিকা গ্রহীতা অনেক বেড়ে যাবে। আমরা চাচ্ছি  হাসপাতাল থেকে টিকাকেন্দ্র বের করে নিয়ে আসতে।’

হাসপাতালে টিকাদান কেন্দ্র করার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এতদিন ধরে যে বড় ভয় ছিল, টিকা নেওয়ার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় কিনা, যার জন্য ইমিডিয়েট হাসপাতালের সাপোর্ট লাগবে, কিন্তু আমরা দেখলাম, গত কয়েক মাসে এত এত টিকা দেওয়া দেখলাম, সে রকম মেজর কোনও দুর্ঘটনার সম্মুখীন হইনি।’

ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম বলেন, ‘সেক্ষেত্রে যদি হাসপাতালগুলোকে ফ্রি না করি, তাহলে প্রতিটি হাসপাতালেই স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালের বাইরে আনলেই টিকাকেন্দ্র বেড়ে যাবে। আর কেন্দ্র বাড়লেই আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকার আওতায় আনতে পারবো।’

গ্রামাঞ্চলে স্কুল-কলেজ-কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিক আর ঢাকার ভেতরে মেডিক্যাল কলেজগুলোতে কেন্দ্র দিয়ে দিতে চাই জানিয়ে অধ্যাপক খুরশিদ আলম বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে টিকাকেন্দ্র কলেজ বিল্ডিংগুলোতে ট্রান্সফার করতে চাচ্ছি। কলেজের জায়গা বড়, শিক্ষার্থীরাও নাই, সেখানে মাল্টিপল বুথ করে টিকা দিতে চাই।’

গ্রামাঞ্চলে টিকাদানের বিষয়ে ইতোমধ্যে মাইক্রোপ্ল্যান হয়ে গেছে, প্রশিক্ষণ চলছে। প্রশিক্ষণ শেষ হলেই আগামী ৭ আগস্ট থেকে টিকা দেওয়া শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায়ে সম্প্রসারিত টিকাদান কেন্দ্রে যেভাবে টিকা দেয়, সেভাবেই টিকা দেওয়া হবে।’

সোমবার (২ আগস্ট) থেকে দেশে অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম টিকা দেওয়া শুরু হবে। সেক্ষেত্রে যাদের অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার নির্ধারিত তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে, কিন্তু এখন দেওয়া হলে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে কিনা প্রশ্নে ডিজি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বারবার বলেছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার বেলায় গ্যাপটা বেশি হলে অ্যান্টিবডি টাইটার বাড়ে, তার মানে প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।’

সেক্ষেত্রে তিন মাস খুব বেশি গ্যাপ না। আমরা আশা করছি, এতে কোনও ক্ষতি হবে না।’

 

/জেএ/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় বাড়লো মৃত্যু ও শনাক্ত

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় বাড়লো মৃত্যু ও শনাক্ত

বঙ্গবন্ধুর প্রজ্বলিত স্বাধীনতার দীপশিখা অনন্তকাল ধরে জ্বলবে: তথ্যমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর প্রজ্বলিত স্বাধীনতার দীপশিখা অনন্তকাল ধরে জ্বলবে: তথ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৫ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৫ মৃত্যু

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির প্রয়োজন কী?

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির প্রয়োজন কী?

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি ৪ ডেঙ্গু রোগী

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ২৩ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে একদিনে ২৩ মৃত্যু

যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া, পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া, পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে ৬ লাখ টাকা ছিনতাই

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে ৬ লাখ টাকা ছিনতাই

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১১ জনের মৃত্যু

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ১১ জনের মৃত্যু

রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে রাজধানীর যে ৪ হাসপাতাল

রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে রাজধানীর যে ৪ হাসপাতাল

স্পারসোতে চাকরির সুযোগ

স্পারসোতে চাকরির সুযোগ

হেলেনা জাহাঙ্গীরের মামলা তদন্ত করবে ডিবি

হেলেনা জাহাঙ্গীরের মামলা তদন্ত করবে ডিবি

শের-ই-বাংলা মেডিক্যালে ২ ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন

শের-ই-বাংলা মেডিক্যালে ২ ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

বিদেশে নিজের অবস্থান জানান দিলেন বঙ্গবন্ধু

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

© 2021 Bangla Tribune