X
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

খালেদা জিয়ার বিষয়ে যা মতামত দিলো আইন মন্ত্রণালয়

আপডেট : ০৯ মে ২০২১, ১৫:৪৬

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর আবেদনের নথিতে কী আছে সে বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের কেউই মন্তব্য করতে রাজি নন। তবে রবিবার (৯ মে) মন্ত্রণালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানা গেছে, তিনটি মতামত দিয়ে ফাইলটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, সাজাপ্রাপ্ত কোনও ব্যক্তির দেশের সীমানার বাইরে যাওয়ার বা পাঠানোর কোনও সুযোগ আইনে নেই। এক্ষেত্রে খালেদা জিয়া দণ্ডপ্রাপ্ত। তাকে বিদেশে পাঠাতে হলে আগে দণ্ড মওকুফ করতে হবে। আদালত যেহেতু তাকে সাজা দিয়েছেন তাই তার দণ্ড মওকুফের একমাত্র ক্ষমতা আছে রাষ্ট্রের। এখন রাষ্ট্রই তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। এই মতামত জানিয়ে খালেদা জিয়ার ফাইল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

রবিবার (৯ মে) সকালে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মতামত দিয়ে পাঠানো নথিটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পাবলিক রিলেশনস অফিসার (মন্ত্রীর দফতর) ড. মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তিনি বলেন, ‘আইনমন্ত্রীর মতামত সংবলিত খালেদা জিয়ার বিদেশ নেওয়ার আবেদনের নথিটি আইন মন্ত্রণালয় হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।’

 

/এসআই/এসটি/এমওএফ/

সম্পর্কিত

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘শর্ত ছাড়া দণ্ড স্থগিত চাইলে খালেদা জিয়াকে জেলে গিয়ে আবেদন করতে হবে’ 

‘শর্ত ছাড়া দণ্ড স্থগিত চাইলে খালেদা জিয়াকে জেলে গিয়ে আবেদন করতে হবে’ 

শিল্পাঞ্চলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর আশঙ্কা

শিল্পাঞ্চলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর আশঙ্কা

জঙ্গিদের সুপথে ফেরানোর কার্যক্রম কেমন চলছে?

জঙ্গিদের সুপথে ফেরানোর কার্যক্রম কেমন চলছে?

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০৭

করোনা পরিস্থিতি থেকে স্থায়ীভাবে উত্তরণ নিশ্চিত করে ২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য একটি বৈশ্বিক রোডম্যাপের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) টেকসই উন্নয়নের ওপর নবম বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে ফিরে যাওয়ার জন্য একটি সাহসী ও উচ্চাভিলাষী বৈশ্বিক রোডম্যাপ প্রণয়ন করা প্রয়োজন-যাতে কেউ পেছনে পড়ে না থাকে।’

আর্থ ইনস্টিটিউট, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গ্লোবাল মাস্টার্স অব ডেভেলপমেন্ট প্র্যাকটিস এবং ইউএন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক সম্মেলনটির আয়োজন করে।

এসডিজিএস অর্জন নিশ্চিত করতে যথাযথভাবে বৈশ্বিক কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা করা প্রয়োজন উল্লেখ করে সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে পাঁচ দফা প্রস্তাবনা রাখেন। তিনি বলেন, ‘এই বৈশ্বিক মহামারি থেকে টেকসই উত্তরণের ওপরেই এখন এসডিজি’র সাফল্য নির্ভর করছে। এখন বিশ্বের সব স্থানে ভ্যাকসিন নিশ্চিত করা সময়ের দাবি এবং তা অতি জরুরি।’

তিনি তার দ্বিতীয় প্রস্তাবনায় বলেন, ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নে আমাদের সম্পদের যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে, তা অবশ্যই কমাতে হবে।

