X
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

যা আছে ই-কমার্স নির্দেশিকায়

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০২১, ০০:৪০

ই-কমার্স ব্যবস্থাপনা সুন্দর ও সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা রবিবার (৪ জুলাই) জারি করা হয়েছে।

সরকারের জাতীয় ডিজিটাল কমার্স পলিসি-২০২০ এর বিধানমতে এ নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়। নির্দেশিকা জারির ফলে ই-কমার্স ব্যবস্থাপনা সরকারের আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণের মধ্যে এলো।

নির্দেশনার লক্ষ্যে বলা হয়- ডিজিটাল ক্রয়-বিক্রয়ে ক্রেতা-বিক্রেতার স্বার্থ সংরক্ষণের মাধ্যমে ‘জাতীয় কমার্স নীতিমালা (সংশোধিত) ২০২০ এর সফল বাস্তবায়নের জন্য অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলা।

এর উদ্দেশ্য হিসেবে বলা উল্লেখ করা হয়- ডিজিটাল কমার্স পরিচালনায় স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা; ডিজিটাল ব্যবসার প্রসারের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। ডিজিটাল ব্যবসায় শৃঙ্খলা আনয়নের মাধ্যমে ভোক্তার আস্থা বৃদ্ধি ও অধিকার নিশ্চিতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা।

নির্দেশনায় মার্কেটপ্লেসে বিক্রয়যোগ্য পণ্য ও সেবার তথ্য প্রদর্শন ও ক্রয়-বিক্রয়ের সাধারণ নিয়মাবলী

দেশের সংশ্লিষ্ট সকল প্রচলিত আইন ডিজিটাল কমার্স পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। ওয়েবসাইট, মার্কেটপ্লেস বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে পণ্য ও সেবা সংশ্লিষ্ট সকল বিবরণ ও শর্তাবলি যেমন- পণ্য ও মূল্য ফেরতের শর্তাবলি, পরিবর্তন, সরবরাহের সময়সীমা ইত্যাদি বিষয়ে সকল শর্তাবলী সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

ডিজিটাল কমার্স বা ই-কমার্সের মাধ্যমে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) বা নেটওয়ার্ক ব্যবসায় পরিচালনা করা যাবে না। ডিজিটাল মাধ্যমে নেশা সামগ্রী, বিস্ফোরক দ্রব্য বা অন্য কোন নিষিদ্ধ সামগ্রী বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না। জুয়া বা online betting বা online gambling এর আয়োজন বা অংশগ্রহণ করা যাবে না। ডিজিটাল মাধ্যমে ওষুধ এবং চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। অনুরূপভাবে কোন দাহ্য পদাৰ্থ ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রেও বিস্ফোরক অধিদফতরের লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। বিক্রেতার ওয়েবসাইটে কোন বিশেষ সফটওয়্যার বা Cookies থাকলে তা ক্রেতাকে পূর্বেই অবহিত করতে হবে। ক্রয়-বিক্রয়কালে কোন ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করার প্রয়োজন হলে কী কী তথ্য সংগ্রহ করা হবে, তথ্য কোথায় সংরক্ষিত থাকবে, পরবর্তীতে কোথায় তা ব্যবহৃত হবে এবং কী প্রক্রিয়ায় তা প্রসেস করা হবে তা জানিয়ে ক্রেতার পূর্বানুমতি গ্রহণ করতে হবে। ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন ক্রেতা দেখেছেন তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য ওয়েবসাইটে চেকবক্স (Check box) বা সম্মতি গ্রহণের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানসমূহ সরকারের পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন ধরনের লটারি বা র‌্যাফেল ড্র’র আয়োজন করতে পারবে না। এক্ষেত্রে The Penal Code 1860 এর ২৯৪ (বি) ধারাও প্রযোজ্য হবে।

