X
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

চা শ্রমিকদের জীবন কাহিনি

আপডেট : ২১ জুন ২০২১, ১৫:৩৪

হবিগঞ্জে ২৪টি চা বাগানের একটি কামাইছড়া চা বাগান। এটি বাহুবল উপজেলায়। ৬২ বছর বয়স্ক বিশ্বনাথ মিত্র একসময় এই কামাইছড়া বাগানে কাজ করতেন। ৩৫ বছর কাজের পর এখন অবসরে। সেখানকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পল্লীতে বসবাস করেন। দীর্ঘ জীবনে দেখেছেন অনেক কিছু। কিন্তু এখনকার পরিবর্তনগুলো তাঁর চোখে পড়ছে।গাঁয়ে এখন পাকা রাস্তা। এই পল্লীর একশ’ পরিবার বছরে চারবার ত্রিশ কেজি করে চাল পান। একশ কর্মহীন মানুষ বছরে পান ছয় হাজার টাকা করে বয়স্ক ভাতা। এসবের জন্য কৃতজ্ঞ তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। বলেন, তাঁর কারণেই আজ আমাদের পরিবারের লেখাপড়া জানা ছেলেমেয়েরা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাচ্ছে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে। পুলিশে সেনাবাহিনীতে চাকরি পাচ্ছে।  বেড়েছে আমাদের সামাজিক মর্যাদা। এই সবই হয়েছে শেখ হাসিনার  কল্যাণে।

কেবল এই কামাইছড়া চাবাগানেই নয়, প্রতিটি বাগানেই একই রকম দৃশ্য।  এখানকার ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠিই এই চা বাগানগুলোর প্রাণ। তাদের শ্রম আর ঘামে হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজারের চা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে রপ্তানী হচ্ছে বিদেশে। এরাই অবদান রাখছে দেশের অর্থনীতিতে। কিন্তু এতগুলো বছর এই চা শ্রমিকদের ভালো-মন্দের দিকে কতটুকু নজর দিয়েছে সরকার? কতটুকু ঘটেছে তাদের জীবন-মানের উন্নতি?

কথা হয় চা শিল্পে কাজ করা ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী চা শ্রমিক ও দিনমজুরদের সঙ্গে। তাদের সংসার জীবন, দুঃখ, কষ্ট ও আনন্দানুভূতি উঠে আসে তাদের মুখ থেকেই। ভৌমিক সম্প্রদায়সহ প্রায় ২০-২৫ টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চা বাগানে কাজ করেন। এদের অধিকাংশের পূর্বপুরুষের বাস ছিল ভারতে। এই অঞ্চলে বসতি গড়েন তারা একশ/দেড়শ বছর আগে।    

বছরের পর বছর কষ্টে দিনানিপাত করা এই ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর চা শ্রমিকরা এখন খানিকটা স্বস্তিবোধ করছেন। তারা ভীষণ খুশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের উপর। কামাইছড়া পল্লীতে পাঁচ শতাধিক পরিবারকে এতদিন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে রাস্তা-ঘাট নিয়ে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসাবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিতও ছিল যুগের পর যুগ। এখন রাস্তা-ঘাট পাকা করা হয়েছে। বিধবা ভাতা,বয়স্ক ভাতাসহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর সব সুবিধা পাচ্ছে তারা। রেশনিং এর  মাধ্যমে পাচ্ছে চাল। শ্রমের মূল্য ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১২০ টাকা। আর এ সব সুযোগ পেয়েছেন তারা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের আমল থেকে। তাই শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতার অন্ত নেই ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী চা শিল্প শ্রমিকদের।

কানাই লাল এই প্রাপ্তি যে পর্যাপ্ত,সেটাও অবশ্য বলেন না তারা। বিশ্বনাথ মিত্র বলেন,আমাদের মত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়েজনের তুলনায় এসব পাওয়া কম হলেও  আগের সরকারগুলো যেখানে খেয়ালই করতো না,সেখানে এ অল্প সুযোগ পাওয়াও আমাদের জন্য অনেক কিছু! তাই অল্পতেই আমরা সন্তুষ্ট।  