তৃতীয় প্রস্তাবনায় শেখ হাসিনা বলেন, চলমান বৈশ্বিক মহামারির অভিঘাতের কারণে ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বৃদ্ধি পাচ্ছে তার জন্য আমরা উদ্বিগ্ন। অধিকন্তু, আমাদের পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনীর ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তার চতুর্থ প্রস্তাবনায় বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে- কোভিড-১৯ পরিস্থিতি থেকে পুনরুদ্ধার পদক্ষেপগুলো ভবিষ্যতে যে কোনও ধরনের বিপর্যয় বা দুর্যোগ মোকাবিলায় জোরালো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণকে পূর্ণতা দেবে।’

সর্বশেষ প্রস্তাবনায় তিনি বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে অবশ্যই পর্যবেক্ষণ জোরদার করা ও যান্ত্রিক সহায়তার ওপর আরো গুরুত্ব দিতে হবে। এ ব্যাপারে জাতিসংঘের সমন্বয় বাড়ানো উচিৎ।

জরুরি পরিস্থিতি ও বিপর্যয় মোকাবেলায় যথাযথ ও সময়োপযোগী সহায়তা পদক্ষেপ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী মহামারি ও অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রতিটি স্তরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রস্তুতি বৃদ্ধির পরামর্শ দেন। ২০৩০ এজেন্ডাকে একটি বৈশ্বিক চুক্তি আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ‘এটি সকলের অন্তর্ভুক্তিতে আমাদের টেকসই বৈশ্বিক উন্নয়নের একটি ব্লুপ্রিন্ট। কোনও দেশ একা এই এজেন্ডা অর্জন করতে পারবে না। এই এজেন্ডা অর্জনে আমাদের বৈশ্বিক সহযোগিতা ও সংহতি বাড়াতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই ডিকেড অব ডেলিভারি এবং অ্যাকশন অব দ্য এজেন্ডাতে প্রবেশ করলেও, লক্ষ্য এখনো দূরেই রয়ে গেছে। এমনকি কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির আগেও অনেক দেশ এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে ছিল না। এই মহামারি তাদের সেই পথ থেকে আরও পিছিয়ে দিয়েছে।’

কোভিড-১৯ বিশ্বকে হতাশ করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এই বৈশ্বিক প্রাণঘাতী মহামারি বহু মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি এর কারণে অসংখ্য মানুষ তাদের জীবিকা হারিয়েছে। মহামারির কারণে বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে পড়েছে ও ক্ষুধার্ত রয়েছে।

মহামারির কারণে শিক্ষারও ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে, বিশেষত শিশুদের শিক্ষার- যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি এই মহামারিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এর ফলে আমাদের উন্নয়নের অর্জন ও এসডিজিএস অগ্রগতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ এ ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনে অ্যাডাপটেশন ও মিটিগেশন প্রচেষ্টায় পথিকৃত। আমরা সম্প্রতি একটি উচ্চাভিলাষী ও আধুনিক এসডিজি পেশ করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সবুজ উন্নয়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধি অর্জন, লবনাক্ততা সহিষ্ণুতা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানীকে প্রাধান্য দিয়ে ‘মুজিব ক্লাইমেট প্রোসপারিটি প্ল্যান’ গ্রহণ করেছি।’
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট-২০২১ এর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘২০১৫ সাল থেকে এসডিজি সূচকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি লাভ করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বে প্রথম পাঁচটি দ্রুততম অর্থনৈতিক অগ্রগতির দেশের মধ্যে অন্যতম এবং জিডিপিতে বাংলাদেশের অবস্থান ৪১তম। জাতিসংঘ এ বছর বাংলাদেশকে এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের স্বীকৃতি দিয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৫ সাল থেকে আমরা আমাদের জাতীয় পরিকল্পনা ও নীতিমালায় এজেন্ডা-২০৩০ অঙ্গীভূত করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি। এসডিজি বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে ২০১৭ এবং ২০২০ সালে দুটি ভিএনআর জমা দিয়েছি। আমরা আমাদের ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় নির্দিষ্ট খাত ভিত্তিক মূল্যায়ন এবং সমন্বিত এসডিজি করেছি। আমাদের দ্বিতীয় পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনাও এসডিজির সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে।

সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও পদক্ষেপের তথ্যও তুলে ধরেন। খবর বাসস

/ইউএস/

সম্পর্কিত

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪০

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতিসংঘ সদর দফতরের উত্তরের লনের বাগানে একটি বৃক্ষরোপণ এবং একটি বেঞ্চ উৎসর্গ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
 
এ সময় রোপণকৃত এই বৃক্ষটা শতবর্ষের ওপর টিকে থাকবে এবং শান্তির বারতাই বয়ে বেড়াবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতির পিতা সবসময় শান্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন। দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই ছিল তার এই সংগ্রাম। সেখানে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের কথাও যেমন তিনি ভেবেছেন তেমন সারাবিশ্বের ক্ষুধা ও দারিদ্র জর্জরিত, শোষিত-বঞ্চিত মানুষের কথাও তিনি বলেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সকলের সাথে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়- এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য। কারণ এতে করেই শান্তি আসবে এবং শান্তির সন্ধানেই তিনি ছিলেন। শান্তির জন্যই তিনি সংগ্রাম করেছেন। আর শান্তি ছাড়া কখনও কোনও দেশের উন্নতি হয় না। এটা আমরা খুব ভালো বুঝি যে একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই উন্নতি হওয়া সম্ভব।

তিনি বলেন, আজ এখানে একটি বৃক্ষরোপণ করা হলো, যে সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশকে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দেয় (১৭ সেপ্টেম্বর) এবং তাঁর পরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে আসেন এবং এখানে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন (২৫ সেপ্টেম্বর)। কাজেই সেই মাসে  জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উত্তরের লনে বাগানে বৃক্ষরোপন করা হলো এবং একটি বেঞ্চ উৎসর্গ করা হলো। এই বৃক্ষটাও শতবর্ষের ওপর টিকে থাকবে এবং শান্তির বারতাই বয়ে বেড়াবে।

বৃক্ষ যেমন পরিবেশ রক্ষা করে তেমনি মানুষকে খাদ্য ও ছায়া দেয় উল্লেখ করে আয়োজনের জন্য জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ প্রবাসী বাংলাদেশীদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মাদ শাহরিয়ার আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী সকালে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের অংশগ্রহণে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। তিনি রবিবার জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগদান করতে ফিনল্যান্ডের হেলসিংকি হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পৌঁছেন। খবর বাসস

/ইউএস/

সম্পর্কিত

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২১ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।)

স্বাধীনতার দুই বছর পর ১৯৭৩ সালে ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে মুক্ত করার জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো নতুন কৌশল নেন। ভুট্টো এদিন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বলেন, ‘বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীকে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত পাকিস্তান জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে যাবে।’ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার শরণ সিং এ ব্যাপারে বলেন, ‘১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীর প্রশ্ন নিয়ে আবারও লাফালাফি করার কোনও কারণ নেই। কেননা, আগস্ট মাসে এ ব্যাপারে দিল্লিতে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে। সুতরাং, এ প্রশ্নটি নিয়ে ভুট্টো আবারও উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করছেন।’ তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দি আর কাশ্মির প্রশ্ন তুলে দিল্লি চুক্তির ওপর আঘাত হানছেন।’

শরণ সিং বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে নিশ্চিত যে, পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের স্বার্থেই অন্য কোনও পথে পা বাড়াবে না।’ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীকে দীর্ঘদিন আটক রাখা পাকিস্তানে কোন্দল সৃষ্টি করবে।’ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলে অভিমানে বেরিয়ে যাবার পর সাধারণ পরিষদে এটাই ছিল ভুট্টোর প্রথম বক্তৃতা।

দৈনিক ইত্তেফাক, ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিষয়ে পাকিস্তানের বক্তব্য

