X
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে ঢাকার পথে রোগীরা

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২১, ২০:৩৩

পিরোজপুর সদর হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার মর্জিনা সুলতানা (৫৫)। হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন। তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে রেফার করেন। বুধবার (৭ জুলাই) দুপুরে মর্জিনা সুলতানাকে পিরোজপুর থেকে ঢাকা মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। এসব তথ্য জানিয়েছেন মর্জিনার মেয়ে সিনথিয়া শারমিন।

সাভারের নবীনগরের বাসিন্দা আসাদ মিয়ার স্ত্রী সালমা বেগম (৪০)। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন বলে জানান তার ছেলে শিমুল। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমে স্থানীয় ডাক্তার দেখিয়েছি। কিন্তু অবস্থার কোনও উন্নতি না হওয়ায়, সেখানকার সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে খুবই ভিড়। রোগী দেখাতে অনেক সময় লাগে। আবার ভর্তি করালে লকডাউনের মধ্যে বাসা থেকে যাতায়াতেও কষ্ট হবে। থাকা, খাওয়া ও যাতায়াতের অসুবিধার কথা ভেবেই মাকে বুধবার সকালে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে এসেছি। আমাদের আত্মীয়স্বজনও ঢাকায় থাকেন, এছাড়া এই হাসপাতালে সব ব্যবস্থা আছে।’

একইদিনে ঢাকা মেডিক্যালে এসেছেন টাঙ্গাইলের শফীপুরের বাসিন্দা মকবুল হোসেন (৫০)। তারও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে স্বজনরা প্রথমে তাকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানকার চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢামেক হাসপাতালে রেফার করেন। একারণে অ্যাম্বুলেন্সে করে মকবুল হোসেনকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে।

টাঙ্গাইল থেকে করোনা উপসর্গ নিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে আনা হয়েছে কৃষক মো মকবুলকে

বুধবার ঢাকা মেডিক্যালের করোনা ইউনিট ভবনের সামনে গিয়ে দেখা যায়, করোনার উপসর্গ নিয়ে ঢাকা এবং ঢাকার আশপাশের জেলাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে একের পর এক রোগী আসছেন। আবার অনেক রোগী চিকিৎসা নিয়ে চলেও যাচ্ছেন।

ঢাকা মেডিক্যালে সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় অনেক রোগীরই আইসিইউ বেডের প্রয়োজন হয়, কিন্তু সিরিয়াল দিয়েও বেড না পেয়ে কেউ কেউ প্রাইভেট হাসপাতালে যাচ্ছেন।

এমনই এক রোগীর মেয়ের সাথে কথা হয়। ওই রোগীর মেয়ে সুবর্ণা মোস্তফা জানান, তাদের বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায়। করোনা উপসর্গ নিয়ে তার মাকে গত ২১ জুন ঢামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করান। এখানে তার করোনা পজিটিভ ধরা পরে। চিকিৎসাধীন থাকাকালে তার মায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউতে নেওয়ার কথা বলেন। সুবর্ণা মোস্তফা বলেন, ‘আমরা ঢামেকের আইসিইউতে সিরিয়াল দিয়ে দুই দিন অপেক্ষা করেও পাইনি। এখন বাধ্য হয়ে মাকে প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি।’

আইসিইউ-এর অভাবে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের রোগী নেওয়া হচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালে

ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের করোনা ইউনিটে ভর্তির কাউন্টারে দায়িত্বরতদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ৩২ জন রোগী করোনা উপসর্গ ও করোনা পজিটিভ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জের রোগীই বেশী। এছাড়া ঢাকা, পাবনা, কিশোরগঞ্জ, বগুড়া, সাভারসহ বিভিন্ন জেলা থেকে রোগী এসেছেন। কাউন্টারে কর্মরত হাসপাতালের এক স্টাফ নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘ভর্তি বেশিরভাগ রোগীই বিভিন্ন জেলা থেকে আসা। তিনি জানান, অনেক রোগীই ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলা থেকে আসলেও ভর্তির সময় তাদের ঠিকানা ব্যবহার করেন ঢাকায় থাকা আত্মীয়ের।

ঢামেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক আশরাফুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে করোনা পজিটিভ ও করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের জন্য আইসিইউ ও এইচডিইউসহ মোট ৭৮০টি বেড রয়েছে। বর্তমানে রোগীর চাপ খুবই বেশী। বুধবার পর্যন্ত রোগী ভর্তি আছেন ৬৩০ জন।’ আইসিইউ বেডের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঢামেকে কোনও আইসিইউ বেড খালি নেই। কারণ, ভর্তি রোগীদের মধ্যে অনেকের আইসিইউর প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে একটি বেড ফাঁকা হলেই সিরিয়ালে থাকা এখানকার রোগীকে দেওয়া হয়।’

আশরাফুল আলম জানান, একটি বেডের জন্য অনেক রোগীর সিরিয়াল দেওয়া থাকে।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আইসিইউতে আগুনে পুরে যাওয়া ওয়ার্ডে নতুন করে বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। আশা করছি, আগামী সপ্তাহ থেকে চালু করতে পারবো। সেক্ষেত্রে আইসিইউ বেডের সংকট কিছুটা হলেও কাটবে।’

/ইউআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

অপরাধ দমনে ডিএমপি’র শ্রেষ্ঠ যারা

অপরাধ দমনে ডিএমপি’র শ্রেষ্ঠ যারা

অস্থায়ী গেট কিপারদের চাকরি রাজস্বকরণের দাবি

অস্থায়ী গেট কিপারদের চাকরি রাজস্বকরণের দাবি

বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা উল্টে একজন নিহত

বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা উল্টে একজন নিহত

স্কুল গেটে অভিভাবকদের জটলা, স্বাস্থ্যবিধিতে অনীহা!

স্কুল গেটে অভিভাবকদের জটলা, স্বাস্থ্যবিধিতে অনীহা!

বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপন নিয়ে ‘নতুন সংকট’

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫৫

৭টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার আরটি-পিসিআর ল্যাব বসাতে অনুমোদন দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।  বিমানবন্দরের উত্তর পাশের বহুতল কারপার্কিং ভবনের ছাদে ল্যাব স্থাপনের জন্য জায়গা নির্ধারণ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। তবে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে,  খোলা ছাদ ল্যাব  স্থাপনের জন্য উপযুক্ত নয়। অন্যদিকে এসব প্রতিষ্ঠানের স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) মানসম্মত কী না তা যাচাই করতে  সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাঠাতে হবে। ফলে কবে নাগাদ বিমানবন্দরে ল্যাব চালু হবে তার নির্ধারিত সময় জানাতে পারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের অনুমোদন পেয়েছে বিতর্কিতরাও

সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত বেবিচক প্রধান কার্যালয় ৭টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বেবিচক চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে এ সভায় ল্যাব স্থাপনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ল্যাব স্থাপনের সময়, জনবলসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানতে চায় বেবিচক। বর্তমানে বহুতল পার্কিং ভবনটি একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়া রয়েছে। ল্যাবগুলোকে ছাদ ব্যবহারের জন্য দৈনিক ৮০ হাজার টাকা ভাড়া দিতে হবে। এছাড়া বিদ্যুৎসহ অন্যান্য ইউটিলিটি খরচগুলো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হবে।

সূত্র জানায়,  ৭টি প্রতিষ্ঠানের স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) মানসম্মত কী না তা যাচাই করতে  সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাঠাতে হবে। আরব আমিরাত সেসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে আপত্তি না জানালে কাজ দেওয়া হবে। কোনও প্রতিষ্ঠানের এসওপি নিয়ে আপত্তি আসলে তাদের কাজ দেওয়া হবে না।