 কষ্টও জমাটবাঁধা আছে নৃ গোষ্ঠী চা শ্রমিকদের

প্রধানমন্ত্রীর বদন্যতায় তারা কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও দুঃখ পুরোটা ঘোচেনি। বাংলা ট্রিবিউনের কাছের প্রতিক্রিয়ায় স্বস্তির কথা বলতে গিয়ে  মুখে কিছুটা কষ্টের কথাও এসে যায়। বিশ্বনাথ মিত্র বলেন,তাদের দিনে ৮ ঘন্টা চা বাগানে শ্রম দিতে হয়। বিনিময়ে মাত্র ১২০ টাকা তাদের শ্রমের মূল্য। অর্থাৎ, মাসে ৩৬০০ টাকা। যা বর্তমান শ্রমবাজারের তুলনায় রীতিমত অবিশ্বাস্য! তিনি বলেন,পৃথিবীতে আমাদের  শ্রমের মূল্যই বোধকরি সবচেয়ে কম ।

তবে অবসরে যাওয়া বিশ্বনাথ এককালীন ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা পেয়েছেন চা বাগান কর্তৃপক্ষ থেকে। তিনি বলেন,স্থায়ীভাবে যারা কাজ করেন তারাই কেবল এককালীন এই টাকাটা পেয়ে থাকেন। সেই সঙ্গে সপ্তাহে দেড়শ টাকা পেনশনও পান অবসরে যাওয়া শ্রমিকরা।

লক্ষণ ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর একজন কানাই লাল। নিজেদের জীবনের দুঃখ কষ্টের কথা জানাতে গিয়ে বলেন,দুই ছেলে,ছেলের বউ ও পাঁচ নাতি নিয়ে তার সংসার। বড় ছেলে স্মরণ কুমার দিনমজুর। ছোট ছেলে রাম স্মরণ চা বাগানে কাজ করে। সংসারের সদস্য বেশী থাকায় পুরনো ঘরে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। চা বাগান কর্তৃপক্ষের বিধি নিষেধ থাকায় নতুন ঘর তোলার সুযোগ নেই। বাগান কর্তৃপক্ষের ২১ বাই ৯ ফিট ঘরেই জীবন কাটে তাদের ১০ জনের পরিবারের। তিনি জানান,ব্রিটিশ আমলে এ অঞ্চলে চা বাগান গড়ে ওঠার সময় যে সকল নিয়ম কার্যকর ছিল তারই ধারাবাহিকতা চলছে এখনো। ব্রিটিশ এরপরে পাকিস্তান পাকিস্তানের পরে বাংলাদেশ এলেও সেই ব্রিটিশ শাসনেই তারা আছেন। এখানে চা বাগান কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কিছুই করার নেই তাদের।  এখানে বাঁচতে হবে হয় তাদের নিয়মে,মরতেও অনুসরণ করতে হয় বাগান কর্তৃপক্ষের নিয়ম।

এই চা বাগানেরই ছেলে জয় এখন শ্রীমঙ্গল কলেজে অনার্স ক্লাসে পড়েন। মজুরীর ন্যায্য পাওনার দাবি উচ্চারিত হয় তার কণ্ঠে। বলেন, ‘দিনে ১২০ টাকা আয়ে একটা পরিবার কীভাবে চলে? এটা বাগান মালিকরা ভাবে না। এই টাকায় আমাদের অভিবাবকরা কীভাবে খাওয়া দেবেন? কাপড় দেবেন? লেখাপড়া শেখাবেন? যারা লেখাপড়া করার মত মেধা নিয়ে জন্মায়, তারা সেই সুযোগ পায় না। ফলে ক্রমশ পিছিয়ে পড়তেই হয় সমাজ থেকে। তার দাবী,চা শ্রমিকদের দৈনিক ৩ শ টাকা মজুরী নির্ধারণ করার। এটা হলে তারা কিছুটা সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারবে বলে জানান।