তিন দিনব্যাপী ওয়াশিংটন সফর শেষে এদিন (২১ সেপ্টেম্বর) সাধারণ পরিষদে বক্তৃতা করেন ভুট্টো। বক্তৃতায় তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে তার দেশের সম্পর্ক উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতা আজকের নয়। ২০ বছর ধরে তাদের মধ্যে গাঁটছড়া বাঁধা।’ কখনও তাদের মধ্যে মনকষাকষি হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভুট্টো সাধারণ পরিষদে বক্তৃতাকালে তথাকথিত জম্মু-কাশ্মির প্রশ্ন তুলেছেন উল্লেখ করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শরণ সিং বলেন, ‘এ নিয়ে সাধারণ পরিষদে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টির অবকাশ নেই। কারণ, সিমলা চুক্তিতে পাকিস্তান এই মর্মে রাজি হয়েছে যে, জম্মু কাশ্মিরের ব্যাপারে পরস্পরের মতামত যাই হোক না কেন, বিষয়টি তারা আপসে নিষ্পত্তি করবে এবং উত্তেজনা সৃষ্টি বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে পরিস্থিতি ঘোলাটে করবে না।’ তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ফোরামে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে না।’

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়তো তার দেশের সমালোচকদের কাছে মুখ রক্ষার জন্য অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন এখানে তুলেছেন।’

দেশে ৩১ দৈনিক ও ১৩৮ সাপ্তাহিক

তথ্য ও বেতারমন্ত্রী শেখ আব্দুল আজিজ এদিন সংসদে আব্দুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে ৩১টি দৈনিক ও ১৩৮টি সাপ্তাহিক-পাক্ষিক-মাসিক পত্রিকা আছে। এরমধ্যে চারটি দৈনিক ও একটি সাপ্তাহিক সরকারি প্রশাসনের দায়িত্বে পরিচালিত। ২৭টি দৈনিক, ১৩৭টি সাপ্তাহিক, ১৩টি পাক্ষিক ও ৭৬টি মাসিক পত্রিকা বেসরকারি পর্যায়ে পরিচালিত হয়।’ তিনি বলেন, ‘সরকারি দায়িত্বে পরিচালিত পত্রিকাগুলোর কর্মচারীর সংখ্যা ৯৫০ জন।’ একজন সাংবাদিককে বিদেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

লোকবিনিময়ে সাহায্যের আবেদন

জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক হাইকমিশনার সদরুদ্দিন আগা খান উপমহাদেশে মানবিক কারণে ব্যাপক হারে বিমানে করে লোকবিনিময় শুরুর কথা ঘোষণা করেন। এই ব্যাপক বিনিময় কর্মসূচির ব্যয় নির্বাহের জন্য এক কোটি ৪০ লাখ ডলারের বেশি অর্থ সাহায্যের জন্য তিনি বিশ্বব্যাপী আবেদন জানান। তার আগে এ বিষয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন করেন। জাতিসংঘের উদ্বাস্তু হাইকমিশনার বলেন, উপমহাদেশে মানবিক কারণে লোকবিনিময় ত্বরান্বিত ও ব্যাপক হারে করা হলে তা উপমহাদেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিবেশ আনতে পারে। ছয় মাসের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। উপমহাদেশে লোকবিনিময় তদারকি করার জন্য অবিলম্বে জাতিসংঘের তহবিলে সাহায্য পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি।

ডেইলি অবজারভার, ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ বাঙালিদের দেশে আনতে বিমান ও জাহাজ দিচ্ছে রাশিয়া

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুরোধে সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান লিওনিদ ব্রেজনেভ পাকিস্তান থেকে আটক বাঙালি এবং বাংলাদেশে অবস্থানকারী পাকিস্তানিদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো ত্বরান্বিত করার জন্য একটি বিমান ও একটি বড় আকারের যাত্রীবাহী জাহাজ দিয়ে সাহায্য করার প্রস্তাব দেন বলে উল্লেখ করা হয়। এদিন ঢাকায় বাংলাদেশ পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র এ কথা জানান।