সকল ধরনের ডিজিটাল ওয়ালেট, গিফট কার্ড, ক্যাশ ভাউচার বা অন্য কোন মাধ্যম যা অর্থের বিকল্প হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ব্যতিরেকে তৈরি (Issue), ব্যবহার বা ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ব্যতিরেকে ডিজিটাল মাধ্যমে কোন ধরনের অর্থ ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না। ক্রেতাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোন পণ্য বা সেবা ক্রয়ের জন্য বাধ্য করা যাবে না। সকল ডিজিটাল কমার্স পরিচালনাকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন, TIN, ইউনিক বিজনেস আইডেনটিফিকেশন নম্বর (UBID) বা পারসোনাল রিটেইল একাউন্ট (PRA) নম্বর এর অন্তত একটি গ্রহণ করতে হবে এবং তার মার্কেটপ্লেস বা সোশ্যাল মিডিয়া পেজে তা প্রদর্শন করতে হবে। সকল ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের জন্য পর্যায়ক্রমে ইউনিক বিজনেস আইডেনটিফিকেশন নম্বর (UBID) বাধ্যতামূলক করা হবে। স্বচ্ছতার জন্য ব্যবসায় লেনদেন সংক্রান্ত সকল তথ্যাদি অন্ততপক্ষে ৬ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে এবং সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত যে কোন সংস্থা চাহিবামাত্র তা সরবরাহ করতে হবে। মার্কেটপ্লেস এর স্বত্বাধিকারী তার তালিকাভুক্ত বিক্রেতার বিক্রয়কৃত পণ্যের দাম বুঝে পাওয়ার সর্বোচ্চ ১০ (দশ) দিনের মধ্যে প্রযোজ্য কমিশন ও ডেলিভারি চার্জ কেটে রেখে সংশ্লিষ্ট তালিকাভুক্ত বিক্রেতাকে পুরোদাম পরিশোধ করতে হবে। তবে মার্কেটপ্লেস’র স্বত্বাধিকারী ও বিক্রেতা বা মার্চেন্ট এর মধ্যে ভিন্নতর কোন চুক্তি থাকলে সে অনুযায়ী পাওনা পরিশোধ করা যাবে। মার্কেটপ্লেস’র মালিক নয় এমন বিক্রেতা বা মার্চেন্ট এর পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপনের পূর্বে মার্কেটপ্লেস কর্তৃপক্ষ ও বিক্রেতা বা মার্চেন্ট এর মধ্যে একটি চুক্তি সম্পাদন করতে হবে। চুক্তি সম্পাদনের সময় মার্কেটপ্লেস কর্তৃপক্ষ বিক্রেতা বা তার যোগ্য প্রতিনিধির নাম, ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর, ঠিকানা ইত্যাদিসহ পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা নেবে। ডিজিটাল কমার্স মার্কেটপ্লেস বা ফেসবুক পেজে ক্রয়-বিক্রয়, মূল্য ফেরত, পণ্য ফেরত বা পণ্য পরিবর্তন, ডেলিভারি পদ্ধতি, ডেলিভারির সময় এবং অন্যান্য শর্তাবলী বাংলায় লিপিবদ্ধ থাকতে হবে এবং স্পষ্টভাবে তা প্রদর্শন করতে হবে। শর্তাবলি বাংলা ভাষার পাশাপাশি প্রয়োজনে অন্য ভাষায়ও লিপিবদ্ধ করা যাবে। বাংলাদেশের প্রচলিত আইন বা বিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোন শর্তাবলী মার্কেটপ্লেস সোশ্যাল মিডিয়া পেজে লিপিবদ্ধ করা যাবে না। বিদেশি ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে অবশ্যই এদেশে নিবন্ধিত হতে হবে এবং ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান মার্কেটপ্লেসে ঘোষিত পণ্য বা সেবার ঘোষিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করতে পারবে না।