চা বাগান শ্রমিক কান্ত ভৌমিক বলেন,দিনে ১ টাকা ২০ পয়সায় কাজ শুরু করি চা বাগানে। চাকরি যখন ছাড়ি দিনে ১২০ টাকা পেতাম। মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সময় ৮১ হাজার টাকা কল্যাণ তহবিল থেকে নিয়ে স্বেচ্ছায় অবসরে চলে যাই। ৭১ বছর বয়সী কান্তর স্ত্রী মারা গেছে কিছুদিন আগে। চার মেয়ে দুই ছেলের মধ্যে এখন এক মেয়ে স্থায়ী নিয়োগে চা শ্রমিক হিসাবে কাজ করেন। দুই ছেলে অস্থায়ীভাবে কাজ করে। তাদের আয়ে কষ্টে সৃষ্টে সংসার চলে। নিজে পাহাড়ে লাকড়ি  সংগ্রহ করেন। কান্ত বলেন,কামাইছড়া চা বাগানে স্থায়ী-অস্থায়ীভাবে নারী পুরুষ মিলিয়ে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর প্রায় সাড়ে ৬শ মানুষ কাজ করেন। চা বাগানগুলোতে শ্রমিক হিসাবে তাদের চাকরি পাওয়াও এখন কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। যোগ্যতা থাকলেও শ্রমিক ছাড়া অন্যকোনো পদে চাকরি জোটে না তাদের। 

শ্রমিকের টাকা হাতিয়ে নেয় বাবুরা

প্রতিটি চা বাগানে একজন ম্যানেজার ও একজন  সহকারী ম্যানেজার থাকে। এছাড়া  বাবু পদে থাকে কমপক্ষে ১৮ জন। সর্দার থাকে প্রয়োজন অনুযায়ী,থাকে জোগালী পদেও। এরপর শ্রমিক। এই অর্গানোগ্রামে একটি বাগান পরিচালিত হয়। বাবু পদে যারা কাজ করেন, তারা মুলত কাজের বন্টন ও তদারকি করেন।  সর্দার পদের যারা, তারা বাবুদের বন্টন করে দেওয়া কাজের বাস্তবায়ন করেন। আলাপকালে বাগান শ্রমিকরা বলেন,তাদের মজুরীতে নানা ছুতোয় ভাগ বসান এই বাবুরা। শ্রমিকদের কাছে বাবুরা রীতিমত আতঙ্ক। চা শ্রমিকরা বাবুদের নাম দিয়েছেন চাঁদাবাজ হিসাবে। স্থায়ী শ্রমিকদের উপর বাবুদের চাঁদাবাজী কিছুটা কম থাকলেও অস্থায়ী শ্রমিকদের উপর নানা উপায়ে চাঁদাবাজি করেন বাবুরা।