এদিকে বৈঠকে  খোলা ছাদে ল্যাব স্থাপন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ৭টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। খোলা ছাদে তাপমাত্রা, বাতাস  ল্যাবের পরীক্ষায় বিঘ্ন ঘটাবে। প্রতিষ্ঠানগুলো বেবিচকের কাছে, কার পার্কিং ভবনের ২য় তলায় ল্যাব স্থাপনের জন্য জায়গা বরাদ্দ দিতে অনুরোধ জানিয়েছে। এ বিষয়ে জয়নুল হক সিকদার ওমেন্স মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের চিফ মেডিক্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর সুব্রত সাহা বলেন, খোলা জায়গা বলে প্রতিবন্ধকতা আছে।  তাঁবু বা ভ্রাম্যমাণ শেড বসিয়ে সম্ভব হবে না। সেখানে এমনিতেই অনেক বাতাস, ঝড় বৃষ্টি হলে আরও সমস্যা।  পার্কিংয়ের ভবনের দ্বিতীয় তলায় হলে ল্যাব স্থাপন করা যাবে।

তবে বেবিচকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ল্যাব স্থাপনের জন্য ছাদেই জায়গা দেওয়া হবে তা আগে থেকেই জানানো হয়েছে। যারা কাজ করবে তাদের নিজেদের খরচেই ল্যাব স্থাপনের পরিবেশ তৈরি করে নিতে হবে।  কোনও প্রতিষ্ঠান চাইলে এখনও সরে যেতে পারে। কার্যাদেশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময় ল্যাব স্থাপন না করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান বলেন, বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার জন্য ৭টি প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমোদন পেয়েছে। এখন তারা বিমানবন্দর এবং যে দেশে যাত্রী যাবে তাদের স্ট্যান্ডার্ড মিট করে কীনা তা যাচাই করা হবে। ইউএইতে বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন বিমানবন্দরে যে প্রতিষ্ঠানগুলো ল্যাব স্থাপন করবে, তাদের এসওপি ইউএই'র সম্মতি লাগবে। এজন্য ৭টি প্রতিষ্ঠানকে শুক্রবার ১২ টার মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) জমা দিতে বলা হয়েছে। এগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাঠানো হবে, তার আপত্তি না জানালে কাজের অনুমতি দেওয়া হবে।

পরীক্ষার ফি প্রসঙ্গে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন,  একেক প্রতিষ্ঠান একেক রকমের ফি নির্ধারণ করেছে। আমরা তাদের প্রস্তাবিত ফি এর মধ্যে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন এর মাঝামাঝি একটা ফি নির্ধারণ করতে বলেছি। 

আবেদনের উল্লেখিত সময়ে ল্যাব স্থাপনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান বেবিচক চেয়ারম্যান। 

গত বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ৭টি প্রতিষ্ঠানকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার আরটি-পিসিআর ল্যাব বসাতে অনুমোদন দেয় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।স্টেমজ হেলথ কেয়ার (বিডি) লিমিটেড ঢাকা, সিএসবিএফ হেলথ সেন্টার, এএমজেড হাসপাতাল লিমিটেড, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জয়নুল হক সিকদার ওমেন্স মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল, গুলশান ক্লিনিক লিমিটেড ও ডিএমএফআর মলিকুলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক- এই সাতটি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রস্তাব করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

এই সাতটি নির্বাচিত ল্যাবকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড অপারেশন প্রসিডিউর-এর আলোকে ল্যাব স্থাপনের প্রয়োজনীয় স্থান বরাদ্দসহ আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেবিচক  চেয়ারম্যানকে অনুরোধ জানায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।  একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজ করার নির্দেশ জারি করতে স্বাস্থ্য অধিদফতরকে  অনুরোধ করা হয়।

জানা গেছে, এই সাতটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্টেমজ হেলথ কেয়ার তিন দিনের মধ্যে ল্যাব স্থাপন করতে পারবে বলে জানিয়েছে। তারা নমুনা পরীক্ষার মূল্য নির্ধারণ করেছে দুই হাজার টাকা। সিএসবিএফ হেলথ সেন্টারের ল্যাব স্থাপনে সময় লাগবে পাঁচ দিন, নমুনা পরীক্ষার খরচ নেবে এক হাজার ৮৫০ টাকা। 