মার্কেটপ্লেসে পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপন পদ্ধতি

মার্কেটপ্লেসে বিক্রয়যোগ্য পণ্য বা সেবার যথাযথ বিবরণ- যেমন, পণ্যের পরিমাপ, উপাদান, রঙ, আকৃতি, গুণগতমান ইত্যাদি, মূল্য এবং ডেলিভারিসহ অন্যান্য চার্জ যদি থাকে তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। পণ্য বা সেবাকে চিহ্নিত করার জন্য পরিপূর্ণ বর্ণনা যা পণ্য বা সেবাকে চিহ্নিত করতে সক্ষম এমন তথ্যাদি প্রদান করতে হবে। সুস্পষ্টতার জন্য বাস্তবসম্মত হলে পণ্যের ছবি, ভিডিও, রঙ, আকৃতি, পরিমাপ, ওজন, উপাদান ইত্যাদি এবং সেবার ক্ষেত্রে সেবার ধরন, সেবা প্রদান পদ্ধতি, পরিমাপ যোগ্যতা (যদি থাকে) ইত্যাদি তথ্য প্রদান করতে হবে। পণ্যের বিস্তারিত বিবরণ (ব্র্যান্ড, মডেল, ডেলিভারি সময়, country of origin ইত্যাদি) ক্রেতাদের জন্য দিতে হবে যাতে ক্রেতা জেনে-বুঝে পণ্য বা সেবা ক্রয় করতে পারে। পণ্যের ক্ষেত্রে পণ্যের উপাদান ও উপাদানের পরিমাণ, রাসায়নিক গঠন (সম্ভব হলে) ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ প্রদান করতে হবে। পণ্য ব্যবহারে মানুষ ও প্রাণীর স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু রয়েছে কিনা অথবা শিশুদের জন্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে কিনা তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। যে সকল পণ্যের ক্ষেত্রে কোন মান নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সনদ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে সে সকল ক্ষেত্রে পণ্যের বিবরণে মান নিয়ন্ত্রণ সনদের উল্লেখ থাকতে হবে। মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বা দ্রব্য সামগ্রী বিক্রয় বা সরবরাহ করা যাবে না। মেধাস্বত্ব সংরক্ষণের নিয়ম যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে হবে। কোন নকল বা ভেজাল পণ্য প্রদর্শন বা বিক্রয় করা যাবে না। বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শিত পণ্য বিক্রেতা বা তার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে এবং বিজ্ঞপ্তিতে কী পরিমাণ পণ্য স্টকে রয়েছে তা উল্লেখ করতে হবে এবং প্রতিটি বিক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উক্ত পণ্যের স্টক হালনাগাদ করতে হবে। বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শিত পণ্য বিক্রেতা বা তার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ‘স্টকে নেই’ বা ‘Out of stock’ কথাটি স্পষ্টভাবে পণ্যের পাশে লিপিবদ্ধ থাকতে হবে এবং এক্ষেত্রে অনুচ্ছেদ ৩.২.১০ এ বর্ণিত অবস্থা ব্যতিরেকে কোনও ধরনের পেমেন্ট গ্রহণ করা যাবে। নিত্যপণ্য ও খাদ্য সামগ্রীর বা সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় না এমন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে স্টকের পরিমাণের পরিবর্তে ‘Available for delivery’ কথাটি লিখা থাকতে হবে। অগ্রিম মূল্য আদায়ের ক্ষেত্রে প্রদর্শিত পণ্য অবশ্যই দেশের ভেতরে রেডি টু শিপ’ (মার্কেটপ্লেসের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণে বা মার্কেটপ্লেসে নিবন্ধিত থার্ড পার্টি বিক্রেতার নিয়ন্ত্রণে) পর্যায়ে থাকতে হবে। সম্পূর্ণ মূল্য গ্রহণের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ডেলিভারি পারসন বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হস্তান্তর করার মত অবস্থায় নেই এমন পণ্যের ক্ষেত্রে পণ্যমূল্যের ১০% এর বেশি অগ্রিম গ্রহণ করা যাবে না। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত এসক্রো সার্ভিস’র মাধ্যমে ১০০% পর্যন্ত অগ্রিম গ্রহণ করা যাবে। কোন ধরনের অফার, ডিসকাউন্ট, ফ্রি ডেলিভারি বা অন্য কোন সুবিধা থাকলে তা পরিষ্কারভাবে পণ্যের বর্ণনায় থাকতে হবে। কোন তৃতীয় পক্ষ বা মার্চেন্ট’র পণ্য বা সেবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রয় হলে বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির নাম ওয়েবসাইটে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। তবে মার্কেটপ্লেসে কর্তৃপক্ষ বিক্রেতা বা মার্চেন্ট এর যোগাযোগের ঠিকানা, ফোন নম্বর, ই-মেইল ইত্যাদি সংরক্ষণ করবে এবং কোন অভিযোগ বা বিরোধ দেখা দিলে প্রয়োজনে তা সরবরাহ করতে হবে।