/এমকে/

সম্পর্কিত

নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:২৭

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সার্বিকভাবে ধারণ করতে পারলে বিশ্ব আসনে বাংলাদেশকে আরও মর্যাদার জায়গায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, ‘জাতির পিতাকে আমরা সার্বিকভাবে ধারণ করেছি বলেই আজকে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির পথে হাঁটছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির সূচক বিশ্বে একটি আলোচিত বিষয়। এই জায়গাটায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের শহীদ শেখ কামাল মিলনায়তনে মুজিব শতবর্ষ ও বিশ্ব নদী দিবস-২০২১ উপলক্ষে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর নদী ও পরিবেশ ভাবনা এবং আমাদের করণীয়’  শীর্ষক  সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘নদীগুলোকে রক্ষা করে এর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার। পঁচাত্তর পরবর্তী দূষিত সমাজ ব্যবস্থার কারণে নদীগুলোও দখল ও দূষণের কবলে পড়েছে। বঙ্গবন্ধু নদী নিয়ে যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছিলেন, তা তিনি বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। পঁচাত্তরের পর বঙ্গবন্ধুর পরিবারের বিরুদ্ধে অপবাদ ও অপপ্রচার করা হয়েছে। এ জায়গা থেকে আমাদের নদীগুলোও রক্ষা পায়নি। যখন পুরো সমাজ ব্যবস্থা দুর্নীতিবাজ হয়ে যায়, তখন লুটেরা স্বভাবের একটি সমাজ তৈরি হয়। রাষ্ট্র এদের লালন-পালন করে। সেখানে ভালো কিছু থাকে না।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে নদী রক্ষার জন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হতো না। নদীর প্রবাহ ঠিক থাকতো। নদীগুলো বাংলাদেশের জনগণের  জীবন ও জীবিকার উৎস হিসেবে কাজ করতো।’

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দূষিত সমাজ ব্যবস্থার কারণে নদীগুলো দূষিত হয়ে গেছে, দখল হয়ে গেছে। এই যে দুরবস্থা, এটা এমনি এমনি আসেনি। কিছু মানুষ ভাবতো জায়গা ফাঁকা আছে, এটা আমার পছন্দ, এটাই আমার দখল করতে হবে। এভাবেই কিন্তু হয়েছে। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে আমরা যখন ঢাকার চারপাশে নদী দখল উচ্ছেদ শুরু করলাম, আমরা কিন্তু দেখিনি কোনটা কার জায়গা। প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে বলেছিলাম, তখন তিনি আমাদের সাহস দিয়েছিলেন। বাংলাদেশে এমন একজন নেতাকে পেয়েছি, যার সাহস আমাদের অনুপ্রেরণা যোগায়, আমাদের উৎসাহ যোগায়। তিনি যে সাহস আমাদের দিয়েছেন, সে সাহসে আমরা কাজ করছি। এই ঢাকার চারপাশ আমরা দখলমুক্ত করেছি। সেগুলোকে রক্ষা করার জন্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নদী দখলমুক্ত করতে গিয়ে সরকারকে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। পচাঁত্তরের পর একটি ধারা তৈরি হয়, মানুষ মনে করেছিল, অপরাধ করলে বিচার হবে না। নদী দখল করলে বিচার হবে না। অনেকে নদীর পাড়ে গিয়ে ঘর তুলেছে, অনেকে নদীর পাড়ে কলকারখানা গড়ে তুলেছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দীর্ঘদিন অপরাধীদের হাতে ছিল। বাংলাদেশ অপরাধীদের লালন করেছিল। কাজেই এই দুরবস্থা শুধু আমাদের নদীর নয়, পুরো বাংলাদেশকে গ্রাস করেছিল।’

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান এ এস এম আলী কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন— নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য কামরুন নাহার আহমেদ, কমিশনের ৪৮ নদী সমীক্ষা প্রকল্পের পরিচালক ইকরামুল হক এবং বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুনির হোসেন।

/এসএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

রাখাইনে রেডক্রসকে আরও বেশি কাজ করার পরামর্শ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

রাখাইনে রেডক্রসকে আরও বেশি কাজ করার পরামর্শ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঢাকার তিন নদীতে প্রাণ ফেরানো সম্ভব

ঢাকার তিন নদীতে প্রাণ ফেরানো সম্ভব

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৮

দুর্নীতির মামলায় পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ওরফে মিজান ও সাবেক দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১২ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত ।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে সাক্ষ্য দেন সাদ্দাম হোসেন ও রফিকুল ইসলাম। এরপর তাদের সাক্ষ্য শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা শেষ করেন। এরপর পরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আদালত এইদিন দিন ধার্য করেন।

মামলায় এ পর্যন্ত  ১৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

২০২০ সালের ১৮ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর আগে ২০২০ সালের ৪ মার্চ দুদকের পক্ষে অভিযোগ গঠন শুনানি শেষ হয়। ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। 