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

করোনায় মৃত্যু: ২৬ জনের ১৫ জনই নারী

করোনায় মৃত্যু: ২৬ জনের ১৫ জনই নারী

অবশেষে ৬ শর্তে ইলিশ রফতানির সিদ্ধান্ত

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১০

সব অনুরোধ উপেক্ষা করেই ইলিশ রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশের ৫২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে ইলিশ রফতানির অনুমতি দিয়ে আদেশ জারি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ মেট্রিক টন করে মোট ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের রফতানি-২ শাখা থেকে জারি করা এ সংক্রান্ত চিঠি আমদানি ও রফতানি-প্রধান নিয়ন্ত্রককে পাঠানো হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব তানিয়া ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে এই পরিমাণে ইলিশ মাছ রফতানির সুযোগ পাবে দেশের ৫২টি প্রতিষ্ঠান। সে ক্ষেত্রে রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ৬টি শর্ত মানতে হবে। শর্তগুলো হচ্ছে: রফতানি নীতি ২০১৮-২০২১-এর বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে। শুল্ক কর্তৃপক্ষ দ্বারা রফতানিকৃত পণ্যের কায়িক পরীক্ষা করাতে হবে। প্রতিটি কনসাইনমেন্ট শেষে রফতানি সংক্রান্ত কাগজপত্র রফতানি-২ অধিশাখায় পাঠাতে হবে। অনুমোদিত পরিমাণের বেশি পণ্য রফতানি করা যাবে না। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে পণ্য রফতানি করতে হবে। এরপর রফতানি আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে সরকার মৎস্য আহরণ ও পরিবহনের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করলে তা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ অনুমতির মেয়াদ শেষ হবে। এই অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয় বা অনুমোদিত রফতানিকারক ব্যতীত সাব-কন্ট্রাক্টে রফতানি করা যাবে না।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ মাছ রফতানি বিষয়ে প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে শর্তসাপেক্ষে ৫২টি প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত পরিমাণ ইলিশ মাছ ভারতে রফতানির অনুমতি দেওয়া হলো। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সে হিসাবে মোট ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন মাছ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ জানিয়েছেন, সাময়িক সময়ের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ইলিশ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতে বাজারে কোনও প্রভাব পড়বে না। 

এ প্রসঙ্গে মৎস ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় আচারের অংশ হিসেবে সীমিত পরিমাণে ইলিশ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, এটি বাণিজ্যিকভাবে নয়। 

 

/এসআই/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

দুজনের প্রাণহানি ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে: ইসি সচিব

দুজনের প্রাণহানি ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে: ইসি সচিব

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

দুজনের প্রাণহানি ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে: ইসি সচিব

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪২

মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুটি কেন্দ্রকে ঘিয়ে দুজনের প্রাণহানির ঘটনা ছাড়া অন্যত্র নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশন। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোট শেষে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সংবাদ ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এ দাবি করেন।

সচিব বলেন, যেসব তথ্য পেয়েছি- আমরা মনে করি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। কিছু প্রার্থী ও সমর্থক খুবই ইমোশনাল হয়ে যান, তাদের কারণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুই গ্রুপের মধ্যে মহেশখালীতে সহিংসতা ঘটেছে ও কুতুবদিয়ায় দুষ্কৃতিকারীরা ব্যালট ছিনতাই করতে গিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশে ব্যবস্থা নিয়েছে।

ভোট চলাকালে সহিংসতায় কুতুবদিয়ায় ও মহেশখালীতে দুজন নিহতের ঘটনাকে দুঃখজনক উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন, এটা খুবই বেদনাদায়ক। নির্বাচনি সহিংসতায় মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় ২ জনের প্রাণহানি হয়েছে, আরও কয়েক জায়গায় প্রার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় সংঘর্ষে আহত অনেকে হয়েছে। এছাড়া বাকি সব জায়গায় নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।