এছাড়া, এএমজেড হাসপাতাল পাঁচ দিনে ল্যাব স্থাপন করতে পারবে, নমুনা পরীক্ষায় খরচ নেবে এক হাজার ৮০০ টাকা। আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চার দিনে ল্যাব স্থাপন করতে পারবে বলে জানিয়েছে। তারা নমুনা পরীক্ষার খরচ দেখিয়েছে ২ হাজার টাকা। জয়নুল হক সিকদার ওমেন্স মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব স্থাপনে ছয় দিন চেয়েছে এবং খরচ চেয়েছে ১ হাজার ৭০০ টাকা। পাঁচ দিনে ল্যাব স্থাপন করতে পারবে বলে জানিয়েছে গুলশান ক্লিনিক, যাদের নমুনা পরীক্ষার খরচ এক হাজার ৭৫০ টাকা আর ডিএমএফআর ল্যাব স্থাপন করতে সময় চেয়েছে চার দিন, যেখানে নমুনা পরীক্ষার খরচ দুই হাজার ৩০০ টাকা।

/এমআর/

সম্পর্কিত

বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের অনুমোদন পেয়েছে বিতর্কিতরাও

বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের অনুমোদন পেয়েছে বিতর্কিতরাও

বিমানবন্দরে অবৈধ ভিওআইপি কলিং কার্ডসহ যাত্রী আটক

বিমানবন্দরে অবৈধ ভিওআইপি কলিং কার্ডসহ যাত্রী আটক

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও বিমানবন্দরে ল্যাব স্থাপনে বিলম্ব কেন

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও বিমানবন্দরে ল্যাব স্থাপনে বিলম্ব কেন

পাচার হচ্ছিল সাড়ে ১২ কোটি টাকা সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা

পাচার হচ্ছিল সাড়ে ১২ কোটি টাকা সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা

আজ সিনোফার্মের ৪ লাখ ৩৬ হাজার ডোজ দেওয়া হয়েছে

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫০

দেশে এখন পর্যন্ত টিকা এসেছে ৪ কোটি ৪৫ লাখ ৮৫ হাজার ৮০ ডোজ। এর মধ্যে ৩ কোটি ৬২ লাখ ৪৩ হাজার ১৫ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এই মুহূর্তে ৮৩ লাখ ৪২ হাজার ৬৫ ডোজ টিকা মজুত আছে। এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ২ কোটি ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৪৫৮ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ১ কোটি ৪৩ লাখ ৯০ হাজার ৯৫৭ জন।

এগুলো দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকা, চীনের তৈরি সিনোফার্ম, ফাইজার এবং মডার্নার ভ্যাকসিন। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেওয়া তথ্য মতে, আজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৪ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৮৭৯ জনকে।

পাশাপাশি আজ ফাইজারের প্রথম ডোজ এবং দ্বিতীয় ডোজ কাউকে দেওয়া হয়নি।

এছাড়া সিনোফার্মের টিকা আজ প্রথম ডোজ নিয়েছেন দুই লাখ ৭৬ হাজার ৬৮৯ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১ লাখ  ৫৯ হাজার ৬১৮ জন। 

মডার্নার টিকা আজ প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৪ হাজার ৩১২ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ১৭ হাজার ৭২৫ জনকে।

এছাড়া এখন পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন ৪ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার ৩৭৯ জন।

 

/এসও/এফএএন/

সম্পর্কিত

ডেঙ্গুতে আরও ২৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি 

ডেঙ্গুতে আরও ২৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি 

অবৈধ পদোন্নতির হিড়িক স্বাস্থ্য অধিদফতরে

অবৈধ পদোন্নতির হিড়িক স্বাস্থ্য অধিদফতরে

দ্বিতীয় ডোজের আওতায় ১ কোটি ৪২ লাখ মানুষ

দ্বিতীয় ডোজের আওতায় ১ কোটি ৪২ লাখ মানুষ

মেডিক্যাল সংক্রান্ত পুরনো দুটি আইন বাতিলে সংসদে বিল পাস

মেডিক্যাল সংক্রান্ত পুরনো দুটি আইন বাতিলে সংসদে বিল পাস

কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনের আগাম জামিনের আবেদন

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২১

সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক পাঠান আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন। আবদুল খালেক পাঠান ছাড়াও তার স্ত্রী এবং তিন সন্তানও দুদকের দায়ের করা মামলায় জামিন আবেদন করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুদকের আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হতে পারে।