একই বছরের ১৯ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা এ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি করেছিলেন দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা। 

প্রসঙ্গত, ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠার পর খন্দকার এনামুল বাছির ও ডিআইজি মিজানুর রহমান ওরফে মিজান সাময়িক বরখাস্ত হন।

/এমএইচজে/এনএইচ/

সম্পর্কিত

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:১৫

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে ভুল থাকার ঘটনায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান এবং সদস্যকে (কারিকুলাম) তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ নভেম্বর তাদের আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। 

এ ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য বইয়ে থাকা ভুল সংশোধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, ন্যাশনাল কারিকুলাম অ্যান্ড টেক্সটবুক বোর্ডের চেয়ারম্যান, সদস্য (কারিকুলাম), সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আলী মুস্তফা খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।  

এর আগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. আলমগীর আলম এ রিট দায়ের করেন। 

রিট আবেদনে বলা হয়, সপ্তম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ে ১০ নং পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে- ‘১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচন ছিল শুধু পূর্ব পাকিস্তানের’; কিন্তু প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তানের সকল প্রদেশে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়েছিল। 

৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি’ শিরোনামের লেখায় ৩ নং পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে, ‘এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো এক সাহসী, ত্যাগী, ও দুরদর্শী নেতার ‘আর্বিভাব’ হয়। অথচ প্রকৃত সত্য এই যে, বঙ্গবন্ধু হঠাৎ কোন ‘আর্বিভূত’ নেতা নন। তিনি তিলে তিলে বাঙালি জাতির নেতা হয়ে উঠেছেন। 

একইভাবে অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ে ১৩ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘মাইল’ এর স্থলে ‘কিলোমিটার’ হবে। 

নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ের ২ থেকে ৯ নং পৃষ্ঠার বিভিন্ন জায়গায় ‘শেখ মুজিব’ লেখা হয়েছে। অথচ বর্তমানে সকল ক্ষেত্রে ‘বঙ্গবন্ধু’ লিখতে হবে মর্মে নির্দেশনা রয়েছে। ২১ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি’ এর স্থলে ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি’ হবে। ২৯ নং পৃষ্ঠায় ‘প্রেসিডেন্ট ভবন’ এর স্থলে ‘বঙ্গভবন’ হবে। 

/বিআই/ইউএস/

সম্পর্কিত

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

বিশেষ কোনও টিকা নিয়ে ‘ফ্যাসিনেশন’ থাকা যাবে না

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:২৯

করোনা প্রতিরোধের অন্যতম হাতিয়ার টিকা, তবে একমাত্র নয়। ভাইরাসটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এর সঙ্গে লাগবে টিকা। আর এই টিকা নিয়ে প্রশ্ন বা বিশেষ কোনও কোম্পানির হতে হবে, এমন ফ্যাসিনেশন (মোহ) থাকা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমগীর।

তিনি বলেন, যে টিকা দেশে আসবে সেটাই নিতে হবে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন দৈনিক শনাক্ত নেমে এসেছে হাজারের নিচে। অতি সংক্রমণশীল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তাণ্ডবের পর এ যেন এক স্বস্তির বার্তা। তবে ডা. আলমগীর বলছেন, স্বস্তি নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনও সুযোগ নেই। সংক্রমণের এই নিম্নমুখী হার অব্যাহত রাখতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, সঙ্গে নিতে হবে টিকা।

ডা. আলমগীর বলেন, ভাইরাসের ট্রান্সমিশন (সংক্রমণ ক্ষমতা) যেহেতু অনেক বেশি, পৃথিবীর যে কোনও জায়গায় এই ভাইরাসের পরিবর্তন হতে পারে।