তিনি জানান, কুতুবদিয়ায় একদল সন্ত্রাসী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে প্রবেশ করে প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং কর্মকর্তাকে হুমকি দেয়। তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি করে, সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অনিয়মের কারণে ৫টি কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করতে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ নির্বাচনে ভোট পড়ার হার নিয়ে প্রাথমিক পাওয়া তথ্যও তুলে ধরেন সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। তিনি জানান, ইভিএমে ইউপিতে অন্তত ৫০ শতাংশ ভোট পড়েছে। পৌরসভায় ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। ব্যালটের মাধ্যমে যেসব জায়গায় ভোট পড়েছে তাতে ৬৫ শতাংশের বেশি ভোট হবে।

নির্বাচনে সহিংসতার প্রশ্নে সচিব  জানান, ইউপিতে ঘরে ঘরে নির্বাচনি আমেজ থাকে। প্রার্থী যারা রয়েছেন তারা এত বেশি ইমোশনাল হয়ে যান, নিজেরাই দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। এতে অকস্মাৎ নিজেদের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে ও ঘটে যেতে পারে।

/ইএইচএস/এমআর/

সম্পর্কিত

রাত পোহালেই ১৬০ ইউপিতে ভোট

রাত পোহালেই ১৬০ ইউপিতে ভোট

অন্য ধাপের ইউপি ভোটের তফসিল এ মাসের শেষে

অন্য ধাপের ইউপি ভোটের তফসিল এ মাসের শেষে

ইউপিতে ভোট পড়ার হার ৬৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ

ইউপিতে ভোট পড়ার হার ৬৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ

ইউপি ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে: ইসি সচিব

ইউপি ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে: ইসি সচিব

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘শর্ত ছাড়া দণ্ড স্থগিত চাইলে খালেদা জিয়াকে জেলে গিয়ে আবেদন করতে হবে’ 

‘শর্ত ছাড়া দণ্ড স্থগিত চাইলে খালেদা জিয়াকে জেলে গিয়ে আবেদন করতে হবে’ 

শিল্পাঞ্চলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর আশঙ্কা

শিল্পাঞ্চলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর আশঙ্কা

জঙ্গিদের সুপথে ফেরানোর কার্যক্রম কেমন চলছে?

জঙ্গিদের সুপথে ফেরানোর কার্যক্রম কেমন চলছে?

‘ক্ষমা চাওয়া ছাড়া খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার পথ নেই’

‘ক্ষমা চাওয়া ছাড়া খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার পথ নেই’

আটকে গেলো বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী জামিন

আটকে গেলো বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী জামিন

‘এয়ারপোর্ট থেকে’ ফোন: পার্সেলের কথা শুনে টাকা খোয়াবেন না

‘এয়ারপোর্ট থেকে’ ফোন: পার্সেলের কথা শুনে টাকা খোয়াবেন না

সাংবাদিক রোজিনা আজই মুক্তি পেতে পারেন

সাংবাদিক রোজিনা আজই মুক্তি পেতে পারেন

রোজিনাকে নিয়ে ফায়দা লুটতে চায় দেশবিরোধীরা: তথ্যমন্ত্রী

রোজিনাকে নিয়ে ফায়দা লুটতে চায় দেশবিরোধীরা: তথ্যমন্ত্রী

রোজিনার গ্রেফতারে জাতিসংঘের উদ্বেগ

রোজিনার গ্রেফতারে জাতিসংঘের উদ্বেগ

সর্বশেষ

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনা মোকাবিলা করে এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলায়’ সন্তানের মৃত্যু, বিচারের দাবিতে ঘুরছেন বাবা

কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলায়’ সন্তানের মৃত্যু, বিচারের দাবিতে ঘুরছেন বাবা

বদলে গেছে শান্তির মানে

বদলে গেছে শান্তির মানে

টেকনাফে মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় ১৩ পুলিশ হাসপাতালে 

টেকনাফে মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় ১৩ পুলিশ হাসপাতালে 

দিঘলিয়ায় নৌকার প্রার্থীদের ভরাডুবি

দিঘলিয়ায় নৌকার প্রার্থীদের ভরাডুবি

© 2021 Bangla Tribune