পণ্য ডেলিভারির নির্দেশিকা

বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শিত পণ্যের সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য বা পণ্য সামগ্রী ডেলিভারিম্যান বা ডেলিভারি সংস্থার নিকট হস্তান্তর করতে হবে এবং ক্রেতাকে তা টেলিফোন, ই-মেইল বা এসএমএস এর মাধ্যমে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে ডেলিভারি সংস্থা বা মার্কেটপ্লেস ট্র্যাকিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে। পণ্যের সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করা হয়ে থাকলে ক্রেতা ও বিক্রেতা একই শহরে অবস্থান করলে ক্রয়াদেশ গ্রহণের পরবর্তী সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) দিন এবং ভিন্ন শহরে বা গ্রামে অবস্থিত হলে সর্বোচ্চ ১০ (দশ) দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি প্রদান করতে হবে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রে ডেলিভারির সময় আরও সংক্ষিপ্ত হবে এবং ক্রেতাকে তা ক্রয়াদেশ গ্রহণের সময় সুস্পষ্টভাবে অবহিত করতে হবে।

কোন একটি ক্রয়াদেশ (purchase order)-এ একাধিক পণ্য থাকলে আলাদা আলাদা পণ্যের জন্য সাধারণত আলাদা আলাদা ডেলিভারি চার্জ আরোপ করা যাবে না। তবে মার্কেটপ্লেসে পণ্যে আলাদা আলাদা ডেলিভারি প্রদান করা হলে আলাদা আলাদা চার্জ গ্রহণ করা যাবে। এক্ষেত্রে ক্রেতাকে ক্রয়াদেশ নিশ্চিত করার সময় বা ইনভয়েসে পূর্বেই অবহিত করতে হবে। পণ্য বিক্রয় ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মার্কেটপ্লেসে প্রদর্শিত পণ্যের মান ও সঠিকতা মার্কেটপ্লেসের স্বত্বাধিকারীকে নিশ্চিত করতে হবে। তবে বিক্রেতা বা মার্চেন্ট’র সঙ্গে ভিন্নতর চুক্তি থাকলে সে মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। সময়মত ডেলিভারি প্রদান এবং মালামালের সুরক্ষার জন্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান বা ডেলিভারি পারসন’র সঙ্গে প্রয়োজনীয় চুক্তি সম্পাদন করবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ইন্স্যুরেন্স ব্যবস্থাও গ্রহণ করা যেতে পারে। পণ্য সরবরাহের সময় মুদ্রিত বিল প্রদান করতে হবে যাতে প্রদেয় বা প্রদত্ত ভ্যাট ও আয়কর (যদি থাকে) উল্লেখ থাকতে হবে। যেসব পণ্যের ওয়ারেন্টি বা গ্যারান্টি আছে, তার জন্য ওয়ারেন্টি বা গ্যারান্টি পিরিয়ড ও সেবা প্রাপ্তির স্থান ও যোগাযোগের বিস্তারিত ঠিকানাসহ অন্যান্য শর্ত সম্বলিত কার্ড বা ডিজিটাল কার্ড পণ্যের সঙ্গে সরবরাহ করতে হবে। পচনশীল দ্রব্য দ্রুততম সময়ে ডেলিভারি দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে এবং ডেলিভারির সময় যাতে পণ্যের কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য মার্কেটপ্লেস কর্তৃপক্ষ যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অভিযোগ ও প্রতিকার

পণ্য ও সেবার বিষয়ে অভিযোগের জন্য মার্কেটপ্লেস কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অভিযোগ গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্মে ফোন নম্বর, ইমেইল বা অন্যান্য যোগাযোগের মাধ্যম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। প্রতিটি ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানে একজন কমপ্লায়েন্স অফিসার নিয়োগ দিতে হবে যিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরসহ অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় সাধন করতে পারে। কোন পণ্যের বা সেবা প্রদান বিষয়ে ক্রেতার অভিযোগ রেকর্ডের যথাযথ ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং যেকোন অভিযোগ প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সমাধানের ব্যবস্থা করে ক্রেতাকে ফোন, ই-মেইল বা এসএমএস’র মাধ্যমে তা জানাতে হবে। পণ্যের বা সেবার বিষয়ে ক্রেতা বা অন্য কারও রেটিং এবং মতামত জানানোর ব্যবস্থা ওয়েবসাইট, অ্যাপ কিংবা প্ল্যাটফর্মে রাখতে হবে যাতে ভবিষ্যতে ক্রেতারা পণ্যের ব্যাপারে অন্য ক্রেতাদের মতামত বা রিভিউ দেখে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান (মার্কেটপ্লেস বা মার্চেন্ট) বা এর কোন স্টাফ বা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বা মার্চেন্ট’র সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউ রিভিউর বা রেটিং এ অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এ রিভিউ মুছে ফেলা যাবে না। সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধের পর মানুষের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোন কারণে (Force majeure) ক্রেতার চাহিদা মোতাবেক পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব না হলে, অর্ডার দেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ক্রেতাকে তা ফোন, এসএমএস, ই-মেইল বা অন্যান্য মাধ্যমে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত প্রদান করতে হবে এবং অন্য কোন পণ্য ক্রয় করার জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাধ্য করা যাবে না।