করোনাকে একটি অনবরত পরিবর্তনশীল ভাইরাস অভিহিত করে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এর ভ্যারিয়েন্ট বদলে অতি সংক্রমণশীল ভ্যারিয়েন্ট আসতে পারে। সুতরাং, এখনও অসতর্ক হওয়া যাবে না। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাবধান থাকতে হবে। সেই সঙ্গে যাদের সুযোগ রয়েছে তাদের টিকা নিতে হবে।

‘টিকাও সংক্রমণ কমার অন্যতম উপায়, যদিও একমাত্র কখনোই নয়। টিকা নেওয়ার সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সংক্রমণ পাঁচ শতাংশের নিচে ধরে রাখা সম্ভব। নয়তো যেকোনও সময় এটা বেড়ে যেতে পারে’।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সংক্রমণের হার যদি পাঁচ শতাংশের নিচে দুই সপ্তাহ ধরে কোনও দেশে অব্যাহত থাকে; তাহলে সেই দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বলে মনে করা হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে গত ছয় দিন ধরে সংক্রমণের হার পাঁচের নিচে। আগামী দুই সপ্তাহ যদি এটা বজায় থাকে তাহলে কি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে মনে করা হবে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা বলা হয়ে থাকে। কিন্তু এর আসলে তেমন কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

ডা. আলমগীর বলেন, পৃথিবীর বহু দেশেই সংক্রমণের হার তিন থেকে চার সপ্তাহ পাঁচের নিচে ছিল। কিন্তু এরপর আবার বেড়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল ভিয়েতনাম। কিন্তু বর্তমানে যে কয়েকটি দেশে সংক্রমণ বেশি তার মধ্যে ভিয়েতনাম একটি। আমেরিকাতেও সংক্রমণ অনেক বেশি।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আমাদের পার্শ্ববর্তী মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনে প্রতিদিন অনেক মানুষ শনাক্ত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর যেকোনও জায়গায় ভাইরাসের পরিবর্তন হতে পারে। তাই এখন স্বাস্থ্যবিধির ওপরেই আসলে বিশেষ জোর রাখতে হবে।

এই বেড়ে যাওয়াটা কেন হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানুষের স্বাস্থ্যবিধিতে উদাসীনতা, ভাইরাসের বদলে যাওয়াসহ নানা কারণেই এটা হতে পারে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি টিকা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডা. এএসএম আলমগীর। তিনি বলেন, সবাইকে টিকা নিতে হবে এবং টিকা নিয়ে কোনও প্রশ্ন করা যাবে না। যে টিকা আসে সেটাই নিতে হবে। কারণ, প্রতিটিই সমান কার্যকর।

আমাদের দেশে ফাইজার ও মডার্নার টিকা নিয়ে অনেকের মোহ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা ভুল করছেন। টিকা নিয়ে কোনও ধরনের ফ্যাসিনেশন থাকাই যাবে না।’

কিন্তু এই বাছাই বা ফ্যাসিনেশনের পেছনে কোন টিকার কার্যকারিতা কতটুকু রয়েছে, সে হিসাবটাও সাধারণ মানুষ আমলে নিচ্ছেন জানালে তিনি বলেন, টিকার কার্যকারিতা শুধু অ্যান্টিবডি দেখে করা হয় না। এটার সায়েন্স জটিল। পৃথিবীর বহু দেশেই ‘নিউট্রিলাইজিং বা নিষ্ক্রিয়করণ অ্যান্টিবডি’ শূন্য কিন্তু টিকা কার্যকর।

ডা. এ এস এম আলমগীর আরও বলেন, এরসঙ্গে আরও অনেক বিষয় জড়িত রয়েছে। সব মিলিয়ে টিকা কার্যকর হয়। কেবল অ্যান্টিবডি দেখে এই টিকা ভালো, এই টিকা খারাপ- এটা যারা বলছেন তারা ভুল বলেন।