এর আগে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. শফি উল্লাহ বাদী হয়ে পৃথক ৫টি মামলা দায়ের করেন। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে ১৮৩ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার ২৬৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৯৬ কোটি ২৯ লাখ ৭২ হাজার ৭৩৯ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

জানা গেছে, আবদুল খালেক পাঠান, তার স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় তাদের নামে পৃথক পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাঁচ মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারাসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২ এর ৪ (২) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।  

/বিআই/এমআর/

সম্পর্কিত

দুবলার চর থেকে খুলনা পর্যন্ত কাঁকড়া পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা অবৈধ: হাইকোর্ট

দুবলার চর থেকে খুলনা পর্যন্ত কাঁকড়া পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা অবৈধ: হাইকোর্ট

নারী ও শিশু পাচার চক্রের নারী সদস্য গ্রেফতার

নারী ও শিশু পাচার চক্রের নারী সদস্য গ্রেফতার

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

দুবলার চর থেকে খুলনা পর্যন্ত কাঁকড়া পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা অবৈধ: হাইকোর্ট

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১৮

সুন্দরবনের দুবলার চর এবং ওই এলাকা থেকে খুলনা পর্যন্ত সরকার ঘোষিত রুটে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় কাঁকড়া পরিবহনে বন অধিদফতরের তথা সরকারের নিষেধাজ্ঞা অবৈধ বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত তার রায়ে আরও বলেছেন, এই রায় অপব্যবহার করে কেউ যাতে ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ঢুকতে না পারে সেজন্য নির্দেশনা থাকবে।

এর ফলে সরকারের নির্ধারিত রুটে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বাইরে থেকে কাঁকড়া সংগ্রহ করে তা ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে খুলনায় আনা যাবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পর্যবেক্ষণসহ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট চঞ্চল কুমার বিশ্বাস ও অ্যাডভোকেট আল ফয়সাল সিদ্দিকী। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

পশুর নদী ব্যবহার করে নিবন্ধিত ট্রলারে দুবলার চর থেকে সব ধরনের মাছ পরিবহনের অনুমতি রয়েছে বন বিভাগের। তবে সেখানে কাঁকড়া বহনের অনুমতি দেওয়া হচ্ছিল না। ফলে কাঁকড়া ধরার পর খুলনায় আনতে দেরি হওয়ায় অনেক কাঁকড়া মারা যেত। এ অবস্থায় অন্যদের মতো ইঞ্জিনচালিত নৌকায় কাঁকড়া পরিবহনের অনুমতি চেয়ে ২০১৮ সালের ১২ আগস্ট প্রধান বন সংরক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে আবেদন করেন দাকোপ ও বটিয়াঘাটাসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় কাঁকড়া আহরণকারী জেলেরা।

কিন্তু বন বিভাগ ওই আবেদনে সাড়া না দেওয়ায় জেলেরা ওই বছরই হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। পরে হাইকোর্ট ৩০ দিনের মধ্যে ওই আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। এরপর বন বিভাগ থেকে ২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর আবেদনকারীদের জানায় যে, কাঁকড়া পরিবহনের অনুমতি দেওয়া হবে না।

এরপর বন বিভাগের ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে জাহান আলী গাজীসহ ৮ জন ব্যক্তি ২০১৯ সালে আবারও রিট দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেন আদালত। এরপর সে রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে রায় ঘোষণা করলেন হাইকোর্ট।

 

 