এ নির্দেশিকার বিধান প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে কর্তৃপক্ষ বিক্রেতা বা মার্কেটপ্লেস’র ট্রেড লাইসেন্স, কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট নিবন্ধন ইত্যাদি বাতিল করাসহ সংশ্লিষ্ট মার্কেটপ্লেস নিষিদ্ধকরণসহ অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রতিকারের জন্য প্রেরণ করতে পারবে। এ নির্দেশিকা প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা ক্রেতা বা কোন সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আদালতে আইনানুগ প্রতিকারের জন্য অভিযোগ দায়ের করতে পারবে।; ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সুষ্ঠুভাবে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা বিষয়ে সহযোগিতা প্রদান করবে।

অগ্রিম পরিশোধিত মূল্য সমন্বয়

ক্রেতা কোন মাধ্যমে (ডেবিট, ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ব্যাংকিং, অন্যান্য) অগ্রিম মূল্য পরিশোধ করলে এবং বিক্রেতা কোন কারণে নির্ধারিত সময়ে সে পণ্য সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে মূল্য পরিশোধের সর্বোচ্চ ১০ দিন (সংশ্লিষ্ট অর্থ প্রদানকারী মাধ্যমের ব্যবহৃত সময় ব্যতীত) এর মধ্যে ক্রেতার পরিশোধিত সম্পূর্ণ অর্থ যে মাধ্যমে ক্রেতা অর্থ পরিশোধ করেছেন সেই একই মাধ্যমে (ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ইত্যাদি) ফেরত প্রদান করতে হবে। এক্ষেত্রে কোন চার্জ থাকলে মার্কেটপ্লেস বা বিক্রেতাকে তা বহন করতে হবে। মূল্য ফেরতের বিষয়ে ক্রেতাকে ইমেইল, এসএমএস, ফোন বা অন্য মাধ্যমে অবহিত করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে ক্রেতার পরিশোধিত মূল্যের অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করা যাবে না। ক্রেতা যথাসময়ে পণ্য বা সেবা গ্রহণে ব্যর্থ হলে এ সময়সীমা শিথিল করা যাবে। যে কোন ধরনের ঘোষিত ডিসকাউন্ট বিক্রয় কার্যক্রম’র সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর করতে হবে। ক্যাশব্যাক অফার মূল্য পরিশোধের পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর হতে হবে। ক্যাশব্যাক অফার বা মূল্য ছাড় অফারের ঘোষিত অর্থ সংশ্লিষ্ট পণ্য বা সেবা বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার পর কোন ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের ওয়ালেটে জমা রাখা যাবে না। ডিজিটাল কমার্সে লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ‘এসক্রো সার্ভিস’ গ্রহণ করা যেতে পারে।

 

/ইএইচএস/এনএইচ/

সম্পর্কিত

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

‘বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে সহায়তা করবে সরকার’

‘বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে সহায়তা করবে সরকার’

টিসিবির পণ্য বিক্রির মেয়াদ বাড়লো  

টিসিবির পণ্য বিক্রির মেয়াদ বাড়লো  

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০০

আইন অনুযায়ী বিইআরসি ছাড়া আর কারও এলপিজির মূল্য নির্ধারণের এখতিয়ার নেই। ফলে সরকারি এলপিজির দামা নির্ধারণের দায়িত্ব বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) দেওয়ার কোনও সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর চেয়ারম্যানের কাছে এই বিষয়ে একটি চিটি পাঠিয়েছে ক্যাব। ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভুইয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৭ সেপ্টেম্বর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে বিইআরসির সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এলপি গ্যাস লিমিটেডের  সরবরাহ করা এলপিজির দাম নির্ধারণের বিষয়টি বিইআরসির আওতাবহির্ভূত রাখার কথা বলা হয়েছে।