টিকা নিয়েই যে সবাই অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে যাচ্ছেন এটা ঠিক নয় মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, টিকা নেওয়ার পর ছোট ছোট স্যাম্পল নিয়ে যারা নিউট্রিলাইজিং অ্যান্টিবডির কথা বলে, এটাও ঠিক নয়। এতে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

যেকোনও টিকার যদি শতকরা ৫০ শতাংশ কার্যকর হয়, তাইলেই সেই টিকা নেওয়া যায় এবং সেটাই মহামারি প্রতিরোধে অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে—বলেন ডা. আলমগীর।

/এনএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

একদিনে নারীমৃত্যু দ্বিগুণ

একদিনে নারীমৃত্যু দ্বিগুণ

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আবারও দেশে গণটিকা কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আবারও দেশে গণটিকা কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪ কোটি টিকা দেওয়া শেষ 

৪ কোটি টিকা দেওয়া শেষ 

আবারও বরিশালসহ ৩ বিভাগে করোনায় মৃত্যুহীন দিন

আবারও বরিশালসহ ৩ বিভাগে করোনায় মৃত্যুহীন দিন

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ অক্টোবর

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০৩

করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফুল হক চৌধুরী ও চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীসহ আট জনের বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীর আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য এই দিন ধার্য করেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এদিন আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মশিউর রহমান নামের এক সাক্ষী আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেন। এ দিন তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা শেষ করেন। জেরা শেষ হওয়ায় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য এইদিন ধার্য করেন। মামলায় এখন পর্যন্ত ৪০ সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— আবু সাঈদ চৌধুরী, হিমু, তানজিলা, বিপুল, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। এর আগে গত বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালত এ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। গতবছরের আগস্ট ঢাকার চিফ ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুলফিকার হায়াত মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) গ্রহণ করেন। 

এর আগে গত বছরের ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে দুপুরের ডা. সাবরিনা ও আরিফসহ আট জনের বিরুদ্ধে চার্জশিটটি দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। চার্জশিটে ডা. সাবরিনা ও আরিফকে মূল হোতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছে।

অভিযোগপত্রে অন্য আসামিরা হলেন— আবু সাঈদ চৌধুরী, হিমু, তানজিলা, বিপুল, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে হিমু, তানজিলা ও রোমিও দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।

/এমএইচজে/ইউএস/

সম্পর্কিত

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন না করায় হাইকোর্টের অসন্তোষ

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

মেইল ট্রেনের নিরাপত্তায় পুলিশই থাকে না

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জীবন

রাখাইনে রেডক্রসকে আরও বেশি কাজ করার পরামর্শ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

রাখাইনে রেডক্রসকে আরও বেশি কাজ করার পরামর্শ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঢাকার তিন নদীতে প্রাণ ফেরানো সম্ভব

ঢাকার তিন নদীতে প্রাণ ফেরানো সম্ভব

‘স্ত্রীর ষড়যন্ত্রের বিষে’ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন স্বামী

‘স্ত্রীর ষড়যন্ত্রের বিষে’ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন স্বামী

গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’-এ পরিণত, বাতাসের গতিবেগ ৬২ কিলোমিটার

গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’-এ পরিণত, বাতাসের গতিবেগ ৬২ কিলোমিটার

সর্বশেষ

বাংলাদেশকে বুঝতে শুরু করেছে তুরস্ক

বাংলাদেশকে বুঝতে শুরু করেছে তুরস্ক

সিনেমার অ্যানিমেশন টিজার, বাংলাদেশে প্রথম!

সিনেমার অ্যানিমেশন টিজার, বাংলাদেশে প্রথম!

চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়া রোধে আরও জনবল চায় রেল

চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়া রোধে আরও জনবল চায় রেল

জাতীয় লিগে ইয়ো ইয়ো টেস্ট দিয়ে ফিটনেস পরীক্ষা

জাতীয় লিগে ইয়ো ইয়ো টেস্ট দিয়ে ফিটনেস পরীক্ষা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

© 2021 Bangla Tribune