/বিআই/আইএ/

সম্পর্কিত

কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনের আগাম জামিনের আবেদন

কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনের আগাম জামিনের আবেদন

নারী ও শিশু পাচার চক্রের নারী সদস্য গ্রেফতার

নারী ও শিশু পাচার চক্রের নারী সদস্য গ্রেফতার

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

ইভ্যালির গ্রাহকরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে: টিক্যাব

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৪৫

ইভ্যালির গ্রাহকরা যাতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে টেলি কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিক্যাব)।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অর্থ আত্মসাতের মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল গ্রেফতার হওয়ার পরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ আহ্বান জানান টিক্যাবের আহ্বায়ক মুর্শিদুল হক। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানায় সংগঠনটি।

সংগঠনের আহ্বায়ক মুর্শিদুল হক বলেন,জুলাই মাসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক জানায় ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭ দশমিক ১৮ কোটি টাকা। গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম বাবদ ২১৩ দশমিক ৯৪ কোটি টাকা এবং মার্চেন্টদের কাছ থেকে ১৮৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকার মালামাল বাকিতে গ্রহণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তিনি আরও বলেন, ইভ্যালি চেয়ারম্যান ও এমডির গ্রেফতারে এ প্রতিষ্ঠানে অর্থ আটকে থাকা গ্রাহকরা তাদের অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে আতঙ্কিত। টিক্যাবের আহ্বায়ক বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষায় ৩ দফা দাবি জানিয়েছেন।

/এইচএএইচ/ এফএএন/

সম্পর্কিত

অপরাধ দমনে ডিএমপি’র শ্রেষ্ঠ যারা

অপরাধ দমনে ডিএমপি’র শ্রেষ্ঠ যারা

জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠনের দাবি

জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠনের দাবি

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

সৌদি বসে ঢাকার ভিওআইপি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ 

সৌদি বসে ঢাকার ভিওআইপি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ 

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

অপরাধ দমনে ডিএমপি’র শ্রেষ্ঠ যারা

অপরাধ দমনে ডিএমপি’র শ্রেষ্ঠ যারা

অস্থায়ী গেট কিপারদের চাকরি রাজস্বকরণের দাবি

অস্থায়ী গেট কিপারদের চাকরি রাজস্বকরণের দাবি

বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা উল্টে একজন নিহত

বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা উল্টে একজন নিহত

স্কুল গেটে অভিভাবকদের জটলা, স্বাস্থ্যবিধিতে অনীহা!

স্কুল গেটে অভিভাবকদের জটলা, স্বাস্থ্যবিধিতে অনীহা!

বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের অনুমোদন পেয়েছে বিতর্কিতরাও

বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের অনুমোদন পেয়েছে বিতর্কিতরাও

৭ প্রতিষ্ঠানকে বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব বসাতে অনুমোদন

৭ প্রতিষ্ঠানকে বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব বসাতে অনুমোদন

সেজান জুস কারাখানায় অগ্নিকাণ্ড, এখনও মর্গে অজ্ঞাত ৭ মরদেহ

সেজান জুস কারাখানায় অগ্নিকাণ্ড, এখনও মর্গে অজ্ঞাত ৭ মরদেহ

বোমা বানাতে গিয়ে আহত শফিকুলের মৃত্যু

বোমা বানাতে গিয়ে আহত শফিকুলের মৃত্যু

পীর সিন্ডিকেটের মামলা থেকে মুক্তি চেয়ে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন

পীর সিন্ডিকেটের মামলা থেকে মুক্তি চেয়ে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন

সর্বশেষ

এক দশক পর ভেলভেট উইংস (ভিডিও)

এক দশক পর ভেলভেট উইংস (ভিডিও)

নেতাদের ‘চিন্তা বিনিময়’ থেকে কতটা ‘শিক্ষা’ নেবে বিএনপি?

৩ দিনব্যাপী বৈঠক অনুষ্ঠিতনেতাদের ‘চিন্তা বিনিময়’ থেকে কতটা ‘শিক্ষা’ নেবে বিএনপি?

কয়েদিদের প্রেমের সম্পর্কে জড়ানো নিষিদ্ধ করলো ডেনমার্ক

কয়েদিদের প্রেমের সম্পর্কে জড়ানো নিষিদ্ধ করলো ডেনমার্ক

বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ  

বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ  

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বাজারটি

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বাজারটি

© 2021 Bangla Tribune