বিইআরসিকে দেওয়া ক্যাবের চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি এলপিজি কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেডের এলপিজির দাম নির্ধারণ করার দায়িত্ব বিপিসিকে দেওয়া এবং এই চিঠি দিয়ে বিইআরসির এখতিয়ার বহির্ভূত রাখতে বলায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বিইআরসি আইনের ২২(খ) উপধারা লঙ্ঘন করেছে। এই আইনের ৪২ ধারা মতে আইন লঙ্ঘনের দায়ে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে। অন্যদিকে তাতে উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করা হয়েছে। ফলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আদালত অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত।

চিঠিতে জ্বালানি বিভাগ চলতি মাসে ৭ সেপ্টেম্বর বিইআরসিকে দেওয়া চিঠি অনতিবিলম্বে বাতিল বা প্রত্যাহার করাসহ ৬টি সুপারিশ করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে বিইআরসির আইন সংশোধন করে এলপিজিসহ পেট্রোলিয়াম পণ্যসমূহের দাম নির্ধারণ বিইআরসির এখতিয়ার বহির্ভূত রাখার তৎপরতা বন্ধ করা এবং এই আইন সংশোধন না করা, বিইআরসি আইনের ২২(খ) উপধারা মতে গণশুনানির ভিত্তিতে পেট্রোলিয়াম পণ্যগুলোর দাম নির্ধারণ করার জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে বিইআরসিকে জানানো, জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংস্থাটির হিসাব নিকাশ কন্ট্রোলার অডিটর জেনারেলের মাধ্যমে অডিট করানো, এলপিজিসিএলের এলপিজির ডিস্ট্রিবিউটর ও রিটেইলার চার্জ গণশুনানির মাধ্যমে নির্ধারণ করা এবং সরকারি এলপিজি স্বল্প দামে বস্তিবাসী ও স্ট্রিট ফুড ভেন্ডরদের মধ্যে বিতরণ করা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, আইন অনুযায়ী বিইআরসি ছাড়া আর কারও পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্য যেমন, এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই। জ্বালানি বিভাগ থেকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তা আইন বহির্ভূত। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিলের আহ্বান জানান তিনি।

/এসএনএস/এমআর/

সম্পর্কিত

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি আইন বাতিলের দাবি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি আইন বাতিলের দাবি

‘বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে সহায়তা করবে সরকার’

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৫৬

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম বলেছেন, ভবনে জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য পাইলট প্রকল্প করার বিষয়টি খুব জরুরি। সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে পূর্ণ সহায়তা করবে। টাকা তেমন কোনও সমস্যা হবে না। সেইসঙ্গে বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে। তারাও যেন এমন ভবন তৈরিতে এগিয়ে আসে। সেখানেও সরকারি সবরকমের সহযোগিতা থাকবে।

আজ রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন আয়োজিত ‘এনার্জি এফিসিয়েন্সি ইন পাবলিক বিল্ডিংস’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জ্বালানি সাশ্রয় নিয়ে কারিগরি বিষয়ে সমাধান ধাপে ধাপে করতে হবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ব্যক্তিগত অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমেও ৫০ ভাগ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব। জ্বালানিসাশ্রয়ী ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে একটা পাইলট প্রজেক্ট করা যেতে পারে। সরকার এর ব্যয় পুরোটা বহন করবে। এ ছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সুইচ বন্ধ হয়ে যায় এমন প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়াতে হবে। এসির তাপমাত্রা যেন ২৮ ডিগ্রির কম না করা যায় এমন স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

মূল প্রবন্ধে ফারজানা মমতাজ বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ভবন নিয়ে স্রেডা একটা নিরীক্ষা কার্যক্রম শেষ করেছে। সরকার ২০২১ সালে ১৫ ভাগ আর ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ ভাগ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করেছে। শুধুমাত্র আবাসিক খাত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী করা গেলে প্রায় ২৯ ভাগ জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব।

প্রবন্ধে বলা হয়, গণপূর্ত, শিক্ষা বিভাগ ও স্বাস্থ্য বিভাগ মিলিয়ে দেশে প্রায় ৮৫ হাজার সরকারি ভবন আছে। এরমধ্যে গণপূর্তের ১৪ হাজার, যার ২৭৩টি ঢাকায়। ৮০ কোটি থেকে ১২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে এই ভবনগুলো থেকে প্রতিবছর ১১ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব। এতে বছরে ১১ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। নিয়ন্ত্রণ করা যাবে কার্বন দূষণ।

সভায় যেসব সুপারিশ উপস্থাপন করা হয় সেগুলো হলো, কম্পিউটার ব্যবহারে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মোড ব্যবহার করতে হবে। ফ্লুরোসেন্ট টিউব লাইটের বদলে এলইডি বাল্ব ব্যবহার করতে হবে। সনাতন পদ্ধতির সিলিং ফ্যান ব্যবহার না করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যান ব্যবহার করতে হবে, পুরোনো এসির বদলে ইনভার্টার প্রযুক্তিসহ এসি ব্যবহার করতে হবে। ভবনগুলোতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কাচ ব্যবহার করতে হবে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে গতানুগতিক অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়া একটা সমন্বিত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী গাইডলাইন তৈরি করতে হবে।

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, ভবনগুলোকে জ্বালানি দক্ষ করা একটি বড় কাজ। প্রাথমিক পর্যায়ে পাবলিক বিল্ডিংকে জ্বালানি দক্ষ করার উদ্যোগ হিসেবে ১২টি ভবনে সমীক্ষা করা হয়েছে। এর আলোকে কাজ চলছে, প্রয়োজনে সমীক্ষা আরও করা হবে।

টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) ও জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেড-এর সহায়তায় আলোচনায় মোল্লাহ আমজাদ হোসেন সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব এবং স্রেডা-র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল্লাহিল আজম। আলোচ্য বিষয়ের উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেড্রার সদস্য ফারজানা মমতাজ। প্যানেলিস্ট হিসেবে কথা বলেছেন, বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. জহরুল হক এবং গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল হক।

/এসএনএস/ইউএস/

সম্পর্কিত

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

টিসিবির পণ্য বিক্রির মেয়াদ বাড়লো  

টিসিবির পণ্য বিক্রির মেয়াদ বাড়লো  

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

টিসিবির পণ্য বিক্রির মেয়াদ বাড়লো  

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৩১

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের সময় বাড়িয়েছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পণ্য বিক্রি কার্যক্রম পরিচালনার মেয়াদ ছিল ২৮ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) পর্যন্ত।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির এ তথ্য জানিয়েছেন। 

তিনি জানান, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষে আবারও নতুন করে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

উল্লেখ্য, দেশজুড়ে টিসিবির ৪০০ ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৮০টি ও চট্টগ্রাম সিটিতে ২০টি ট্রাক রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি মহানগর ও জেলা শহরেও ট্রাকসেলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি চলছে।

 

/এসআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

‘বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে সহায়তা করবে সরকার’

‘বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে সহায়তা করবে সরকার’

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৪০

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমি‌য়ে‌ছে সরকার। সঞ্চয়পত্রে যাদের ১৫ লাখ টাকার ওপরে বিনিয়োগ আছে, তাদের মুনাফার হার দুই শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। পুনর্নির্ধারিত মুনাফার হার বাস্তবায়‌নে ব্যাংকগু‌লো‌কে নি‌র্দেশ দি‌য়ে‌ একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সার্কুলারটি সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়— যারা নতুন করে সঞ্চয়পত্র কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এ হার কার্যকর হবে। আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি পুনঃবিনিয়োগ করলে, তখন নতুন মুনাফার হার কার্যকর হবে। ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয়ের জন্য মুনাফার নতুন এই হার প্রযোজ্য হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। নতুন নির্দেশনায় যারা সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করবেন, তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ হারে। ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে মুনাফার হার হবে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ছিল এতদিন ১১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার কমিয়ে করা হয়েছে ১০ শতাংশ। সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ৩০ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ৯ শতাংশ হারে।

 

/জিএম/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমলো

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমলো

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ, খতিয়ে দেখবে এনবিআর

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ, খতিয়ে দেখবে এনবিআর

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৫২

ইভ্যালির প্রতারণা অনেক সময় বোঝাই যায়নি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ‘উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে পণ্য দেওয়ার অফার বাস্তবসম্মত নয়, এটি বুঝতে হবে। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের প্রলোভন থেকে সরে আসতে হবে।’

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘প্রতিযোগিতা আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টিতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

কমিশনের চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত কর্মশালায় ইআরএফ’র সদস্য দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৩০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ইআরএফ সভাপতি শারমিন রিনভী ও সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইভ্যালির সম্পদ বিক্রি করে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ করা যাচ্ছে না। যদি এ সুযোগটি পাওয়া যেত তাহলে হয়তো ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ গ্রাহকের পাওনা পরিশোধ করা সম্ভব হতো।’ বিষয়টি নিয়ে আইন মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যমান আইনের ৪২০ ধারায় (প্রতারণা) মামলা সহজেই জামিনযোগ্য বলে ই-কমার্সভিত্তিক আইনটি সংশোধনেরও দাবি উঠেছে। তবে সরকার ই-কমার্স বিষয়ে একটি নীতিমালা তৈরির কাজ করছে। আমরা ইভ্যালির বিষয়ের দায় এড়াচ্ছি না। আমরা এটিকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে চাই। আমরা ভাবছি কী করা যায়। কারণ, ই-কমার্স নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বহু মত রয়েছে।’

অনলাইনে কোরবানির গরু কিনতে গিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুই বছর আগে অনলাইনে কোরবানির গরু বেচাকেনার কার্যক্রম উদ্বোধন করতে গিয়ে আমি নিজেও প্রতারণার শিকার হয়েছিলাম। ই-কমার্স থেকে এক লাখ টাকার কোরবানির গরু কিনেছিলাম। টাকাও দিয়েছিলাম। কিন্তু ৫-৬ দিন পর জানানো হলো—আমাকে যে গরুটি দেখানো হয়েছিল, তা বিক্রি হয়ে গেছে। পরে আমাকে কম দামে অন্য একটি গরু দিয়েছিল এবং সঙ্গে একটি ছাগলও পেয়েছিলাম। গরু পাওয়ার আগে টাকা পরিশোধ করে আমি তাদের কাছে বন্দি হয়ে গিয়েছিলাম। তাই পরে ওরা যে গরু দিয়েছে, তা-ই নিয়েছি।’  

/এসআই/এপিএইচ/এমওএফ/   

সম্পর্কিত

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

শেয়ার বাজার চাঙা রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ বিএসইসির

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন যারা

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে প্রথম স্তরের সীমা বাড়তে পারে

সর্বশেষ

পর্যটন কর্মীদের শ্রম অধিকার আদায়ে সাত দফা দাবি

পর্যটন কর্মীদের শ্রম অধিকার আদায়ে সাত দফা দাবি

ছেলের জন্মদিনে আবেগাপ্লুত শাকিব খান

ছেলের জন্মদিনে আবেগাপ্লুত শাকিব খান

ট্রাফিক পুলিশের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের বাইকে আগুন দিলেন চালক

ট্রাফিক পুলিশের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের বাইকে আগুন দিলেন চালক

টেস্ট ক্রিকেট ছাড়ছেন মঈন আলী

টেস্ট ক্রিকেট ছাড়ছেন মঈন আলী

আ.লীগকে রাজনৈতিক সমঝোতায় আসার আহবান জোনায়েদ সাকির

আ.লীগকে রাজনৈতিক সমঝোতায় আসার আহবান জোনায়েদ সাকির

আফগানিস্তানে নারীর অধিকার লঙ্ঘনে জাতিসংঘের দফতরে সামনে বিক্ষোভ

আফগানিস্তানে নারীর অধিকার লঙ্ঘনে জাতিসংঘের দফতরে সামনে বিক্ষোভ

নওয়াজুদ্দিনের ডিকশনারিতে সুপারস্টারের অর্থটা অন্যরকম

নওয়াজুদ্দিনের ডিকশনারিতে সুপারস্টারের অর্থটা অন্যরকম

১৩ টাকা কেজিতে বিদ্যালয়ের বই বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক

১৩ টাকা কেজিতে বিদ্যালয়ের বই বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

বিইআরসি ছাড়া অন্য কারও এলপিজির দাম নির্ধারণের এখতিয়ার নেই: ক্যাব

‘বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে সহায়তা করবে সরকার’

‘বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে সহায়তা করবে সরকার’

টিসিবির পণ্য বিক্রির মেয়াদ বাড়লো  

টিসিবির পণ্য বিক্রির মেয়াদ বাড়লো  

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা নিয়ে এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইভ্যালির প্রতারণা বোঝাই যায়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

© 2021 Bangla Tribune